শেয়ার বাজার

ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পূর্ব ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে ধরপাকড় শুরু করেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির পুলিশ। ইতোমধ্যে ভারতীয় ইউটিউবার ও ইনফ্লুয়েন্সার ধ্রুব রাঠিসহ অন্তত ১ হাজার জনকে আটক করা হয়েছে।ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০ টার দিকে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল সিজেপি। সেই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ধ্রুব রাঠির। শনিবার ভোরে তাকে রাজধানী সংলগ্ন শহর গুরুগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ।


মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আনোয়ারের বৈঠক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আনোয়ারের বৈঠক

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। বৈঠকে মিয়ানমারের শরণার্থীদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনসহ দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা।

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের মালয়েশিয়া সফর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় রয়্যাল মালয়েশিয়ান রেঞ্জার রেজিমেন্টের (১ আরআরডি) প্রথম ব্যাটালিয়নের সদস্যরা তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

পরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসেন আনোয়ার ইব্রাহিম। প্রায় ৩০ মিনিটের এ বৈঠকে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ ও উদ্বেগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায় মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত মিয়ানমারের শরণার্থীদের বিষয়টি। বিশেষ করে জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে তাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন দুই নেতা।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, মিয়ানমারের শরণার্থী সংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং এবং মিয়ানমারের নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা ও দরকষাকষি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংককে গত বছরের শুরুতে মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শুরু হওয়া আলোচনার ধারাবাহিকতা হিসেবেই এবারের বৈঠককে দেখছেন তিনি।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার ভিত্তিতে সরাসরি আলোচনার সুযোগ সীমিত রাখার অতীত পদ্ধতিগুলো কার্যকর ফল বয়ে আনেনি। বরং কয়েক দশক ধরে চলমান শরণার্থী সংকট আরও জটিল হয়েছে এবং এটি মালয়েশিয়ার জনগণের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ তৈরি করছে।

তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে যে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে এখন একটি বাস্তব ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

আনোয়ার ইব্রাহিমের মতে, দীর্ঘদিনের এ সংকটের স্থায়ী সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও আলোচনার বিকল্প নেই। আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি সমাধান খুঁজে বের করতে হবে, যা শরণার্থীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মালয়েশিয়ার স্বার্থ ও উদ্বেগকেও বিবেচনায় নেয়।

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের মালয়েশিয়া সফরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং মিয়ানমারের দীর্ঘস্থায়ী সংকটের বিভিন্ন দিকও আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।


ইরানের সঙ্গে কতক্ষণ টিকতে পারবে ইসরায়েল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ এপ্রিল, ২০২৪

ইরানের সঙ্গে কতক্ষণ টিকতে পারবে ইসরায়েল

গাজা যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে গত সোমবার সিরিয়ায় একটি ইরানি দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল। ইসরায়েলি এই হামলার সমুচিত জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে ইরান। ফলে ইরানের সামনে ইসরায়েল কতক্ষণ টিকবে তা নিয়ে চলছে নানা সমীকরণ।

গত কয়েক বছর ধরে ইরান ও ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা বেশ বেড়েছে। সম্প্রতি ইরান সামরিক প্রযুক্তির দিকে মনোনিবেশ করেছে। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের তথ্যমতে, ১৪৫টি দেশের মধ্যে ইরান ১৪তম আর ইসরায়েল ১৭তম অবস্থানে রয়েছে। ওয়েবসাইটের তথ্যমতে দুই দেশের মধ্যকার সামরিক সক্ষমতার তথ্য তুলে ধরা হলো।

ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে, ইরানের ৬ লাখ ১০ হাজার নিয়মিত সেনা রয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে এক লাভ ৭০ হাজার সেনা। তবে রিজার্ভ সেনার দিক দিয়ে আগায়ে রয়েছে ইসরায়েলের। তাদের সেনা হচ্ছে চার লাখ ৬৫ হাজার। অন্যদিকে ইরানের রিজার্ভ সেনা হলো তিন লাখ ৫০ হাজার।

আধাসামরিক বাহিনীর দিক দিয়ে আগায়ে রয়েছে ইরান। দেশটিতে ২ লাখ ২০ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে মাত্র ৩৫ হাজার সেনা।

সামরিক উড়োজাহাজের দিক দিয়ে আগায়ে রয়েছে ইসরায়েল। দেশটির ৬১২টি সামরিক উড়োজাহাজ রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের সামরিক উড়োজাহাজের সংখ্যা ৫৫১টি। যুদ্ধবিমানের দিক দিয়েও আগায়ে ইসরায়েল। দেশটির ২৪১টি যুদ্ধবিমান রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের ১১৬টি যুদ্ধবিমান রয়েছে।

হামলায় ব্যবহৃত যুদ্ধবিমান ইসরায়েলের ৩৯টি আর ইরানের রয়েছে ২৩টি। অন্যদিকে পরিবহন উড়োজাহাজে এগিয়ে রয়েছে ইরান। দেশটির ৮৬টি আর অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে ১২টি।

হেলিকপ্টারের দিক দিয়েও এগিয়ে রয়েছে ইসরায়েল। দেশটির ১৪৬টি হেলিকপ্টার রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের বহরে রয়েছে ১২৯টি হেলিকপ্টার। এ ছাড়া ইরানের ট্যাংক রয়েছে এক হাজার ৯৯৬টি। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে এক হাজার ৩৭০টি।

সাঁজোয়া যানেও এগিয়ে রয়েছে ইরান। দেশটির ৬৫ হাজার ৭৬৫টি সাঁজোয়া যান রয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে ৪৩ হাজার ৪০৩টি। এ ছাড়া সাবমেরিন রয়েছে ইরানের ১৯টি। অন্যদিকে ইসরায়েলের রয়েছে মাত্র ৫টি।


কৃষ্ণ সাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, ২৩ ভারতীয় নাবিককে উদ্ধার রাশিয়ার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

কৃষ্ণ সাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, ২৩ ভারতীয় নাবিককে উদ্ধার রাশিয়ার

কৃষ্ণ সাগরে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলা হয়েছে। বিধ্বস্ত সেই জাহাজটি থেকে ২৩ জন ভারতীয় নাবিককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে রাশিয়ার কোস্টগার্ড বাহিনী।

গত কাল মঙ্গলবার ঘটেছে এ ঘটনা। রাশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লাইবেরিয়ার পতকাবাহী আফরাম্যাক্স রিও নামের সেই জাহাজটিতে নাভাল (সমুদ্রে ব্যবহারের উপযোগী) ড্রোন আঘাত হেনেছিল। হামলার পর জাহাজটিতে আগুন ধরে গিয়েছিল এবং অল্প সময়ের মধ্যে সেই আগুন পুরো জাহাজে ছড়িয়ে পড়েছিল।

“মোট ২৩ জন নাবিক ছিলেন জাহাজটিতে। রাশিয়ার কোস্টগার্ড বাহিনীর উদ্ধারকারী টিম যখন জাহাজটির কাছে পৌঁছায়, সে সময় পুরো জাহাজে আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। জাহাজে মোট ২৩ জন নাবিক ছিলেন এবং তারা সবাই ভারতীয়। আগুনের তেজের কারণে তাদের উদ্ধার করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে, তবে সবাইকে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।”

নাবিকদের উদ্ধারের পর দমকল বাহিনীর কয়েকটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায় বলে জানানো হয়েছে রুশ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

সামাজিক যোগাাযোগমাধ্যমে জ্বলতে থাকা সেই জাহাজটির ছবি প্রকাশিত হয়েছে। সেসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সাগরের বুকে পানিতে জাহাজটি দাউদাউ করে জ্বলছে এবং কালো ধোঁয়ার বিশাল কুন্ডলি উঠছে সেই জাহাজটি থেকে।

হামলাটি ঘটেছে কৃষ্ণ সাগর তীরবর্তী রুশ রিসোর্ট শহর সোচি’র কাছাকাছি সাইরিয়াস এলাকায়। এ ঘটনার পর সাইরিয়াসের সবগুলো সাগরতীরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

কোনো পক্ষ এখন পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে এটি যে ইউক্রেন ঘটিয়েছে— তা মোটামুটি নিশ্চিত। কারণ গোয়েন্দা তথ্য বলছে, রুশ অপরিশোধিত তেল পরিবহনের সাথে জড়িত জাহাজগুলোর ওপর নজরদারির অংশ হিসেবে ট্যাঙ্কারটি এর আগেই ইউক্রেনের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।


সূত্র : এএফপি, ফার্স্টপোস্ট