শেয়ার বাজার

চান্দিনায় মহাসড়কে ৪ গাড়ির সংঘর্ষ, হতাহত নেই

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চান্দিনায় মহাসড়কে ৪ গাড়ির সংঘর্ষ, হতাহত নেই

চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চান্দিনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস, দুটি হাইয়েস মাইক্রোবাস ও একটি সিমেন্টবাহী ট্রাকের মধ্যে চতুর্মুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো যাত্রী হতাহত হননি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মাধাইয়া ইউনিয়নের কুটুম্বপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে কুটুম্বপুর এলাকায় দ্রুতগতির একটি অজ্ঞাতনামা হাইয়েস মাইক্রোবাস আকস্মিক ব্রেক করে। এ সময় পেছনে থাকা ক্রাউন সিমেন্টবাহী একটি খোলা ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-উ-১১-৩১১৫), অপর একটি হাইয়েস মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-৯৮০৩) এবং সেন্টমার্টিন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস (রেজি. নং ১১-০২৬৪) পরপর সজোরে ধাক্কা খায়।

সংঘর্ষে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলোর সামনের ও পেছনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সরকারি রেকারের সহায়তায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলো মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেয়। পরে ওই লেনে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ইলিয়টগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফ উদ্দিন জানান, সন্ধ্যায় কুটুম্বপুর এলাকায় কয়েকটি যানবাহনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে যানবাহনগুলোর ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো যাত্রী হতাহত হননি। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িগুলো দ্রুত সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ায় বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে।

টাঙ্গাইলে মাদরাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতন, শিক্ষক আটক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

টাঙ্গাইলে মাদরাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতন, শিক্ষক আটক

টাঙ্গাইলে ৯ বছরের এক মাদরাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছে শিশুটি। ইতোমধ্যে পুলিশ অভিযুক্ত মাদরাসাশিক্ষক হাফেজ হানিফ আলীকে আটক করেছে। বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের ওই মাদরাসায় হাফেজ হওয়ার আশায় ৯ বছরের এক শিশু ভর্তি হয়। ছয় পারা কোরআন মুখস্থও করে সে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে পড়া শেষ করে নিজের কক্ষে শিশুটিকে ডেকে নিয়ে মাথার চুল টেনে দিতে বলেন হাফেজ হানিফ আলী। পরে মধ্যরাতে তাকে নির্যাতন করে নিজের কাছেই রেখে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কাউকে বললে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় শিশুটিকে। পরদিন শুক্রবার অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে ফিরে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনার কথা জানায়। পরে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হলে তারা মাদরাসায় গিয়ে ঘটনার বিচার দাবি করেন।
ভুক্তভোগীর মা অভিযোগ করে বলেন, ছেলেকে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার জন্য মাদরাসায় পাঠিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমার নিষ্পাপ সন্তান এমন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। যে ব্যক্তি আমার ছেলের সঙ্গে এমন নোংরা কাজ করেছে, আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। এমন শাস্তি চাই, যাতে আর কোনো মায়ের কোমল শিশুর সঙ্গে কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়।ঘটনার খবর সামাজিকভাবে ছড়িয়ে পড়লে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) মাদরাসা কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষক হানিফকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও ওই মাদরাসায় একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। তাদের অভিযোগ, সে সময় অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছিলেন বর্তমান অভিযুক্ত শিক্ষক হানিফ। তবে আগের ঘটনায় সতর্ক হলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতো না বলে মন্তব্য করেন তারা।

ঘটনার পুনরাবৃত্তির অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। তারা মাদরাসায় শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মাদরাসার সভাপতি কাওসার আহম্মেদ কায়েস বলেন, আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে অভিযোগটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।

ভুক্তভোগীর চাচা বলেন, আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। একটি শিশুর সঙ্গে এমন ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং দায়ী ব্যক্তির সর্বোচ্চ আইনগত শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোকসেদুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


বঙ্গবন্ধু ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইনসে এক ভিভিআইপি ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৪

বঙ্গবন্ধু ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইনসে এক ভিভিআইপি ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: আগামীকাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী। সারাদেশে দিনটি জাতীয় শিশু কিশোর দিবস হিসাবে উদযাপিত হবে। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

দিবসটি উদযাপনে আগামীকাল দেশের সকল সরকারি,আধা-সরকারি,স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু কিশোর দিবস উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধীসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আগামীকাল ১৭ই মার্চ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি  জনাব মোঃ সাহাবুদ্দিন মহোদয় ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি মহোদয় এর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আগমন উপলক্ষ্যে  গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইনসে এক ভিভিআইপি ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। 

উক্ত ব্রিফিং প্যারেডে সভাপতিত্ব করেন সুযোগ্য পুলিশ সুপার আল-বেলী আফিফা পিপিএম । 

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত)(প্রশাসন ও অর্থ), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত)(ক্রাইম এন্ড অপস্), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( সদর সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল), সহকারী পুলিশ সুপার( ক্রাইম এন্ড অপস্), গোপালগঞ্জসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট থেকে আগত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং অফিসার-ফোর্সগণ।


শিশু রামিসার বাবা অমূলক কিছু বলেননি: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

শিশু রামিসার বাবা অমূলক কিছু বলেননি: আইনমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মাগুরার আছিয়া, ঢাকার রামিসা- সবকিছুই আমাদের মানুষত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এমন অপরাধ কোনোভাবেই আনচ্যালেঞ্জড হতে দেবো না।’
 
আছিয়ার মামলায় এখনো ফাঁসি কার্যকর হয়নি উল্লেখ করে বলেন, ‘রামিসার বাবা অমূলক কিছু বলেননি। বিচার ব্যবস্থার মামলার জট নিরসনে পদক্ষেপ নেবো। আছিয়ার মামলায় সাত দিনের মধ্যে চার্জশিট দিয়েছিলাম, এক মাসে ট্রায়াল শেষ হয়েছিল।’
 
মামলার গুরুত্ব অনুধাবন করে পেপার বুক করা উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আছিয়া এবং রামিসার হত্যার বিচার আশাকরি দ্রুত হবে। বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য যা কিছু করার, করবো।’
 
পুলিশ কমিশনারকে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলেছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিচার প্রক্রিয়াকে অতিদ্রুত করতে পারলে রামিসার বাবার প্রশ্নের জবাব দিতে পারব। কার্যকর করা সুপ্রিম কোর্টের হাতে। বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে পারি না।’
 
এসব ঘটনা ঘুনেধরা সমাজের কথা মনে করিয়ে দেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহার হবে না, আজকে সিদ্ধান্ত হয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে এর বিচার হবে।
প্রসিকউশন টিম এই মামলা ফাস্ট ট্রাকে নেবে, আশাকরি আদালত সহযোগিতা করবে।’
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার (৭) মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে সোহেল রানা।
 
শিশুটি স্থানীয় একটি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। তার বাবা একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। পরিবারটি প্রায় ১৭ বছর ধরে পল্লবীতে বসবাস করে আসছেন। মেয়েকে হারিয়ে আহাজারি করতে থাকা সেই বাবার কিছু বক্তব্য সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
 
তিনি বলেন, ‘আমি কিছুই চাই না। কারণ বিচার আপনারা করতে পারবেন না। আপনাদের এই ধরনের কোনো রেকর্ড নাই। আপনারা পারবেন না।’
 
তাকে আরও বলতে শোনা গেছে, ‘আমার মেয়েও ফিরে আসবে না। আপনারা বিচার করতে পারবেন? পারবেন না। আপনারা কোনো এক্সাম্পল দাঁড় করাতে পারবেন? পারবেন না। আমার থেকে স্ট্যাম্পে লিখিত নেবেন? পারবেন না, আপনারা পারবেন না। এটা বড়জোর ১৫ দিন। তারপর আরেকটা বড় কোনো ঘটনা আসবে। এটা ধামাচাপা পড়ে যাবে। শেষ এটা। আমি দেখতেছি। আমার বয়স ৫৫। কোনো এক্সাম্পল আছে? দিতে পারবেন?’