শেয়ার বাজার

জুয়েলারি ব্যবসায়ীসহ দুজনকে গুলি করে ২০–২৫ ভরি সোনা ছিনতাই

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জুয়েলারি ব্যবসায়ীসহ দুজনকে গুলি করে ২০–২৫ ভরি সোনা ছিনতাই

ঢাকার কেরানীগঞ্জের হযরতপুরে আজ সোমবার সন্ধ্যায় জুয়েলারি ব্যবসায়ীসহ দুজনকে গুলি করে ২০ থেকে ২৫ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গুলিবিদ্ধ দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহত দুজন হলেন অন্তর সরকার (২৫) ও তাঁর ফুফাতো ভাই রাজিব সরকার (২০)। তাঁদের দুজনের পায়ে গুলি লেগেছে।

আহত অন্তর সরকার বলেন, হযরতপুর বাজারে তাঁদের জুয়েলারির দোকান রয়েছে। সন্ধ্যায় দোকান বন্ধ করে বাবা নিতাই সরকারসহ তাঁরা তিনজন স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে অটোরিকশায় করে বাসার উদ্দেশে রওনা হন। আনুমানিক সাড়ে সাতটার দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে তিনজন করে এবং একটি সিএনজি অটোরিকশায় থাকা কয়েকজন তাঁদের অটোরিকশার গতিরোধ করে। এরপর তারা গুলি করে এবং সোনার গয়না রাখা টিফিনবাক্সটি নিয়ে যায়।

অন্তর বলেন, ওই টিফিনবাক্সে ২০ থেকে ২৫ ভরি সোনা ছিল। ছিনতাইকারীরা চলে যাওয়ার সময় পাঁচ থেকে ছয়টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

কেরানীগঞ্জ থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) মনজিয়া বেগম বলেন, গুলি করে সোনা ছিনতাইয়ের একটি ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল গেছে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম হোসেন জানান, আহত দুজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন। তাঁদের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার আটিপাড়ায়।

ঈদের আগে মসলার বাজারে স্বস্তি, বিক্রি কমে হতাশ ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

ঈদের আগে মসলার বাজারে স্বস্তি, বিক্রি কমে হতাশ ব্যবসায়ীরা

কোরবানির ঈদের আগে এবার রাজধানীর মসলার বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। বেশ কিছু মসলার দাম কমেছে। খুচরা পর্যায়ে বিক্রি কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেও চাহিদা কমেছে। এতে ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পেলেও অবৈধ পথে আসা মসলার কারণে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করছেন বিক্রেতারা।


ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টিপসই, পরে বিধবা জানলেন ‘বিয়ে হয়ে গেছে’

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টিপসই, পরে বিধবা জানলেন ‘বিয়ে হয়ে গেছে’

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এক বিধবার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও টিপসই নেওয়ার পর তার নামে বিয়ের কাবিননামা তৈরির অভিযোগ উঠেছে। ৪৩ বছর বয়সী ওই নারী দাবি করেছেন, তিনি কোথাও বিয়ে করেননি এবং বিয়েতে সম্মতিও দেননি। অথচ কয়েক দিন পর গ্রামে তার বিয়ে হয়ে গেছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাকে একটি কাবিননামাও দেখানো হয়। চ্যানেলদেখুন

সম্প্রতি উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্যোগে দুই দফা সালিশ বৈঠকও হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে স্থানীয় জামায়াতের সহযোগী সদস্য হিসেবে পরিচিত আবদুস ছাত্তার কৌশলে তার টিপসই নেন। পরে সেই টিপসই ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে বিয়ের কাবিননামা তৈরি করা হয়েছে।

প্রায় ১৩ বছর আগে ওই নারীর স্বামী মারা যান। এরপর মানুষের জমিতে কাজ করে তিনি দুই ছেলেকে বড় করেছেন এবং তাদের বিয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে তার নাতি-নাতনিও রয়েছে।

বুধবার ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে কথা বললে তিনি বলেন, ‘আমি কোথাও বিয়ে করতে যাইনি। কোনো কাজিকেও দেখিনি।’

অভিযুক্ত আবদুস ছাত্তার নিজেকে জামায়াতের সহযোগী সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। তার একটি কসমেটিকসের দোকান রয়েছে। তবে ওই নারীর অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে কোনো টিপসই নেননি। জমিজমা নিয়ে বিরোধের কারণে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

উপজেলা জামায়াতের আমির মো. ফজলুল হক বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর আমরা স্থানীয় দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে খোঁজ নিয়েছি। তিনি (ছাত্তার) জামায়াতের পদধারী কোনো নেতা নন; বিগত নির্বাচনের সময় তিনি একটি কেন্দ্র কমিটির সহযোগী সদস্য ছিলেন। আগে তিনি বিএনপি করতেন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। আমরা চাই, প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হোক। তবে প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে মনে হচ্ছে, ঘটনাটি সাজানো বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে।’

এদিকে ছড়িয়ে পড়া কাবিননামায় বর হিসেবে স্থানীয় আবদুল কুদ্দুসের নাম উল্লেখ রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি এর আগে বিভিন্ন সময় ওই নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে ওই নারী কখনও তার প্রস্তাবে রাজি হননি। কুদ্দুসের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন, সন্তান ও নাতি-নাতনি রয়েছে।

বাড়িতে আবদুল কুদ্দুসকে পাওয়া না গেলেও তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন জানান, বিয়ের বিষয়ে তার স্বামী আগে তাকে কিছু জানাননি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর কুদ্দুস দাবি করেন, তিনি ‘কোর্ট ম্যারেজ’ করেছেন। পরিবারের সদস্যরা তাকে একাধিকবার বোঝানোর চেষ্টা করলেও তিনি কারও কথা শোনেননি বলে জানান সুফিয়া।

প্রকাশ্যে আসা কাবিননামায় দেখা যায়, কাজি গোলাম মোস্তফা বিয়েটি সম্পন্ন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছে আড়াই লাখ টাকা এবং ৫০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধের কথা লেখা রয়েছে। সাক্ষী হিসেবে আবদুল মান্নান ও সাইফুল ইসলামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সাক্ষী হিসেবে নাম থাকা সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি ওই বিয়ের কোনও সাক্ষী হননি।

কাজি গোলাম মোস্তফাও বিয়েটি সম্পন্ন করার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, ছড়িয়ে পড়া কাগজটি সম্পূর্ণ জাল। এর আগে ২০২০ সালেও তার নামে এমন একটি জাল কাগজ তৈরি করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। এবারও কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।

ঘটনাটি নিয়ে গত সোমবার ও বুধবার গ্রামে দুই দফা সালিশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সেখানে আবদুস ছাত্তার ও আবদুল কুদ্দুস কেউই উপস্থিত ছিলেন না। তাদের শুক্রবার পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এরপরও আবদুস ছাত্তার নিজের অবস্থান স্পষ্ট না করলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সালিশে নেতৃত্ব দেওয়া মোহাম্মদ রুস্তম আলী।

তিনি বলেন, ‘কীভাবে কী হলো, আমরা যাচাই করছি। সালিশের মাধ্যমে সমাধান না হলে আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া হবে।’

ফুলবাড়িয়া থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান বলেন, ঘটনাটি তারা বিভিন্নজনের কাছ থেকে শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।


৪ ভাইয়ের নিয়ন্ত্রণে হুন্ডি সিন্ডিকেট? তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য আলোচনায় এম এইচ মিঠু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

৪ ভাইয়ের নিয়ন্ত্রণে হুন্ডি সিন্ডিকেট? তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য আলোচনায় এম এইচ মিঠু

প্রতিবেদক: শাখাওয়াত হোসেন, মিরপুর।

দেশজুড়ে অবৈধ হুন্ডি ব্যবসা ও মানি লন্ডারিং চক্রের বিরুদ্ধে চলমান নজরদারির অংশ হিসেবে আলোচনায় এসেছে এম এইচ মিঠু ওরফে “মুখুষ ধরি মিঠু” নামের এক ব্যক্তির নাম। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে হুন্ডি ব্যবসার আড়ালে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।


সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে অবৈধ আর্থিক লেনদেন পরিচালনার অভিযোগ উঠে আসে। অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, আর্থিক লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য উঠে এসেছে এবং খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ হতে পারে।


অর্থপাচার ও হুন্ডি কার্যক্রম দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের হুমকি উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা বলেন, এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।


তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এম এইচ মিঠুর পক্ষ থেকে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।