শেয়ার বাজার

টেকনাফে জি-৩ রাইফেলসহ অস্ত্র জব্দ, তিন রোহিঙ্গা আটক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টেকনাফে জি-৩ রাইফেলসহ অস্ত্র জব্দ, তিন রোহিঙ্গা আটক

কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে দুটি জি-৩ রাইফেল, দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, ৪২ রাউন্ড গুলি, ৪ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, তিনটি টেজার, ছয়টি ওয়াকিটকি সেট ও একটি ম্যাগাজিনসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সরঞ্জাম জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় এসব অস্ত্র ও সরঞ্জাম পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইকসহ তিন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা বাজার এলাকা দিয়ে অস্ত্রের একটি চালান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থানরত একটি অপরাধী চক্রের কাছে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছে।

এ তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়কের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় বিজিবির একটি আভিযানিক দল লেদা বাজার এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সন্দেহজনক একটি ইজিবাইক থামিয়ে মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে বস্তার ভেতরে ধাতব পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়।

পরে ইজিবাইকসহ তিনজনকে লেদা বিওপিতে নিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় আলুর বস্তার ভেতর বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় দুটি জি-৩ রাইফেল, দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, ৪২ রাউন্ড গুলি, ৪ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, তিনটি টেজার, ছয়টি ওয়াকিটকি সেট, একটি ম্যাগাজিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—মো. উসমান বেলাল, পিতা রুবালি, ১ নম্বর কুতুপালং এফডিএমএন ক্যাম্পের বাসিন্দা; মো. মুসলিম, পিতা ফয়েজ আহমদ, ২৬ নম্বর মোচনি এফডিএমএন ক্যাম্পের বাসিন্দা এবং মো. আনসার আলী, পিতা ইউনুস, ১ নম্বর কুতুপালং এফডিএমএন ক্যাম্পের বাসিন্দা।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। অবৈধ অস্ত্রের চালান প্রতিহত ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গুজব ছড়ানোর আগেই ঠেকাতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গুজব ছড়ানোর আগেই ঠেকাতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে আগেই তা শনাক্ত করে প্রতিরোধ করতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। এজন্য সাইবার মনিটরিং টিমকে আরও সক্রিয় করার পাশাপাশি গুজব শনাক্ত, তথ্য যাচাই ও দ্রুত সঠিক তথ্য প্রচারের একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুরোনো ছবি-ভিডিও বা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা ঠেকাতে সার্বক্ষণিক নজরদারির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সাইবার টিম কর্তৃক করণীয়’ শীর্ষক অনলাইন সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের সভাপতিত্বে জুম অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সার্কেলের কর্মকর্তা, অফিসার ইনচার্জ, ডিআইও-১, ওসি ডিবি ও সাইবার মনিটরিং টিমের সদস্যরা অংশ নেন।

সভায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য ঘটনা হিসেবে নেওয়ার আগে সেটি সত্য কি না যাচাই এবং গুজবের উৎস শনাক্ত করার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। কোনো ছবি, ভিডিও বা পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর সেটি সত্য ধরে না নিয়ে এর উৎস, সময় ও প্রেক্ষাপট যাচাই করতে বলা হয়েছে। পুরোনো বা অন্য কোনো ঘটনার ছবি-ভিডিও নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার করা হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দুর্গাপূজা, পূজামণ্ডপ, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্টে। ধর্মীয় উসকানি বা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে—এমন কোনো কনটেন্ট নজরে এলে সেটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যাচাই করতে বলা হয়েছে।

সভায় পুলিশ সুপার গুজব শনাক্তকরণ, তথ্য যাচাই, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণ, প্রয়োজন হলে দ্রুত সঠিক তথ্য প্রচার—এই ধারাবাহিকতায় কাজ করার নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্টের লিংক, স্ক্রিনশট, সংশ্লিষ্ট আইডি বা পেজ, সময়সহ অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে, যাতে প্রয়োজনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

জেলা পুলিশ জানায়, শুধু গুজব শনাক্ত করে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; গুজবের বিপরীতে দ্রুত সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াও জরুরি। এ কারণে কোনো ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালে সংশ্লিষ্ট থানা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দ্রুত প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করে সংক্ষিপ্ত, নিরপেক্ষ ও সময়োপযোগী তথ্য প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এজন্য থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সংস্থার মধ্যে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরাধের উপাদান পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।


সভায় জনগণের প্রতিও যাচাই ছাড়া কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানোর চেয়ে আগেই শনাক্ত করে তা প্রতিরোধ করা এবং দ্রুত সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াই সাইবার মনিটরিং কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।


রাড্ডা ক্লিনিক দখলমুক্ত ঘোষণা, ফিরেছে প্রতিষ্ঠানটির সাইনবোর্ড

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাড্ডা ক্লিনিক দখলমুক্ত ঘোষণা, ফিরেছে প্রতিষ্ঠানটির সাইনবোর্ড

রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের কয়েকদিন পর এবার ফিরেছে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব সাইনবোর্ড। দখলমুক্ত ঘোষণা করে সরিয়ে ফেলা হয়েছে হামলার পর টানানো অন্য সাইনবোর্ড।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ক্লিনিক সংশ্লিষ্টরা সেখানে দখলদারদের লাগানো সাইনবোর্ডটি সরিয়ে দেন। পরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটির নিজস্ব সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে হামলা-ভাঙচুরের ক্ষত না শুকাতেই শুরু হয়েছে সংস্কারকাজ। ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন অংশ মেরামতে কাজ করছেন কর্মীরা। তবে চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়নি। ক্লিনিকের ভেতরে স্বাস্থ্যকর্মীরা অবস্থান নিয়ে সেবা দিচ্ছেন। পাশাপাশি বাইরে চেয়ার-টেবিল বসিয়েও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, হামলার পর তাদের প্রতিষ্ঠানের জায়গায় ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর নামে একটি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছিল।


এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। লুট হওয়া দুই ট্রাক মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এছাড়া ঘটনার পর শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।


ধর্ষণের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

ধর্ষণের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব: মির্জা ফখরুল

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিভায়েড পেজে ধর্ষণের নিন্দা জানিয়ে একটি পোস্ট করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেই পোস্টে তিনি ধর্ষণকে নৈতিক অবক্ষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

মির্জা ফখরুল বলেছেন, আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ এই অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বহু বছর ধরে চলতে থাকা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা এবং মানবিক মূল্যবোধের দ্রুত পতনের ভয়াবহ প্রতিফলন।’

তিনি লিখেছেন, ‘আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ, এই অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব এবং ইনশাআল্লাহ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করব, যেখানে আমাদের সন্তানরা ভয়হীনভাবে বেড়ে উঠতে পারবে।’


পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘শুধু আইন বা সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন একটি শক্তিশালী জাতীয় সামাজিক আন্দোলন। পরিবার, বিদ্যালয়, মাদরাসা, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, গণমাধ্যম, সামাজিক সংগঠন এবং প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের ছেলেমেয়েদের সম্মান, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও নারীর মর্যাদা সম্পর্কে শিক্ষা দিতে হবে। আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করা।’