শেয়ার বাজার

খুলনায় পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

খুলনায় পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ

সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশ সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে খুলনায় রাতের বেলা পুলিশ সদস্যদের একা চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা পুলিশ প্রশাসন। বিশেষ অভিযানসহ অন্যান্য দায়িত্ব পালনের সময় সদস্যদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিট ইনচার্জদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) পুলিশ সুপার স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনাপত্রে উল্লেখ করা হয়, চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলার রূপসা, তেরখাদা, দিঘলিয়া ও বটিয়াঘাটা থানা এলাকায় বর্তমানে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনা পরিলক্ষিত হওয়ায় সদস্যদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশেষ অভিযান কিংবা অন্যান্য দায়িত্ব পালনকালে রাতে কোনোভাবেই যেন সদস্যরা একা চলাচল না করেন, তা নিশ্চিত করতে ইউনিট প্রধানদের প্রতি কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদেশের অনুলিপি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ, অপরাধ ও অপস, ডিএসবি ও ট্রাফিক), সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), ট্রাফিক বিভাগ, পুলিশ লাইন্স, রিজার্ভ অফিস এবং কোর্ট পুলিশ পরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও থানায় পাঠানো হয়েছে।

খুলনার পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক জানান, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রূপসা থানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা শেষে ফেরার পথে এক পুলিশ পরিদর্শক ছিনতাইকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হন। ঘটনার সময় তিনি সাদা পোশাকে ছিলেন। ওই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরই মূলত জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের নিরাপত্তা বিবেচনায় রাতের বেলায় একা চলাচলের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর খানজাহান আলী সড়কের খুলনা কলেজিয়েট স্কুলের সামনে ধারালো চাপাতির কোপে গুরুতর আহত হন ৪৩ বছর বয়সী পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলম। ছিনতাইকারীদের হামলায় রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বগুড়ায় যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বগুড়ায় যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ

সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বগুড়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে। দেশের স্থিতিশীলতা, গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্ট ঠেকাতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানানো হয়। 

গতকাল শুক্রবার বিকেলে শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সাতমাথা এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেয়। মিছিলের স্লোগানে উত্তাল হয় গোটা শহর। পরাজিত শক্তির অপতৎপরতা প্রতিহত করতে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান নেতারা। 

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এমপি। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে এবং দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে গুজব-সন্ত্রাস ছড়ানো হচ্ছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব ধরনের অপচেষ্টা রাজপথে মোকাবিলা করা হবে। যারা সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করছে, তাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন। 

জেলা যুবদল সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন এমপি, জেলা যুবদলের  সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি সরকার মুকুল, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম শুভ, জেলা ছাত্রদল সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান, সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ। 

জেলা যুবদলের  সিনিয়র সহ-সভাপতি আতাউর রহমান শম্ভু, ফেরদৌস আজম সুমন, এড. এনামুল হক পান্না, তাজমিলুর ইসলাম বিচিত্র, সবুজ দেওয়ান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন সোহাগ, মিনহাজুল ইসলাম রিমন, দপ্তর সম্পাদক সাজু আহম্মেদ রবি, শহর যুবদল সভাপতি আহসান হাবিব মমি, সাধারণ সম্পাদক আদিল শাহরিয়ার গোর্কী, সদর উপজেলা যুবদল আহ্বায়ক অতুল চন্দ্র দাস, নন্দীগ্রাম উপজেলা যুবদলের আব্দুর রউফ রুবেলসহ জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে কাজে লাগানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে কাজে লাগানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

বার্তাবেলা ডেস্ক: সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট, ১৯৭৪ (অ্যাক্ট নং ২৬, ১৯৭৪)’ প্রণয়নের ৫০ বছর পূর্তিতে ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের আছে তরুণ সমাজ। এরা অত্যন্ত মেধাবী। তাদের পথ দেখালেই বীরদর্পে সামনে এগিয়ে যাবে। আমরা সেটাই চাই।

এসময় বিভিন্ন দেশের যুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, শান্তি প্রগতি ও উন্নতির পথ দেখায়, জাতিকে অগ্রগরমান করে, উন্নত জীবন দেয়। আমরা সেজন্য শান্তি চাই। যুদ্ধ চাই না। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সেটি আছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা যেখানে রেখে গেছেন, বাংলাদেশ সেখানে থমকে গিয়েছিল। আমরা আবার সেখান থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছি। আমরা চাই, ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে উন্নত, সমৃদ্ধ, স্মার্ট বাংলাদেশ। আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞানসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তুলতে চাই। আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াবো। মর্যাদা নিয়ে চলবো। সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নিয়ে রেখেছি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সময়োপযোগী করে আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, খনিজ সম্পদসহ সব আমাদের উত্তোলন করতে হবে। কাজে লাগাতে হবে। এজন্য যথাযথ বিনিয়োগও প্রয়োজন। এজন্য আলাপ আলোচনা করছি। আন্তর্জাতিক টেন্ডারও দিয়েছি। আমরা বিশাল সমুদ্রসীমার যথাযথ ব্যবহার করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে চাই।

এসময় তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা আসুন। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন। আমাদের ভৌগলিক অবস্থানের কারণেই বিনিয়োগ করে আপনারাও লাভবান হবেন।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হবো না। তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সামর্থ্য থাকতে হবে। ফোর্সেস গোল তৈরি করেছি। সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।

সমুদ্র এলাকার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশাল সমুদ্র এলাকায় ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ চলছে। মাতারবাড়িতে ডিপ সি পোর্ট করেছি। পায়রা সি পোর্ট করছি। এটা থেকে সমুদ্র বেশি দূরে না। এটার একটা ভবিষ্যৎ আছে। আমরা ধীরে ধীরে উন্নতি করছি। তাড়াহুড়া করছি না। ব্লু ইকোনমি বাস্তবায়নে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে নৌবাহিনী কতটা গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জাতির পিতা অনুভব করেছেন। আমি এই নৌবাহিনীকে ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীতে রূপান্তর করেছি। অনেকে বলে, এটা কী দরকার ছিল। আমরা ছোট দেশ। আমরা কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে অনেক বড়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭৫ সালের পরের সরকার আর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বিশাল সমুদ্রসীমায় আমাদের অধিকার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি, কোনো রকম উদ্যোগ নেয়নি। আমাদের স্থল সীমানা চুক্তিও জাতির পিতা করে দিয়ে যান। সংবিধান সংশোধন করে সে চুক্তি বাস্তবায়ন করে দিয়ে যান। পরে সেটি আর কার্যকর হয়নি। ২১ বছর পর আমরা ক্ষমতায় আসি এবং এ নিয়ে কাজ শুরু করি। এটি করতে হয় গোপনীয়ভাবে। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়, এই নীতি মেনে চলেছি। পাশাপাশি আমাদের অধিকারটা আদায়েও সচেতন হই। উদ্যোগ নিই।

শেখ হাসিনা বলেন, বিশাল সমুদ্রসীমা আমাদের আছে। এটি আমাদের দেশের অর্থনীতিতে অনেক অবদান রাখতে পারবে। আজকের দিনের এই সেমিনার আমাদের সামুদ্রিক সম্পদের ব্যবহার ও সব সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা এবং সহায়ক ভূমিকা পালনে সক্ষম হবে। সমুদ্রপথ সবাই ব্যবহার করছে এবং ব্যবসা বাণিজ্য করে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো সংঘাত হয়নি, শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এটি অব্যাহত থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। কখনোই সংঘাতপূর্ণ পরিবেশ হবে না। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব ধারণ করেই আমরা এগিয়ে যাবো।

আনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



জয়পুরহাটে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৪

জয়পুরহাটে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে অভিযান চালিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পণ্যের যথাযথ মূল্য তালিকা সংরক্ষণ না করা, অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রি করায় এক ব্যবসায়ীকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার সকালে শহরের নতুনহাটে বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জ্বল বাইন।

তিনি জানান, রমজান ঘিরে নিত্যপণ্যের বাজারদর ঠিক রাখতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

দোকানে পণ্যের মূল্যতালিকা, বাড়তি দাম রাখা ও ভেজাল পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে কি না এসব দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, রমজান মাসে ভোক্তাদের চাহিদাকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে চান। এ বিষয়টিকে সামনে রেখে জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। বাজার স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।