শেয়ার বাজার

নবীনগরে ৪৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নবীনগরে ৪৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে অভিযান চালিয়ে ৪৭ কেজি গাঁজাসহ মো. হোসাইন (৩৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯। এ সময় গাঁজা বহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এসআরবি-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল নবীনগর উপজেলা পরিষদের সামনে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, কসবা এলাকা থেকে একটি প্রাইভেটকারে করে কয়েকজন ব্যক্তি মাদকদ্রব্য নিয়ে রাধিকা-নবীনগর সড়ক দিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছে।

পরে আভিযানিক দল নবীনগর থানাধীন কোনাঘাট মোড়ের উত্তর পাশে একটি দোকানের সামনে পাকা সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে। এ সময় একটি সিলভার রঙের প্রাইভেটকারকে থামার সংকেত দেওয়া হলে এসআরবির উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে এক ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে তার হেফাজতে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করলে তার দেখানো মতে প্রাইভেটকারের পেছনের ব্যাকডালায় তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে নীল রঙের পলিথিনের ওপর খাকি রঙের স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ৪৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে গাঁজাসহ প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. হোসাইন কসবা উপজেলার গানপুর গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে। এসআরবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রাখার কথা জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও জব্দ করা আলামত নবীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এসআরবি-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিরামপুরে সবুজে ভরে উঠেছে আমনের খেত

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিরামপুরে সবুজে ভরে উঠেছে আমনের খেত

শস্য ভাণ্ডার খ্যাত দিনাজপুরের খাদ্য উদ্বৃত্ত বিরামপুর উপজেলায় বন্যার প্রভাবমুক্ত আমনের খেত সবুজে সমারোহে ভরে উঠেছে। সুশোভিত আমনের খেত দেখে মনে হবে এ যেন আবহমান গ্রাম বাংলার চিরায়ত উদ্ভাসিত রূপ। কৃষি বিভাগ বলছে, উপজেলায় এবার সুগন্ধি ধানের আবাদ বেড়েছে।

বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কমল কৃষ্ণ রায় জানান, বিরামপুর উপজেলার পৌর এলাকা ও ৭টি ইউনিয়নে এবার ১৭ হাজার ৪৪৫ হেক্টর জমিতে আমন রোপন করা হয়েছে। আমন রোপনে কৃষি বিভাগ থেকে এবার উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চার হাজার কৃষককে কৃষি প্রণোদনার মাধ্যমে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। ধানের অধিক দাম ও কৃষি প্রণোদনার সার-বীজ পেয়ে কৃষকরা আগ্রহী হয়ে স্বতস্ফুর্ত ভাবে আমন রোপন করেছেন। এছাড়া সুগন্ধি ধানের জন্য বিখ্যাত এলাকা হিসেবে এই উপজেলায় অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বেশি পরিমানে জমিতে সুগন্ধি জাতের আমন ধান চাষ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাগণের সরাসরি তত্বাবধান ও মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে কৃষকরা সার প্রয়োগ ও নিবিড় ভাবে খেত পরিচর্যায় করছেন। ফলে বন্যার প্রভাবমুক্ত অনুকুল আবহাওয়ায় দিগন্ত বিস্তৃত আমনের খেত এখন সবুজে ভরে উঠেছে। মাঠ ভরা সবুজের সমারোহ ও দিগন্ত বিস্তৃত বাড়ন্ত আমনের খেত দেখে কৃষকরা ভালো ফলনের উচ্চসিত আশা নিয়ে বুক বেঁধেছেন।

কৃষকদের রোপনকৃত ধানের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, গুটি স্বর্ণা, স্বর্ণা-৫, সুগন্ধি জাতের ব্রি-৩৪ (জিরা কাটারী), সম্পা কাটারী ও আলিম জিরা জাত। 

উপজেলার চকমাধব (গোপালপুর) গ্রামের কৃষক রইচ উদ্দিন মন্ডল জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবারও আমনের আশাতীত ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 


রামিসার বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

রামিসার বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নিহত ৭ বছরের শিশু রামিসার বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে পল্লবীতে রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রাত সাড়ে ৯টায় মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের বাসায় রামিসার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। 


প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। 

পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীকালে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর, শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক সোহেল রানা।  

উল্লেখ্য, এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলাতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হচ্ছে। 


এ বছর নয়, আগামী বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন : প্রতিমন্ত্রী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এ বছর নয়, আগামী বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন : প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছর হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন না স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার কথা বলেছে। নির্বাচন কমিশন আগামী বছর থেকেই নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে তার মনে হচ্ছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সরকার সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। দাম বাড়ার কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে কি না- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে জ্বালানি মন্ত্রী তার বক্তব্য দিয়েছেন। আপনার প্রশ্নের উত্তর আমি ছোট করে বলতে চাই, নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি। আর নির্বাচনের দিনক্ষণ যেহেতু নির্বাচন কমিশন ঠিক করেনি। তারা প্রথমে একটা তারিখ নির্ধারণ করে পরবর্তীতে বলেছে যে ৬ জুনের মধ্যে তারা নির্বাচনগুলো শেষ করতে চায়। নির্বাচন যেহেতু আরও দেরি আছে, আমরা নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী মনে করছি, নির্বাচন হতে এখনো দেরি আছে। তাই এ মুহূর্তে মানুষের প্রতিক্রিয়া কী—তা বলা কঠিন; নির্বাচনের সময় হলেই কেবল তা বোঝা যাবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে নাগাদ হতে পারে?—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারকে না জানিয়েই নির্বাচন কমিশন আগে তারিখ ঘোষণা করেছিল। তবে বিষয়টি তুলে ধরার পর কমিশন সচিব পর্যায়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করেছে। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে তারা আবার গণমাধ্যমকে জানিয়েছে যে, ৬ জুনের মধ্যে নির্বাচন শুরু ও শেষ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, রমজান মাস, এসএসসি পরীক্ষা ও ডিসেম্বরের বার্ষিক পরীক্ষার কথা বিবেচনা করেই হয়ত তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই সাধারণত ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে নির্বাচন কমিশন ঠিক কবে ভোট শুরু ও শেষ করবে এবং মোট খরচ কত হবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো সরকারকে জানায়নি।

আপনারা কী পরামর্শ দিয়েছেন? কবে নাগাদ হলে আপনাদের মিনিস্ট্রির জন্য সহযোগিতা করতে সুবিধা হবে- জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সচিবরা মিটিংয়ে গিয়ে যে পরামর্শ দিয়েছে, সেই পরামর্শের আলোকে নির্বাচন কমিশন তাদের বক্তব্য দিয়েছে। ৬ জুনে অর্থবছরের মধ্যেই হচ্ছে।

তিনি বলেন, এটা নির্বাচন কমিশনকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ নির্বাচন তারা পরিচালনা করবে। নির্বাচন কমিশন আমাদের যারা স্টেকহোল্ডার আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এবং জনপ্রশাসন, যারা নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে, এ সমস্ত সচিবরা মিটিংয়ে গিয়েছিল। প্রয়োজনে তারা আবার বসবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা নির্বাচন কমিশনকেই ঠিক করতে হবে যে, এই অর্থবছরের মধ্যে তারা কোন সিডিউলে তারা শেষ করবে। কারণ আমরা অর্থ বরাদ্দ রেখেছি এবং আমাদের সচিবরাও মিটিংয়ে গিয়ে বলে এসেছে তাদের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য।

বরাদ্দের বিষয়ে তিনি বলেন, এর আগেও বলেছি যে, তারা একটা টেন্টেটিভ হিসাব দিয়েছে, ৬ হাজার কোটি টাকা লাগবে এই পাঁচটি নির্বাচন শেষ করতে। আমরা মোটামুটি এই পরিমাণ অর্থ যাতে আমরা দিতে পারি, সেই ব্যবস্থা আমাদের রাখা আছে। এটা প্লাস-মাইনাস হতে পারে, তারা একটা সম্ভাব্য হিসাব আমাদের কাছে দিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেখানে প্রায় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শেষ করতে আমাদের খরচ হবে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা, উপজেলা নির্বাচনে লাগবে ২ হাহার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এই দুইটা নির্বাচনেই বড় খরচ। আর বাকি পৌরসভা ৩৩০টা পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন মাত্র ১৩টি। এগুলোতে খরচের পরিমাণ অনেক কম বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী চলতি বছরে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন না তিনি। যেহেতু আগামী ৬ জুন পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে কমিশন আগামী বছর থেকেই নির্বাচন প্রক্রিয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এই মাসের শেষে অথবা অক্টোবরের ফার্স্ট উইকে আরেকটা মিটিং করে ওনারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আমাদের প্রতিনিধিরা সেখানে থাকবে।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের চাওয়া-পাওয়া এই অর্থবছরের মধ্যে নির্বাচনগুলো যেন তারা শেষ করে। শুরুটা আমি বলব না। শুরুটা ওনারাই ঠিক করবে। কারণ, আমি যদি শুরুটা বলে দিই, এটা নির্বাচন কমিশনের জন্য বিব্রত হবে। কারণ নির্বাচনটা তারা কনডাক্ট করবে। শুরুটা সরকার আমরা কেন বলতে যাব? ওনারাই ঠিক করবে যে, নির্বাচন কবে থেকে কবে করবে।