শেয়ার বাজার

তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের রয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক: জামায়াত আমির

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের রয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক: জামায়াত আমির

তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ স্টাডিজ’ শীর্ষক এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ‘বাংলাদেশ ২.০-এর সংস্কারের বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং তুরস্ক–বাংলাদেশের সহযোগিতার নতুন দিগন্ত’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সম্মেলনটির যৌথ আয়োজক ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় ও সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চ (সিপিএসআর)।

সম্মেলনে বাংলাদেশ ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক, গবেষক এবং বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এতে বাংলাদেশের চলমান সংস্কারপ্রক্রিয়া, ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রগঠন এবং বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান সম্মেলনের প্রতিপাদ্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশবিষয়ক গবেষণা, নীতিনির্ধারণী সংলাপ এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ে এ ধরনের সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্কের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ের কিংবা কেবল কয়েক দশকের বিষয় নয়। তুরস্কের জনগণের সঙ্গে বাংলাদেশের রয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক। ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সাবেক উপদেষ্টা ও ইলদিরিম বেয়াজিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইয়াসিন আকতাই এবং যুক্তরাজ্যের সোয়ানসি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোকাররম হোসাইন। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস রেক্টর অধ্যাপক ড. মেহমেদ আদাক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তুরস্কের পার্লামেন্টের বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ারম্যান আকিফ ইলমাজ এমপি, তুরস্কের পার্লামেন্ট সদস্য মোস্তফা কায়া এমপি, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী এমপি, ইবনে খালদুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইরফান আহমেদ, বিশিষ্ট চিকিৎসক ড. এস. এম. খালেদুজ্জামান, তুরস্কের নিউ ওয়ার্ল্ড ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদ গকসু, ইয়ুথ ওয়েবের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং তুরস্কের আনাতোলিয়ান ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশনের পররাষ্ট্রবিষয়ক বিভাগের প্রধান এমরুল্লাহ ডেমিরসহ অন্যরা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চের (সিপিএসআর) চেয়ারম্যান ড. হাফিজুর রহমান। সমাপনী বক্তব্য দেন ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. উসমান আকগুল। সম্মেলনটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সিপিএসআরের নির্বাহী পরিচালক ড. এএসএম মাহমুদুল হাসান ও মো. মহিব্বুল্লাহ।

বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও কূটনীতিকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ সম্মেলন বাংলাদেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক আলোচনা সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে।

বিরোধী দল পালামেন্টে সুন্দর সুন্দর কথা বলেন বাইরে ৭১ রুপ ধারণ করে

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিরোধী দল পালামেন্টে সুন্দর সুন্দর কথা বলেন বাইরে ৭১ রুপ ধারণ করে

লক্ষ্মীপুর: পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন বিরোধী দল পালামেন্টে গিয়ে সুন্দর সুন্দর কথা বলেন অনেক তাদের কথা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেরও মন গলে যায়। কিন্তু বাইরে গিয়ে ১৯৭১ সালের রুপ ধারণ করে। ২৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ভবাণীগঞ্জ ইউনিয়নের পিয়ারাপুর তীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।


এ্যানি আরও বলেন, বিরোধী দল বিভিন্ন স্থানে অশালিন বক্তব্য দিচ্ছে। যারা ৫ আগষ্ট দেশে ছেড়ে পালিয়েছে তাদের সাথে বিরোধী দলের অনেক বিষয়ের মিল খুঁজে পাওয়া যায়। তিনি আরও বলেন, ভবাণীগঞ্জ মা বোনেরা মুরব্বীরা বেহেশতের টিকেট নেয়নি বলে আমরা বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। ভবিষ্যত এ ধরনের টিকেট না দিতে এবং সর্তক থাকতে উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীর প্রতি আহবান জানান। 


শহীদ মাজহারুল উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপতত্ত্বাবাধয়ক প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খান, প্রকল্প পরিচালক ছামিউল হক, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক এ্যাড: হাছিবুর রহমান, ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, সদর উপজেলা পূর্ব বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ প্রমুখ।


জাপা কার্যালয়
সকালে রওশন পন্থিদের দখলে, দুপুরে তালা মারলেন কাদের পন্থিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সকালে রওশন পন্থিদের দখলে, দুপুরে তালা মারলেন কাদের পন্থিরা

জাতীয় পার্টির কাকরাইল কার্যালয় দখলে নিয়ে সকালে ‘আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম’ শুরুর ঘোষণা দেন রওশনপন্থিরা। তবে রওশনপন্থিরা বের হয়ে যাওয়ার পর দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে ফের নিজেদের দখলে নেন জিএম কাদেরপন্থিরা।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দুইটার পর কাকরাইলের পাইওনিয়ার রোডের পাঁচ তালাবিশিষ্ট ওই কার্যালয়ে দেখা যায় এমন চিত্র। যদিও সেসময় দুইপক্ষের কোনো নেতাকর্মীকেই দলীয় কার্যালয়ে দেখা যায়নি।

এর আগে, এদিন সকাল ৮টায় কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে থাকা দলের প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রওশনপন্থি নেতাকর্মীরা। এর মাধ্যমে তারা ওই কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেন। ফুল দেওয়া এবং মোনাজাত শেষে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কার্যালয় পরিদর্শন এবং সেখানকার স্টাফদের খোঁজখবর নেন রওশনপন্থি অংশের মহাসচিব কাজী মামুনুর রশীদ।

এরপর উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অব্যাহতি পাওয়া চুন্নুর (মুজিবুল হক চুন্নু) চ্যালেঞ্জ প্রতিহত করেই শত শত নেতাকর্মী সঙ্গে নিয়ে আমরা কার্যালয়ে প্রবেশ করেছি। দেখি কে প্রতিহত করে? কার কত বুকের পাটা আছে, তা আগামীতেই প্রমাণ হবে।’

দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় সেখানে অবস্থান শেষে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ত্যাগ করেন কাজী মামুনুর রশীদ ও রওশনপন্থি নেতাকর্মীরা।


এরপর দুপুর দুইটার দিকে জাতীয় পার্টির কাকরাইল কার্যালয়ে যান জাগো নিউজের এই প্রতিবেদক। এসময় দেখা যায়, এরশাদের প্রতিকৃতিতে নেই রওশনপন্থিদের দেওয়া ফুল। ভবনের সামনে ঝুলছে জিএম কাদের ও মুজিবুল হক চুন্নুর পক্ষ থেকে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানানো বিশাল ব্যানার। তবে এসময় কার্যালয়ের সামনে দলটির কোনো পক্ষের নেতাকর্মীই চোখে পড়েনি।

দুই ঘণ্টারও বেশি সময় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলানো ছিল। কারা তালা ঝুলিয়েছেন, ফুল কারা সরিয়েছেন- এসব বিষয়ে বারবার জানতে চাইলেও কার্যালয়ে দায়িত্বে থাকা দুই নিরাপত্তাকর্মী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে কার্যালয়ের সামনে থাকা দোকানগুলোর কর্মচারীদের সঙ্গে কথা কথা বলে জানা যায়, সকাল থেকেই ফুল ছিল এরশাদের প্রতিকৃতির সামনে। জুমার নামাজের পর আর দেখা যায়নি। পরে খোঁজ করে পার্টি অফিসের পাশের এক ভবনের নিচতলায় কাজী মামুনুর রশীদের দেওয়া পুষ্পস্তবক পড়ে থাকতে দেখা যায়।এসব বিষয়ে জিএম কাদেরপন্থি নেতা ও জাপার যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম বলেন, ‘দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে জাতীয় পার্টি থেকে অব্যাহতি পাওয়া কয়েকজন এবং কিছু ভাড়াটে লোক সকালে এসেছিলেন। শুক্রবার বন্ধের দিন সকাল ৮টার দিকে তারা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিকৃতিতে ফুল দেন। এরপর তারা কার্যালয়ের নিচ তলায় অবস্থিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কক্ষে ১০ থেকে ১২ মিনিট অবস্থান করেন। পরে কার্যালয়ের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে চলে যান।’

আরও পড়ুন: বাইরের কারও ইন্ধনে চলছে জাপাকে দুর্বল করার চেষ্টা: চুন্নু

তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি নিয়ে কিছু সংবাদমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারিত হয়েছে যে, জাতীয় পার্টি অফিস কে বা কারা দখলে নিয়েছে। এই সংবাদ অসত্য। জাতীয় পার্টি সারাদেশে জিএম কাদেরের নেতৃত্বে এক ও ঐক্যবদ্ধ।’

জিএম কাদেরপন্থি কমিটির যুগ্ম-দপ্তর সম্পাদক মোরশেদ আলম বলেন, ‘রওশনপন্থিরা অনধিকার প্রবেশ করেছেন। তারা পার্টি থেকে বহিষ্কৃত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত। তারা কাক ডাকা ভোরে সকাল আটটায় অফিসে এসে ফুল দিয়েছেন। এরপর ভেতরে এসে নিচতলায় ৫-৭ মিনিট অবস্থান করে চলে যান। মোটামুটি ২৫ মিনিটের মধ্যে পুরো কার্যক্রম শেষ করে চলে যান তারা।’


বাইরের কারও ইন্ধনে চলছে জাপাকে দুর্বল করার চেষ্টা: চুন্নু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

বাইরের কারও ইন্ধনে চলছে জাপাকে দুর্বল করার চেষ্টা: চুন্নু

বার্তাবেলা ডেস্ক: বাইরের কারও ইন্ধনে জাতীয় পার্টিকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

নির্বাচনে ভরাডুবি, অনিয়মসহ নানা অভিযোগে জাপার পরাজিত প্রার্থীরা যখন মহাসচিব ও চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন তখন এ আশঙ্কার কথা জানান চুন্নু। এর আগে রোববার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিশেষ সভা করেন জাপার পরাজিত প্রার্থীরা। সেখানে নির্বাচনে ভরাডুবির জন্য জাপা মহাসচিব ও চেয়ারম্যানকে দায়ী করেন তারা।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে গণমাধ্যমকে চুন্নু বলেন, ‘নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত ফল পাইনি। সেই বিষয়ে আমার ও চেয়ারম্যানের মধ্যে দায়দায়িত্ব আছে। সেই দায়দায়িত্ব নিয়ে আমরা কথা বলতে পারতাম। আমরা ঘরের মধ্যে আলোচনা করতে পারতাম। ফোরামে আলোচনা করতে পারতাম, কিন্তু যেটা করছে সেটা আমার মনে হয় বাইরে থেকে কারও ইন্ধন আছে। পার্টিকে দুর্বল করার জন্য, কারও ইন্ধন আছে। না হলে এ ধরনের কথা বলার কোনো যুক্তি নেই। কারা ইন্ধন দিচ্ছে এটা এখনই বলতে পারবো না। এটা এখনই বলা মুশকিল, অনুমানের ওপর বলছি।’

ভোটে জাপাকে কেউ অর্থ দেয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ আমাদের ভোট করতে টাকা দেয়নি। ব্যবসায়ীরাও দেয়নি। কেউ একটা পয়সা দিয়েছে, অসম্ভব।

চুন্নু বলেন, আমরা পরাজিত প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। তার আগেই তারা ফরাসি বিপ্লবের মতো বিপ্লব আরম্ভ করে দিয়েছে।

দলের ভাঙনের গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ তিনবার চারবার ভাঙছে। বিএনপিও অনেক বার ভাঙছে এটা চলমান প্রক্রিয়া। একটা দল ট্রেনের মতো যাচ্ছে। সেখান থেকে কোনো কোনো যাত্রী নেমে যায়, নতুন যাত্রী ওঠে। এটা কোনো বিষয় নয়। দল ভাঙছে না, কোন জেলার সভাপতি সেক্রেটারি আসছে, প্রেসিডিয়াম মেম্বার সংখ্যাগরিষ্ঠ কেউ বিবৃতি দেয়নি। নির্বাহী সদস্যরাও বিবৃতি দেয়নি। সাংগঠনিক ভাঙা একটা প্রক্রিয়া। কতিপয় প্রার্থী যারা ভেবেছে আমরা টাকা পেয়েছি, ওদের টাকা দেইনি। এটাই কারণ, অন্য কোনো কারণ নেই। এখানে ভাঙা ভাঙির কোনো বিষয় নেই।