শেয়ার বাজার

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা 

বিজয়ের মাসে প্রথম ৮ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ৫৯ কোটি ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

বিজয়ের মাসে প্রথম ৮ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ৫৯ কোটি ডলার

বার্তাবেলা: দেশের মধ্যে ডলার বাজারের অস্থিরতা কোনোভাবেই কাটছে না। উল্টো সংকট আরও বাড়ছে। বৈদেশিক এ মুদ্রার অভাবে আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সংকট নিরসনে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করা হচ্ছে। তবুও কোনো উদ্যোগ কাজে আসছে না।

তবে আশার দিকও রয়েছে। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে আইএমএফ লোনের দ্বিতীয় কিস্তি আর এডিবির লোন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আশা করা হচ্ছে এতে রিজার্ভ কিছুটা বাড়বে। বিজয়ের মাসে আরও ইতিবাচক হয়েছে বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম উৎস রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। ডিসেম্বরের আটদিনে এসেছে ৫৩ কোটি ডলারের বেশি প্রবাসী আয়। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেমিট্যান্স আসার এ ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে রেমিট্যান্স।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন বলছে, ডিসেম্বরের প্রথম আটদিনে ৫৩ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার এসেছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি এক ডলার সমান ১০৯ টাকা ৭৫ পয়সা) পাঁচ হাজার ৮৪৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এরমধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে পাঁচ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আর বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

আলোচিত আটদিনে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি এমন ব্যাংকের সংখ্যা ১০টি। এরমধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব, বেসরকারি কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, আইসিবি ব্যাংক, বিদেশি খাতের ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং উরি ব্যাংক।

অন্যদিকে বিদায়ী নভেম্বরে মোট ১৯৩ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২১ হাজার ১৮১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এটি আগের মাস অক্টোবরের চেয়ে প্রায় ৫ কোটি ডলার কম। অক্টোবর মাসে এসেছিল প্রায় ১৯৭ কোটি ডলার। তবে গত বছরের একই মাসের চেয়ে ৩৩ কোটি ডলার বেশি এসেছে। গত বছরের নভেম্বর মাসে এসেছিল প্রায় ১৬০ কোটি ডলার।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২০ সালে হুন্ডি বন্ধ থাকায় ব্যাংকিং চ্যানেলে সর্বোচ্চ সংখ্যক রেমিট্যান্স এসেছিল। বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন দুই হাজার ১৬১ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। এটি এ যাবৎকালের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে করোনাকালীন ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে।


সৌদি আরবে কর্ম ক্ষেত্রে নারীর সংখ্যা বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

সৌদি আরবে কর্ম ক্ষেত্রে নারীর সংখ্যা বেড়েছে

সৌদি আরবে নারী কর্মশক্তির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, যা ২০১৬ সালের ১৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে মোট মানবসম্পদের ৩৬ শতাংশ হয়েছে।

সৌদি আরবে কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে, ফলে উপকৃত হচ্ছে দেশটির অর্থনীতি। ইতোমধ্যে দেশটির অর্থনীতিতে সেই উদ্যোগের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের গবেষণায় দেখা গেছে, সৌদি আরবে নারী কর্মশক্তির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, যা ২০১৬ সালের ১৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে মোট মানবসম্পদের ৩৬ শতাংশ হয়েছে। এই অগ্রগতি ভিশন-২০৩০ এর ৩০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে।

সৌদির সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের ভিশন-২০৩০ উদ্যোগের লক্ষ্য নারী কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা।

এছাড়াও, সৌদি আরবে নারী শিক্ষারও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০২০ সালে ২৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রায় ৩২ শতাংশ নারী কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ২০১৭ সাল যা ছিল ২৬ শতাংশ।

এদিকে ফার্স্ট আবুধাবি ব্যাংক (এফএবি) ও ওয়েলথব্রিফিং প্রকাশিত এক গবেষণায় জানানো হয়েছে, নারীদের সম্পদ বৃদ্ধি মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনছে।

'উইনিং উইমেন ইন মেনা: হাউ ওয়েলথ ম্যানেজারস ক্যান হেল্প ফারদার ফিমেল এমপাওয়ারমেন্ট' শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ খাতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি দায়ী।

এতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ করে সৌদি আরবে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, এই অঞ্চলে প্রতি তিনটি নতুন ব্যবসার মধ্যে একটির উদ্যোক্তা নারী।

এফএবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামিরা জাকুর বলেন, 'গত ২০ বছরে আমি অনেক নারীকে এই অঞ্চলের পারিবারিক ব্যবসাকে শীর্ষে নিয়ে যেতে দেখেছি। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা মূলধন বিনিয়োগের আগে অনেকের মতামত শোনেন। তারা প্রায়ই কম ঝুঁকিপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ করেন, ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আরও ভালো আয়ের দিকে পরিচালিত হয়।'


এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ভাবে কর্মী নেবে যে দেশ, দেবে বিমান ভাড়াও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ মে, ২০২৫

এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ভাবে কর্মী নেবে যে দেশ, দেবে বিমান ভাড়াও

বাংলাদেশের নারীদের জন্য এক দারুণ সুখবর! রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল (BOESL) এর মাধ্যমে জর্ডানের খ্যাতনামা “তাস্কার অ্যাপারেল” কোম্পানিতে যোগদানের সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৩০০ জন মহিলা পোশাককর্মী জর্ডানে কর্মজীবন শুরু করতে পারবেন।

তাস্কার অ্যাপারেল কোম্পানি, যা উন্নত কর্মপরিবেশ এবং সুযোগ-সুবিধার জন্য সুপরিচিত, নারী কর্মীদের জন্য মেশিন অপারেটর পদে এই আকর্ষণীয় চাকরির প্রস্তাব দিয়েছে। এই পদটিতে কর্মরত মহিলারা মাসিক ২১,৩১১ টাকা মূল বেতন পাবেন।

এছাড়াও, কর্মীদের জন্য রয়েছে বিনামূল্যে থাকা, তিন বেলা মানসম্মত খাবার এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুবিধা। দূর দেশ জর্ডানে কর্মজীবন শুরু করতে কর্মীদের যেন কোনো আর্থিক চাপ না থাকে, সেজন্য কোম্পানি আসা-যাওয়ার বিমান ভাড়াও বহন করবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে এবং পোশাক শিল্পে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিশেষত, প্লেইন মেশিন ও ওভারলক মেশিন পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে। দৈনিক আট ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ছয় দিন কাজ করার সুযোগের পাশাপাশি অতিরিক্ত কাজের জন্য ওভারটাইমেরও ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য চুক্তি করা হলেও, কর্মীদের কর্মদক্ষতা বিবেচনা করে চুক্তির মেয়াদ নবায়ন করা হতে পারে। জর্ডানের শ্রম আইন অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ও শর্তাবলীও প্রযোজ্য হবে।

তবে, যে সকল নারীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ বা জর্ডানের আদালতে কোনো মামলা চলমান আছে অথবা পূর্বে জর্ডান থেকে ফেরত এসেছেন, তাদের এই পদে আবেদনের প্রয়োজন নেই। এছাড়াও, প্রত্যেক কর্মীকে ন্যূনতম দুটি মেশিনে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের জন্য বৈদেশিক কর্মসংস্থানের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। যোগ্য প্রার্থীদের জন্য তাস্কার অ্যাপারেল কোম্পানিতে কাজের এই সুযোগ নিজেদের ভাগ্য বদলের একটি সেরা মাধ্যম হতে পারে।