শেয়ার বাজার

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের নতুন তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে বানার্ড আর্নল্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০২৪

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের নতুন তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে বানার্ড আর্নল্ট

পুরো বিশ্বে যখন কিনা অর্থনৈতিক সংকট চলছে, সেই সময়ও ধনী ব্যক্তিরা আরও ধনী হচ্ছেন। সম্প্রতি ২০২৪ সালের শীর্ষ ধনীদের নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্যবসা-বাণিজ্যবিষয়ক ম্যাগাজিন ফোর্বস। দেখা গেছে―চলমান বিশ্বে যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করেও গতবারের তুলনায় সম্পদ বেড়েছে অনেক ধনীদের।

বিলিওনিয়ারদের তালিকায় জায়গা করে নেয়া দুই-তৃতীয়াংশ ধনীদের সম্পদমূল্য গত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে, আর কমেছে মাত্র এক-চতুর্থাংশ ব্যক্তিদের সম্পদমূল্য। এছাড়া শীর্ষ ২০ ধনীর সম্পদমূল্য অনেক বেশিই বৃদ্ধি পেয়েছে। সামগ্রিকভাবে তাদের সম্পদমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৭০ হাজার কোটি ডলার।

ফোর্বসের প্রকাশ করা তালিকায় এবার শীর্ষে রয়েছে ফ্রান্সের বানার্ড আর্নল্ট ও তার পরিবার। তার সর্বমোট সম্পদমূল্য ২৩৩ বিলিয়ন ডলার। ৭৫ বছর বয়সী বার্নাড হচ্ছেন লুই ভুইতোঁ ও সেফোরাসহ বিশ্বের ৭৫টি নামিদামি ফ্যাশন ও কসমেটিক্স ব্র্যান্ডের মালিক।

এরপর দ্বিতীয়তে রয়েছেন নাগরিক টেসলা ও স্পেস এক্সের কর্ণধার ইলন মাস্ক। ৫২ বছর বয়সী এই ব্যক্তির সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৯৫ বিলিয়ন ডলার।

তৃতীয়তে রয়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। গত বছরের তুলনায় এবার তার সম্পদমূল্য বেড়েছে প্রায় ৮৫ বিলিয়ন ডলার। তার মোট সম্পদমূল্য ১৯৪ বিলিয়ন ডলার।

তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। ৩৯ বছর বয়সী এই ব্যক্তির গতবার সম্পদমূল্য ছিল ৬৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। তা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৭ বিলিয়ন ডলার।

তালিকায় সপ্তম অবস্থানে রয়েছেন বিশ্বের আলোচিত বিলিওনিয়ার মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। এবার তার সম্পদমূল্য বেড়ে ১২৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানি ১১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তালিকার ৯ম-এ অবস্থান করছেন।

এবার বিশ্বের বিলিওনিয়ারদের নিয়ে প্রকাশ করা এই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ১৪১ জনের বেশি ধনী ব্যক্তি। সবমিলে এখন বিশ্বে বিলিওনিয়ার রয়েছেন ২ হাজার ৭৮১ জন।

ইরানের ২ নম্বর শর্ত
হরমুজের নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেলপ্রতি গুনতে হবে ১ ডলার

প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল, ২০২৬

হরমুজের নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেলপ্রতি গুনতে হবে ১ ডলার


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতির সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেসব জাহাজ চলাচল করবে তাদের প্রতি ব্যারেলের জন্য ১ ডলারের সমপরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি দিতে হবে। ইরানের ১০ দফা শর্তের ২ নম্বর দফায় হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের একচ্ছত্র অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

এদিকে যুদ্ধবিরতির পরপরই হরমুজে টোল আদায়ের জন্য ইরানের সঙ্গে একটি ‘যৌথ উদ্যোগ’ গঠনের কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরানের তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানিকারক ইউনিয়নের মুখপাত্র হামিদ হোসেইনির বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করে দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।

মুখপাত্র বলেন, প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য ১ ডলার খরচ হবে এবং জাহাজগুলোকে তারা কী বহন করছে সে তথ্য ইরানি কর্তৃপক্ষকে ইমেইলের মাধ্যমে জানাতে হবে।

হোসেইনি বলেন, ই-মেইল পাওয়ার পর এবং ইরান যাচাই শেষ করলে, জাহাজগুলোকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বিটকয়েনে অর্থ পরিশোধ করতে হবে, যাতে নিষেধাজ্ঞার কারণে তা অনুসরণ বা জব্দ করা না যায়।

তিনি আরও জানান, এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যাতে কোনো অস্ত্র এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা না হয়।

তিনি বলেন, সব কিছুই যেতে পারবে, তবে প্রতিটি জাহাজের জন্য প্রক্রিয়াটি সময় নেবে এবং ইরান তাড়াহুড়ো করছে না।

এদিকে বুধবার (৮ এপ্রিল) ট্রাম্প বলেন, র বিষয়টি বিবেচনা করছে। তিনি এবিসি নিউজের সাংবাদিক জনাথন কার্লকে বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি যৌথ উদ্যোগ হিসেবে করার কথা ভাবছি। এটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় এবং অন্যদের থেকেও সুরক্ষা দেবে। এটি একটি ভালো বিষয়।’

হরমুজ প্রণালি ইরানের উপকূলের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি কার্যত বন্ধ। ফলে তেলের দাম বেড়ে গেছে। কারণ আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করবেন বলে ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এর পরপরই তেলের দাম কমতে শুরু করে।

একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ইরান বৃহস্পতি বা শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সীমিতভাবে, ইরানের নিয়ন্ত্রণে প্রণালিটি খুলে দিতে পারে।

অন্যদিকে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইরান মধ্যস্থতাকারীদের বলেছে যে তারা টোল আদায় করবে এবং প্রতিদিন প্রায় ১২টি জাহাজ চলাচলের সীমা নির্ধারণ করবে।


বাংলাদেশের সীমান্তের পাশে রাখাইনে জান্তার বিমান হামলায় ৫০ জন নিহত, জাতিসংঘের উদ্বেগ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলাদেশের সীমান্তের পাশে রাখাইনে জান্তার বিমান হামলায় ৫০ জন নিহত, জাতিসংঘের উদ্বেগ

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বাংলাদেশ সীমান্তের খুব কাছে রাখাইন রাজ্যে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে। সোমবার কায়ুকতো শহরে এই হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা আরও অনেক। স্থানীয়দের দাবি, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।

হামলার খবর জানার পর মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক বলেন, রাখাইনের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরার মতো পরিবেশ এখন সেখানে নেই। তিনি মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের পক্ষ থেকে হামলার তীব্র নিন্দা জানান। গুতেরেস বেসামরিক মানুষের জীবন রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে সহিংসতা এখনই বন্ধ করার কথাও বলেছেন তিনি।

রাখাইনভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি জানিয়েছে, হামলায় ৫০ জন মারা গেছেন এবং ৫৮ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় এক দাতব্যকর্মী ওয়েই হান ওং এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তার দেওয়া এক ছবিতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নারী ও শিশুদের মরদেহ বের করা হচ্ছে।

আরাকান আর্মির মুখপাত্র খাইং থুকা অভিযোগ করেছেন, জান্তার বিমানবাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে জনবহুল বাজার, স্কুল, আবাসিক এলাকা এবং সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোও বলছে, হামলাটি একটি বাজারে হয়েছে।

২০২১ সালে অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করার পর থেকে মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ চলছে। এই হামলা সেই সংঘাতেরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।


ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক চাপ সামলাতে হবে: আনোয়ার ইব্রাহিম

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক চাপ সামলাতে হবে: আনোয়ার ইব্রাহিম

বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা করতে হবে মালয়েশিয়াকে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও ভূরাজনীতিতে বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তনের প্রভাবও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম।


তিনি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি বাণিজ্যনির্ভর দেশ হিসেবে এসব চ্যালেঞ্জ মালয়েশিয়ার জন্য কেবল তাত্ত্বিক কোনো বিষয় নয়। বিশেষ করে বিশ্বের চিপ সরবরাহ শৃঙ্খলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ায় রয়েছে বিভিন্ন কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান।


২০২৬ সালের খাজানাহ ন্যাশনাল বারহাদের মেগাট্রেন্ড ফোরামে উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি একই সঙ্গে মালয়েশিয়ার অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করছেন।


আনোয়ার বলেন, ‘যে কোনো বাণিজ্যনির্ভর দেশের জন্য এসব বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মালয়েশিয়া এমন একটি দেশ, যার অর্থনীতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। এ বাস্তবতা সম্পর্কে যে বাণিজ্যনির্ভর দেশ সচেতন নয়, তারা দীর্ঘ সময় নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারবে না।’


তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মালয়েশিয়া বিভিন্ন দেশের সঙ্গে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছে।
আনোয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে মালয়েশিয়া উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। একই সঙ্গে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও ভারতকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করে দেশটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখছে। আমরা সৌভাগ্যবান যে কঠিন এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারছি। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া এবং পশ্চিম ও পূর্ব উভয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা ।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানভুক্ত হওয়ায় মালয়েশিয়া কিছুটা স্থিতিশীলতার সুবিধা পাচ্ছে। তবে শুধু বৈঠক আয়োজন বা প্রতীকী সহযোগিতার মধ্যে আঞ্চলিক জোটের ভূমিকা সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়।


তিনি বলেন, ‘আমি এতটা সরল নই যে এটিকে সহজ পথ হিসেবে দেখব। আমরা সৌভাগ্যবান যে আসিয়ানের অংশ এবং আসিয়ানের কেন্দ্রীয় ভূমিকার নীতিকে সমর্থন করি। কিন্তু এর অর্থ হতে হবে এমন সক্ষমতা বা ক্ষমতা অর্জন করা, যার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ঘটনাপ্রবাহকে প্রভাবিত করতে পারি। শুধু সভা আয়োজন করাই যথেষ্ট নয়।


আনোয়ার একই সঙ্গে বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থায় জবাবদিহি ও সুশাসন আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, বিশ্বের ক্ষমতার কেন্দ্রগুলো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এগুলোর পরিবর্তনের গতি সেই ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার জন্য গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়েও বেশি।


তার মতে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় পর্যায়ে অর্থবহ জবাবদিহির ঘাটতি আধুনিক শাসনব্যবস্থার অন্যতম মৌলিক দুর্বলতা। এর ফলে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, একতরফা বাণিজ্যিক পদক্ষেপ এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থায় কাঠামোগত ভারসাম্যহীনতা বাড়ছে।
আনোয়ার বলেন, ক্ষমতা সেই ক্ষমতা পরিচালনার জন্য গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়েও দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।


তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক জবাবদিহি শুধু নির্দিষ্ট সময় পরপর নির্বাচন আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। এটি বাস্তব অর্থে কার্যকর করতে হবে এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন পর্যায়ে জনগণের কাছে জবাবদিহির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।