শেয়ার বাজার

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি, এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১১৮ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। 

বুধবার (২৭ মে) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। 

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ২, ময়মনসিংহে ২ এবং রাজশাহী বিভাগে ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, নতুন করে ঢাকা বিভাগে ৫৬৩, রাজশাহীতে ৫১, সিলেটে ৩০, বরিশালে ১৩৭, চট্টগ্রামে ১৭৫, ময়মনসিংহে ৬২, খুলনায় ৭৮ এবং রংপুর বিভাগে ২১ জন রোগী হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।    

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার (২৭ মে) পর্যন্ত দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে ৫৬০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

ডেঙ্গু মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৫ লাখ কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

ডেঙ্গু মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৫ লাখ কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশে চলমান ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় রোগী শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় সহায়তা হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত স্ট্রাইডস কার্যক্রমের মাধ্যমে পাঁচ লাখ ডেঙ্গু এনএসআই র‍্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট কিট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

রাজধানীর (১ অক্টোবর) কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে এসব কিট হস্তান্তর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তৃষিতা মওলা। 

এ সময় ডেঙ্গু টেস্টিং কিটগুলো দ্রুত দেশজুড়ে বিতরণের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যানজট ও যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে হস্তান্তর অনুষ্ঠানটি কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে আয়োজন করা হয়েছে। তবে হস্তান্তর করা সব কিট সরাসরি কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (সিএমএসডি) জমা হবে। পরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে চাহিদা অনুযায়ী দেশের সব জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে এসব কিট পৌঁছে দেওয়া হবে।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নতুন পাওয়া কিটের পাশাপাশি সরকারি খাতেও বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডেঙ্গু অ্যান্টিজেন কিট ও আইভি স্যালাইন মজুত রয়েছে। ফলে দেশের যেকোনো অঞ্চলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

বাংলাদেশে ডেঙ্গু ভ্যাকসিন চালুর বিষয়ে সরকারের চিন্তাভাবনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভ্যাকসিনটির ব্যয় বেশি হওয়ায় এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এ বিষয়ে ডব্লিউএইচও, ইউনিসেফ ও গ্যাভির সঙ্গে আলোচনা চলছে। আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা অনুসরণ করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান, কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুর রহমান, মার্কিন দূতাবাস এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সিলেটে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা) দেশে আরও দুই শিশু মারা গেছে। আর এ সময়ে ৯৬১ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। হামে আক্রান্ত হয়েছে ১০৮ শিশু। মোট ১ হাজার ৬৯ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।

আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, হামের উপসর্গে দুই শিশু সিলেটে মারা গেছে।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৩৭৯ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৭৪ শিশু। হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৪৫৩ শিশু মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৫৬ হাজার ৫৭২ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪১ হাজার ২৮ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৩৬ হাজার ৬৪৫ শিশু বাড়ি ফিরেছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে ৭ হাজার ৫২৪ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


চলতি বছর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত পাঁচজনই মারা গেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

চলতি বছর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত পাঁচজনই মারা গেছেন

চলতি বছর ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত দেশে নিপাহ ভাইরাসে পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছেন এবং পাঁচজনই মারা গেছেন। অর্থাৎ ২০২৪ সালে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু শতভাগ। অন্যদিকে ২০২৩ সালে নিপাহ ভাইরাসে ১৩ জন আক্রান্ত হয়ে মারা যান ১০ জন। এতে ওই বছর এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুহার ছিল ৭৭ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) আয়োজিত নিপাহ ভাইরাসের বিস্তার এবং ঝুঁকি বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন নিপাহ ভাইরাসের বিস্তার এবং ঝুঁকিবিষয়ক একটি তথ্যনির্ভর উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, এ বছর আক্রান্ত পাঁচজনের মাঝে দুজন শিশুসহ চারজন পুরুষ ও একজন নারী। এদের মধ্যে দুইজন মানিকগঞ্জের বাসিন্দা। বাকি তিনজনের বাড়ি খুলনা, শরীয়তপুর ও নওগাঁয়।

বক্তারা বলেন, খেজুরের কাঁচা রস থেকে নিপাহ ভাইরাস মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়। শীতকালে খেজুরের রস খাওয়ার সুযোগ থাকে। আর এই নিপাহ ভাইরাস এ কারণে এ সময়েই ছড়ায় বেশি। নিপাহ একটি মারাত্মক রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস। নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রায় ৭১ শতাংশ রোগীই মারা যান। তাই প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকতে মানুষকে সাবধান হতে হবে।