শেয়ার বাজার

১৯ ইউনিটের প্রচেষ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

১৯ ইউনিটের প্রচেষ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন

গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রতিষ্ঠানটির ইউনিট-২-এ আগুনের সূত্রপাত হয়।

পরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের আরেকটি চারতলা ভবনে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট। 

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের একটি ভবনে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন পাশের পেনসিলিং ভবনের চারতলায় ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতায় কারখানার ভেতরে থাকা বিভিন্ন মালপত্র পুড়ে যাচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগুনের প্রচণ্ড তাপ ও ঘন ধোঁয়ার কারণে এলাকায় অবস্থান করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর সঙ্গে রাসায়নিকের তীব্র গন্ধ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। আগুনের ব্যাপকতা বাড়তে থাকায় পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন স্টেশন থেকে অতিরিক্ত ইউনিট আনা হয়। বর্তমানে ১৪টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার শাহিন আলম জানান, সকাল সোয়া ১০টার দিকে এসেনসিয়াল ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কারখানায় আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। 

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, আগুনের লেলিহান শিখা অত্যন্ত তীব্র হওয়ায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কারখানার ভেতরে কেমিক্যাল ও বিভিন্ন উপকরণ থাকায় অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে ঘটনাস্থল থেকে জানা গেছে। আগুনের তীব্র তাপ ও কেমিক্যালের গন্ধে আশপাশের পরিবেশ অস্বস্তিকর হয়ে পড়েছে। আগুনের কারণে কী ধরনের রাসায়নিক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এমতাবস্থায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের আগুন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। আগুন যাতে পাশের ভবন ও আশপাশের অন্যান্য স্থাপনায় আরও ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্যও চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এদিকে আগুন লাগার পরপরই কারখানার ভেতরে থাকা পানির ব্যবস্থা ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়। তবে একপর্যায়ে পানির সংকট দেখা দেয় বলে ঘটনাস্থল থেকে জানা গেছে। পরে গাজীপুর, টঙ্গী, উত্তরা ও আশপাশের বিভিন্ন স্থান থেকে পানিবাহী গাড়ি এনে আগুন নেভানোর কাজে সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুর, টঙ্গী, উত্তরা ও আশপাশের বিভিন্ন ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে আসা ১৬টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। কারখানার পাশাপাশি পাশের ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আগুনের কারণ, হতাহতের সম্ভাব্য সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

জুয়েলারি ব্যবসায়ীসহ দুজনকে গুলি করে ২০–২৫ ভরি সোনা ছিনতাই

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জুয়েলারি ব্যবসায়ীসহ দুজনকে গুলি করে ২০–২৫ ভরি সোনা ছিনতাই

ঢাকার কেরানীগঞ্জের হযরতপুরে আজ সোমবার সন্ধ্যায় জুয়েলারি ব্যবসায়ীসহ দুজনকে গুলি করে ২০ থেকে ২৫ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গুলিবিদ্ধ দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহত দুজন হলেন অন্তর সরকার (২৫) ও তাঁর ফুফাতো ভাই রাজিব সরকার (২০)। তাঁদের দুজনের পায়ে গুলি লেগেছে।

আহত অন্তর সরকার বলেন, হযরতপুর বাজারে তাঁদের জুয়েলারির দোকান রয়েছে। সন্ধ্যায় দোকান বন্ধ করে বাবা নিতাই সরকারসহ তাঁরা তিনজন স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে অটোরিকশায় করে বাসার উদ্দেশে রওনা হন। আনুমানিক সাড়ে সাতটার দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে তিনজন করে এবং একটি সিএনজি অটোরিকশায় থাকা কয়েকজন তাঁদের অটোরিকশার গতিরোধ করে। এরপর তারা গুলি করে এবং সোনার গয়না রাখা টিফিনবাক্সটি নিয়ে যায়।

অন্তর বলেন, ওই টিফিনবাক্সে ২০ থেকে ২৫ ভরি সোনা ছিল। ছিনতাইকারীরা চলে যাওয়ার সময় পাঁচ থেকে ছয়টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

কেরানীগঞ্জ থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) মনজিয়া বেগম বলেন, গুলি করে সোনা ছিনতাইয়ের একটি ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল গেছে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম হোসেন জানান, আহত দুজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন। তাঁদের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার আটিপাড়ায়।


চিলাহাটিতে কুকুরের আতঙ্ক, স্কুলগামী শিশুরাও নিরাপদ নয়

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চিলাহাটিতে কুকুরের আতঙ্ক, স্কুলগামী শিশুরাও নিরাপদ নয়

নীলফামারীর চিলাহাটি বাজার ও আশপাশের এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে। বিশেষ করে রাতে দলবদ্ধ কুকুরের চলাচলে আতঙ্কে রয়েছেন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে স্কুলগামী শিশুদের চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


স্থানীয়রা জানান, চিলাহাটির বিভিন্ন সড়ক ও বাজার এলাকায় দলবদ্ধভাবে কুকুর ঘোরাফেরা করে। রাতে পথচারীদের পিছু নেওয়া ও তাড়া করার ঘটনায় অনেকেই আতঙ্কের মধ্যে চলাচল করেন। শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কয়েকটি গৃহপালিত প্রাণী কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়েছে বলেও জানান তারা।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কুকুরের উপদ্রব থাকলেও এটি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। তাদের দাবি, জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। বিশেষ করে স্কুলগামী শিশু ও রাতে চলাচলকারী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


পটুয়াখালীতে ২১ হাজার কেজি ভারতীয় জিরাসহ কার্গো বোট জব্দ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

পটুয়াখালীতে ২১ হাজার কেজি ভারতীয় জিরাসহ কার্গো বোট জব্দ

চোরাচালানবিরোধী অভিযানে পটুয়াখালীতে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা ২১ হাজার কেজি জিরাসহ একটি কার্গো বোট জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। জব্দকৃত জিরার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৪ অক্টোবর রাত ২টার দিকে পটুয়াখালী সদর থানাধীন লোহালিয়া নদীসংলগ্ন পালপাড়া এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন পটুয়াখালীর একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক একটি কার্গো বোটে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ভারত থেকে অবৈধভাবে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আনা ২১ হাজার কেজি জিরা পাওয়া যায়। পরে জিরাসহ কার্গো বোটটি জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জিরার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

জব্দকৃত জিরা ও কার্গো বোটের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পটুয়াখালী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা আরও জানান, চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ডের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।