শেয়ার বাজার

কারওয়ান বাজার
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে হামলা, সেনা মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে হামলা, সেনা মোতায়েন

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে হামলা চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। পরে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কারওয়ান বাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে কারওয়ান বাজার কিচেন মার্কেটের সামনে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (অপারেশন্স) আব্দুল হান্নান।

এ ঘটনার পর থেকে কারওয়ান বাজার এলাকাজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সেখানে রয়েছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা আব্দুর রহমান কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে ৫ আগস্টের পর থেকে চাঁদা আদায় করছেন। এর প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা মানববন্ধনের আয়োজন করলে তাতে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় আব্দুর রহমানের লোকজন। পরে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা সবাই নেমে এসে হামলাকারীদের ধাওয়া দেয়।

ব্যবসায়ীদের দাবি, পুলিশের সামনে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এই আব্দুর রহমানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা না হলে ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে রাস্তায় নেমে আসবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিলও করেন।

আব্দুল হান্নান বলেন, আব্দুর রহমান নামের একজনের বিরুদ্ধে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করছিলেন। আগেও তারা এমন মানববন্ধন করেছেন। আজকের মানববন্ধনের সময় আশপাশে পুলিশও ছিল। হঠাৎ অতর্কিতভাবে কয়েকজন এসে তাদের ব্যানার কেড়ে নিতে চেষ্টা করেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ঘটে। পরবর্তীতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে ফুটপাতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ঝটিকা অভিযান; হাইওয়ে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৪

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে ফুটপাতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ঝটিকা অভিযান; হাইওয়ে পুলিশ

এমএ আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উপর দিয়ে ঢাকা টু চট্রগ্রাম হাইওয়ে মহাসড়কে চৌদ্দগ্রাম বাজার অংশে ফুটপাতে গাড়ী পার্কিং, অবৈধ স্থাপনা ও ভ্রাম্যমান দোকান উচ্ছেদে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে হাইওয়ে পুলিশ।

মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং যাত্রী সাধারণের চলাচলে ভোগান্তি কমাতে চৌদ্দগ্রাম এলাকায় বাজার এবং মহাসড়কের দু’পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে চৌদ্দগ্রাম হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ।

আজ সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম বাজার এবং মহাসড়কের দু’পাশে  অবৈধভাবে গড়ে ওঠা শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। চৌদ্দগ্রাম হাইওয়ে থানার ওসি লোকমান হোসেন।

এসময় সাংবাদিকদের চৌদ্দগ্রাম হাইওয়ে থানার ওসি লোকমান হোসেন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে চৌদ্দগ্রাম মহাসড়কের দু’পাশে এবং বাজার অংশে ফুটপাতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা, গাড়ী পার্কিং ও ভ্রাম্যমান দোকান উচ্ছেদে এই আভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

 এসময় তিনি আরো বলনে, এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর পুনরায় যাতে দোকানপাট বসতে না পারে সেজন্য হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতি দিন মনিটরিং করা হবে। আর মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।


পাতিলের ভেতর আটকে গেলো শিশুর মাথা, ওয়ার্কশপে নিয়ে অপসারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬

পাতিলের ভেতর আটকে গেলো শিশুর মাথা, ওয়ার্কশপে নিয়ে অপসারণ

নরসিংদীতে খেলার ছলে পাতিলের ভেতরে মাথা ঢুকে গেছে অন্তিম নামে দুই বছরের এক শিশুর। অনেক চেষ্টার পরও মাথা থেকে পাতিল খুলতে না পেরে পরবর্তীতে ওয়ার্কশপে নিয়ে শিশুর মাথা থেকে পাতিল অপসারণ করা হয়।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে নরসিংদী শহরের ব্রাহ্মন্দী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, দুই বছরের শিশু অন্তিম খেলার ছলে মাথায় পাতিল ঢোকায়। এক পর্যায়ে তার মাথায় পাতিলটি শক্তভাবে আটকে যায়। পরবর্তীতে, পরিবারের সদস্যরা অনেক চেষ্টার পরও তা খুলতে না পেরে হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের ডাক্তারেরা পাতিলটি খুলতে ব্যর্থ হলে শিশুটিকে পাশের একটি ওয়ার্কশপে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শিশুটির মাথা থেকে পাতিল অপসারণ করা হয়।

এ বিষয়ে নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ফরিদা গুলসানারা কবীর বলেন, শিশুটি অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে। আরও কিছু সময় এভাবে থাকলে শ্বাসকষ্টের কারণে প্রাণহানির শঙ্কা ছিল। বর্তমানে শিশুটি সুস্থ রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।


বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক প্রকল্প আটকে আছে: মীর শাহে আলম

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক প্রকল্প আটকে আছে: মীর শাহে আলম

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আইনি বাধা তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তাঁর অভিযোগ, একটি সংস্থা আদালতের আদেশকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করে কক্সবাজারের উন্নয়নকাজ বারবার বাধাগ্রস্ত করছে।

শনিবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

মীর শাহে আলম বলেন, কক্সবাজার দেশের ঐতিহ্য ও পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এ এলাকাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রক্রিয়াও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

কক্সবাজারের পর্যটন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পুরো কক্সবাজারকে নিয়ে সরকার বিপদের মধ্যে আছে।’ তিনি বলেন, সরকার যখনই কক্সবাজার শহরকে আধুনিকভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেয়, তখনই একটি সংস্থা উচ্চ আদালতে গিয়ে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আসে।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘এমন হলে কক্সবাজার শহরকে সাজাব কিভাবে?’

প্রতিমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, আদালতের আদেশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি সেটিকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করে উন্নয়নকাজে বারবার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

মীর শাহে আলম বলেন, সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলী সৈকত তীর হয়ে হোটেল রামাদার সামনে দিয়ে সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্প। প্রায় ১২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির টেন্ডার প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছিল।

তবে কাজ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে একটি সংস্থা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে নিষেধাজ্ঞা আনায় প্রকল্পটির কাজ বন্ধ হয়ে যায় বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ১২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক নির্মাণের উদ্যোগের বিষয়ে পরিবেশ ও বালিয়াড়ি রক্ষার যুক্তি তুলে আপত্তি জানায় বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংকটাপন্ন (ইসিএ) এলাকায় সড়ক নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে সংস্থাটি উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়। শুনানি শেষে আদালত স্থানীয় সরকারসহ পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে সড়ক নির্মাণকাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। এরপর থেকেই প্রকল্পটির নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) বিধি-নিষেধের বিষয়টিও তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সমুদ্রতীরের ৩০০ মিটারের মধ্যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না—এমন বিধিনিষেধ রয়েছে। আবার সমুদ্রতীর থেকে ৫০০ মিটার দূরে গিয়ে শুধু একতলা ভবন নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মীর শাহে আলমের ভাষ্য, পর্যটন মৌসুমে কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আগমন হলেও তাঁদের থাকার জন্য পর্যাপ্ত হোটেলকক্ষ পাওয়া যায় না। পর্যটন নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

তিনি বলেন, কক্সবাজারকে আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার একাধিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। কিন্তু একের পর এক আইনি বাধা ও নিষেধাজ্ঞার কারণে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ছে।

এর আগে শনিবার সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প পরিদর্শন করেন মীর শাহে আলম।

এ সময় তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হলে এসব প্রতিষ্ঠান নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুত্ফুর রহমান কাজল, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।