শেয়ার বাজার

সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১২

প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১২

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে তিন বাসের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ওসমানীনগ উপজেলার দয়ামীর মাদরাসার সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোরশেদুল হাসান ভুঁইয়া।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা এনা পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাস সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দয়ামীর মাদরাসার সামনে এলে সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া শ্যামলী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় এনা বাসের পেছনে থাকা ইউনিক পরিবহনের একটি বাসও সংঘর্ষের কবলে পড়ে। দুর্ঘটনায় এনা ও শ্যামলীর সম্মুখভাগ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

খবর পেয়ে ওসমানীনগরের তাজপুর ফায়ার সার্ভিস, থানা ও হাইওয়ে পুলিশ এসে হতাহতদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সকাল সাড়ে ৯টায়) ঘটনাস্থলের দু’পাশে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত যানজট ছিল। পুলিশ যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

ডুয়েটে ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি, নতুন ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬

ডুয়েটে ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি, নতুন ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত

গাজীপুরে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-ডুয়েটের এ নতুন উপাচার্য যোগদানকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে।

সোমবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ‘ডুয়েট ব্লকেড’ কর্মসূচি। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সব কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

রোববার সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও বহিরাগতদের দফায় দফায় সংঘর্ষের পর থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর প্রতিবাদে থেকে পূর্বঘোষিত ‘ডুয়েট ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।

সোমবার সকাল থেকে তারা ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু করে। তবে বেলা ২টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

গাজীপুর সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেন, “সোমবার সকাল থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অবস্থান ধর্মঘট করছে, তবে পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নির্দিষ্ট অবস্থানে পুলিশও অবস্থান করছে।”

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য বদলের ধারাবাহিকতায় গত ১৪ মে বুয়েটসহ ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেয় সরকার। ডুয়েটের উপাচার্য হিসেবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবালকে দ্বায়িত্ব দিয়ে প্রজ্ঞাপন দেওয়া হয়।

তারপর থেকেই প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীদের একাংশ। তাদের দাবি, ডুয়েটের শিক্ষকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য দিতে হবে।

এর ধারাবাহিকতায় ১৭ মে সকালে ‘নতুন ভিসিকে লাল কার্ড’ কর্মসূচির ব্যানারে বিক্ষোভের ডাক দেন আন্দোলনরতরা। সেদিন সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন তারা। এ সময় ‘দাবি মোদের একটাই, ডুয়েট থেকে ভিসি চাই’ এবং ‘ডুয়েটের ভিসি, ডুয়েট থেকেই চাই’ স্লোগান দেন।

নবনিযুক্ত ভিসিকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকে ব্যানার টানিয়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন একদল শিক্ষার্থী। এরপরই বহিরাগতরা তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ১৭ মে দুপুরের দিকে নবনিযুক্ত ভিসির পক্ষে কিছু বহিরাগত লোক এসে ক্যাম্পাসে অবস্থান নিলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এ সময় দফায়-দফায় সংঘর্ষে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন; বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা শিমুলতলী সড়কে বাস চলাচল। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন এবং তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো-

১. শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবালের ডুয়েটের ভিসি হিসেবে নিয়োগ বাতিল।

২. ডুয়েটে কর্মরত শিক্ষকদের মধ্য থেকে ভিসি হিসেবে নিয়োগ।

৩. শিক্ষার্থী ও সহপাঠীদের ওপর সংঘটিত হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের স্থায়ী বহিষ্কার।

সোমবার আন্দোলন অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

এদিকে ডুয়েটে নতুন ভিসির বিরুদ্ধে একদল শিক্ষার্থী যে আন্দোলনে নেমেছে, তাতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের জড়িত থাকার অভিযোগ তোলে ছাত্রদল।

ক্ষমতাসীন বিএনপির ছাত্রসংগঠনটি বলেছে, 'সাধারণ শিক্ষার্থীর বেশ ধরে’ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ডুয়েট ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে।

ডুয়েটের নতুন ভিসি মোহাম্মদ ইকবাল এখনও তার অফিসে যাননি। তিনি শিক্ষকদের সঙ্গে ক্যাম্পাসের বাইরে বৈঠক করছেন বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে গাজীপুরেই অবস্থান করছেন। নতুন সহকর্মীদের সঙ্গে অনলাইনে বৈঠক ও যোগাযোগের মাধ্যমে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।


নবীনগরে ৪৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নবীনগরে ৪৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে অভিযান চালিয়ে ৪৭ কেজি গাঁজাসহ মো. হোসাইন (৩৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯। এ সময় গাঁজা বহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এসআরবি-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল নবীনগর উপজেলা পরিষদের সামনে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, কসবা এলাকা থেকে একটি প্রাইভেটকারে করে কয়েকজন ব্যক্তি মাদকদ্রব্য নিয়ে রাধিকা-নবীনগর সড়ক দিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছে।

পরে আভিযানিক দল নবীনগর থানাধীন কোনাঘাট মোড়ের উত্তর পাশে একটি দোকানের সামনে পাকা সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে। এ সময় একটি সিলভার রঙের প্রাইভেটকারকে থামার সংকেত দেওয়া হলে এসআরবির উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে এক ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে তার হেফাজতে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করলে তার দেখানো মতে প্রাইভেটকারের পেছনের ব্যাকডালায় তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে নীল রঙের পলিথিনের ওপর খাকি রঙের স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ৪৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে গাঁজাসহ প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. হোসাইন কসবা উপজেলার গানপুর গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে। এসআরবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রাখার কথা জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও জব্দ করা আলামত নবীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এসআরবি-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


শিশু রামিসার বাবা অমূলক কিছু বলেননি: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

শিশু রামিসার বাবা অমূলক কিছু বলেননি: আইনমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মাগুরার আছিয়া, ঢাকার রামিসা- সবকিছুই আমাদের মানুষত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এমন অপরাধ কোনোভাবেই আনচ্যালেঞ্জড হতে দেবো না।’
 
আছিয়ার মামলায় এখনো ফাঁসি কার্যকর হয়নি উল্লেখ করে বলেন, ‘রামিসার বাবা অমূলক কিছু বলেননি। বিচার ব্যবস্থার মামলার জট নিরসনে পদক্ষেপ নেবো। আছিয়ার মামলায় সাত দিনের মধ্যে চার্জশিট দিয়েছিলাম, এক মাসে ট্রায়াল শেষ হয়েছিল।’
 
মামলার গুরুত্ব অনুধাবন করে পেপার বুক করা উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আছিয়া এবং রামিসার হত্যার বিচার আশাকরি দ্রুত হবে। বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য যা কিছু করার, করবো।’
 
পুলিশ কমিশনারকে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলেছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিচার প্রক্রিয়াকে অতিদ্রুত করতে পারলে রামিসার বাবার প্রশ্নের জবাব দিতে পারব। কার্যকর করা সুপ্রিম কোর্টের হাতে। বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে পারি না।’
 
এসব ঘটনা ঘুনেধরা সমাজের কথা মনে করিয়ে দেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহার হবে না, আজকে সিদ্ধান্ত হয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে এর বিচার হবে।
প্রসিকউশন টিম এই মামলা ফাস্ট ট্রাকে নেবে, আশাকরি আদালত সহযোগিতা করবে।’
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার (৭) মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে সোহেল রানা।
 
শিশুটি স্থানীয় একটি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। তার বাবা একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। পরিবারটি প্রায় ১৭ বছর ধরে পল্লবীতে বসবাস করে আসছেন। মেয়েকে হারিয়ে আহাজারি করতে থাকা সেই বাবার কিছু বক্তব্য সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
 
তিনি বলেন, ‘আমি কিছুই চাই না। কারণ বিচার আপনারা করতে পারবেন না। আপনাদের এই ধরনের কোনো রেকর্ড নাই। আপনারা পারবেন না।’
 
তাকে আরও বলতে শোনা গেছে, ‘আমার মেয়েও ফিরে আসবে না। আপনারা বিচার করতে পারবেন? পারবেন না। আপনারা কোনো এক্সাম্পল দাঁড় করাতে পারবেন? পারবেন না। আমার থেকে স্ট্যাম্পে লিখিত নেবেন? পারবেন না, আপনারা পারবেন না। এটা বড়জোর ১৫ দিন। তারপর আরেকটা বড় কোনো ঘটনা আসবে। এটা ধামাচাপা পড়ে যাবে। শেষ এটা। আমি দেখতেছি। আমার বয়স ৫৫। কোনো এক্সাম্পল আছে? দিতে পারবেন?’