শেয়ার বাজার

জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান


প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আধা ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সচিবালয় ভবনের ৩৪তম তলায় দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আধা ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সচিবালয় ভবনের ৩৪তম তলায় দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের দিনই (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে অংশ নেবেন তিনি। নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে তার সম্ভাব্য ভাষণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হবে এবং বিকালের অধিবেশনে নির্ধারিত ১৮ জন বক্তার মধ্যে তারেক রহমান ১১তম বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।

ভাষণের আগে বৃহস্পতিবার সকালেই সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলাবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী এবং সেখানে পাঁচ মিনিটের উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন।

এরপর দুপুরে মাতৃ ও নবজাতকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু বন্ধে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মিডওয়াইফারি অন্তর্ভুক্তিবিষয়ক আরও একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন তিনি। উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণীর সমাপনী বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে।

পরবর্তী সূচি অনুযায়ী, দুপুর ২টা ১৫ মিনিট থেকে ২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৩টা পর্যন্ত 'ইউএন বাইল্যাটেরাল বুথে' থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি।

এর আগে দুপুর ১টা ১০ মিনিটে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বিনিময় ও ফটোসেশনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

প্রেস উইং আরও জানায়, সাধারণ অধিবেশনে ভাষণদান শেষে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দপ্তর থেকে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন অথবা তার থাকার জন্য নির্ধারিত হোটেল 'হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে' ফিরবেন। পরে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির কার্যালয়ে আয়োজিত এক নৈশভোজে যোগ দেবেন তিনি।

পরের দিন শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ম্যানহাটনে জেপি মরগানের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটি আয়োজিত ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক প্রাতঃরাশ বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১১টায় কুয়েতের স্থায়ী মিশনে দেশটির ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তিনি।

এরপর দুপুরে ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট প্রিন্স জায়েদ আল হুসেইনের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন। যেখানে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বৈশ্বিক প্রবণতা ও নানা ঝুঁকি নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হবে। মধ্যাহ্নভোজ শেষে হোটেল গ্র্যান্ড হায়াতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফর শেষে ওই দিনই (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টায় এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। ফ্লাইটটি ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় (দুবাই সময়) দুবাই পৌঁছাবে।

এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর রাত ২টায় দুবাই থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ‘১০০ তে ১০০’ অভিযান চালাবে ডিএনসিসি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ‘১০০ তে ১০০’ অভিযান চালাবে ডিএনসিসি

রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে তিন মাসের বিশেষ অভিযানে নেমেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর—টানা তিন মাস চলবে এই অভিযান। উড়ন্ত মশার বদলে এবার বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে লার্ভা ধ্বংসে। কারণ, মশার উৎপত্তিস্থল নির্মূল করাকেই নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায় বলছে সিটি করপোরেশন।

ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস জানান, অতীতেও ওয়ার্ডভিত্তিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছিল। এভাবে তথ্য সংগ্রহের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোকে আরও সুনির্দিষ্ট করা গেছে। ফলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কাজ আরও সহজ হবে।

তিন মাসের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমরা যে প্রোগ্রামটা করছি, সেটার নাম দিয়েছি ‘১০০ তে ১০০’। আমরা ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিদিন নামাচ্ছি। এটা ১০০ দিন পর্যন্ত চলবে। সরকারের যে জাতীয় কর্মসূচি আছে, ৯০ দিন বা ৩ মাসের, সেটার সঙ্গে অ্যালাইন করে ১০০ দিনের কর্মসূচি। ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবী ১০০টা হটস্পটে চেষ্টা করবে ১০০ শতাংশ ক্লিয়ার করার জন্য।

শুধু অভিযান নয়, বাড়ানো হচ্ছে জনসচেতনতাও। ডিএনসিসির প্রতিটি নাগরিকের ঘরে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে সচেতনতামূলক চিঠি।

চিঠির বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, প্রতিটি বাসা এবং সোসাইটিতে, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি ভবন, অফিস, আদালত, যেখানে আছে, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আমার স্বাক্ষরিত একটি চিঠি রেডি করেছি সেটি পৌঁছে দিবো।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাইরে যতই ওষুধ ছিটানো হোক, বাসাবাড়ির ভেতরের লার্ভা ধ্বংস করা না গেলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে।

তবে কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাসার বলেন, এডিস মশার যে প্রজননস্থল, এই প্রজননস্থল ধ্বংসের কার্যক্রমটা ব্যাপকভাবে চালাতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে কমিউনিটিকে বা জনগণকেও এই কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে। যার যার বাড়ি ও বাড়ির আঙিনায় নিশ্চিত করতে হবে, যেন কোনোভাবেই ওই বাড়িতে এডিস মশার প্রজনন না হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখা এবং মশক কর্মীদের সহযোগিতা করাই হতে পারে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের অন্যতম কার্যকর উপায়।


পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত

অসদাচরণ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

বরখাস্তকৃতরা হলেন- ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান এবং গাজীপুরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২ এর সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে তাদের বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এস এম মেহেদী হাসান ডিএমপির (ট্রাফিক-দক্ষিণ) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। পরবর্তীতে তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এবং ই-মেইলে নোটিশ প্রদান করা হলেও তিনি কর্মস্থলে হাজির হননি। 

মেহেদী হাসান ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে অদ্যাবধি বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার এমন কর্মকাণ্ড সরকারি দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী যা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুসারে ‘পলায়ন’ এর আওতাভুক্ত এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ অধিদপ্তর থেকে পত্র প্রেরণ করা হয়। এ প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১৯ জুন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী প্রেরণ করে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) অনুযায়ী তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করা হয়।

জবাব দাখিলের জন্য নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হলেও আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি জবাব দাখিল করেননি। 

একইসঙ্গে তিনি সময় বৃদ্ধিরও কোনো আবেদন করেননি। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এবং অভিযোগসমূহ প্রমাণিত হলে গুরুদণ্ড আরোপযোগ্য হবে মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় অভিযোগসমূহ তদন্তের জন্য ২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। 

তদন্ত শেষে দাখিল করা প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুসারে ‘পলায়ন’- এর অভিযোগ সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে মর্মে উল্লেখ করা হয়। বিধি মোতাবেক চলতি বছরের ৪ জুন দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করা হয়। তিনি দ্বিতীয় কারণ দর্শানো নোটিশেরও জবাব দাখিল করেননি।

এস এম মেহেদী হাসানকে চাকরি থেকে বরখাস্তকরণসূচক গুরুদণ্ড প্রদানের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। 

এরপর এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের পরামর্শ চাওয়া হয়। সরকারি কর্মকমিশন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তকরণসূচক গুরুদণ্ড আরোপ করা যায় মর্মে পরামর্শ প্রদান করে। 

‘পলায়ন’ এর অভিযোগ সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। 

অপর প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বর্তমানে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী গাজীপুরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২-এ কর্মরত থাকাকালে ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি অসুস্থতার কারণে চিকিৎসক তাকে দুই মাসের বিশ্রামের পরামর্শ দেন। বিশ্রাম শেষে ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল তার কর্মস্থলে যোগদানের কথা থাকলেও তিনি যোগদান করেননি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি। কর্মস্থলে হাজির হওয়ার জন্য তার স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় একাধিকবার নোটিশ জারি করা হলেও তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি  থেকে কর্মস্থল থেকে প্রস্থান করে অদ্যাবধি কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার এ ধরনের কর্মকান্ড সরকারি দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে চরম অবহেলা এবং ‘অসদাচরণ ও ‘পলায়ন’-এর আওতাভুক্ত যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ অধিদপ্তর হতে পত্র প্রেরণ করা হয়। বিধি অনুযায়ী তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করা হয়।

নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হলেও তিনি জবাব দাখিল করেননি। একইসঙ্গে তিনি সময় বৃদ্ধিরও কোনো আবেদন করেননি। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহের গুরুত্ব বিবেচনায় এবং অভিযোগসমূহ প্রমাণিত হলে গুরুদণ্ড আরোপযোগ্য হবে মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুসারে অসদাচরণ ও ‘পলায়ন’'-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে মর্মে মতামত প্রদান করা হয়েছে। তাকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করা হয়।

তিনি দ্বিতীয় কারণ দর্শানে নোটিশেরও জবাব দাখিল করেননি। মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী চাকরি থেকে বরখাস্তকরণসূচক গুরুদণ্ড প্রদানের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। পরে সরকারি কর্মকমিশনের পরামর্শ চাওয়া হয়। সরকারি কর্মকমিশন তাকে ‘চাকরি থেকে বরখাস্তকরণ’ সূচক গুরুদণ্ড আরোপ করা যায় মর্মে পরামর্শ প্রদান করে। 

বিধি অনুসারে, অসদাচরণ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।


চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল, ২০২৬

চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের দর্শন হলো ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।


বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এই দর্শনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ দেশের ১০টি জেলা এবং ৩টি সিটি করপোরেশনের ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামীতে দেশের প্রায় চার কোটি প্রান্তিক ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও সোনাইমুড়ী) নির্বাচনি এলাকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করছি সংসদ সদস্যের নির্বাচনি এলাকার দরিদ্র পরিবারের নারী সদস্যদের ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা সম্ভব হবে।