শেয়ার বাজার

এবিজি স্পোর্টস সিটিতে শুরু হচ্ছে দেশের শীর্ষ ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেগা ক্রীড়া উৎসব

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

এবিজি স্পোর্টস সিটিতে শুরু হচ্ছে দেশের শীর্ষ ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেগা ক্রীড়া উৎসব

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পেশাদার ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নতুন এক উদ্যোগ নিয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (এবিজি)।

এবিজির চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের হাত ধরে সম্প্রতি উন্মোচিত হয়েছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’-এর লোগো। 
তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে তরুণ ক্রীড়াবিদদের প্রতিভা বিকাশ এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করতে এই টুর্নামেন্ট এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।


​আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে এবিজি স্পোর্টস সিটিতে প্রথমবারের মতো শুরু হতে যাওয়া এই মেগা আসরে রাতের ফ্লাডলাইটের আলোয় একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেট ও ফুটবল টুর্নামেন্ট। এতে অংশ নেবে দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ক্রিকেট ও ফুটবলে পৃথক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দলগুলো শিরোপা জয়ের জন্য লড়বে।

​এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পরিবেশ তৈরির ধারাবাহিকতায় এই টুর্নামেন্টকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বসুন্ধরা কিংসের আন্তর্জাতিক সাফল্য এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এবিজি স্পোর্টস সিটি গড়ে তোলার পর, এই আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্রীড়ার অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে।


​অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ:


টুর্নামেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো—আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (AIUB), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (IUB), ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ULAB), সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (UIU), ফেয়ারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।


​টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক আয়োজনকে সামনে রেখে গত শনিবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এবিজি চেয়ারম্যানের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য ‘ক্যাপ্টেনস মিট অ্যান্ড গ্রিট’। 


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবিজি স্পোর্টস সিটির ডিরেক্টর ইমরুল হাসান, অ্যাডভাইজার বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক, টি স্পোর্টসের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তাসভির উল ইসলাম, অপারেশন্স ম্যানেজার সালমান হাসান এবং ইকরাম হোসেন রাফি। এ ছাড়া ক্রিকেট ও ফুটবলের ২০টি দলের অধিনায়ক এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।


​তরুণদের পেশাদার ক্রীড়া চর্চায় উৎসাহিত করতে এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ১০ লাখ টাকা এবং রানার্স-আপ দলের জন্য ৫ লাখ টাকা প্রাইজমানি ঘোষণা করা হয়েছে। 


এই আকর্ষণীয় পুরস্কার শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।


​অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অধিনায়কেরা জানান, পেশাদার পরিবেশে নিজেদের মেধা ও দক্ষতা প্রমাণের এমন সুযোগ তাঁদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের এই দূরদর্শী উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্রীড়া সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের ভবিষ্যৎ তারকা তৈরিতে অনন্য অবদান রাখবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের একটিও নেই, ঢাবির অবস্থান ১৮৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ জুন, ২০২৩

এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের একটিও নেই, ঢাবির অবস্থান ১৮৬

তবে শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য প্রতিবেশী দেশ ভারতের ৪টি ও পাকিস্তানের ১টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী 'টাইমস হায়ার এডুকেশন' প্রকাশিত 'এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৩'- এ সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম আসেনি।

তবে শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য প্রতিবেশী দেশ ভারতের ৪টি ও পাকিস্তানের ১টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে।

তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১৮৬তম। আর ১৯২তম অবস্থানে আছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। র‍্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শীর্ষে আছে চীনের সিংহুয়া ও পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়। আর এশিয়ার সেরা দশের মধ্যে চীনের ৪টি, হংকংয়ের ৩টি, সিঙ্গাপুরের ২টি ও জাপানের ১টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

এ বছর ১৩টি বিষয়কে পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর বিবেচনায় নিয়ে এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তালিকা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠদান, মৌলিক গবেষণা, জ্ঞান বিতরণের পদ্ধতি, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গিসহ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে এবারের তালিকায়।


শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ
শনিবারও বন্ধ থাকবে স্কুল, সাপ্তাহিক ছুটি ২দিনই বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

শনিবারও বন্ধ থাকবে স্কুল, সাপ্তাহিক ছুটি ২দিনই বহাল

আগামী বছর থেকে শনিবারও স্কুল খোলা থাকবে’-এমন একটি তথ্য ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ জানাতে থাকেন শিক্ষকরা। সেসময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এ তথ্যটি ভুয়া বলে জানালেও শিক্ষকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা কাটেনি। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত ২০২৫ সালের শিক্ষাপঞ্জি ও ছুটির তালিকা দেখলে সেই উদ্বেগ কেটে যাবে। প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জি ও ছুটির তালিকায় শুক্র ও শনিবার দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি বহাল রাখা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব মোসাম্মৎ রহিমা আক্তারের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে শিক্ষাপঞ্জি ও ছুটির এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

তালিকা প্রকাশের পর জানতে চাইলে রহিমা আক্তার বার্তাবেলা'কে বলেন, ‌‘শনিবার স্কুল খোলা রাখা নিয়ে মন্ত্রণালয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। কিছুদিন আগে যে তথ্য ছড়িয়েছিল তা সম্পূর্ণ ভুয়া। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। এ ছুটির বাইরে ৭৬ দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছুটি থাকবে। শিক্ষাপঞ্জির এ তথ্যই সঠিক।’

প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জি ও ছুটির তালিকার নিচের অংশে ৫ নম্বর অনুচ্ছেদে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সপ্তাহে দুদিন ছুটি থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ও শনিবার। এ ছুটি ব্যতীত ২০২৫ সালে মোট ছুটি থাকবে ৭৬ দিন।


রোজায় ২৮ দিন, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ১৫ দিন

এদিকে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী দীর্ঘ ছুটিগুলোর মধ্যে রয়েছে পবিত্র রমজানের ছুটি। এ ছুটি শুরু হবে আগামী ২ মার্চ থেকে। ঈদুল ফিতর, জুমাতুল বিদা, স্বাধীনতা দিবসসহ কয়েকটি ছুটি মিলিয়ে সেসময় টানা ২৮ দিন স্কুল বন্ধ থাকবে। দীর্ঘ ছুটির পর ৮ এপ্রিল পুনরায় ক্লাস শুরু হবে।

ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশেও টানা ১৫ দিন সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ছুটি থাকবে। এ ছুটি শুরু হবে ১ জুন, চলবে ১৯ জুন পর্যন্ত। দুর্গাপূজায় এবার ৮ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। অবশ্য এ ছুটির মধ্যে লক্ষ্মীপূজা, ফাতেহা-ই-ইয়াজ দহমসহ বেশ কয়েকটি ছুটি পড়বে।

অন্যদিকে প্রতিবছরের মতো এবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের হাতে সংরক্ষিত তিনদিন ছুটি রাখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানপ্রধান যখন প্রয়োজনে এ ছুটিগুলো দিতে পারবেন। এর বাইরে বিভিন্ন জাতীয়, আন্তর্জাতিক দিবস ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে নিয়ম মেনে ছুটি থাকবে।

অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা জুনে, বার্ষিক নভেম্বরে

শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী-আগামী বছর (২০২৫) ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে ২৪ জুন, যা চলবে ১০ জুলাই পর্যন্ত। একই সময়ে দশম শ্রেণিতে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা নেওয়া হবে। ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে হবে।

দশম শ্রেণিতে নির্বাচনী পরীক্ষা শুরু হবে ১৬ অক্টোবর। এ পরীক্ষা চলবে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত। একই সঙ্গে শিক্ষাপঞ্জিতে নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল ১০ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে আগামী শিক্ষাবর্ষে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে ২০ নভেম্বর, যা চলবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ পরীক্ষার ফল ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। প্রত্যেকটি পরীক্ষা ১২ কর্মদিবসের মধ্যে শেষ করতে হবে।

শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী- ২০২৫ সালের শিক্ষাবর্ষ হবে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর। সরকারঘোষিত নির্দেশনার আলোকে পাঠ্যবই বিতরণ করতে হবে।


ইতালিতে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

ইতালিতে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

ঢাকায় অবস্থিত ইতালি দূতাবাস সে দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে, যা সোমবার (১ জুন) ভিসা প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠান ভিএফএস গ্লোবাল নিশ্চিত করেছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের পোর্টালে প্রাথমিক নিবন্ধন (প্রি-এনরোলমেন্ট) শেষ করেছেন, তাদের সাথে ভিএফএস গ্লোবাল সরাসরি ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সাক্ষাৎকারের তারিখ জানিয়ে দেবে। ফলে শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে না। নিবন্ধনে ব্যবহৃত ই-মেইলটিই যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে গণ্য হবে।

আর্থিক সহায়তার (স্পন্সর) ক্ষেত্রে এবার বড় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বাবা-মায়ের পাশাপাশি দাদা-দাদি, নানা-নানি, চাচা-ফুপু, মামা-খালা, তাদের সন্তান এবং ইতালিতে অবস্থানরত আত্মীয়স্বজনও এখন থেকে আর্থিক গ্যারান্টর হতে পারবেন।

ভাষা দক্ষতার সনদের ক্ষেত্রে শর্ত হলো, এটি অবশ্যই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বা অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত হতে হবে, যেখানে শোনা, বলা, পড়া ও লেখার পৃথক মূল্যায়ন থাকতে হবে। এছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যতা যাচাইয়ে সিআইএমইএ সনদ অথবা ‘ডিক্লারেশন অব ভ্যালু’ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রি-এনরোলমেন্ট ভিত্তিক শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনের শেষ সময় আগামী ২৯ অক্টোবর। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের এই নির্দেশনাগুলো গুরুত্বের সাথে অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।