শেয়ার বাজার

নাগরিকদের গোপন তথ্য বিক্রির অভিযোগে ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

নাগরিকদের গোপন তথ্য বিক্রির অভিযোগে ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

সরকারি ই-মেইল ও ভুয়া জিডি-মামলার নম্বর ব্যবহার করে নাগরিকদের কল ডিটেইল রেকর্ডসহ (সিডিআর) বিভিন্ন গোপন তথ্য সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রি ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার বিভাগ।

গ্রেপ্তার চার পুলিশ সদস্য হলেন—ডেমরা থানার পুলিশ কনস্টেবল সাইমন হোসেন রাশেদ, মাসুম মিয়া, ওয়ারী থানার পুলিশ কনস্টেবল নিজাম উদ্দীন এবং তুরাগ থানার পুলিশ কনস্টেবল মো. জিহাদ মিয়া।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর ডিবির এসআই আবিদুর রহমান বাদী হয়ে রমনা থানায় অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন ২০০১ এবং বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনে মামলাটি করেন। বর্তমানে মামলাটি ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগ তদন্ত করছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও প্রতারণার মাধ্যমে বেআইনিভাবে মুঠোফোনের সিডিআর সংগ্রহ করে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন। তারা নাগরিকদের সিম বা মুঠোফোন নম্বরের কললিস্ট, সর্বশেষ কল লোকেশন, এনআইডিসহ বিভিন্ন গোপন তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রি ও ছড়িয়ে দিয়েছেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ডিবির সাইবার মনিটরিংয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ও টেলিগ্রাম গ্রুপে সিডিআর বিক্রির বিষয়টি নজরে আসে। পরে গ্রামীণফোন অপারেটরের তথ্য এবং বিকাশে টাকা লেনদেনের সূত্র ধরে অনুসন্ধানে নেমে ডিবি এই চক্রের সন্ধান পায়।

তদন্তে জানা যায়, তুরাগ থানায় কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত কনস্টেবল জিহাদ মিয়া থানার ওসির সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে ভুয়া জিডি নম্বর ও এএসআইয়ের নাম দেখিয়ে ১১টি নম্বরের সিডিআর সংগ্রহ করেন। একইভাবে ডেমরা ও ওয়ারী থানার ওসির সরকারি ই-মেইল ও ভুয়া মামলার নম্বর ব্যবহার করে কনস্টেবল সাইমন হোসেন রাশেদ, মাসুম মিয়া ও নিজাম উদ্দীন সিডিআর সংগ্রহ করে তা বিভিন্ন ব্যক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিতেন এবং বিনিময়ে টাকা নেন।

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

হোয়াটসঅ্যাপে ডিলিট হওয়া মেসেজ যেভাবে ফিরে পাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

হোয়াটসঅ্যাপে ডিলিট হওয়া মেসেজ যেভাবে ফিরে পাবেন

হোয়াটসঅ্যাপে ব্যক্তিগত চ্যাটের পাশাপাশি অসংখ্য গ্রুপে যুক্ত থাকেন। পরিবার থেকে বন্ধু, অফিস কলিগ থেকে শুরু করে আরও নানান ধরনের গ্রুপে যুক্ত থাকেন হোয়াটসঅ্যাপে।

অনেক সময় এমন হয় যে, ভুলে জরুরি চ্যাট ডিলিট হয়ে যায়। আবার অনেকেই ‘ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজ’ ফিচার অন করে রাখেন। নির্দিষ্ট সময় পর মেসেজ নিজে থেকেই ডিলিট হয়ে যায়। কিন্তু ভুলে যদি কেউ মেসেজ ডিলিট করে ফেলেন কিংবা ফোন বদলানোর সময় সব চ্যাট ডিলিট হয়ে যায়। এতে পড়ে ঝামেলার শেষ থাকে না। তবে চাইলেই কিন্তু এই মেসেজ আবার ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

হোয়াটসঅ্যাপে বেশ কিছু ইন বিল্ট টুল রয়েছে। যেমন গুগল ড্রাইভ বা আই ক্লাউডে ক্লাউড ব্যাকআপ কিংবা অ্যান্ড্রয়েড ইউজারদের জন্য স্টোরেজ অপশন। এছাড়া কিছু থার্ড পার্টি সফটওয়্যারও পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে ডিলিট হয়ে যাওয়া ডেটা ফেরত পেতে পারেন ইউজার।

গুগল ড্রাইভ বা আইক্লাউড থেকে ডিলিট হয়ে যাওয়া চ্যাট পুনরুদ্ধার করতে-

>> অ্যান্ড্রয়েড ইউজারদের প্রথমে সেটিংসে যেতে হবে।

>> তারপর ক্লিক করতে হবে ‘চ্যাটস’ অপশনে।

>> সেখানে চ্যাট ব্যাকআপ অপশনে গিয়ে গুগল ড্রাইভ চেক করতে হবে।

>> হোয়াটসঅ্যাপ আনইনস্টল করে পুনরায় ইনস্টল করে ফোন নম্বর যাচাইয়ের পর প্রম্পট এলে রিস্টোর ট্যাপ করতে হবে। ডিলিট হওয়া সব চ্যাট ফের চলে আসবে।

আইফোনে কাজটি করতে-

>> প্রথমে সেটিংসে যেতে হবে।

>> তারপর ক্লিক করতে হবে ‘চ্যাটস’ অপশনে।

>> এবার চ্যাট ব্যাকআপে গিয়ে আইক্লাউড ব্যাকআপ দেখতে হবে।

>> হোয়াটসঅ্যাপ নতুন করে ইনস্টল করে চ্যাট হিস্ট্রি পুনরুদ্ধার করতে হবে।

ফোনের লোকাল ব্যাকআপ থেকেও পাবেন-

>> প্রথমে ‘ফাইল ম্যানেজার’-এ যেতে হবে।

>> তারপর হোয়াটসঅ্যাপে ক্লিক করে ডাটাবেসে ঢুকতে হবে।

>> এখানে পছন্দের ফাইল শনাক্ত করে নাম বদলে রাখতে হবে ইউজারকে।

>> তারপর হোয়াটসঅ্যাপ পুনরায় ইনস্টল করে সেটআপের সময় রিস্টোর অপশনে ক্লিক করলেই ডিলিট হওয়া সব চ্যাট চলে আসবে।


সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আগামী ৩১ দিন সতর্কতার সঙ্গে টেলিযোগাযোগ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে: পলক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৩

আগামী ৩১ দিন সতর্কতার সঙ্গে টেলিযোগাযোগ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে: পলক

নির্বাচনকালীন সরকারের আগামী ৩৪ দিন গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে সচিবালয়ে এসে বিভাগের সম্মেলনকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে বৈঠকের শুরুতে তিনি এ আহ্বান জানান। এসময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং অধীন দপ্তর-সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ৩৪ দিন আমাদের দৈনন্দিন কাজ, সবাইকে অনুরোধ করবো এ গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আপনারা সবাই সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। আমাদের ডাক ও টেলিযোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। কারণ টেলিকম কমিউনিকেশন যদি চলমান না থাকে তাহলে আমাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাণিজ্য সব কিছুই কিন্তু ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে। আমাদের ডাক যদি চালু না থাকে তাহলে আমাদের যে লজিস্টিকস, আমাদের সব পণ্য আনা-নেওয়া করা, সেটাই কিন্তু দুর্ভোগের মধ্যে পড়ে যাবে।

পলক বলেন, এখন আমরা দেখছি হরতাল-অবরোধের নামে একটা রাজনৈতিক দল, একটা রাজনৈতিক গোষ্ঠী দেশি-বিদেশি চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করে প্রতিদিন নিরীহ মানুষের ওপরে আক্রমণ করছে। একজন ট্রাকচালক মারা গেছেন। অসংখ্য গাড়ি পোড়াচ্ছে, রাস্তায় অবরোধ করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানকে খুব সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ডাক বিভাগকে চলমান রাখতে হবে সব পণ্য, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত চিঠিপত্র লেনদেন করা; আমাদের বিটিআরসিকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অপরদিকে, আমাদের স্যাটেলাইট কমিউনকেশনকেও চালু রাখতে হবে বিনোদন, যোগাযোগ এবং যাতে আমাদের টেলিভিশন সেন্টারগুলো নির্বিঘ্ন কাজ করতে পারে।’

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘আমি সবাইকে অনুরোধ করবো দৈনন্দিন কাজগুলো অত্যন্ত সততা, স্বচ্ছতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পালন করবো। যেন নির্বাচনকালীন সময়ে আমাদের কোনো ধরনের যোগাযোগ এবং সেবা বিঘ্ন না ঘটে। আমাদের রাষ্ট্রীয়, সরকার এবং জনগণের কোনো সেবা যেন ব্যহত না হয়।’


ইতালিতে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

ইতালিতে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

ঢাকায় অবস্থিত ইতালি দূতাবাস সে দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে, যা সোমবার (১ জুন) ভিসা প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠান ভিএফএস গ্লোবাল নিশ্চিত করেছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের পোর্টালে প্রাথমিক নিবন্ধন (প্রি-এনরোলমেন্ট) শেষ করেছেন, তাদের সাথে ভিএফএস গ্লোবাল সরাসরি ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সাক্ষাৎকারের তারিখ জানিয়ে দেবে। ফলে শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে না। নিবন্ধনে ব্যবহৃত ই-মেইলটিই যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে গণ্য হবে।

আর্থিক সহায়তার (স্পন্সর) ক্ষেত্রে এবার বড় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বাবা-মায়ের পাশাপাশি দাদা-দাদি, নানা-নানি, চাচা-ফুপু, মামা-খালা, তাদের সন্তান এবং ইতালিতে অবস্থানরত আত্মীয়স্বজনও এখন থেকে আর্থিক গ্যারান্টর হতে পারবেন।

ভাষা দক্ষতার সনদের ক্ষেত্রে শর্ত হলো, এটি অবশ্যই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বা অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত হতে হবে, যেখানে শোনা, বলা, পড়া ও লেখার পৃথক মূল্যায়ন থাকতে হবে। এছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যতা যাচাইয়ে সিআইএমইএ সনদ অথবা ‘ডিক্লারেশন অব ভ্যালু’ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রি-এনরোলমেন্ট ভিত্তিক শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনের শেষ সময় আগামী ২৯ অক্টোবর। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের এই নির্দেশনাগুলো গুরুত্বের সাথে অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।