শেয়ার বাজার

মা কবরে বাবা কারাগারে: দরিদ্র নানা-নানির কাঁধের বোঝা ৬ শিশু

প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

মা কবরে বাবা কারাগারে: দরিদ্র নানা-নানির কাঁধের বোঝা ৬ শিশু

ফাঁকা বাড়ি, নেই কোনো বেষ্টনী। উঠোনের দুইপাশে দুইটি চুলা এখনো পড়ে আছে। ক’দিন থেকে বাড়িতে সুনসান নীরবতা। সন্ধ্যায় বাড়িতে বাতি জ্বালানোর মতো কেউ নেই। ঘরে ঝোলানো তালা।

গত বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে এই বাড়িতে স্বামীর মারধরে মারা যান ছয় সন্তানের জননী মরজিনা খাতুন। ঘটনার পর স্থানীয়রা স্বামী আব্দুল মকিমকে (৪০) আটক করে পুলিশে দেয়।

ঘটনার পর থেকে অবুঝ ছয় শিশু এখন দরিদ্র নানা-নানির আশ্রয়ে রয়েছে। নাতি-নাতনিদের নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন তারা। তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে নওগাঁর পোরশা উপজেলার শীতলি ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের দিনমজুর আব্দুল মকিমের সঙ্গে পারিবারিকভাবে পাশের নীতপুর গ্রামের মশিউর রহমানের মেয়ে মরজিনা খাতুন রুপসির বিয়ে হয়। দরিদ্র এ দম্পতির ছয় সন্তান। ছেলে সন্তানের আশায় একের পর এক চার মেয়ে। পঞ্চমবার ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। এরপর আরও এক মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। তাদের নিজেদের আধাপাকা ছোট দুই কক্ষের ঘর ছাড়া কোনো সম্পত্তি নেই।

মকিম কৃষিকাজ এবং মরজিনা প্রতিবেশীদের গরুর দুধ দহন ও বিক্রি করে টেনেটুনে কোনো রকম সংসার চলত। এছাড়া প্রতিবেশীরাও বিভিন্নভাবে তাদের সাহায্য ও সহযোগিতা করত। তাদের বাড়ি জেলার প্রত্যন্ত সীমান্তবর্তী শীতলি ডাঙ্গাপাড়ায়।

সবার বড় মেয়ে মাহিয়া আকতার মিমি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করে৷ দ্বিতীয় মেয়ে মারিয়া আকতার চতুর্থ শ্রেণি, তৃতীয় মেয়ে শ্রাবনি আক্তার তৃতীয় শ্রেণি ও চতুর্থ মেয়ে জান্নাতুন শিশু শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে৷ এছাড়া পাঁচ নম্বর সন্তান রমজান আলীর বয়স ৪ বছর এবং ছয় নম্বর সন্তান জাইদাতুনের বয়স ১১ মাস।

ঘটনার দিন দুপুরে গমের ক্ষেতে কাজ করে স্বামী মকিম খাবারের জন্য বাড়ি আসেন। মকিম ফ্রিজ থেকে একটি ডিম বের করে ভাঙেন। এই ডিম ভাঙাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষোভের বসে মকিম প্রেশার কুকার দিয়ে মরজিনার মাথা ও মুখমন্ডলে আঘাত করেন। এতে রক্তাক্ত জখম হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন মরজিনা। বাচ্চাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে স্থানীয়রা মকিমকে আটক করে গাছে বেঁধে রাখে। পরে থানা পুলিশের কাছে তাকে সোপর্দ করা হয়। ঘটনার পর নিহতের ছয় সন্তান তার বাবা-মার কাছে আশ্রয় নেয়। মায়ের অনুপস্থিতিতে সন্তানদের কান্না যেন আর থামছেই না।

নিহত মরজিনার প্রতিবেশী আলেয়া বেগম বলেন, আব্দুল মকিমের মাথায় একটু সমস্যা আছে। তারপরও সে পরিশ্রম করে। আর মরজিনা খুবই পরিশ্রমী একজন মেয়ে। তার কারণে সংসারটা টিকে ছিল। আমরা প্রতিবেশী সবাই তাদের সহযোগিতা করতাম। মেয়ে সন্তান জন্ম হওয়ার কারণে মরজিনার গালে জখম করেছিল। অনেক চিকিৎসার পর সুস্থ হয়। ছেলে মেয়ে এখন নানার বাড়িতে থাকে। কিন্তু তাদের এখন কী হবে সেটা নিয়ে সবাই দুশ্চিন্তায় আছে।

দরিদ্র বৃদ্ধ মশিউর রহমান ও তার স্ত্রী তাদের ছোট ছেলের কাছে থাকা-খাওয়া করেন। তার ওপর আরও ছয় নাতি-নাতনি যোগ হয়েছে। তাদের নিয়ে এখন দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন নানা-নানি।

শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে জানতে চাওয়া হলে কান্নায় ভেঙে পড়েন নানি শওকত আরা।

তিনি বলেন- পাঁচ মেয়ে ও এক ছেলে। সবাই শিশু। তাদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি কীভাবে তাদের মানুষ করবো।

নানা মশিউর রহমান বলেন, আমরা গরিব মানুষ। বয়স হয়েছে। কোনো কাজকাম করতে পারি না। কষ্ট করে বুড়াবুড়ি ছোট ছেলের মধ্যে খাই। কোনো রকম দিন পার হয়। তার ওপর আরও ছয় সদস্য আমার ঘাড়ে চেপেছে। এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই চিন্তায় আছি কীভাবে তাদের বড় করবো। সমাজের অনেক বিত্তবান মানুষ আছেন, তারা যদি একটু সুনজর দিতো নাতি-নাতনিদের পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করতে পারতাম।

পোরশার নীতপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিম বলেন, বৃদ্ধ মশিউর রহমান দরিদ্র মানুষ। তারা স্বামী-স্ত্রী ছোট ছেলের মধ্যে থাকে। তার ওপর আরও ছয় শিশুর দায়িত্ব পড়েছে মশিউরের কাঁধে। এটাতো অতিরিক্ত বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সরকারি কোনো সুযোগ সুবিধা এলে তাদের সহযোগিতা করা হবে। কোনো পরিবারে খুন-জখম হোক এটা কেউ চায় না। এসব বিষয়ে সমাজে আরও সচেতনতা বাড়াতে হবে।

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণাঙ্গ নিয়ে আলোচনা: পাইলটসহ ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবি জোরালো

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ মে, ২০২৬

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণাঙ্গ নিয়ে আলোচনা: পাইলটসহ ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবি জোরালো

জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্ব, সাংগঠনিক কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা মতামত দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক এক নম্বর সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট-এর নাম গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছে।


দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী ধারার রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এই নেতা ছাত্ররাজনীতির সময় থেকেই সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং কর্মীবান্ধব ভূমিকার জন্য পরিচিত। আন্দোলন-সংগ্রামের নানা সময়ে সক্রিয় উপস্থিতি এবং সংগঠনের প্রতি অবিচল অবস্থান তাকে নেতাকর্মীদের কাছে পরিচিত মুখে পরিণত করেছে।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা জরুরি। তাদের মতে, যুবদলের বর্তমান আংশিক কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ করার মধ্য দিয়েই এজমল হোসেন পাইলটসহ অন্যান্য ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করা সম্ভব।


তারা আরও মনে করেন, নতুন করে পৃথক কমিটি গঠনের পরিবর্তে বিদ্যমান কমিটিকে ঢেলে সাজানো হলে সংগঠন আরও সুসংগঠিত হবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে গতিশীলতা বাড়বে। এতে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং সাংগঠনিক স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত হবে।


রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অভিমত, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় রাজপথের শক্তি বৃদ্ধির জন্য সংগঠনের অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মতে, রাজনীতিকে রাজনীতি দিয়েই মোকাবেলা করার সক্ষমতা গড়ে তুলতে হলে মাঠপর্যায়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।


এদিকে দলের অভ্যন্তরে অনেকেই মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য কাজ করা নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন না হলে তৃণমূল পর্যায়ে অসন্তোষ সৃষ্টি হতে পারে। তাই বিদ্যমান কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর করার মধ্য দিয়েই ভারসাম্যপূর্ণ নেতৃত্ব গড়ে তোলা প্রয়োজন।


সব মিলিয়ে, যুবদলের কমিটি পুনর্গঠন নিয়ে চলমান আলোচনায় এজমল হোসেন পাইলট-এর নাম যেমন গুরুত্ব পাচ্ছে, তেমনি সংগঠনের ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে একটি বাস্তবসম্মত ও ঐক্যভিত্তিক সমাধানের প্রত্যাশাও ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।


থার্টি ফার্স্ট নাইট ও বড় দিনে ডিজে পার্টি,গান-বাজনা,আতশবাজি নিষিদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

থার্টি ফার্স্ট নাইট ও বড় দিনে ডিজে পার্টি,গান-বাজনা,আতশবাজি নিষিদ্ধ

বার্তাবেলা: থার্টি ফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে বা বাড়ির ছাদে গান-বাজনা ও আতশবাজি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান। এছাড়া যে কোনো ধরনের ডিজে পার্টিও নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানান তিনি।

বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে সোমবার (১১ ডিসেম্বর) আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

এসময় ডিএমপি কমিশনার বলেন, ২৫ ডিসেম্বর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উদযাপিত হতে যাচ্ছে। এছাড়াও ইংরেজি ক্যালেন্ডারের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর দেশব্যাপী থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন করা হবে। এ দুটি বড় উৎসব ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টিম ডিএমপি রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। উৎসবগুলো শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নগরবাসীর কাছে সর্বাত্মক সহযোগিতা চাই।

সভায় ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) বিপ্লব কুমার পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইটে গৃহীত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে প্রত্যেকটি চার্চে ইউনিফর্মে ও সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে। প্রতিটি চার্চে আর্চওয়ে দিয়ে দর্শনার্থী ঢুকতে দেওয়া হবে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে ও ম্যানুয়ালি তল্লাশি করা হবে। অনুষ্ঠানস্থল ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। নিরাপত্তায় থাকবে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা। চার্চ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকবে। চার্চ এলাকায় কোনো ভাসমান দোকান বা হকার বসতে দেওয়া হবে না। কোনো প্রকার ব্যাগ নিয়ে চার্চে আসা যাবে না।

এছাড়ও কোনো উন্মুক্ত স্থানে বা বাড়ির ছাদে কোনো গান-বাজনা ও আতশবাজি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। যে কোনো ধরনের ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ থাকবে। থার্টি ফার্স্ট নাইটে আইডি কার্ড ব্যতীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। গাড়ি প্রবেশের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার থাকতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে শাহবাগ ও নীলক্ষেত এলাকা ব্যবহার করতে হবে।

সমন্বয় সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) ড. খ. মহিদ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।



শুভ জন্মদিন জান্নাতুল ফেরদৌস আফিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ মে, ২০২৬

শুভ জন্মদিন জান্নাতুল ফেরদৌস আফিয়া

আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে ছোট্ট জান্নাতুল ফেরদৌস আফিয়ার ৭তম জন্মদিন। পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে দিনটি পরিণত হয় এক আনন্দময় মিলনমেলায়।

জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, দোয়া মাহফিল এবং শিশুদের নানা আয়োজন অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। এ সময় উপস্থিত অতিথিরা আফিয়ার সুন্দর ভবিষ্যৎ, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আফিয়া ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী, ভদ্র ও সৃজনশীল। তার হাসি ও প্রাণচাঞ্চল্যে সবসময় মুখর থাকে পরিবারের পরিবেশ।

এদিকে জন্মদিন উপলক্ষে “AAA News BD”-এর সম্মানিত পরিচালকপক্ষ জান্নাতুল ফেরদৌস আফিয়াকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা বলেন, “শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আফিয়ার জীবনের প্রতিটি দিন আনন্দ, সাফল্য ও আলোকময় হয়ে উঠুক।”