শেয়ার বাজার

চিলাহাটিতে কুকুরের আতঙ্ক, স্কুলগামী শিশুরাও নিরাপদ নয়

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চিলাহাটিতে কুকুরের আতঙ্ক, স্কুলগামী শিশুরাও নিরাপদ নয়

নীলফামারীর চিলাহাটি বাজার ও আশপাশের এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে। বিশেষ করে রাতে দলবদ্ধ কুকুরের চলাচলে আতঙ্কে রয়েছেন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে স্কুলগামী শিশুদের চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


স্থানীয়রা জানান, চিলাহাটির বিভিন্ন সড়ক ও বাজার এলাকায় দলবদ্ধভাবে কুকুর ঘোরাফেরা করে। রাতে পথচারীদের পিছু নেওয়া ও তাড়া করার ঘটনায় অনেকেই আতঙ্কের মধ্যে চলাচল করেন। শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কয়েকটি গৃহপালিত প্রাণী কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়েছে বলেও জানান তারা।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কুকুরের উপদ্রব থাকলেও এটি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। তাদের দাবি, জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। বিশেষ করে স্কুলগামী শিশু ও রাতে চলাচলকারী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত প্রস্তাব আহ্বান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত প্রস্তাব আহ্বান

তত্ত্বাবধায়ক সরকার কী প্রক্রিয়ায় এবং কাদের নিয়ে গঠিত হবে সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি, গঠন প্রক্রিয়া ও রূপরেখা নিয়ে একটি উন্মুক্ত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। সুশীল সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত লিখিত প্রস্তাব ও গঠনমূলক পরামর্শ আহ্বান করে তিনি বলেন, উত্থাপিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে যেটি জাতির জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বিবেচিত হবে, জাতীয় সংসদে পর্যালোচনার পর সেটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, এ যাবৎকাল পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ও ধাপগুলো নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব হয়নি। জুলাই জাতীয় সনদে এ সংক্রান্ত কিছু স্পষ্ট প্রস্তাবনার পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে 'নোট অব ডিসেন্ট' বা ভিন্নমতও পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ— কোন ধাপে কীভাবে এই সরকার কাঠামো রূপ পাবে, সে বিষয়ে বহুমুখী বিকল্প উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সংসদে ও সংসদের বাইরে সর্বজনীন আলোচনার মাধ্যমে একটি সর্বসম্মত কাঠামোর দিকে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

মন্ত্রী জানান, সংবিধান সম্পর্কিত এই বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠকে গণমাধ্যম সেক্টরের একটি বিস্তৃত প্রতিনিধি দলের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করা হয়। এতে ইলেকট্রনিক মিডিয়া, টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, সংবাদ সংস্থা ও বার্তা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা অংশ নেন। এর পূর্বে গত রবিবার সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মতামত শুনলেও দীর্ঘ আলোচনার পর্যাপ্ত সময় নিশ্চিত করতে দুই ধাপে এই গণমাধ্যম মতবিনিময় পর্বের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারী মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের কাছ থেকে ইতোমধ্যে বেশ কিছু মূল্যবান পরামর্শ জমা পড়েছে এবং বাকিদের তাদের লিখিত প্রস্তাব অতি দ্রুত জমা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র গণমাধ্যমের মধ্যেই আলোচনা সীমাবদ্ধ না রেখে পর্যায়ক্রমে সমাজের সর্বস্তরের সামাজিক শক্তির সঙ্গে বসার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বিশেষ কমিটি। বিশিষ্টজন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ, সাবেক ও বর্তমান বিচারকদের পাশাপাশি গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বঞ্চনা ও নিপীড়নের শিকার হওয়া ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এর পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তরুণ অংশীদার ও শহীদ পরিবারের প্রতিনিধিদের কাছ থেকেও সরাসরি পরামর্শ সংগৃহীত হবে। সবশেষে অর্জিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেশের শীর্ষ সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বিশদ পর্যালোচনার পর কমিটি তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রস্তুত করবে।

সংবাদ সম্মেলনে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্টের প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের উত্থাপিত পর্যালোচনার কথা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের মতো এককেন্দ্রিক বা ইউনিটারি রাষ্ট্রে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের যৌক্তিকতা নিয়ে মতভেদ তৈরি হলেও সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন যে, জুলাই জাতীয় সনদের ঐক্যমত্যকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তারা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের পথেই অগ্রসর হতে চান। তবে আইনসভা বা সরকারি দল এ বিষয়ে ভিন্ন কোনো উপযুক্ত সংশোধন আনলে সেটিও সংসদীয় প্রক্রিয়ায় বিবেচনার সুযোগ থাকবে। বৈঠকে এর পাশাপাশি বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা বিধান, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং বিচারব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত রাখার বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়।


বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ধরতে চসিক কার্যালয় ঘেরাও করে অভিযান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ধরতে চসিক কার্যালয় ঘেরাও করে অভিযান

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা ও পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ওয়াকিল হোসেন ওরফে বিহারী বগাকে গ্রেপ্তার করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে অভিযান চালিয়েছে নগর পুলিশ। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে নগর ভবনের প্রধান ফটকের সামনে পুলিশ অবস্থান নিলেও শেষ পর্যন্ত বগাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এ সময় নগর ভবনের সামনে হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে নগরের টাইগারপাস এলাকায় চসিক কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ওয়াকিল হোসেন ওরফে বগা নগর ভবনে অবস্থান করছেন— এমন গোপন তথ্য পেয়ে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য রাতে চসিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় খুলশী থানা-পুলিশ। তবে পুলিশ কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করেনি। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উত্তর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. হাসান মোস্তফা স্বপন, অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) সোহেল পারভেজ, খুলশী জোনের সহকারী কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশের অবস্থানের খবর ছড়িয়ে পড়লে নগর ভবনের সামনে বগার অনুসারী ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। এ সময় পুলিশ ও উপস্থিত লোকজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও শেষ পর্যন্ত বগাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। রাত ১০টার দিকে পুলিশ সদস্যরা নগর ভবনের সামনে থেকে চলে যান।

অভিযানের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইমস অ্যান্ড অপারেশন) মুহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ ও উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. হাসান মোস্তফা স্বপনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হয়। তাদের ক্ষুদে বার্তাও পাঠানো হয়। তবে তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

কে এই বগা?

ওয়াকিল হোসেন ওরফে বগা চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড ও আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগে গত ৮ জুন তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। খুলশী, পাহাড়তলী ও আকবর শাহ এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক, দখলবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৭টি মামলা রয়েছে।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শুরুতে খুলশীর ওয়্যারলেস এলাকায় বগাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় বগা বাসার একটি গোপন সুড়ঙ্গপথ দিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

সম্প্রতি, খুলশীতে কিশোর হৃদয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত ‘সেভেন স্টার’ নামের একটি কিশোর গ্যাং পরিচালনায় বগা ও তার ভাইয়ের সম্পৃক্ততার তথ্যও পেয়েছে পুলিশ। এর আগে গত ৪ অক্টোবর বগার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।


জ্বালানির দাম
মধ্যরাতেই বাড়ল জ্বালানির দাম: পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনে নতুন ধাক্কা, স্বস্তিতে শুধু ডিজেল ক্রেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১ মে, ২০২৬

মধ্যরাতেই বাড়ল জ্বালানির দাম: পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনে নতুন ধাক্কা, স্বস্তিতে শুধু ডিজেল ক্রেতারা

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতার জের ধরে দেশের বাজারে আবারও বাড়ল পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আজ মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হচ্ছে এই নতুন মূল্যতালিকা। ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে কেরোসিনের দামও ৫ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫ টাকায়। তবে পরিবহন খাতের ওপর চাপ কমাতে এবং সাধারণ মানুষের স্বস্তির কথা বিবেচনা করে বহুল ব্যবহৃত ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকাই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। জুনের শুরুতেই জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মধ্যবিত্তের পকেটে বড় ধাক্কা দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারে। ২০২৪ সালের মার্চ থেকে চালু হওয়া স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণী ফর্মুলার আওতায় প্রতি মাসে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড গড়ার পর, বর্তমানের এই নতুন বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দেবে। পরিবহন ভাড়া থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ে কি না, তা নিয়ে এখন শঙ্কিত সাধারণ ক্রেতারা।