শেয়ার বাজার

ধানমন্ডি লেকে বিপণন পরামর্শকের মরদেহ, তদন্তে পুলিশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ধানমন্ডি লেকে বিপণন পরামর্শকের মরদেহ, তদন্তে পুলিশ

রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে এক পেশাদার বিপণন পরামর্শকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃতের নাম জাবেদ আহামেদ (৫১)। তার স্থায়ী ঠিকানা বনানীর ১৩ নম্বর রোডের ১২২ নম্বর বাড়িতে। তিনি বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের এক নম্বর রোডের ৫৫৬/৬৭ নম্বর বাসায় বসবাস করছিলেন। তার বাবার নাম সালাউদ্দিন আহামেদ।

ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এস এম আব্দুল গফুর বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ সংবাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে ধানমন্ডির ১০ নম্বর সড়কের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজের নিচ থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের সময় নিহতের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে নাম-পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা মুঠোফোনের মাধ্যমে পরিবারকে খবর দেয় পুলিশ। সংবাদ পেয়ে নিহতের স্ত্রী শাহানা জাবিন খান ধানমন্ডিতে গিয়ে জাবেদের মরদেহ শনাক্ত করেন।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে এসআই আব্দুল গফুর জানান, পেশায় বিপণন পরামর্শক হলেও জাবেদ আহামেদ দীর্ঘদিন ধরে বেকার ছিলেন। আর্থিক অনটন ও সামাজিক নানা সঙ্কটের কারণে তিনি বেশ কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন।

পুলিশের করা সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতের শরীরে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে তার অণ্ডকোষ অস্বাভাবিকভাবে ফোলা ছিলো। এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত ৪-৫ মাস ধরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ওই স্থানটি ফোলা অবস্থায় ছিলো।

ধানমন্ডি থানা-পুলিশ জানায়, আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা, নাকি আত্মহত্যা নাকি কোনোভাবে পানিতে পড়ে মৃত্যু—তা পুরো ঘটনা তদন্তের পর ও ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

জাতিসংঘের প্রশাসনিক দায়িত্বে জাইমা রহমান, লিগ্যাল অফিসারের কাজ কী?

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘের প্রশাসনিক দায়িত্বে জাইমা রহমান, লিগ্যাল অফিসারের কাজ কী?

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাইমা রহমান। যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রিধারী জাইমা রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র মেয়ে। 

জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত দফতরের কর্মকর্তাদের তালিকায় জাইমা রহমানের নাম ও পদবি উল্লেখ করা হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদের সভাপতির দফতরে বিভিন্ন পদে ৪০ জন কর্মকর্তা ও কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি রয়েছেন।

জাতিসংঘের প্রকাশিত জীবনীতে বলা হয়েছে, জাইমা রহমান একজন ব্যারিস্টার এবং আইন ও নীতিবিষয়ক পেশাজীবী। তিনি যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তার আগ্রহের প্রধান ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে সুশাসন, অন্তর্ভুক্তিমূলক জননীতি, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার, শিক্ষা, লিঙ্গসমতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সভাপতির কার্যালয়ের সার্বিক আইনি বিষয় ও কার্যক্রম আইনি কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে পরিচালনা করাই একজন লিগ্যাল অফিসারের মূল কাজ। যার মধ্যে রয়েছে সাধারণ পরিষদে উত্থাপিত বিভিন্ন চুক্তি, প্রস্তাবনা ও নীতিনির্ধারণী দলিলের আইনি দিকগুলো নিরীক্ষা করা। সেই সাথে জাতিসংঘের সনদ ও অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালী মেনে সভাগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করা এবং সভাপতির পক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি বিশ্লেষণ ও দাপ্তরিক নথি প্রস্তুত করা তার প্রধান দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়াও লিগ্যাল অফিসার হিসেবে তাকে বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং অংশীদারদের সাথে সম্পাদিত চুক্তি সম্পাদনা এবং চূড়ান্তকরণে সহায়তা করতে হবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার, জলবায়ু কূটনীতি ও গ্লোবাল গভর্নেন্স-এর মতো ক্ষেত্রগুলোতে নীতির সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আইনগত গবেষণার কাজ করবেন জাইমা রহমান।জাইমা রহমান যুক্তরাজ্যে তার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন ও রাজনীতি বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। আইনি ডিগ্রি অর্জনের পর যুক্তরাজ্যে আইন পেশা অনুশীলনের জন্য তিনি দ্য অনারেবল সোসাইটি অব দি ইনার টেম্পল থেকে পেশাদার বার-অ্যাট-ল সনদ অর্জন করেন। এরপর তিনি সংবিধানিক আইন, কর্পোরেট আইন এবং সামাজিক কল্যাণমূলক আইন নিয়ে কাজ শুরু করেন। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর, তিনি তার বাবা-মায়ের সাথে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।


দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা

প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা

দেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরার কলারোয়া। কেন্দ্র থেকে এর গভীরতা ১৫০ কিলোমিটার।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) এ তথ্য জানিয়েছে।

ভূমিকম্পে সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোরসহ আশপাশের এলাকা মৃদু কেঁপে ওঠে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।


সিন্ডিকেটের কাছে মাথা নত করবে না সরকার: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

সিন্ডিকেটের কাছে মাথা নত করবে না সরকার: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও শেষ মুহূর্তে মালয়েশিয়া যেতে না পারা হাজার হাজার কর্মীর চরম ভোগান্তি ও হাহাকার নিরসনে মাঠে নেমেছে সরকার। এ পরিস্থিতির নেপথ্যে দায়ীদের চিহ্নিত করতে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

একই সাথে, প্রবাসী কর্মীদের সাথে প্রতারণা করা রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থার চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
মঙ্গলবার (২ জুন) প্রবাসী কল্যাণ ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কঠোর বার্তা দেন তিনি।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীদের শেষ সময়ের দুর্ভোগ, বিমানের টিকিটের কৃত্রিম সংকট এবং মালয়েশিয়া যেতে না পারার পেছনে থাকা কারসাজি উদ্ঘাটনে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব এজেন্সি কর্মীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নিয়েও টিকিট সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে বা প্রতারণা করেছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের লাইসেন্স সরাসরি বাতিল করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রতারক এজেন্সির মালিকদের কেবল লাইসেন্স বাতিলই নয়, বরং তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের করা হবে।

 প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরও কতজন কর্মী আটকা পড়েছেন, তাদের একটি সঠিক ও নিখুঁত তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এই কর্মীদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের সাথে উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে, যাতে বিশেষ বিবেচনায় বঞ্চিত কর্মীদের পুনরায় যাওয়ার সুযোগ অথবা সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

‘সিন্ডিকেটের কাছে মাথা নত করবে না সরকার’এমনটি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কোনো সিন্ডিকেট বা প্রভাবশালী চক্রের কাছে মন্ত্রণালয় মাথা নত করবে না। অভিবাসন খাতকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে যা যা করা প্রয়োজন, তার সবকিছুই করা হবে। কর্মীদের রক্ত পানি করা টাকা নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলেছে, তাদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতেই হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, শেষ মুহূর্তে চড়া মূল্যে টিকিট কেটেও অনেক কর্মী উড়োজাহাজের সংকটের কারণে মালয়েশিয়া পৌঁছাতে পারেননি। অনেক এজেন্সি সময়মতো টিকিট বুকিং না করে কর্মীদের চরম অনিশ্চয়তায় ফেলেছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর চরম গাফিলতি প্রমাণিত হয়েছে এবং তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।