শেয়ার বাজার

পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় চোরাকারবারীদের লক্ষ্য করে বিজিবির গুলি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় চোরাকারবারীদের লক্ষ্য করে বিজিবির গুলি

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার কলসিরমুখ সীমান্তে ভারতীয় চোরাকারবারি লক্ষ্য করে ২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে বিজিবি। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

শুক্রবার (২২ মে) মধ্যরাতে আড়াইটার দিকে রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ কুচলিবাড়ি ইউনিয়নের কলসিমুখ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিজিবি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিবাগত মধ্যরাতে (আড়াইটার দিকে) পাটগ্রাম উপজেলার কলসিরমুখ এলাকার মেইন পিলার-৮০৬ থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পশ্চিম গিয়ারপাড়া এলাকায় নিয়মিত টহল পরিচালনা করছিল বিজিবির একটি দল। এসময় ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে থাকা একটি চোরাকারবারী দলকে দেখতে পায় টহল সদস্যরা।

পরে বিজিবি সদস্যরা চোরাকারবারীদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা নির্দেশ অমান্য করে বিজিবির দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং চোরাকারবারীদের সতর্ক করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে টহল কমান্ডার নায়েব সুবেদার রফিকুল ইসলামের নির্দেশে টহল সদস্যরা ২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। ফাঁকা গুলির শব্দে চোরাকারবারীরা দ্রুত ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

রংপুর-৫১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চোরাকারবারিদের লক্ষ্য করে ফাকা গুলি ছোড়া হয়েছে। সীমান্ত রক্ষায় বিজিবি সবসময় সতর্ক রয়েছে। এছাড়া কলসিরমুখ সীমান্ত এলাকায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেছেন বলেও জানান তিনি।

জুয়েলারি ব্যবসায়ীসহ দুজনকে গুলি করে ২০–২৫ ভরি সোনা ছিনতাই

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জুয়েলারি ব্যবসায়ীসহ দুজনকে গুলি করে ২০–২৫ ভরি সোনা ছিনতাই

ঢাকার কেরানীগঞ্জের হযরতপুরে আজ সোমবার সন্ধ্যায় জুয়েলারি ব্যবসায়ীসহ দুজনকে গুলি করে ২০ থেকে ২৫ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গুলিবিদ্ধ দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহত দুজন হলেন অন্তর সরকার (২৫) ও তাঁর ফুফাতো ভাই রাজিব সরকার (২০)। তাঁদের দুজনের পায়ে গুলি লেগেছে।

আহত অন্তর সরকার বলেন, হযরতপুর বাজারে তাঁদের জুয়েলারির দোকান রয়েছে। সন্ধ্যায় দোকান বন্ধ করে বাবা নিতাই সরকারসহ তাঁরা তিনজন স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে অটোরিকশায় করে বাসার উদ্দেশে রওনা হন। আনুমানিক সাড়ে সাতটার দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে তিনজন করে এবং একটি সিএনজি অটোরিকশায় থাকা কয়েকজন তাঁদের অটোরিকশার গতিরোধ করে। এরপর তারা গুলি করে এবং সোনার গয়না রাখা টিফিনবাক্সটি নিয়ে যায়।

অন্তর বলেন, ওই টিফিনবাক্সে ২০ থেকে ২৫ ভরি সোনা ছিল। ছিনতাইকারীরা চলে যাওয়ার সময় পাঁচ থেকে ছয়টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

কেরানীগঞ্জ থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) মনজিয়া বেগম বলেন, গুলি করে সোনা ছিনতাইয়ের একটি ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল গেছে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম হোসেন জানান, আহত দুজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন। তাঁদের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার আটিপাড়ায়।


প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. কামাল চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আ’লীগসহ অঙ্গ সংঘঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. কামাল চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আ’লীগসহ অঙ্গ সংঘঠন

বার্তাবেলা: সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা, চৌদ্দগ্রামের কৃতিসন্তান ড. কামাল আবদুল নাছের চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দ। 

১৪ জানুয়ারি রবিবার সন্ধ্যায় তেজগাঁও ঢাকা জেলা আওয়ামী’লীগ কার্যালয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আওয়ামী’লীগরে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার মেয়র জিএম মীর হোসেন মীরু এবং উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবিএম এ বাহারের নেতৃত্বে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ রহমত উল্লাহ বাবুল, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপদেষ্টা আবু তাহের, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা জসিম উদ্দিন,উপজেলা আওয়ামী’লীগরে যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ভিপি ফারুক আহমেদ মিয়াজী, সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন পাটোয়ারী, এনামুল হক খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কামরুল আলম মোল্লা, উপজেলা আ’লীগের সহ দপ্তর সম্পাদক আলমগীর হোসেন বিপ্লব,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল হাশেম, আ’লীগ নেতা সাবেক চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন মজুমদার, কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য এমরানুল হক কামাল, ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মাহবুব হোসেন মজুমদার, জানে আলম, কাজী ফখরুল আলম ফরহাদ, মাঈন উদ্দিন, আবু তাহের, গোলাম মোস্তফা, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মহিন উদ্দিন, জেলা যুবলীগ নেতা মাহবুবুল হক মোল্লা বাবলু, পৌর প্যানেল মেয়র সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী, কাজী বাবুল, সাইফুল ইসলাম শাহিন, মফিজুর রহমান, কামাল হোসেন, শরিফ ইমাম, মিজানুর রহমান, উপজেলা যুবলীগ নেতা মহিন উদ্দিন স্বপন, মাছুম বিল্লাহ প্রমুখ।

এসময় নেতৃবৃন্দ চৌদ্দগ্রামের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের পক্ষ থেকে প্রধান মন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাছের চৌধুরীকে আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অভিনন্দন জানান।


রামিসার ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ মে, ২০২৬

রামিসার ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা (৭) হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্ট সম্পন্ন হয়েছে। আজ রবিবার (২৪ মে) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে শিশুটিকে পাশবিক নির্যাতন ও শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ মিলেছে। এই নৃশংস ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আজই আদালতে চার্জশিট দাখিল করতে যাচ্ছে পুলিশ।

এর আগে, গতকাল শনিবার (২৩ মে) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে, এই চাঞ্চল্যকর মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনার জন্য আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে শিশু রামিসাকে নির্যাতনের পর হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। একই দিনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিশু রামিসা ঘর থেকে বের হলে সে তাকে জোরপূর্বক নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হলে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এরই মধ্যে রামিসার মা তাকে খুঁজতে এসে দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে, ধরা পড়ার ভয়ে সোহেল রানা শিশুটিকে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মরদেহ ক্ষতবিক্ষত করে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে।

পুলিশের আবেদন ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে নেওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার পরিবারের সদস্যরা। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে স্বজন ও প্রতিবেশীরা রামিসার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেন।

ঘটনার পর ফ্ল্যাটের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও পুলিশি তৎপরতায় রক্ষা পাননি প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতের জবানবন্দি উভয় জায়গাতেই সে নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে। আজ আদালতে চার্জশিট জমার মধ্য দিয়ে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচারিক প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছে।