শেয়ার বাজার

সাকিবকে নিয়ে ভেবে ‘সময় নষ্ট’ করতে চান না শান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪

সাকিবকে নিয়ে ভেবে ‘সময় নষ্ট’ করতে চান না শান্ত

শেরে বাংলাদেশ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের আশপাশের এলাকা আজ রোববার স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু গত বুধবার থেকে টানা ৩দিন ‘হোম অব ক্রিকেটের’ বাইরের জায়গাটা মোটেও স্থিতিশীল ছিল না। পুরো এলাকা ছিল উত্তপ্ত। সাকিব আল হাসানের বিরোধী ও ভক্তদের অবস্থান, স্লোগান, ব্যানার, ফেস্টুন ও দেয়াল লিখনে ছিলো সয়লাব। দুই গ্রুপের ছিল পাল্টাপাল্টি কর্মসূচীও।

আগামীকাল সোমবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শুরু হবে ঢাকা টেস্ট। স্বস্তির বিষয় হলো- একদিন আগে হলেও সবকিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে স্টেডিয়াম এলাকায়। এর আগে হট্টগোলের মধ্যেই অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল।

বিরোধীরা বলেছে, সাকিবকে খেলতে দিলে মিরপুর ব্লকেড করে দেওয়া হবে। বিসিবি সভাপতির কাছে স্মারক লিপিও দিয়েছে তারা। অন্যদিকে ভক্তদের দাবি, দেশের মাটিতেই সাকিবকে টেস্ট থেকে বিদায় নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এছাড়া ৪ দফা দাবি জানায় সমর্থকরা।

এসব ঝামেলার মধ্যে নতুন কোচ নিয়োগ বিসিবির। তার আগে ভারতের বিপক্ষে বাজেভাবে সিরিজ হার। সব কিছু মিলিয়ে ঢাকা টেস্টে নামার আগে দেশের ক্রিকেটীয় পরিবেশ প্রেক্ষাপট কিছুটা হলেও প্রতিকূল বাংলাদেশের জন্য। এমন অবস্থায় খেলার প্রতি মনোযোগ ধরে রাখা এবং ভালো খেলার একাগ্রতা ধরে রাখাও বেশ কঠিন।

আজ রোববার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। সেখানে এসব বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দেন অধিনায়ক।

শুরুতেই উঠে আসে সাকিব-ইস্যু। এছাড়া ক্রিকেটারদের জন্য বর্তমান পারিপাশ্বিক অবস্থা কতটা কঠিন, আগামীকাল স্বাভাবিক মানসিকতা নিয়ে খেলতে পারবেন কিনা ক্রিকেটাররা, এসব নিয়েও ছিল প্রশ্ন।

শান্ত অকপটে স্বীকার করেন যে, পরিস্থিতি আসলেই কঠিন। তবে এসব নিয়ে বেশি সময় নষ্ট করতে চান না তিনি। বরং ম্যাচের দিকেই বেশি মনোযোগী হতে চান টাইগার অধিনায়ক।

শান্ত বলেন, ‘এটা আমাদের কন্ট্রোলে নেই। যেহেতু কন্ট্রোলে নেই, এটা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করা মানে সময় নষ্ট। যত বেশি সম্ভব খেলায় ফোকাস করা, খুব ইম্পরট্যান্ট দুটি টেস্ট। খেলোয়াড়রা খুব ভালোভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এটাতেই মনোযোগ রাখার চেষ্টা করছে।’

সাকিবকে নিয়ে টেস্ট ম্যাচটি খেলতে চেয়েছিলেন শান্ত। শেষ পর্যন্ত বাঁহাতি-অলরাউন্ডাকে না পাওয়াকে দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করেন তিনি।

শান্ত বলেন, ‘পরিকল্পনা তো ছিলই, বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। শুধু বাংলাদেশই বলবো না, গোটা বিশ্বের। খুবই দুর্ভাগ্যজনক, যেকোনো কারণেই হয়নি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, প্রত্যেক খেলোয়াড় মনে করে, পেন্ডিং থেকেই গেল। দুর্ভাগ্যজনক। হওয়া উচিৎ ছিল। আমরা সবাই জানি কেন হয়নি। এটা নিয়ে টেস্ট ম্যাচের আগের দিন বেশি কথা বলতে চাই না। আমি চাই প্রত্যেক খেলোয়াড় খেলায় মনোযোগ রাখুক।’

তামিমের নেতৃত্বাধীন বিসিবির অ্যাডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

তামিমের নেতৃত্বাধীন বিসিবির অ্যাডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সদ্য গঠিত অ্যাডহক কমিটি নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন গঠিত এই কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) সাবেক ক্রিকেটার ও বিসিবির কর্মকর্তাসহ ১২ জন ব্যক্তি যৌথভাবে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিট পিটিশন নম্বর: ৬০৮৩/২০২৬।

আবেদনকারী ১২ জনের মধ্যে দেশের ক্রিকেটের বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ রয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন— আমিনুল ইসলাম বুলবুল, ফারুক আহমেদ এবং আসিফ ইকবাল ও খালেদ মাসুদ পাইলট।

এর আগে, আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করে।

বর্তমান ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল খান। আরও দুই সাবেক ক্রিকেটার মিনহাজুল আবেদীন ও আতহার আলী খান কমিটিতে আছেন।



ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্বের যে সমাধান দিলেন শেহজাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্বের যে সমাধান দিলেন শেহজাদ

ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব সামনে আসলেই ভক্তদের মুখ থেকে অনায়াসেই এমন বাক্য বেরিয়ে যায়। যেখানে এই ম্যাচ নিয়ে ভক্তদের থাকার কথা প্রবল আগ্রহ, সেখানে তারাই হচ্ছেন বিরক্ত। যার জন্য দায়ী সরাসরি ভারত-পাকিস্তানই।

আইসিসি ইভেন্টের আয়োজক ভারত ও পাকিস্তানের কোনোটি হলেই শুরু হয় বিড়ম্বনা। কোনোভাবেই পাকিস্তানে টুর্নামেন্ট খেলতে যেতে চায় না ভারত। যার সর্বশেষ উদাহরণ চ্যাম্পিয়ন ট্রফি। বহু চেষ্টা করেও ভারতকে খেলতে যেতে রাজি করাতে পারেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

সমঝোতার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়, হাইব্রিড মডেলে হবে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। আয়োজক হিসেবে থাকবে পাকিস্তানই। তবে ভারতের সবগুলো ম্যাচ হবে আরব আমিরাতে। অচলাস্থা কেটে যাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত হয় ভেন্যু।

ভারতের একঘেয়েমির কারণে কঠিন হয়েছে পাকিস্তানও। ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে গেলেও এবার পিসিবি জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৭ সাল পর্যন্ত আইসিসির কোনো ইভেন্টে অংশ নিতে ভারতে যাবে না পাকিস্তান। অর্থাৎ এই সময়ে ভারতের মাটিতে হওয়া টুর্নামেন্টগুলোও হবে হাইব্রিড মডেলে।

দুই দেশের এই দ্বন্দ্ব ক্রিকেটীয় চেতনার সঙ্গেও বেমানান। আবার আইসিসি যে সমাধান দিয়েছে, তাও ক্ষণস্থায়ী। চলমান এই দ্বন্দ্বের একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের প্রয়োজন অনুভব করছেন ক্রিকেটভক্তরা।

এর জন্য একটি সমাধান দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার আহমেদ শেহজাদ। তিনি ধারণা দেন, দুই দেশের সীমান্তে একটি স্টেডিয়াম হবে। যে স্টেডিয়ামের একটি গেট থাকবে পাকিস্তানে। অন্যটি ভারতে।

একটি পডকাস্টে শেহজাদ বলেন, ‘সীমান্তে একটি স্টেডিয়াম তৈরি করুন। একটি গেট ভারতের দিক থেকে খুলবে। তাদের খেলোয়াড়েরা সেই গেট দিয়ে মাঠে আসবে। আমাদের খেলোয়াড়েরা যাবে এদিক (পাকিস্তানের দিকের গেট) দিয়ে।’

শুধু সমাধান দিয়েই থামেননি শেহজাদ। কৌশলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ও ভারত সরকারের সমালোচনাও করেছেন। অনেকটা খোঁচা মেরে শেহজাদ বলেন, ‘আমার মনে হয় এরপরও বিসিসিআই ও ভারত সরকার ঝামেলা করবে। তারা বলবে, তোমাদের (পাকিস্তান) খেলোয়াড়েরা যখন মাঠে আমাদের প্রান্তে আসবে, আমরা তাদের ভিসা দেবো না।’


মুস্তাফিজের বাজে দিনে বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

মুস্তাফিজের বাজে দিনে বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান

নাগোয়ার নিশিন করোগি স্পোর্টস পার্কের উইকেট স্লো। সেখানে বাংলাদেশের দেওয়া ১৩ ওভারে ১১২ রানের লক্ষ্যটা কঠিন হবে বলে মনে হচ্ছিল। তবে কে জানতো মুস্তাফিজুর রহমান এমন বাজে দিন পার করবেন! তার ২ ওভারে ৪১ রান নিয়েছে পাকিস্তান। ফলে নির্ধারিত ওভারের ৯ বল এবং ৬ উইকেট হাতে থাকতেই তারা জয়ের বন্দরে পৌঁছে গেছে।

এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে পাকিস্তান। বাংলাদেশ তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলে এখনও পদক জেতার সুযোগ রয়েছে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে লড়বে ভারত-শ্রীলঙ্কা। ওই ম্যাচে বিজয়ীরা ফাইনালে এবং পরাজিত দলের বিপক্ষে ৩ অক্টোবর সকালে ব্রোঞ্জ জয়ের লক্ষ্যে খেলবে লিটন দাসের দল। 

নাগোয়ার আশিন সিটিতে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মলিন মুখ। লিটন-মুস্তাফিজদের জয় দেখতে এসেছিলেন তারা। অপেক্ষাকৃত দুর্বল পাকিস্তানকে হারালে বাংলাদেশ ফাইনালে উঠত। এতে অন্তত রৌপ্য পদক নিশ্চিত হতো তাদের। উল্টো পাকিস্তানের কাছে ৬ উইকেটে হেরে এখন ব্রোঞ্জের জন্য লড়তে হবে। 

টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ ওভারে বাংলাদেশ ১১১ রান করেছিল। স্পিনিং উইকেটে বাংলাদেশ চার জন স্পিনার নিয়ে খেললেও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে ব্যবহারই করেননি অধিনায়ক লিটন। বাংলাদেশের সবচেয়ে পরীক্ষিত বোলার মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি দুই ওভারে ৪১ রান দিয়েছেন। তার দুই ওভারেই বাংলাদেশ মূলত ম্যাচ হেরেছে।

স্পিনিং উইকেটে বাংলাদেশ দুই প্রান্ত থেকেই স্পিনার দিয়ে বল শুরু করে। প্রথম ৩ ওভারে দুই উইকেট নিয়ে ২০ রান দেয়। এরপর মুস্তাফিজকে পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভারে আনেন অধিনায়ক লিটন। ওই ওভারেই ম্যাচের মোমেন্টাম বদলে দেন পাকিস্তানি ব্যাটার সাইম আইয়ুব। মুস্তাফিজের প্রথম দুই বলেই তিনি টানা দুই ছয় হাঁকান। ওভারের শেষ বলে অবশ্য মুস্তাফিজ স্লোয়ারে আইয়ুবকে বিদায় করেন। 

দলীয় ৫৩ রানে উসমান খান আউট হলে বাংলাদেশ আবার ম্যাচে ফেরে। রিশাদ হোসেন ও শেখ মেহেদী দুই প্রান্ত থেকে মোটামুটি রান নিয়ন্ত্রণে রাখছিলেন। দশম ওভারে আবার মুস্তাফিজের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক লিটন। ওই ওভারেই মূলত ম্যাচ পুরোপুরি পাকিস্তানের হাতে চলে যায়। তিনি সেই ওভারে ২৩ রান দেন। আব্দুল সামাদ তার দ্বিতীয় বলে ছক্কা, এরপর টানা চারটি চার হাঁকান। ফলে ৩ ওভারে মাত্র ১৩ রান প্রয়োজন হয় পাকিস্তানের।
৯ বল বাকি থাকতেই নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে স্বর্ণের লড়াই নিশ্চিত করে পাকিস্তান। আব্দুল সামাদ ১৫ বলে ৩০ রান ও আইয়ুবের ১২ বলে ২১ রানের ইনিংস ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। ২২ বলে ২৭ রান করেন নাসান নেওয়াজ। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা বড় রান করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বোলারদের পারফরম্যান্সও ঠিকঠাক হয়নি। স্পিনিং উইকেটেও নাসুম ৩ ওভারে ৩৩ রান দিয়েছেন।

এর আগে সোয়া একঘণ্টা পর শুরু হওয়া ম্যাচে বাংলাদেশি প্রবাসীরা অবশ্য খুব বেশি চার-ছক্কার মার দেখতে পারেননি। ১৩ ওভারের ম্যাচে বাংলাদেশ ৭ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান করেছে। খেলার দৈর্ঘ্য কমে যাওয়ায় পাওয়ার প্লে ছিল ৪ ওভার। পাওয়ার প্লে’তে যেখানে রানের ফুলঝুরি ছোটার কথা, সেখানে বাংলাদেশ ৩ উইকেট হারিয়ে ২৩ রান করে।

বৃষ্টিতে উইকেট চার দিনের বেশি কাভারের নিচে থাকায় স্পিনারদের দিয়েই বেশিরভাগ ওভার করিয়েছে পাকিস্তান। স্পিনার সাইম আইয়ুব ২ ওভারে ৩ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। তিনিই মূলত রান চেক দিয়েছেন।

পাকিস্তান এশিয়ান গেমসে পূর্ণ শক্তির দল পাঠায়নি। বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গ জাতীয় দল পাঠিয়েও পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে যথেষ্ট হিমশিম খেয়েছে। তাওহীদ হৃদয় ২৫ বলে ৪২ রানের ইনিংস না খেললে স্কোর ১০০ অতিক্রম করাও কঠিন ছিল। হৃদয়, সাইফ হাসান ও মোসাদ্দেক সৈকত ছাড়া কেউই দুই অঙ্কের স্কোর করতে পারেননি। সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছেন অধিনায়ক লিটন দাস। তিন বলে মাত্র ২ রান করে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে বোল্ড আউট হয়ে দলকে চরম চাপে ফেলেন।

১৩ ওভারের ম্যাচেও বাংলাদেশ অনেক ধীরগতিতে ব্যাট করেছে। এক পর্যায়ে ৬.৩ ওভারে ৪৫ রানে ৪ উইকেট ছিল। হৃদয় ও সৈকতের জুটিতে ৪৩ রান হয়। কিন্তু উভয়েই আবার দুই রানের ব্যবধানে আউট হওয়ায় বাংলাদেশের স্কোর আরও বড় হয়নি। 

পাকিস্তানের অনভিজ্ঞ বোলিং লাইনআপও বাংলাদেশকে যথেষ্ট চাপে রেখেছিল। সুফিয়ান মুকিম ৩ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। পাকিস্তান বাংলাদেশকে আরও কম রানে বেধে রাখার সুযোগ থাকলেও ১৫টি ওয়াইড দিয়েছে। কয়েকদিন টানা বৃষ্টি হওয়ায় আউটফিল্ড কিছুটা স্লো।