শেয়ার বাজার

মাছের মাথা খেলে কী কী হয়?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৪

মাছের মাথা খেলে কী কী হয়?

মাছে ভাতে বাঙালি। মাছ না হলে অর্ধেক দিন খাবার হজম করা মুশকিল হয় অনেকেরই। অনেকের আবার প্রতিদিনই মাছের কোনো না কোনো পদ রাখতে হয় পাতে।

তবে এর মধ্যে অনেকে আছেন যারা মাছের মাথাটা খেতে বেশি ভালবাসেন। মাছের মাথার স্বাদ রীতিমতো সুস্বাদু। তবে মাছের মাথা খাওয়া শরীরের জন্য কতটা ভালো?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাছের মাথা থেকে প্রায় সবরকম পুষ্টিগুণই পাওয়া যায়। এতে ক্যালোরির পরিমাণ বেশি থাকে আবার স্বাস্থ্যকর ফ্যাটও বেশি থাকে।

আরও পড়ুন: স্তন্যদান নিয়ে ৭টি ভুল ধারণা এবং যেসব বিষয় আপনার জানা উচিৎ

মাছের মাথায় কোলেস্টেরল ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণও অনেকটাই কম। মাছের মাথা সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের গুণে সমৃদ্ধ। এতে তেমন কার্বোহাইড্রেট নেই। বরং প্রোটিন আছে অনেকটাই।

মাছের মাথা খাবেন কেন ?

মানসিক অবসাদ কমায়

মাছের মাথায় একটা বিশেষ ধরনের ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এটির নাম ডোকোসাহেক্সাইনোয়িক অ্যাসিড। এটি মানসিক অবসাদ কমাতে সাহায্য করে।

হার্টের রোগ দূর করে

হার্ট ভাল রাখতে সাহায্য করে মাছের মাথা। এর মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ একেবারেই কম। তাই মাছের মাথা খেলে হার্টের রোগের ঝুঁকি কমে।

মানসিক চাপ

মানসিক চাপ বা মেন্টাল স্ট্রেস কমাতেও মাছের মাথার বড় ভূমিকা রয়েছে। ওমেগা থ্রি অ্যাসিডই এর কারণ।

আলুতে ভেজাল আছে কি না, কীভাবে বুঝবেন

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

আলুতে ভেজাল আছে কি না, কীভাবে বুঝবেন

রান্নায় আলু ছাড়া ভাবতেই পারি না। বাড়িতে সবজি না থাকলেও ঝুড়িতে আলু থাকা বাধ্যতামূলক। রান্না করতে ইচ্ছে না হলেও এই আলু অনেকের ভরসা। আলু এমন একটি সবজি, যা যে কোনো ধরনের খাবারের সঙ্গে সহজেই মিশে যায়। বিশ্বব্যাপী এই সবজি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রচুর পরিমাণে ব্যবহারের কারণে এর চাহিদা সবসময়ই থাকে।

কিন্তু আজকাল অধিকাংশ খাবারে ভেজাল মেশানো হয়। এতে ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকলে স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই প্রতিবার আলু ব্যবহার করার আগে যাচাই করা জরুরি। কৃত্রিম রং এবং রাসায়নিক সরাসরি কিডনি ও লিভারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া ভেজাল আলু দিয়ে তৈরি খাবার খাওয়ার ফলে পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ক্ষুধা হ্রাসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক আলু পরীক্ষা করবেন যেভাবে-

রং পরীক্ষা করে

মাটি মাখা আলু বিক্রি করেন। কিনে এনে প্রথমে পানিতে চুবিয়ে রাখুন। এতে সব ময়লা ও মাটি পরিষ্কার হয়ে যাবে এরপর আলুর খোসা ছাড়িয়ে দু’ভাগে কেটে দেখুন। সাধারণ আলুর বাইরের অংশ ও ভেতরের অংশে তেমন কোনো পার্থক্য থাকে না। কিন্তু যদি আলুতে ভেজাল মেশানো থাকে, তাহলে বাইরের অংশ গাঢ় এবং ভেতরের অংশ হালকা রঙের হয়। বিশেষ করে ভেতরে হালকা সাদা ভাব থাকলে বুঝবেন এতে ভেজাল রয়েছে।

আলুর ঘ্রাণ শুঁকে

আলু কিনতে গেলে প্রথমেই ঘ্রাণ নিয়ে দেখুন। সাধারণ আলুতে মাটির হালকা ঘ্রাণ থাকে। কিন্তু যদি ঘ্রাণ কড়া বা ঝাঁঝালো হয়, তাহলে বুঝবেন এতে রাসায়নিক মেশানো থাকতে পারে। আলুর খোসা ছাড়ানোর পরে বা কাটার পরে এই ঘ্রাণ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। এভাবে সহজেই বোঝা যায় যে আলুতে ভেজাল আছে কি না।

পানিতে ডুবিয়ে দিয়ে

একটি বালতিতে পানি নিন এবং আলুগুলো এতে ডুবিয়ে দিন। যদি আলু আসল হয়, তা ডুবে যাবে। আর যদি ভেজাল মেশানো আলু হয়, তা পানিতে ভেসে উঠে। এভাবে খুব সহজেই আলুর বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করা যায়।

অস্বাভাবিক চকচকে

আসল আলুর ত্বক সাধারণত কিছুটা রুক্ষ এবং পাতলা হয়, তাই হালকাভাবে ঘষতে হয়। কিন্তু যদি ত্বক অস্বাভাবিকভাবে মসৃণ, ঘন হয়ে থাকে বা খুব সহজে উঠে যায়, তবে এটি সতর্ক হওয়ার বিষয়। এছাড়া আলুর রং বা দাগ যদি অস্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল বা লালাভ দেখায়, তাহলে বোঝা যায় এতে রাসায়নিক মিশ্রণ রয়েছে। এমন আলু স্বাস্থ্য ও ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাই কেনার আগে রং ও দাগ ভালোভাবে পরীক্ষা করা জরুরি।


ফুসফুস ভালো রাখতে প্রতিদিনের যেসব অভ্যাস জরুরি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ফুসফুস ভালো রাখতে প্রতিদিনের যেসব অভ্যাস জরুরি

শ্বাসপ্রশ্বাস আমাদের বেঁচে থাকার সবচেয়ে মৌলিক শর্ত। প্রতিটি স্পন্দনের সাথে আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া এবং ক্ষতিকর কার্বন ডাই-অক্সাইড বের করে দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজটি নিরলসভাবে করে যাচ্ছে ফুসফুস। অথচ, কোনো বড় ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা না দেওয়া পর্যন্ত আমরা প্রায়ই শরীরের এই অমূল্য অঙ্গটির প্রতি উদাসীন থাকি।

বর্তমান সময়ে বায়ু দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং নানা ধরনের রাসায়নিকের প্রভাবে হাঁপানি, সিওপিডি বা ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি বেড়েই চলেছে। তবে আশার কথা হলো, শরীরের অন্যান্য পেশির মতোই ফুসফুসকেও সুস্থ ও শক্তিশালী রাখা সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ছোট কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনলে এবং সচেতন হলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বহুগুণ বাড়ানো যায়।


শ্বাস নেওয়া ও বসার ভঙ্গির ধরনের দিকে নজর দিন

ফুসফুস ভালো রাখার অন্যতম সহজ উপায় হলো আমাদের শ্বাস নেওয়ার ধরন এবং বসার ভঙ্গির দিকে নজর দেওয়া। শ্বাসপ্রশ্বাস একটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া হলেও, আমরা অনেকেই বুক দিয়ে অগভীরভাবে শ্বাস নিই, যা ফুসফুসের পুরো ধারণক্ষমতাকে কাজে লাগায় না।

চিকিৎসকদের মতে, পেট ফুলিয়ে গভীর শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস বা 'ডায়াফ্রাগমেটিক ব্রিদিং' ফুসফুসের পেশিকে শক্তিশালী করে এবং আমাদের স্ট্যামিনা বাড়ায়। এর পাশাপাশি শরীরের সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখাও অত্যন্ত জরুরি। কুঁজো হয়ে বা পিঠ বাঁকিয়ে বসলে ফুসফুস সংকুচিত হয়ে যায়, ফলে শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন প্রবেশ করতে বাধা পায়। তাই সোজা হয়ে বসা, নিয়মিত শরীর প্রসারিত করা বা স্ট্রেচিং এবং যোগব্যায়ামের মতো অভ্যাসগুলো বুকে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের পথ সুগম করে।

নিয়মিত শরীরচর্চা করুন

ফুসফুসকে সতেজ রাখতে শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, সুস্থ ফুসফুসের জন্য সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট শারীরিক ব্যায়াম করা প্রয়োজন। দ্রুত হাঁটা, সাঁতার কাটা বা সাইকেল চালানোর মতো কার্ডিও ব্যায়ামগুলো আমাদের রক্ত চলাচল বাড়ায় এবং ফুসফুসকে আরও কার্যকরভাবে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে।

এমনকি কোর মাসল বা পেটের পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়ামগুলো ডায়াফ্রামকে সাপোর্ট দেয়, যার ফলে প্রতিটি শ্বাসপ্রশ্বাস সহজ হয়। মজার ব্যাপার হলো, মন খুলে হাসা বা গান গাওয়ার মতো আনন্দদায়ক কাজগুলোও ফুসফুসের জন্য চমৎকার ব্যায়াম। এগুলো ফুসফুসের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায় এবং ভেতরে জমে থাকা পুরোনো বা দূষিত বাতাস বের করে দিতে সাহায্য করে।

ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখুন

আমাদের চারপাশের বাতাসের মান ফুসফুসের স্বাস্থ্যে সরাসরি প্রভাব ফেলে। অনেকেই হয়তো জানেন না, বাইরের রাস্তার চেয়ে আমাদের ঘরের ভেতরের বাতাসও অনেক সময় বেশি দূষিত হতে পারে। ঘরে জমে থাকা ধুলোবালি, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশের ছত্রাক, পোষা প্রাণীর লোম এবং রাসায়নিক পরিষ্কারক দ্রব্য ধীরে ধীরে ফুসফুসের ক্ষতি করে। তাই ঘরের ভেতরে যেন পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত।

ক্ষতিকর রাসায়নিকের বদলে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে ঘর পরিষ্কার করা এবং সম্ভব হলে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি, বাড়ির বাইরে বাতাসের মান যখন খুব খারাপ থাকে, তখন অতিরিক্ত ধুলাবালি ও যানজটপূর্ণ এলাকায় হাঁটাচলা বা ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ধূমপান থেকে দূরে থাকুন

ফুসফুসের সুস্থতার ক্ষেত্রে ধূমপান থেকে দূরে থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। সিগারেটের ধোঁয়া ফুসফুসের টিস্যুকে সরাসরি ধ্বংস করে, শ্বাসনালীকে সংকুচিত করে এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা পরবর্তীতে ক্যানসারের মতো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এমনকি পরোক্ষ ধূমপানও সমানভাবে ক্ষতিকর।

তবে সুখবর হচ্ছে, মানুষের শরীর অত্যন্ত সহনশীল। ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফুসফুস তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে পেতে শুরু করে। এছাড়া নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা চেকআপ করাও জরুরি। ফুসফুসের অনেক রোগের লক্ষণ প্রাথমিক পর্যায়ে প্রকাশ পায় না। তাই নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা শুরুতেই শনাক্ত করা গেলে তা সহজেই নিরাময় করা সম্ভব হয়।

খাবারের তালিকায় বৈচিত্র্য রাখুন

আমাদের খাদ্যাভ্যাস এবং পানি পানের পরিমাণও ফুসফুসের কার্যক্ষমতা নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। শরীরকে আর্দ্র রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। ফুসফুস সঠিকভাবে কাজ করার জন্য আর্দ্রতার প্রয়োজন হয়। শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে ফুসফুসের মিউকাস বা শ্লেষ্মা ঘন হয়ে যায়, ফলে ফুসফুস থেকে ক্ষতিকর পদার্থগুলো সহজে বের হতে পারে না।


অন্যদিকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার ফুসফুসের সুরক্ষায় বেশ ভালো কাজ করে। সামুদ্রিক মাছ, সাইট্রাস জাতীয় ফলমূল, সবুজ শাকসবজি, বাদাম এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত খাবার ফুসফুসের টিস্যুর প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো অনেক সময় শ্বাসতন্ত্রে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।ফুসফুস সুস্থ রাখা একদিনের কাজ নয়, বরং এটি একটি আজীবন প্রক্রিয়া। গভীর শ্বাস নেওয়া থেকে শুরু করে নিজেকে সচল রাখা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং পরিষ্কার বাতাসের পরিবেশে থাকার মতো ছোট ছোট অভ্যাসগুলো আমাদের ফুসফুসের জন্য একটি শক্তিশালী সুরক্ষা বলয় তৈরি করতে পারে।আমাদের একটুখানি সচেতনতা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নই পারে একটি সুস্থ, প্রাণবন্ত ও দীর্ঘায়ু জীবন নিশ্চিত করতে। কারণ ফুসফুস ভালো থাকলে, প্রতিটি শ্বাসই আমাদের জীবনকে করে তুলবে আরও সতেজ ও আনন্দময়।


মানসিক প্রশান্তি খুঁজতে ৯০ শতাংশ মানুষ পরকীয়া করেন, বলছে সমীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

মানসিক প্রশান্তি খুঁজতে ৯০ শতাংশ মানুষ পরকীয়া করেন, বলছে সমীক্ষা

বার্তাবেলা ডেস্ক: বিবাহবহির্ভূত বা পরকীয়া সম্পর্ক দাম্পত্য জীবনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এর পরিণতি কখনো কখনো হতে পারে মারাত্মক। দাম্পত্য জীবনে অশান্তি, মনোমালিন্য, মতের অমিল, একে অপরকে সময় না দেওয়া ইত্যাদি কারণে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেকেই। 

সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণা জানাচ্ছে, যারা ঘন ঘন ভ্রমণ করেন বা বাড়ির বাইরে থাকতে পছন্দ করেন, তারা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে খুব সহজেই জড়িয়ে পড়েন।

তবে পরকীয়া সব সময় শারীরিক আকর্ষণেই গড়ে ওঠে তা কিন্তু নয়। সমীক্ষা বলছে, বেশিরভাগ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক যৌন আসক্তি বা যৌন মিলনের বিষয়ে নয় বরং মানসিক প্রশান্তির সঙ্গে যুক্ত।

আরও পড়ুন: হাঁটু মুড়ে বসে কেন প্রোপোজ করা হয়?

একটি গবেষণা বলছে, মাত্র ১০ শতাংশ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক যৌন মিলনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। অন্যদিকে ৯০ শতাংশ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে মানুষ জড়িয়ে পড়েন মানসিক প্রশান্তি খুঁজতে। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে তোলার আরও একটি কারণ হলো দাম্পত্য জীবনে একঘেয়েমি বোধ করা।

‘গ্লিডেন’ নামক ফ্রান্সভিত্তিক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের একটি ডেটিং অ্যাপের ২০ শতাংশই ভারতীয়। এটি ভারতে একটি সমীক্ষা চালায় ও নারীদের জিজ্ঞাসা করে, কেন তারা স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করছেন।

আরও পড়ুন: প্রিয়জনকে চুমু দিলে কী কী হয় জানলে অবাক হবেন

সমীক্ষা বলছে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে ২০-৪০ শতাংশ বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। যদিও অনেক দম্পতিই তাদের সামাজিক সম্মান, সন্তানের ভবিষ্যৎ কিংবা পরিবারের কথা চিন্তা করে বিবাহবিচ্ছেদ থেকে সরে দাঁড়ান।

গ্যালাপ পোলের একটি সমীক্ষা বলছে, আমেরিকার ৯১ শতাংশ পুরুষ ও নারী উভয়ই বিশ্বাসঘাতকতাকে নৈতিকভাবে ভুল বলে মনে করেন। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক পরিবার, বিবাহ ও সম্পর্কের ভিত্তির জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি নৈতিক মূল্যবোধের অনুপস্থিতি ও বিশ্বাসভঙ্গের ফলাফল।

বিজ্ঞানীদের মতে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক মূলত প্যাথলজিক্যাল। যাই হোক, পরকীয়া এড়ানোর সমাধান হলো দম্পতিদের মধ্যে ভালো বোঝাপোড়া, মানসিক, আধ্যাত্মিক ও শারীরিক সংযোগ থাকা।