শেয়ার বাজার

তারেক রহমানসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

তারেক রহমানসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন

আগামী ২৮ মে পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। এরই মধ্যে সারা দেশে গরু কেনা বেচার ধুম পড়ে গেছে । এই ঈদে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির শীর্ষ নেতাকর্মীরা কে কোথায় ঈদ করবেন? জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করবেন।

রোববার (২৪ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

এদিকে দলীয় সূত্রে জানা গেছে,  বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, সমাজকল্যাণ ও মহিলা শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ঢাকায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন।  

বিএনপি মহাসচিব এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ে, স্থায়ী কমিটি সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান নরসিংদীর পলাশে, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সিরাজগঞ্জে, জাতীয় সংসদ স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলায় এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নেত্রকোনায় নিজ সংসদীয় আসনে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। 

এছাড়া অধিকাংশ মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ সংসদীয় আসনে ঈদের নামাজ আদায় করবেন বলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

ঈদের নামাজ শেষে ঢাকায় অবস্থানরত শীর্ষ নেতারা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করবেন বলেও দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত কর্মসূচি প্রকাশ করা হয়নি।

রামিসার ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ মে, ২০২৬

রামিসার ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা (৭) হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্ট সম্পন্ন হয়েছে। আজ রবিবার (২৪ মে) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে শিশুটিকে পাশবিক নির্যাতন ও শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ মিলেছে। এই নৃশংস ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আজই আদালতে চার্জশিট দাখিল করতে যাচ্ছে পুলিশ।

এর আগে, গতকাল শনিবার (২৩ মে) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে, এই চাঞ্চল্যকর মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনার জন্য আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে শিশু রামিসাকে নির্যাতনের পর হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। একই দিনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিশু রামিসা ঘর থেকে বের হলে সে তাকে জোরপূর্বক নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হলে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এরই মধ্যে রামিসার মা তাকে খুঁজতে এসে দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে, ধরা পড়ার ভয়ে সোহেল রানা শিশুটিকে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মরদেহ ক্ষতবিক্ষত করে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে।

পুলিশের আবেদন ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে নেওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার পরিবারের সদস্যরা। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে স্বজন ও প্রতিবেশীরা রামিসার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেন।

ঘটনার পর ফ্ল্যাটের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও পুলিশি তৎপরতায় রক্ষা পাননি প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতের জবানবন্দি উভয় জায়গাতেই সে নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে। আজ আদালতে চার্জশিট জমার মধ্য দিয়ে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচারিক প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছে।


প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. কামাল চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আ’লীগসহ অঙ্গ সংঘঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. কামাল চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আ’লীগসহ অঙ্গ সংঘঠন

বার্তাবেলা: সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা, চৌদ্দগ্রামের কৃতিসন্তান ড. কামাল আবদুল নাছের চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দ। 

১৪ জানুয়ারি রবিবার সন্ধ্যায় তেজগাঁও ঢাকা জেলা আওয়ামী’লীগ কার্যালয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আওয়ামী’লীগরে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার মেয়র জিএম মীর হোসেন মীরু এবং উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবিএম এ বাহারের নেতৃত্বে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ রহমত উল্লাহ বাবুল, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপদেষ্টা আবু তাহের, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা জসিম উদ্দিন,উপজেলা আওয়ামী’লীগরে যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ভিপি ফারুক আহমেদ মিয়াজী, সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন পাটোয়ারী, এনামুল হক খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কামরুল আলম মোল্লা, উপজেলা আ’লীগের সহ দপ্তর সম্পাদক আলমগীর হোসেন বিপ্লব,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল হাশেম, আ’লীগ নেতা সাবেক চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন মজুমদার, কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য এমরানুল হক কামাল, ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মাহবুব হোসেন মজুমদার, জানে আলম, কাজী ফখরুল আলম ফরহাদ, মাঈন উদ্দিন, আবু তাহের, গোলাম মোস্তফা, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মহিন উদ্দিন, জেলা যুবলীগ নেতা মাহবুবুল হক মোল্লা বাবলু, পৌর প্যানেল মেয়র সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী, কাজী বাবুল, সাইফুল ইসলাম শাহিন, মফিজুর রহমান, কামাল হোসেন, শরিফ ইমাম, মিজানুর রহমান, উপজেলা যুবলীগ নেতা মহিন উদ্দিন স্বপন, মাছুম বিল্লাহ প্রমুখ।

এসময় নেতৃবৃন্দ চৌদ্দগ্রামের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের পক্ষ থেকে প্রধান মন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাছের চৌধুরীকে আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অভিনন্দন জানান।


গুজব ছড়ানোর আগেই ঠেকাতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গুজব ছড়ানোর আগেই ঠেকাতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে আগেই তা শনাক্ত করে প্রতিরোধ করতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। এজন্য সাইবার মনিটরিং টিমকে আরও সক্রিয় করার পাশাপাশি গুজব শনাক্ত, তথ্য যাচাই ও দ্রুত সঠিক তথ্য প্রচারের একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুরোনো ছবি-ভিডিও বা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা ঠেকাতে সার্বক্ষণিক নজরদারির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সাইবার টিম কর্তৃক করণীয়’ শীর্ষক অনলাইন সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের সভাপতিত্বে জুম অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সার্কেলের কর্মকর্তা, অফিসার ইনচার্জ, ডিআইও-১, ওসি ডিবি ও সাইবার মনিটরিং টিমের সদস্যরা অংশ নেন।

সভায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য ঘটনা হিসেবে নেওয়ার আগে সেটি সত্য কি না যাচাই এবং গুজবের উৎস শনাক্ত করার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। কোনো ছবি, ভিডিও বা পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর সেটি সত্য ধরে না নিয়ে এর উৎস, সময় ও প্রেক্ষাপট যাচাই করতে বলা হয়েছে। পুরোনো বা অন্য কোনো ঘটনার ছবি-ভিডিও নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার করা হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দুর্গাপূজা, পূজামণ্ডপ, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্টে। ধর্মীয় উসকানি বা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে—এমন কোনো কনটেন্ট নজরে এলে সেটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যাচাই করতে বলা হয়েছে।

সভায় পুলিশ সুপার গুজব শনাক্তকরণ, তথ্য যাচাই, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণ, প্রয়োজন হলে দ্রুত সঠিক তথ্য প্রচার—এই ধারাবাহিকতায় কাজ করার নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্টের লিংক, স্ক্রিনশট, সংশ্লিষ্ট আইডি বা পেজ, সময়সহ অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে, যাতে প্রয়োজনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

জেলা পুলিশ জানায়, শুধু গুজব শনাক্ত করে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; গুজবের বিপরীতে দ্রুত সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াও জরুরি। এ কারণে কোনো ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালে সংশ্লিষ্ট থানা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দ্রুত প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করে সংক্ষিপ্ত, নিরপেক্ষ ও সময়োপযোগী তথ্য প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এজন্য থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সংস্থার মধ্যে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরাধের উপাদান পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।


সভায় জনগণের প্রতিও যাচাই ছাড়া কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানোর চেয়ে আগেই শনাক্ত করে তা প্রতিরোধ করা এবং দ্রুত সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াই সাইবার মনিটরিং কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।