শেয়ার বাজার

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র নেতৃত্বে সাজ্জাদ-মোশাররফ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র নেতৃত্বে সাজ্জাদ-মোশাররফ

ঢাকা, ২ মার্চ, ২০২৪ (বাসস) : কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা (সিজেএফডি)’র দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা এবং নির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’র ডেপুটি চিফ রিপোর্টার মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক দৈনিক আমাদের অর্থনীতির বিশেষ প্রতিনিধি এম. মোশাররফ হোসাইন।

২১ সদস্যের কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল অদুদ ও এম. এস. দোহা, যুগ্ম-সম্পাদক সালাহ উদ্দিন জসিম ও কামরুজ্জামান বাবলু, অর্থ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন দরবেশ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মনির আহমাদ জারিফ, প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক এ এফ এম রাসেল পাটোয়ারী, ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান রতন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক জহির আলম সিকদার, তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক আহমেদ আজম, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ সম্পাদক ফারজানা আফরিন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক বদরুল আলম মজুমদার, ইভেন্ট-আপ্যায়ন সম্পাদক কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বেলাল এবং নির্বাহী সদস্য দিদারুল আলম দিদার, সায়ীদ আবদুল মালিক, সাঈদ আহমদ খান, মোহাম্মদ মাসুদ ও কমল চৌধুরী।

দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কর্ম অধিবেশন ও ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা হোসাইন, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব রশিদ, মোহাম্মদ আবু তাহের, মো. শরীফুল ইসলাম এবং ফারুক খান।

এর আগে সকাল ১০টায় সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি মো. শরীফুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক এমপি, সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন এমপি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’র সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক গাজিউল হাসান খান, প্রেস ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (পিআইবি)’র মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ, মুক্তিযুদ্ধের গবেষক মোস্তফা হোসেইন, আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাসিমা খান মন্টি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহমুদুর রহমান খোকন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাসস'র সিনিয়র রিপোর্টার দিদারুল আলম, সংগঠনের সিনিয়র সদস্য আ. ন. ম. কুদরাত-ই-খোদা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ ইসহাক খান এবং আবু তাহের, বার্তাবেলা.কম এর সম্পাদক ও প্রকাশক মহিন উদ্দিন স্বপন।

 প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, কুমিল্লার যে ঐতিহ্য সবাইকে তা ধারণ করে এগুতে হবে। তবে কাজের ক্ষেত্রে যোগ্যতার সঙ্গে লড়াই চলে না। কুমিল্লাকে প্রত্যাশিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সবাইকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। তরুণ প্রজন্ম যাতে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠে সে উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি বলেন, পরিবর্তনকে ভয় পেলে চলবে না। আপনারা উন্নত কুমিল্লা চান। উন্নত বলতে বুঝায় জ্ঞানে-বিজ্ঞানে প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ এবং দারিদ্র্য, মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত। আপনারা সাংবাদিকরা এর জন্য অবদান রাখবেন, বিশ্বাস করি। আগামী দিনের ইতিবাচক অগ্রযাত্রায় শামিল হবেন। অনেকে সমস্যার কথা বলেছেন, এগুলোর সমাধানে আপনারা একটি কর্মপরিকল্পনা করেন। আমি সর্বতোভাবে সহায়তা করবো।

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিব বলেন, অনেকে বলেন রাজনীতিবিদরাই সমাজ সেবা করে। শুধু রাজনীতিবিদরা নয়, সবাই সমাজসেবা করে। আমরা স্ব-স্ব জায়গা থেকে নিজ দায়িত্বটুকু পালন করলেই সমাজসেবা হয়ে যায়। এসময় তিনি কুমিল্লাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সাংবাদিকসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। 

 বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, সাংবাদিকদের কুমিল্লার ইতিহাস ঐতিহ্য ধারণ করতে হবে। কুমিল্লার নবাব ফয়জুন্নেছা বাংলাদেশের শিক্ষার বিকাশে পথপ্রদর্শক, তার মূল্যায়নে ভূমিকা রাখতে হবে। তার বাড়ির স্মৃতি সংরক্ষণ করতে হবে। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, শচীন দেব বর্মন ও উস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ কে স্মরণ করতে হবে। শান্তি ও সুনীতিকে সামনে আনতে হবে। একটা মাত্র জেলা যেখানে মুক্তিযুদ্ধের তিনটি সেক্টর ছিল।

তিনি বলেন, আমি জেলা কোটা বিলুপ্তির পক্ষে, কুমিল্লা নামেই বিভাগের পক্ষে। আমরা চেষ্টা করলে কুমিল্লাকে আরও বিকশিত করতে পারি। ব্রান্ডিং করতে পারি।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণে জাতিসংঘের কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনা, নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি সংস্কার এবং বৈশ্বিক আস্থা পুনর্গঠনের ওপর জোর দিয়েছেন সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।চলতি অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আস্থা পুনরুদ্ধার, রূপান্তর ব্যবস্থাপনা: সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ’।

নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোগত বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক সদস্যগোষ্ঠী এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান অংশীদার হওয়া সত্ত্বেও আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিষদে কোনো স্থায়ী আসন নেই।

আফ্রিকাকে জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বের দাবি কোনো করুণা নয়, বরং এটি ন্যায়বিচার ও জাতিসংঘের গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন।

নিরাপত্তা পরিষদকে আরও স্বচ্ছ, প্রতিনিধিত্বশীল এবং বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ওপর গুরুত্ব দেন সাধারণ পরিষদের সভাপতি। এ ক্ষেত্রে সাধারণ পরিষদের আন্তঃসরকারি আলোচনা প্রক্রিয়ার প্রতিও সমর্থন জানান তিনি।

বৈশ্বিক আস্থা পুনর্গঠনে তিনটি কৌশলের কথা তুলে ধরেন খলিলুর রহমান। এর মধ্যে রয়েছে নিজেদের ব্যর্থতা সম্পর্কে স্পষ্টবাদী ও বাস্তববাদী হওয়া, সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সুশীল সমাজ ও বিজ্ঞানীদের আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করা।

বিশ্বব্যাপী বৈষম্য ও সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অগ্রগতি যখন থমকে আছে, তখন ওইসিডি দেশগুলোর উন্নয়ন সহায়তা এক বছরে ২৩ শতাংশ কমে ১৭৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। বিপরীতে বিশ্বব্যাপী সামরিক ব্যয় বেড়ে প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

গাজা, সুদান, ইউক্রেন, মিয়ানমার ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার নীতি কখনোই নির্বাচনী বা পক্ষপাতমূলকভাবে প্রয়োগ করা উচিত নয়।

এ সময় বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির এবং হাইতিতে জাতিসংঘের মানবিক কার্যক্রমের ইতিবাচক ভূমিকার উদাহরণও তুলে ধরেন তিনি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার নিয়েও সতর্ক করেন সাধারণ পরিষদের সভাপতি। জল সরবরাহ, বিদ্যুৎ ও সামরিক খাতের মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে এআইয়ের অপব্যবহার মানব সভ্যতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এআইভিত্তিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা ঠেকাতে বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করে দ্রুত প্রমাণভিত্তিক বৈশ্বিক নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো বা ‘গার্ডরেল’ তৈরির আহ্বান জানান খলিলুর রহমান।


নিরাপদ পানির নিশ্চয়তায় ২৫ হাজার কোটি টাকার সমন্বিত প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

নিরাপদ পানির নিশ্চয়তায় ২৫ হাজার কোটি টাকার সমন্বিত প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার

সারাদেশের মানুষের কাছে নিরাপদ পানি পৌঁছে দিতে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইউনিসেফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আজকে ইউনিসেফের সঙ্গে কথা বলেছি একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে। সেটা হচ্ছে কীভাবে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের কাছে আমরা নিরাপদ পানি পৌঁছে দিতে পারি। আপনারা জানেন যে, পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। কিন্তু এই পানি যদি দূষিত হয়, যদি জীবাণুপূর্ণ হয়, তাহলে এই পানি মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আজকের দুনিয়ায় একদিকে পানি মানুষের জীবনের জন্য অপরিহার্য, অন্যদিকে এই পানি আবার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের কাছে নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। এ চ্যালেঞ্জ নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।’

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘আমাদের নদীতে অনেক পানি আছে, কিন্তু সেই নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। আমাদের যে উজান, নদীর উজানগুলোতে পানি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। পানি শুকিয়ে যাওয়ার ফলশ্রুতিতে একদিকে যেমন আমাদের উত্তরের জেলাগুলোতে ডেজার্টিফিকেশন হচ্ছে, অর্থাৎ মরুভূমিজনিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে, আবার এর দ্বিতীয় একটি প্রভাব রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নদীগুলো দিয়ে পানি বঙ্গোপসাগরে যায়। এই পানির পরিমাণ কমে গেলে সমুদ্রের পানির লবণাক্ততা ওপরের দিকে উঠতে থাকে। এ কারণে দক্ষিণাঞ্চলে বিগত কয়েক দশক ধরে উজানে পানি প্রত্যাহারের কারণে পানীয় জলের বিরাট সমস্যা দেখা দিয়েছে। যারা দক্ষিণাঞ্চলের অধিবাসী অথবা আপনারা যদি তাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলে জানতে পারবেন যে সুপেয় পানি কীভাবে মারাত্মক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সমস্ত বিষয় বিবেচনা করে আমাদের দায়িত্ব মানুষের কাছে সুপেয় পানি পৌঁছে দেওয়া। এবং সেই উদ্দেশ্যে আমরা কীভাবে জাতিসংঘের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করে মানুষের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারি, তার অর্থায়ন কীভাবে হবে, সেটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’

সুপেয় পানির জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পে কত টাকা ব্যয় হবে, জানতে চাইলে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘আজকে আমরা সম্মিলিতভাবে যে টাকার প্রকল্প নিয়ে আলাপ করেছি, তা শুধু ইউনিসেফ নয়। এখানে বিভিন্ন সংস্থা রয়েছে, সবাইকে মিলিয়ে যোগ করলে প্রায় এটা ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউএস ডলারের দাঁড়াবে। তার অর্থ হচ্ছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার মতো।’

বৈঠকে শুধু ইউনিসেফ নয়, বিশ্বব্যাংক ও ওয়াটারএইডের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি। এসব সংস্থাকে নিয়ে সমন্বিতভাবে পরিকল্পনা করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের যে লিড মিনিস্ট্রি যেটা, এলজিআরডি আপনারা বলেন, এই মন্ত্রণালয়ের প্রধান একটি প্রধান কাজ হচ্ছে মানুষের যে জীবন, যে পানি, সেই নিরাপদ পানি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় দাতা সংস্থার কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা পেয়ে আসছে। তবে সেই সহায়তা সঠিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘ফরচুনেটলি বাংলাদেশ কিন্তু বাইলেটারাল এবং মাল্টিলেটারাল ডোনার উভয়পক্ষ থেকে যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা সহায়তা আমরা পেয়েছি। তবে আমি কিন্তু খোলাখুলি একটা কথা বলবো, সেই সহায়তা কিন্তু আমরা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারি নাই।’

বর্তমানে বিদেশি অর্থায়নের পরিমাণও কমে আসছে। ধনী দেশগুলো নিজেরাও অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাওয়ায় দরিদ্র দেশগুলোর জন্য সহায়তার পরিমাণ কমছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশে দীর্ঘ ১৭ বছর পরে যখন একটি গণতান্ত্রিক সরকার ফিরে এসেছে, আমরা যেভাবে জবাবদিহিমূলক একটি সরকার গঠন করে মানুষের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি, সেই পরিস্থিতিতে বিগত ১৭ বছরে যে অপচয় হয়েছে, যে দুর্নীতি হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের, যারা তাদের গায়ের রক্ত জল করে, যারা পরিশ্রম করে এই দেশকে তারা গড়ে তুলেছে, তাদের সেই সম্পদ যে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল বিগত ১৭ বছরে, আমরা সেটা বন্ধ করেছি ইতিমধ্যেই, আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে।’

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে আমি বিশ্বাস করি এই দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করে আমরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে, জনগণের সেবায় সঠিকভাবে নিয়োজিত করবো।’


ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন আসাদ আলম সিয়াম

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন আসাদ আলম সিয়াম

ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বর্তমান পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম। কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।এর আগে, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামকে ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করে ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব (এগ্রিমো) পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। চলতি বছরের জুলাইয়ে ভারত সরকারের কাছে এ প্রস্তাব পাঠানো হয়। আসাদ আলম সিয়াম অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৫ সালের ২০ জুন পররাষ্ট্র সচিব পদে নিয়োগ পান। 

আসাদ আলম সিয়াম একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ কূটনীতিক। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্থাপত্যে স্নাতক এবং নেদারল্যান্ডস থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। ১৯৯৫ সালে বিসিএস (পররাষ্ট্র) ১৫তম ব্যাচে যোগ দেন।

কর্মজীবনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত ও বিশ্বব্যাংক-আইএমএফে স্থায়ী প্রতিনিধি, অস্ট্রিয়ায় রাষ্ট্রদূত ও ভিয়েনায় জাতিসংঘ অফিস, ফিলিপাইনসে রাষ্ট্রদূত, ইতালির মিলানে প্রথম কনসাল জেনারেল, ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইউরোপ উইংয়ের ডিরেক্টর জেনারেল, চিফ অব প্রটোকল, ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমির রেক্টর, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব মিশনস ইত্যাদি পদে নিযুক্ত ছিলেন।