শেয়ার বাজার

দূরপাল্লায় কিলোমিটারে ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দূরপাল্লায় কিলোমিটারে ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর বাসের ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। প্রস্তাবে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং রাজধানীসহ শহরাঞ্চলে ১৮ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

বিআরটিএ সূত্র জানায়, ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাবটি সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ভাড়া কতটা বাড়বে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়। এরপর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন ভাড়া কার্যকর করা হবে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বনানীতে বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ে বাসভাড়া সমন্বয় নিয়ে বৈঠক হয়। এতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে দূরপাল্লার পথে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং শহরাঞ্চলে ১৮ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর নীতিগত প্রস্তাব করা হয়।

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সঙ্গে অন্যান্য খরচও বিবেচনায় নিয়ে সাধারণত বাসভাড়া নির্ধারণ করা হয়। তবে এবার শুধু জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত রোববার সরকার ডিজেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করে।

বিআরটিএ সূত্র জানায়, সাধারণ হিসাবে ডিজেলের দাম এক টাকা বাড়লে বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে প্রায় এক পয়সা বাড়ে। সে হিসাবে এবার ডিজেলের দাম ২০ টাকা বাড়ায় দূরপাল্লার বাসে ২০ পয়সা এবং শহরের বাসে ১৮ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

পরিবহন মালিকদের পক্ষ থেকে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির অনুরোধ জানানো হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, নতুন ভাড়া নির্ধারণে দেরি হলে বাড়তি দামে জ্বালানি কেনার কারণে মালিক-শ্রমিকেরা নিজেদের মতো করে ভাড়া বাড়িয়ে দিতে পারেন।

বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৫৩ পয়সা এবং মিনিবাসে ২ টাকা ৪২ পয়সা। দূরপাল্লার ৫২ আসনের বাসে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা।

তবে এসি বাস, মালবাহী যানবাহন ও কিছু অন্যান্য পরিবহনের ভাড়া সরকার নির্ধারণ করে না। এসব ক্ষেত্রে মালিক-শ্রমিকেরা ভাড়া নির্ধারণ করেন।

এদিকে বিআরটিএর প্রস্তাব করা ১৮ ও ২০ পয়সা ভাড়া বৃদ্ধির হার চূড়ান্ত পর্যায়ে কিছুটা কমতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রজ্ঞাপনে নতুন ভাড়া নির্ধারিত হবে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মার্চ, ২০২৪

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহান স্বাধীনতা  ও জাতীয় দিবস উদযাপন

এমএ আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা আ’লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো: মুজিবুল হক মুজিব এমপি’র চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি আকতার হোসেন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ রহমত উল্লাহ বাবুল, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) এবিএম এ বাহার, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য এম. তমিজ উদ্দিন ভূঁইয়া সেলিম, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপদেষ্টা আবু তাহের, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইসহাক খাঁন, কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য এমরানুল হক কামাল (ভার্ড কামাল), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জিএম জাহিদ হোসেন টিপু, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি ফারুক আহমেদ মিয়াজী, জাকির হোসেন ভূঁইয়া, দফতর সম্পাদক নান্টু চন্দ্র দেবনাথ, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুল হক মোল্লা বাবলু, ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মাহবুব হোসেন মজুমদার, নায়িমুর রহমান মজুমদার মাছুম, কাজী ফখরুল আলম ফরহাদ, মোস্তফা কামাল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন পাটোয়ারী, উপজেলা যুবলীগ নেতা ইমাম হোসেন পাটোয়ারী এনাম, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফয়েজুন্নেছা আমিন, সাধারণ সম্পাদক তাহমিনা আক্তার, পৌর যুবলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কাজী আল রাফি, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কাউছার হানিফ শুভ, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি জোবায়ের হোসেন শুভ, সাধারণ সম্পাদক জামশেদ হোসেন নয়ন প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হক, গুনবতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ভিপি আবুল খায়ের, কনকাপৈত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহআলম পাটোয়ারী, পৌর কাউন্সিলর বদিউল আলম পাটোয়ারী, মফিজুর রহমান, সাইফুল ইসলাম শাহীন, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য মো: ওমর ফারুক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মতিউর রহমান জালাল সহ উপজেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।



সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় কাউছার হোসেন রকি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় কাউছার হোসেন রকি

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা ও কারাভোগের কারণে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা কাউছার হোসেন রকি। বর্তমানে সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে তার নাম আলোচনায় রয়েছে।

ছাত্রদলের রাজনীতি দিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া কাউছার হোসেন রকি, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে তাকে কারাবরণও করতে হয়েছে।

রকির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে বিএনপি নেতা এম. ইলিয়াস আলীর মুক্তির দাবিতে গঠিত ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। ২০১৩-১৪ সালের লাগাতার হরতাল-অবরোধ ও তৎকালীন একতরফা নির্বাচনের বিরুদ্ধে বিএনপির আন্দোলনেও তিনি মাঠে ছিলেন।

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে ৮ নভেম্বর থেকে প্রায় তিন মাস কারাভোগ করেন কাউছার হোসেন রকি। একই বছর ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাবরণের প্রতিবাদে আয়োজিত আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং ওই সময় আহত হন তিনি।

এ ছাড়া ২০২৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন বর্জনের দাবিতে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নির্দেশনায় হরতাল, অবরোধ, লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন বলে জানান কাউছার হোসেন রকি। এ সময় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কারণে তিনি মামলার আসামি হন এবং পরবর্তীতে প্রায় এক মাস কারাভোগ করেন বলে দাবি করেন।

একই বছরের জুলাইয়ে দেশব্যাপী ছাত্র-জনতার আন্দোলন শুরু হলে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেই আন্দোলনেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন রকি। এ সময় তিনি আহত হন বলেও জানান। কাউছার হোসেন রকির দাবি, মামলা ও কারাভোগের পরও তিনি দলীয় কর্মসূচি ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন।
যেসব সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন

কাউছার হোসেন রকির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও রয়েছে।

২০১৪ সালে গঠিত সিলেট মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০২০ সালে জিয়া সাইবার ফোর্স সিলেট জেলা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তীতে ২০২১ সালে সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান রকি। ২০২২ সালে সিলেট মহানগর বিএনপির আওতাধীন ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একই বছর পুনরায় সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত হন তিনি।

দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের মতে, দীর্ঘদিনের রাজপথের সক্রিয়তা, মামলা-কারাভোগ এবং সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার কারণে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে কাউছার হোসেন রকির নাম আলোচনায় এসেছে। তবে চূড়ান্ত কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে কে দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের ওপর।


অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে করা রিট খারিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে করা রিট খারিজ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ড চ্যালেঞ্জ করে তদন্ত চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচাপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রিট খারিজের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, অন্তবর্তী সরকারের কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করে তদন্ত চেয়ে রিট করার জন্য যে এখতিয়ার, সেটির সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি রিটকারীরা নন। এটি রাষ্ট্রের কাঠামোর সাথে জড়িত। এর আগেও একই বিষয়ে রিট খারিজ হয়েছিল, একই বিষয়ে দ্বিতীয়বার রিট করায় তা খারিজ করা হয়।

এছাড়া, রাজনৈতিক অসৎ উদ্দেশ্য সাধনের জন্যই রিট করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। অন্যদিকে, রিটকারী আইনজীবীরা বলেছেন, হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করবেন তারা।