শেয়ার বাজার

চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলমান এবং তা আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চাঁদাবাজদের তালিকা সরকারের কাছে রয়েছে- তথ্য উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজদের তালিকা করা পুলিশের নিয়মিত কাজ। এ তালিকায় সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের নামও থাকে। তালিকাগুলো নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়।‘নতুন করে তালিকা করা হয়েছে এমন কিছু নয়। তবে নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটাই প্রশ্ন। আপনারা পত্রিকায় নিয়মিত দেখবেন, পুলিশ বিভাগে এসব অপরাধী, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এটা অব্যাহত আছে এবং আরও জোরদার করা হবে।’ যোগ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল ও চাঁদাবাজির ঘটনায় ৩৮ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না। আমরা যে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে, অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে ট্রিট করছি।

রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সরকারের দায় আছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দায়ভার তখন থাকে, যখন কোনো ঘটনার কোনো অ্যাকশন আমরা নেই না, তখন। পুলিশ যখন ব্যর্থ হয়, তখন। এখানে পুলিশের ব্যর্থতাও নাই, সরকারের ব্যর্থতাও নাই।
মিরপুরের ঘটনায় একজন সংসদ সদস্যের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, এই ঘটনায় আপনারা জানেন একজন পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলা পাওয়া গেছে। তাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিং শুরু হয়েছে।

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তিনি বলেন, অপরাধীদের কারও রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে, কিন্তু সেটিকে আমলে নেওয়া হবে না। এরই মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে ভারতকে ছাড় দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে ভারতকে ছাড় দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করবে বাংলাদেশ। তবে এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীতে ‘পানির ভবিষ্যৎ পুনর্বিবেচনা, যুব নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতা’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, পানি চুক্তি নবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশে একটি কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে দ্রুত সংলাপ শুরুর আশা করছে সরকার।

তিনি বলেন, পানির অধিকার আদায়ে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক আইন ও জনগণের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। এ অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।


হুমায়ুন কবির আরও বলেন, গত ১৫ বছরের ‘অন্ধকার যুগে’ বাংলাদেশ আর কখনো ফিরে যাবে না।


কেশরহাটে অনুমোদনহীন সমিতির উচ্চ সুদে সর্বশান্ত অনেক পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২৪

কেশরহাটে অনুমোদনহীন সমিতির উচ্চ সুদে সর্বশান্ত অনেক পরিবার

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে অনুমোদনহীন ব্যবসায়িক সমিতির আড়ালে চলছে উচ্চ হারে সুদের রমরমা ব্যবসা। সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অসহায় মানুষের সাথে প্রতারণা করে চালানো হচ্ছে এই সুদের কারবার। বড় অংকের সুদের কারণে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে নিম্ন পর্যায়ের দিনমজুরেরা হচ্ছেন সর্বশান্ত ।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, কেশরহাট পৌরসভার গোপইল গ্রামের সাজ্জাদ মাষ্টারের ছেলে রাজু। একসময় ছিলেন মুদি দোকানদার। মুদি ব্যবসার আড়ালে তিনি ফেন্সিডিলের ব্যবসাও করতেন এবং নকল সিগারেট ও ফেন্সিডিল’সহ বেশ কয়েকবার আটকও হয়েছিলেন মোহনপুর থানায়।

এরপর তিনি কোন সনদপত্র না নিয়েই কেশরহাটে ‘সাফল্য সমবায় সমিতি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান খুলে বসেন। সুদ বইয়ের মাধ্যমে রাজু তার অবৈধ দাদন ব্যবসাকে বৈধ দেখিয়ে মোহনপুর-কেশরহাটের সাধারন মানুষদের প্রতারিত করছেন। সাধারণ মানুষ প্রতারিত হলেও দিন দিন আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে গেছে রাজু।

অতিরিক্ত সুদ আদায় এবং সরকারি আইন ভঙ্গ করলেও স্থানীয় সমবায় অফিস কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় গ্রাহকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন এবং অতিরিক্ত সুদ প্রদানের মাধ্যমে সর্বশান্ত হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সুদ কারবারিরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেশরহাট বাজার সংলগ্ন মসজিদ মার্কেটে নামবিহীন অফিস খুলে সুদের ব্যবসা চালাচ্ছে এই ‘সাফল্য সমবায় সমিতি’।

আরোও জানা যায়, সাফল্য সমবায় সমিতির পরিচালক রাজু মোড়া অংকের লাভে ও ব্যাংক চেকের বিনিময়ে সাধারণ মানুষের কাছে টাকা দেন। সুদের ব্যবসা করে এখন সে কোটিপতি। প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা বিভিন্ন সাধারণ মানুষের কাছে সুদে দেওয়া রয়েছে তার।

ঋণ প্রদানে সমবায় সমিতির পরিচালক রাজু সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে সাদা স্ট্যাম্প ও ব্ল্যাক চেক বইয়ের পাতা এবং স্বাক্ষর করা ফাঁকা ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প রেখে দিচ্ছেন টাকা দেন তিনি। টাকা পরিশোধ করার পরও চেক বইয়ের পাতায় নিজেদের ইচ্ছা মত টাকা বসিয়ে আদালতে মামলা করে গ্রাহক হয়রানির বহু অভিযোগ রয়েছে এ সমিতির বিরুদ্ধে।

২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে পরিচালক রাজু দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ সমবায় অধিদপ্তরের সরকারি পরিপত্রের তোয়াক্কা না করেই সদস্যদের কাছ থেকে অতিরিক্ত সুদ আদায়, সাদা চেক ও স্ট্যাম্প এর বিপরীতে ঋণ প্রদান করেন, এমনই অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

তথ্যনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মোহনপুর উপজেলার সমবায় অফিসের অধীনে নামে বেনামে অনেক সমিতি রয়েছে, এছাড়া সমাজ সেবা অধিদপ্তর থেকে রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত আরও শতাধীক সমিতি রয়েছে। যাদের অধিকাংশই চড়া সুদে ঋণ বিতরণ করে থাকেন। এর মধ্যে অন্যতম কেশরহাটে রাজুর ‘সাফল্য সমবায় সমিতি’ লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠান। সমবায় সমিতি হিসেবে রেজিস্ট্রেশন না নিয়েও সমবায় অধিদপ্তরের কোন আইন কানুনই মানছে না প্রতিষ্ঠানটি।

কেশরহাট বাজারে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, ‘সাফল্য সমবায় সমিতি’এর পরিচালক রাজু লাভের ওপর এককালীন টাকা দিয়ে মাত্র এক মাস বা তিন মাস মেয়াদে ঋণ পরিশোধ করতে বাধ্য করেন । এতে ঋণ নিয়ে চরম বিপদে পড়েছেন সাধারণ অসহায় মানুষ।

আরোও এক ব্যবসায়ী কান্নাস্বরে জানান, রাজুর কাছে সুদে ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা তাকে লাভ দিতেন। টাকা না দেওয়ার কারনে ওই সুদ ব্যবসায়ী তাকে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী এখন অসহায় অবস্থায় জীবন যাপন করছেন। ব্যবসা বন্ধ করে নিজের জমি জমা বিক্রি করে ওই সুদ ব্যবসায়ীর টাকা দিতেও হিমসিম খেতে হচ্ছে তাকে।

শুধু তাই নই, রাজশাহীর সাহেব বাজারের আরোও এক ব্যবসায়ীর সাথেও প্রতারনা করে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা চিট করে নিয়েছে এই সাফল্য সমবায় সমিতির পরিচালক রাজু। এরপর সেই ভুক্তভোগী কেশরহাট পৌরসভায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ও সমাজসেবা কর্মকর্তা আনিছা দেলোয়ারা আঞ্জু জানান, কেশরহাটে ‘সাফল্য সমবায় সমিতির’ কোন নিবন্ধন নাই। যেহেতু নিবন্ধন নাই সেহেতু কেউ যদি তার কাছে প্রতারিত হয় তাহলে এর জন্য আমরা দায়ী নই।

মোহনপুর উপজেলার ইউএনও আয়েশা সিদ্দিকা জানান, আমার এ বিষয়ে জানা ছিলোনা। বিস্তারিত আমি খোঁজ নিয়ে তদন্ত করে দেখবো এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) হরিদাস মন্ডল জানান,এ বিষয়ে লিখিত কোন অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কেশরহাট পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান শহিদ জানান, সাফল্য সমবায় সমিতির কোন ট্রেড সনদপত্র নেই। এ বিষয়ে আমি যতটুকু জানি রাজু একজন চিট। তার নামে অনেক অভিযোগ রয়েছে। কিছুদিন আগে একজন ব্যক্তির মোটা অংকের টাকা প্রতারনা করে নেওয়ার লিখিত অভিযোগ পাওয়ায় তাকে আমি ডেকে এনে সময় সাপেক্ষে

পৌরসভাতেই মিমাংসা করে দেই। এই রাজুর খপ্পরে পরে যেন আর কেউ প্রতারিত না হয় সেইদিকে আমি খেয়াল রাখব।

এ বিষয়ে সাফল্য সমবায় সমিতির পরিচালক রাজুর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তিনি কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।


সিন্ডিকেটের কাছে মাথা নত করবে না সরকার: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

সিন্ডিকেটের কাছে মাথা নত করবে না সরকার: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও শেষ মুহূর্তে মালয়েশিয়া যেতে না পারা হাজার হাজার কর্মীর চরম ভোগান্তি ও হাহাকার নিরসনে মাঠে নেমেছে সরকার। এ পরিস্থিতির নেপথ্যে দায়ীদের চিহ্নিত করতে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

একই সাথে, প্রবাসী কর্মীদের সাথে প্রতারণা করা রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থার চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
মঙ্গলবার (২ জুন) প্রবাসী কল্যাণ ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কঠোর বার্তা দেন তিনি।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীদের শেষ সময়ের দুর্ভোগ, বিমানের টিকিটের কৃত্রিম সংকট এবং মালয়েশিয়া যেতে না পারার পেছনে থাকা কারসাজি উদ্ঘাটনে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব এজেন্সি কর্মীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নিয়েও টিকিট সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে বা প্রতারণা করেছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের লাইসেন্স সরাসরি বাতিল করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রতারক এজেন্সির মালিকদের কেবল লাইসেন্স বাতিলই নয়, বরং তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের করা হবে।

 প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরও কতজন কর্মী আটকা পড়েছেন, তাদের একটি সঠিক ও নিখুঁত তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এই কর্মীদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের সাথে উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে, যাতে বিশেষ বিবেচনায় বঞ্চিত কর্মীদের পুনরায় যাওয়ার সুযোগ অথবা সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

‘সিন্ডিকেটের কাছে মাথা নত করবে না সরকার’এমনটি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কোনো সিন্ডিকেট বা প্রভাবশালী চক্রের কাছে মন্ত্রণালয় মাথা নত করবে না। অভিবাসন খাতকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে যা যা করা প্রয়োজন, তার সবকিছুই করা হবে। কর্মীদের রক্ত পানি করা টাকা নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলেছে, তাদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতেই হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, শেষ মুহূর্তে চড়া মূল্যে টিকিট কেটেও অনেক কর্মী উড়োজাহাজের সংকটের কারণে মালয়েশিয়া পৌঁছাতে পারেননি। অনেক এজেন্সি সময়মতো টিকিট বুকিং না করে কর্মীদের চরম অনিশ্চয়তায় ফেলেছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর চরম গাফিলতি প্রমাণিত হয়েছে এবং তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।