শেয়ার বাজার

শান্তিতে নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাইকে অভিনন্দন জানালেন ড. ইউনূস

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

শান্তিতে নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাইকে অভিনন্দন জানালেন ড. ইউনূস

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় পিল্লাইয়ের আজীবন অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কারকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি।

এক বিবৃতিতে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ায় আমি বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। বিচারপতি পিল্লাই তার জীবন ন্যায়বিচারের জন্য উৎসর্গ করেছেন। বর্ণবাদী শাসনব্যবস্থা বা বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে তার লড়াই, জাতিসংঘে তার কাজ এবং আন্তর্জাতিক বিচারাঙ্গনে তার ভূমিকা দেখিয়েছে, আইনের শাসন ছাড়া শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।’

বিবৃতিতে ইউনূস আরও বলেন, ‘পিল্লাই ক্ষমতাধরদের জবাবদিহির আওতায় এনেছেন এবং যাদের কোনো কণ্ঠস্বর নেই, তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।‘এই পুরস্কার তার সাহস ও সততাকে সম্মানিত করেছে। একই সঙ্গে এটি মনে করিয়ে দেয়, ন্যায়বিচার ও শান্তি একে অপরের পরিপূরক। আমি তার প্রতি শুভকামনা জানাচ্ছি।’

এর আগে ৮৫ বছর বয়সী ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক নাভানেথেম নাভি পিল্লাইকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি।
এই আইন বিশেষজ্ঞ ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারক এবং রুয়ান্ডা বিষয়ক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও কাজ করেছেন।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত

অসদাচরণ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

বরখাস্তকৃতরা হলেন- ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান এবং গাজীপুরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২ এর সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে তাদের বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এস এম মেহেদী হাসান ডিএমপির (ট্রাফিক-দক্ষিণ) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। পরবর্তীতে তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এবং ই-মেইলে নোটিশ প্রদান করা হলেও তিনি কর্মস্থলে হাজির হননি। 

মেহেদী হাসান ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে অদ্যাবধি বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার এমন কর্মকাণ্ড সরকারি দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী যা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুসারে ‘পলায়ন’ এর আওতাভুক্ত এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ অধিদপ্তর থেকে পত্র প্রেরণ করা হয়। এ প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১৯ জুন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী প্রেরণ করে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) অনুযায়ী তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করা হয়।

জবাব দাখিলের জন্য নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হলেও আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি জবাব দাখিল করেননি। 

একইসঙ্গে তিনি সময় বৃদ্ধিরও কোনো আবেদন করেননি। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এবং অভিযোগসমূহ প্রমাণিত হলে গুরুদণ্ড আরোপযোগ্য হবে মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় অভিযোগসমূহ তদন্তের জন্য ২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। 

তদন্ত শেষে দাখিল করা প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুসারে ‘পলায়ন’- এর অভিযোগ সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে মর্মে উল্লেখ করা হয়। বিধি মোতাবেক চলতি বছরের ৪ জুন দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করা হয়। তিনি দ্বিতীয় কারণ দর্শানো নোটিশেরও জবাব দাখিল করেননি।

এস এম মেহেদী হাসানকে চাকরি থেকে বরখাস্তকরণসূচক গুরুদণ্ড প্রদানের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। 

এরপর এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের পরামর্শ চাওয়া হয়। সরকারি কর্মকমিশন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তকরণসূচক গুরুদণ্ড আরোপ করা যায় মর্মে পরামর্শ প্রদান করে। 

‘পলায়ন’ এর অভিযোগ সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। 

অপর প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বর্তমানে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী গাজীপুরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২-এ কর্মরত থাকাকালে ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি অসুস্থতার কারণে চিকিৎসক তাকে দুই মাসের বিশ্রামের পরামর্শ দেন। বিশ্রাম শেষে ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল তার কর্মস্থলে যোগদানের কথা থাকলেও তিনি যোগদান করেননি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি। কর্মস্থলে হাজির হওয়ার জন্য তার স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় একাধিকবার নোটিশ জারি করা হলেও তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি  থেকে কর্মস্থল থেকে প্রস্থান করে অদ্যাবধি কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার এ ধরনের কর্মকান্ড সরকারি দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে চরম অবহেলা এবং ‘অসদাচরণ ও ‘পলায়ন’-এর আওতাভুক্ত যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ অধিদপ্তর হতে পত্র প্রেরণ করা হয়। বিধি অনুযায়ী তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করা হয়।

নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হলেও তিনি জবাব দাখিল করেননি। একইসঙ্গে তিনি সময় বৃদ্ধিরও কোনো আবেদন করেননি। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহের গুরুত্ব বিবেচনায় এবং অভিযোগসমূহ প্রমাণিত হলে গুরুদণ্ড আরোপযোগ্য হবে মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুসারে অসদাচরণ ও ‘পলায়ন’'-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে মর্মে মতামত প্রদান করা হয়েছে। তাকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করা হয়।

তিনি দ্বিতীয় কারণ দর্শানে নোটিশেরও জবাব দাখিল করেননি। মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী চাকরি থেকে বরখাস্তকরণসূচক গুরুদণ্ড প্রদানের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। পরে সরকারি কর্মকমিশনের পরামর্শ চাওয়া হয়। সরকারি কর্মকমিশন তাকে ‘চাকরি থেকে বরখাস্তকরণ’ সূচক গুরুদণ্ড আরোপ করা যায় মর্মে পরামর্শ প্রদান করে। 

বিধি অনুসারে, অসদাচরণ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।


ফরিদপুরের মধুখালীতে যুববকে কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ মার্চ, ২০২৪

ফরিদপুরের মধুখালীতে যুববকে কুপিয়ে হত্যা

ফরিদপুরের মধুখালীতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে যুবকে কুপিয়ে হত্যা, নিহত ব্যক্তির নাম নিজাম উদ্দিন (৩৫) নিজাম উদ্দিন উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের হাটঘাটা গ্রামের মানিক শেখের ছেলে। 

জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১ টার দিকে নিজাম উদ্দিনের শ্বশুর বাড়ি থেকে তার শ্যালকসহ বেশ কয়েকজন নিজামের ঘরে ঢুকে তার স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে দেয় এবং নিজাম উদ্দিনকে ধারলো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে যখন করে পালিয়ে যায়।

নিহত নিজাম উদ্দিনের ছোট ভাই আজিম উদ্দিন বলেন, আমার বড় ভাইকে তার শ্যালক আশুারুল, ইলিয়াস, মামুন, হারুনসহ বেশ কয়েকজন মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। আমার ভাই নিজাম উদ্দিন তার শালিকা'কে নিয়ে ঝামেলা ছিলো শালিকাকে নিয়ে বেড়াতে যায় আমার ভাই তারপর তাকে নিয়ে রাতে আমাদের বাড়িতে চলে আসে এই খবর পেয়ে আমার ভাইয়ের শ্বশুর বাড়ি থেকে লোকজন শালিকাকে নিতে এসে ঘরে ঢুকে আমার ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

নিহত নিজাম উদ্দিনের শরীরে একাধিক জখমের চিহ্ন রয়েছে। তার শ্বশুর বাড়ি উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দীঘলিয়া গ্রামে। রাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিজাম উদ্দিনকে ফরিদপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেবার পথে মারা যান তিনি।

সকালে হত্যার সংবাদ পেয়ে মধুখালী থানা পুলিশ আসে পরে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট এসে লাশের সুরতহাল করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এই বিষয়ে মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মিরাজ হোসেন বলেন, সকালে তথ্য পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই এখনও পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেইনি অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


দুঃস্থ, অসহায়, পথচারী ও শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণ করেন: উল্লাপাড়া ছাত্রলীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ, ২০২৪

দুঃস্থ, অসহায়, পথচারী ও শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণ করেন: উল্লাপাড়া ছাত্রলীগ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় দুঃস্থ, অসহায়, পথচারী ও শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে। 

রবিবার (৩১ মার্চ) বিকেলে স্থানীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা শফিকুল ইসলাম শফির অনুপ্রেরণায় ছাত্রলীগ নেতা মোঃ শরিফুল ইসলাম শক্তির উদ্যোগে প্রায় ৩ শতাধিক রোজাদারের মধ্যে এ ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। শরিফুল সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক, সহ সম্পাদক ও উল্লাপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পদে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে শক্তি বলেন, শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পতাকা বাহী সংগঠন বাংলাদেশে ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মাস ব্যাপী ইফতার বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিজ অর্থায়নে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রোজাদারদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো। এ সময় তিনি আরও বলেন, কয়েক দিন পরেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ বয়ে আনুক সকলের জন্য শান্তি ও সম্প্রতি।

বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আমিনুজ্জামান অলক, সাবেক ছাত্রনেতা শফিকুল ইসলাম পলাশ, দবির উদ্দিন, হাবিবুল্লাহ বেলালী শিশির, সুজন সরকার সহ ছাত্রলীগের আরো অনেকে।