শেয়ার বাজার

জাতিসংঘে খলিলুরের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হলেন জাইমা রহমান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘে খলিলুরের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হলেন জাইমা রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান।

খলিলুর রহমানের কার্যালয়ের বিভিন্ন পদে রয়েছেন মোট ৪০ জন। তাদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন ৮ সেপ্টেম্বর। তার সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার ভাষণ দেবেন তারেক রহমান।

জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জাইমা রহমান খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা হিসেবে আইনি বিষয়গুলো দেখাশোনা করবেন।

জাইমা রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র মেয়ে। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নাতনি।

জাইমা রহমান আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরে যুক্তরাজ্যে বার-অ্যাট-ল করেন। ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষাতেও তিনি উত্তীর্ণ হন।

ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন আসাদ আলম সিয়াম

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন আসাদ আলম সিয়াম

ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বর্তমান পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম। কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।এর আগে, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামকে ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করে ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব (এগ্রিমো) পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। চলতি বছরের জুলাইয়ে ভারত সরকারের কাছে এ প্রস্তাব পাঠানো হয়। আসাদ আলম সিয়াম অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৫ সালের ২০ জুন পররাষ্ট্র সচিব পদে নিয়োগ পান। 

আসাদ আলম সিয়াম একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ কূটনীতিক। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্থাপত্যে স্নাতক এবং নেদারল্যান্ডস থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। ১৯৯৫ সালে বিসিএস (পররাষ্ট্র) ১৫তম ব্যাচে যোগ দেন।

কর্মজীবনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত ও বিশ্বব্যাংক-আইএমএফে স্থায়ী প্রতিনিধি, অস্ট্রিয়ায় রাষ্ট্রদূত ও ভিয়েনায় জাতিসংঘ অফিস, ফিলিপাইনসে রাষ্ট্রদূত, ইতালির মিলানে প্রথম কনসাল জেনারেল, ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইউরোপ উইংয়ের ডিরেক্টর জেনারেল, চিফ অব প্রটোকল, ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমির রেক্টর, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব মিশনস ইত্যাদি পদে নিযুক্ত ছিলেন।


ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভারত বিশ্লেষণ করতে পারে, তবে মতামত দেওয়ার সুযোগ (অধিকার) দেশটি রাখে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এছাড়া পতিত স্বৈরাচার ভোটের পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করলে সরকার প্রতিহত করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।  

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা জানান। রিজওয়ানা হাসান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন। 

কোনো কোনো জেলায় ডিসিদের গণভোটের পক্ষে সেভাবে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে না- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা যা করছি তা হলো, আমরা উপদেষ্টারা দেশের ৬৪ জেলায় গিয়ে বিভিন্ন জেলার যারা সুশীল সমাজের আছেন, শিক্ষক প্রতিনিধি আছেন, ছাত্র প্রতিনিধি আছেন, যারা ধর্মীয় নেতা আছেন- সবাইকে গণভোটটা কেন হচ্ছে, গণভোটের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো কী- এটা বুঝিয়ে দিচ্ছি। এখন যেহেতু নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে গেছে, এখন আর আমরা কোনো উপদেষ্টা সেখানে যাচ্ছি না। আমাদের কিছু ম্যাটেরিয়াল আছে গণভোটের স্বপক্ষে, সেটাই আমরা বিলি করে বেড়াচ্ছি।  

তিনি বলেন, কিন্তু জেলা প্রশাসকেরা কোথায় প্রচার করছেন, করছেন না... জেলা প্রশাসকেরা প্রচার করবেন হচ্ছে যে ১২ তারিখে সাধারণ ভোটের পাশাপাশি একটা গণভোট হবে। সাধারণ ভোটের পাশাপাশি জনগণ যেন গণভোটে যেতে পারে সে খবরটা জানানো। এর বেশি তো আর তাদের কিছু করার কথা না।  

সার্বিকভাবে এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ কেমন দেখছেন? দুই দলের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি হচ্ছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও ভোট নিয়ে মন্তব্য আসছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, শোনেন, প্রথম কথা হচ্ছে নির্বাচনের পরিবেশ তো উত্তেজনাপূর্ণ হবে। এক দল আরেক দলকে হারাবার চেষ্টা করবে, এক দল জিতবার চেষ্টা করবে। যে দল জিতবার চেষ্টা করবে সে তার পক্ষকে ঘায়েল করার জন্য কথা বলবে, প্রতিপক্ষ আরেকজনকে ঘায়েল করার কথা বলবে, এটা খুব স্বাভাবিক কথা।

তিনি বলেন, কোনো কোনো জায়গায় হয়তো ভদ্রতা সভ্যতার সীমাটা রাখা হচ্ছে না, সেজন্য সব দলকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। যদি কোনোটা আইনশৃঙ্খলা পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন সেটা সরকারের দায়িত্ব। তার আগ পর্যন্ত কে কার জনসভায় কী বললো না বললো সেটা তো সরকারের দায়িত্ব না।  

নির্বাচন সম্পূর্ণ একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় মন্তব্য করে রিজওয়ানা হাসান বলেন, সেখানে অন্য দেশ বিশ্লেষণ করতে পারে, কিন্তু মতামত তো দেওয়ার সুযোগ রাখে না। তার বিশ্লেষণ থাকতে পারে কিন্তু কে জিতলে কী ধারণা করবে জিতবার আগেই এত কথা বলে দিলে তো এই মন্তব্য বস্তুনিষ্ঠ সেরকম মনে করার কোনো সুযোগ নেই।  

ভোটের পরিবেশ নষ্ট হলে আওয়ামী লীগকেই দায়ী করা হবে- সরকারের এমন একটা বিবৃতি আছে। এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার যে আওয়ামী লীগ চেষ্টা করেনি তা তো ঠিক কথা না। ভোটের যেদিন শিডিউল ঘোষণা হলো সেদিনই তো বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ করা হলো এবং সেটার ভুক্তভোগী আমরাও কয়েকজন আছি। ফলে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য যদি পতিত স্বৈরাচারের কোনো শক্তি কোনো রকম চেষ্টা করে সেটা প্রতিরোধ করার জন্য সরকার প্রস্তুত আছে, প্রয়োজনে প্রস্তুতি আমরা বাড়াবো।

মানুষের ভেতরে ভোটের পরিবেশ নিয়ে ভয় কাজ করছে- এ বিষয়ে তিনি বলেন, আপনি আমাকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেবেন যে কোন মানুষ আপনাকে বলেছে তার ভোট দিতে ভয় লাগছে। আমরা যে এত কয়টা জেলায় গেলাম সব জায়গায় আমরা দেখে এসেছি প্রতিটি জায়গায় নির্বাচনের একটা আমেজ শুরু হয়েছে। যখন আমরা গেছি তখনও কিন্তু নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়নি। তো প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়বে, আগ্রহও বাড়বে, আনন্দও বাড়বে। এটা সবসময় বাংলাদেশে হয়ে থাকে। কোনো জায়গাতে কোনো মানুষ আমাকে বলেনি যে আপা ভোট দিতে কেমন করে যাবো আমার ভয় লাগছে। আপনাকে যদি কেউ এটা বলে থাকে আমাদের জানাবেন তার ভয় দূর করার দায়িত্ব অবশ্যই আমাদের।

সরকারের এ উপদেষ্টা আরও বলেন, এই যে ভয়ের একটা আবহ তৈরি করা নানান প্রচার-প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, নানান কিছু ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে দিয়ে একটা ভয়ের আবহ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্যই বলা হচ্ছে যে পতিত স্বৈরাচার যদি নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্ন করার জন্য কোনো কাজ করে আমরা সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।


প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা চলছে

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা চলছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শুরু হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।জানা গেছে, সভায় ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়সংবলিত ১৩টি প্রকল্প উত্থাপন হবে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এছাড়া সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে নতুন ১০টি, সংশোধিত দুটি ও একটি মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- ভৌত অবকাঠামো বিভাগের ৯টি, কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের তিনটি এবং শিল্প ও শক্তি বিভাগের একটি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে নতুন ১০টি, সংশোধিত দুটি ও মেয়াদ বৃদ্ধির একটি।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের এটি পঞ্চম সভা এবং বর্তমান সরকারের দশম একনেক সভা। এতে নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি কয়েকটি চলমান প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি ও মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে বলে জানা গেছে।