শেয়ার বাজার

দাউদকান্দিতে থানায় ভাঙচুর করে ‘ভুয়া’ স্লোগানে বেরিয়ে গেল ২৮ কিশোর, আটক ৫৯

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দাউদকান্দিতে থানায় ভাঙচুর করে ‘ভুয়া’ স্লোগানে বেরিয়ে গেল ২৮ কিশোর, আটক ৫৯

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫৯ কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। দাউদকান্দি মডেল থানা ও গৌরীপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ বুধবার সন্ধ্যা থেকে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। পরে আটক কিশোরদের থানায় আনার পর তাদের স্বজন ও অভিভাবকদের ভিড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে থানার ভেতরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে এবং ২৮ কিশোর ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে দিতে বেরিয়ে যায়।

বুধবার রাত ৮টার দিকে দাউদকান্দি মডেল থানা ভবনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থানার ভেতরে ভাঙচুর এবং কিশোরদের বেরিয়ে যাওয়ার একাধিক ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থানার ভেতরে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিপুলসংখ্যক মানুষকে অস্থিরভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। বিভিন্ন কক্ষে মানুষের প্রবেশ ও হট্টগোলের কারণে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এদিকে থানার ভেতরে ভাঙচুরের ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়লেও দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম পলাশ ভাঙচুরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি ঘটনাটিকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেন।

তবে ওসি জানান, বুধবার সন্ধ্যা থেকে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের খুঁজতে দাউদকান্দি মডেল থানা ও গৌরীপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানে মোট ৫৯ জনকে আটক করা হয়।

ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম পলাশ বলেন, “সর্বমোট ৫৯ আটক করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, আটক কিশোরদের মধ্যে একটি কক্ষে ২৮ জন অবস্থান করছিল।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কিশোরদের আটকের খবর পেয়ে তাদের অভিভাবকরা থানায় এসে সন্তানদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য হট্টগোল শুরু করেন। ওসির দাবি, বাইরে থেকেও কেউ কেউ উত্তেজনা ছড়ায় এবং থানার দিকে ঢিল ছোড়ে। এ সময় একটি পুরোনো দরজার একটি অংশ খুলে যায় এবং মানুষের ভিড়ে কয়েকটি চেয়ার উল্টে যায়।

অন্যদিকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ২৮ কিশোরকে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে দিতে থানার ভেতর থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায় বলে স্থানীয়ভাবে দাবি করা হচ্ছে। এ সময় থানার ভেতরে ব্যাপক ভিড় ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখা যায়।

ঘটনার পর থানার সামনে আটক কিশোরদের অভিভাবক ও স্বজনদের পাশাপাশি উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যদের তৎপর হতে দেখা যায়।

আটক কিশোরদের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে আটক করা হয়েছে। তবে কিশোরদের স্বজনদের দাবি, তাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধসংক্রান্ত রেকর্ড নেই।

ওসি জানান, তথ্য যাচাই করে আটক কিশোরদের অভিভাবকদের কাছ থেকে লিখিত নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। অর্থাৎ আটকের পর যাচাই-বাছাই শেষে যাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না, তাদের অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানা ও পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকাতেও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চলছে বলে জেলা পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা জানান, রাতভর অভিযান চলবে। অভিযান শেষে কতজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং কতজন আটক রয়েছে, সে বিষয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার পর গণমাধ্যমকে সঠিক সংখ্যা জানানো হবে।

দাউদকান্দির ঘটনায় একদিকে পুলিশের দাবি, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৫৯ জনকে আটক করা হয়েছে এবং অভিভাবকদের হট্টগোলে একটি পুরোনো দরজার অংশ খুলে যাওয়াসহ কিছু চেয়ার উল্টে যায়। অন্যদিকে ঘটনাস্থলের ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে থানার ভেতরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। ফলে কিশোরদের আটকের কারণ, থানায় সৃষ্ট পরিস্থিতি এবং ২৮ কিশোরের বেরিয়ে যাওয়ার পুরো ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

সরকারের ‘ছায়ামন্ত্রী’
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে চমক থাকছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতেও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪

দ্বাদশ জাতীয় সংসদে চমক  থাকছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতেও

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে টানা চারবার ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ। এরই মধ্যে গঠিত হয়েছে ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা। এবার চোখ সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে। মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এই কমিটির সভাপতি অনেকটা ছায়ামন্ত্রীর মতোই। নির্বাহী বিভাগের জবাবদিহি, তদারকি ও কাজে গতিশীলতা আনতে সংসদীয় কমিটি করার রেওয়াজ আছে সংসদে। আট থেকে ১৫ সংসদ সদস্যের ওই কমিটিতে একজন থাকেন সভাপতি। আর স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাধারণত হন সাবেক মন্ত্রী বা জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য।

নির্বাচনের পর নতুন সরকার ৩৯টি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের কাছে রেখেছেন তিন মন্ত্রণালয়। বাকি ২৫টিতে মন্ত্রী ও ১১টিতে প্রতিমন্ত্রী দেওয়া হয়েছে। তাদের নেতৃত্বে মূলত চলবে মন্ত্রণালয়। তবে রেওয়াজ অনুযায়ী মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের কাজের তদারকি করবে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের দফা (১)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের নিয়ে সংসদ (ক) সরকারি হিসাব কমিটি, (খ) বিশেষ অধিকার কমিটি এবং (গ) সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি গঠন করবে।

নির্বাচনের পর নতুন সরকার ৩৯টি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের কাছে রেখেছেন তিন মন্ত্রণালয়। বাকি ২৫টিতে মন্ত্রী ও ১১টিতে প্রতিমন্ত্রী দেওয়া হয়েছে।

দফা (২)-এ সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা ও কার্যাবলির বর্ণনা রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কমিটি সংবিধান ও অন্য কোনো আইন সাপেক্ষে (ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করতে পারবে; (খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করতে পারবে; (গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলে সংসদ কোনো বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করলে সে বিষয়ে কোনো মন্ত্রণালয়ের কাজ বা প্রশাসন বিষয়ে অনুসন্ধান বা তদন্ত করতে পারবে।

কোনো মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহ এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তর লাভের ব্যবস্থা করতে পারবে। এবং (ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত অন্য যে কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবে। সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে সব কমিটির কাজের বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদে সংসদীয় কমিটি আছে ৫০টি। এরমধ্যে ৩৯টি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি। বাকিগুলোর মধ্যে রয়েছে- কার্যউপদেষ্টা কমিটি, কার্যপ্রণালি বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, পিটিশন কমিটি, লাইব্রেরি কমিটি, সংসদ কমিটি, বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি, সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটি ও সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিতে কারা আসছেন, এ নিয়েও এখন আলোচনা হচ্ছে। অতীত পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এই কমিটিগুলো করেন সংসদ নেতা নিজেই। চিফ হুইপ বা স্পিকার সংসদ নেতার অনুমোদনক্রমে এগুলো সংসদে উপস্থাপন করেন। পরে তা গ্রহণ করে সংসদ। স্বভাবতই সাবেক মন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ অথবা জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়।

কারা হচ্ছেন ছায়ামন্ত্রী?

এবারে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী এম এ মান্নান। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বা সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার অথবা জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন মোহাম্মদ সাদিক বা আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার বা জাহিদ আহসান রাসেল। খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম আসতে পারেন। সাবেক মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আসতে পারেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে। ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

অতীত পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এই কমিটিগুলো করেন সংসদ নেতা নিজেই। চিফ হুইপ বা স্পিকার সংসদ নেতার অনুমোদনক্রমে এগুলো সংসদে উপস্থাপন করেন। পরে তা গ্রহণ করে সংসদ। স্বভাবতই সাবেক মন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ অথবা জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সাবেক মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বা প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু আসতে পারেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে বর্তমান সভাপতি আ ফ ম রুহুল হকই থাকছেন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে ফের আসতে পারেন বর্তমান সভাপতি রওশান আরা মান্নান। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বা রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু। সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু আসতে পারেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বা টিপু মুনশি। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন বা উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন বর্তমান সভাপতি শাজাহান খান বা সাবেক প্রতিমন্ত্রী এ বি তাজুল ইসলাম। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে দেওয়া হতে পারে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমানকে। কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাককে আনা হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বা কাজী কেরামত আলী। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে স্থান পেতে পারেন সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু বা সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার হতে পারেন শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি থাকতে পারেন বর্তমান সভাপতি বেনজির আহমেদ বা বর্তমান কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী জাহিদ মালেক। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী শাহাবউদ্দিন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বা সাবেক প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. সেলিম মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ। সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার হতে পারেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি। রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে বর্তমান সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম বা সাবেক মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন অথবা মুজিবুল হককে রাখা হতে পারে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন একই মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন এম এ লতিফ। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাহাদারা মান্নান বা উম্মে কুলসুম স্মৃতি। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন অ্যাডভোকেট আবু জাহির। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেতে পারেন মহিউদ্দিন আহমেদ।

মাঠ পর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতেই বদলি ওসি-ইউএনওদের: ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ ডিসেম্বর, ২০২৩

মাঠ পর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতেই বদলি ওসি-ইউএনওদের: ইসি

দেশের সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মাঠ পর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতে বদলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতেই তাদের বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বদলির কারণে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে না।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন অশোক কুমার দেবনাথ।

তিনি বলেন, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া স্বতন্ত্রসহ সব প্রার্থীর নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নিচ্ছে ইসি। ইসির ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৭ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচন হবে। তফসিল অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর।


জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬

জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী কর্মসূচী পালন করবে বিএনপি, যা আগামী ২৫ মে থেকে ১জুন পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সোমবার (১৮ মে) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির যৌথ সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

রিজভী জানান, সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিএনপি। তবে এই সাত দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ঈদ পড়বে। এ কারণে হয়তো কর্মসূচিগুলো কোনো আলোচনা সভা বা অন্য কিছু দুই একদিন গ্যাপ যেতে পারে। 

রিজভী বলেন, রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে নির্বাচনের আগের সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করে যাচ্ছেন সরকার। একের পর এক কর্মসূচী বাস্তবায়নে নানা জেলায় ছুটে বেড়াচ্ছেন। পিতার পথ অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে খাল খনন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছেন।

তিনি আরও বলেন, এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বা একটি রাজনৈতিক দল বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে। তারা ১০ টাকা কেজির টাকায় চাল খাওয়ানোর কথা বলে, সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। 

রিজভী বলেন,  নানা রাজনৈতিক দল বিদ্রুপ করলেও জনগণকে টলাতে পারছেন না। কারণ, অভিযোগের আগে জনকল্যাণমুখী কর্মসূচী বাস্তবায়ন হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী করেছিলেন। স্বল্প সময়ে জাতিকে হতাশা থেকে আশার আলোয় উদ্ভাসিত করেছিলেন। তার পথে ধরে খালেদা জিয়া বারবার গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছিলেন।