শেয়ার বাজার

নারায়ণগঞ্জে এক রাতেই তিন স্থানে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৯

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে এক রাতেই তিন স্থানে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৯

নারায়ণগঞ্জে এক রাতের ব্যবধানে পৃথক তিনটি স্থানে গ্যাস ও রাসায়নিক পদার্থের কারণে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৯ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের শরীরের বড় অংশ পুড়ে গেছে। গুরুতর দগ্ধ চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) গভীর রাত থেকে রোববার (১১ অক্টোবর) ভোর পর্যন্ত জেলার কাঁচপুর, ফতুল্লা ও নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ ব্যক্তিদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তিনটি ঘটনার মধ্যে কাঁচপুরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে, ফতুল্লায় একটি রাসায়নিক গুদামে এবং দেওভোগে বাসার রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ঘটে।

শনিবার রাত দেড়টার দিকে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর এলাকায় তাজুল ইসলামের ছয়তলা ভাড়াবাড়ির দ্বিতীয় তলায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হন।

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন- পোশাকশ্রমিক রোজিনা, তার স্বামী শরিফ, ভাই রিয়াজ ও রনি। তাদের মধ্যে রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ, শরিফ ও রিয়াজের ৪০ শতাংশ করে এবং রনির শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে।

একই রাতে ফতুল্লায় একটি রাসায়নিক গুদামে বিস্ফোরণে দুই শ্রমিক দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে আনোয়ারের শরীরের ৫৪ শতাংশ এবং শামসুলের ৫৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে গুদামে রাসায়নিক গ্যাস জমে বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।

রোববার ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ আখড়া এলাকার একটি তিনতলা ভবনের নিচতলার রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে গৃহবধূ শিখা রানী, তার স্বামী মনা আচার্য ও তার বৃদ্ধা শাশুড়ি দগ্ধ হন। এ ছাড়া বিস্ফোরণে পাশের একটি টিনশেড ঘরে থাকা আরও একজন আহত হন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের মণ্ডলপাড়া ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন জানান, কাঁচপুরে গ্যাস সিলিন্ডার এবং দেওভোগে তিতাসের পাইপলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, ফতুল্লার রাসায়নিক গুদামে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, দগ্ধদের মধ্যে কয়েকজনের শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য নিহত
বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪

বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য নিহত

বার্তাবেলা ডেস্ক: যশোরের বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এক বিজিবি সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত সিপাহী মোহাম্মদ রইস উদ্দীনের মরদেহ ভারতে রয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজিবি। রইস উদ্দীনের গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহমেদ হাসান জামিল সোমবার (২২ জানুয়ারি) গভীর রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি সদস্য নিহতের খবর দেন।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, সোমবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে বিজিবি যশোর ব্যাটালিয়নের ধান্যখোলা বিওপির জেলেপাড়া পোস্ট সংলগ্ন এলাকায় ভারত থেকে আসা একদল গরু চোরাকারবারিকে সীমান্ত অতিক্রম করে আসতে দেখে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর টহল দল তাদের ‘চ্যালেঞ্জ’ করে। চোরাকারবারিরা তখন দৌড়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় বিজিবি টহল দলের সদস্য সিপাহী মোহাম্মদ রইস উদ্দীন চোরাকারবারীদের পেছনে ধাওয়া করতে করতে ঘন কুয়াশার কারণে দলবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। প্রাথমিকভাবে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, তিনি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে ভারতের অভ্যন্তরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এরই মধ্যে ঘটনাস্থল জোলেপাড়া ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিওয়ন কমান্ডার ও যশোর ব্যাটালিয়নের সিইও লে. কর্নেল জামিল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থলে রয়েছেন। ঘটনার পরপরই এ বিষয়ে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করা হয় এবং জানা যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই সৈনিক মৃত্যুবরণ করেছেন।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানোর পাশাপাশি প্রতিবাদলিপি পাঠানোর কথা বলা হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

যোগাযোগ করা হলে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহমেদ হাসান জামিল বলেন, সিপাহী রইস উদ্দীনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত আনার জন্য সব পর্যায়ে যোগাযোগ করছেন তারা।


নিখোঁজের ৭ দিন পর মাটি চাপা দেয়া নারীর মরদেহ উদ্ধার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিখোঁজের ৭ দিন পর  মাটি চাপা দেয়া নারীর মরদেহ উদ্ধার

জিডি'র সূত্র ধরে তদন্তকালে স্বামীর দেখানো মাটির নিচে পুঁতে রাখা জায়গা থেকে নিখোঁজের ৭ দিন পর স্ত্রী নাজু আক্তারের (৩৪) মরদেহ উদ্ধার করে নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ। 

নারকীয় এ ঘটনাটি ঘটেছে আজ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামে। 


এ ঘটনায় পুলিশ তার স্বামী নুরুল আমীনকে (৪০) আটক করেছে। নেত্রকোনা মডেল থানায় অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের সাংবাদিকদের জানান, ১৮ সেপ্টেম্বর নাজু আক্তার নিখোঁজ হন। ২২ সেপ্টেম্বর তার ভাই শুভ নেত্রকোণা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর নিখোঁজের বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ নুরুল আমীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে নুরুল আমীন নাজু আক্তারকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পাশের মাঠে দেখানো স্থানে থেকে মাটি কুড়ে স্ত্রী নাজু আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে।

ওসি আবুল খায়ের আরো জানান, হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন আগে নাজু আক্তার ও নুরুল আমীনের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। ওই ঘটনার ক্ষোভ থেকেই নাজু আক্তারকে হত্যা করা হয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে নুরুল আমীন পুলিশকে জানিয়েছেন। নাজু আক্তার নুরুল আমীনের ২য় স্ত্রী। উদ্ধার হওয়া মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


ভুট্টা চাষের আড়ালে আফিম চাষ, জমির মালিক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ভুট্টা চাষের আড়ালে আফিম চাষ, জমির মালিক গ্রেপ্তার

বার্তাবেলা (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের শিবালয়ে নিষিদ্ধ আফিম গাছ চাষ করায় নূরুল ইসলাম (৪৫) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিবালয় উপজেলার তেওতা ইউনিয়নের পুরান পয়লা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত নূরুল ইসলাম উপজেলার তেওতার পুরান পয়লা এলাকার জাবেদ খানের ছেলে।তিনি পেশায় কৃষক।

ডিবি পুলিশ জানান, শিবালয় উপজেলার তেওতা ইউনিয়নের পুরান পয়লা এলাকার একটি ফসলের মাঠে ভুট্টাক্ষেতের মাঝখানে ছয় শতাংশ জমিতে আফিম গাছের আবাদের খবর পেয়ে রাতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় আফিম গাছ আবাদের সততা পাওয়ায় রোববার সকালে নূরুল ইসলামকে আটক করা হয়।

জেলা ডিবি পুলিশের এসআই রিপন নাগ জানান, আফিম গাছ দেখতে অনেকটা গোলাপ ফুলের মতো। অভিযানে নূরুল ইসলামের ফসলের ক্ষেত থেকে প্রায় ৩০ হাজার আফিমের গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে অনেক গাছে ফুল ও ফলও ধরেছিল। এঘটনায় নূরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধার করা আফিম গাছগুলো পরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।