শেয়ার বাজার

বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, পরপর আটক বিরোধী সাংসদরা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, পরপর আটক বিরোধী সাংসদরা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ করেছেন বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদরা। মঙ্গলবার সকালে সংসদ ভবন থেকে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তর ‘নির্বাচন সদন’-এর দিকে মিছিল বের করেন তারা।

মিছিলে বিরোধী সাংসদদের হাতে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ লেখা ব্যানার দেখা যায়। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা। জ্ঞানেশ কুমারকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে সরানোর দাবিও জানান বিরোধীরা।

নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। পরে রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তার সঙ্গে অবস্থানে যোগ দেন সমাজবাদী পার্টির (এসপি) প্রধান অখিলেশ যাদব, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ ইন্ডিয়া জোটের একাধিক সাংসদ।

বিক্ষোভে অংশ নেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

জানা গেছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কর্মসূচি আগেই নির্ধারণ করেছিল ইন্ডিয়া ব্লক। গত সপ্তাহে জোটের বৈঠকের পর থেকেই এ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছিল।

বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম হচ্ছে। ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন বিষয় সামনে এনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলো।

এদিকে মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে ইন্ডিয়া ব্লকের দুই গুরুত্বপূর্ণ শরিক দল ডিএমকে ও আম আদমি পার্টি (এএপি) অংশ নেয়নি বলে জানা গেছে।

বিরোধীদের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। দিল্লি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। ব্যারিকেড দিয়ে পুরো এলাকা ঘিরে রাখে নিরাপত্তা বাহিনী।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে রাহুল গান্ধীকে পুলিশের ব্যারিকেডের ওপর উঠে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়। কয়েকজন সাংসদও ব্যারিকেডের ওপর উঠে স্লোগান দেন। সমাজবাদী পার্টির কয়েকজন সাংসদ ব্যারিকেড টপকানোর চেষ্টা করেন।

এ সময় একের পর এক বিরোধী সাংসদকে আটক করে পুলিশ। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও কেসি বেনুগোপালকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন রাহুল গান্ধী, অখিলেশ যাদব, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বিরোধী দলের একাধিক সাংসদ।

সমাজবাদী পার্টির সাংসদ রাজীব রাই অভিযোগ করেন, ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা প্রায় ১৫ হাজার ভোটারের তথ্য তিনি জমা দিয়েছেন।

১৫০ বাংলাদেশিকে কাশ্মীর থেকে আটকের দাবি ভারতের

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

১৫০ বাংলাদেশিকে কাশ্মীর থেকে আটকের দাবি ভারতের

জম্মু ও কাশ্মীরে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে অন্তত ১৫০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করার কথা জানিয়েছে ভারত। সোমবার (৫ অক্টোবর) আটককৃতদের পুশব্যাকের জন্য ভারতীয় বিমান বাহিনীর বিমানে করে পশ্চিমবঙ্গের বাগডোগরা বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।


প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) তথ্যের ভিত্তিতে এই খবর জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরে অবৈধ অভিবাসী শনাক্তকরণ জরিপ চালিয়ে প্রায় ৫০০ জনকে আটক করে শ্রীনগর শহরের উপকণ্ঠে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়। সেখান থেকে প্রাথমিক ধাপে ১৫০ জনের এই দলটিকে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে এবং আগামী ৭ অক্টোবর তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক কর্তৃক চলতি বছরের মে মাসে গঠিত জনসংখ্যা পরিবর্তন সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের কমিটির প্রথম মাঠপর্যায়ের জম্মু ও কাশ্মীর পরিদর্শনের দুই মাস পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। দীর্ঘ দিন ধরে কাশ্মীর উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় বসবাসকারী এই আটককৃত অভিবাসীরা মূলত ভাঙ্গারি কুড়ানোসহ নানা ধরনের শ্রমিকের কাজ করে আসছিলেন।

আটককৃতদের মধ্যে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকও রয়েছেন, যাদের পর্যায়ক্রমে বহিষ্কার করা হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কমিটিকে জানানো হয়, জম্মু ও কাশ্মীরে ৭ হাজার ৬৫৬ জন রোহিঙ্গা এবং ৫০৪ জন বাংলাদেশি অবস্থান করছেন, যাদের বিরুদ্ধে মোট ১১৭টি মামলা রয়েছে। অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন রোধ এবং ধর্মীয় জনসংখ্যার পরিবর্তন পর্যালোচনা করে আগামী এক বছরের মধ্যে সুপারিশ জমা দেবে এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি।


অবশেষে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৪

অবশেষে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

অবশেষে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় জরুরিভিত্তিতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হলো। সোমবার (২৫ মার্চ) পাস হওয়া এই প্রস্তাবে গাজায় যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি হামাসের হাত থাকা জিম্মিদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ প্রস্তাবে  ভোটদানে বিরত ছিল ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। তবে নিরাপত্তা পরিষদের বাকি ১৪টি দেশ প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয়।

এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হয়েছে। এই প্রস্তাব অবশ্যই বাস্তবায়ন হতে হবে। যদি কোনো পক্ষ এই যুদ্ধবিরতি ও এর শর্তগুলো বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তাহলে তা হবে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধের শামিল।

এর আগে শুক্রবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির খসড়া প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু রাশিয়া ও চীনের ভেটোর কারণে প্রস্তাবটি পাস হয়নি। সেদিন মস্কোর অভিযোগ ছিল, ওয়াশিংটনের দ্বিমুখী নীতি ইসরায়েলের ওপর কোনো চাপ তৈরি করছে না।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে তোলা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১১ দেশ। বিপক্ষে দেয় তিন দেশ। আর ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে একটি দেশ।

তবে জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেছিলেন, এই খসড়াটি অত্যন্ত রাজনীতিকরণ করা হয়েছে ও এতে রাফায় সামরিক অভিযান চালানোর জন্য কার্যকর সবুজ সংকেত রয়েছে।


ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলা, নিহত ৬

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলা, নিহত ৬

লোহিত সাগরের তীরবর্তী ইয়েমেনি বন্দরশহর মোখায় অভিযান পরিচালনা করেছে সৌদি আরবের বিমান বাহিনী। এতে ৬ জন নিহত এবং আরও ৮ জন আহত হয়েছেন।

ইয়েমেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাবা নিউজ এজেন্সি আজ মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “সোমবার রাতে মোখায় বোমা বর্ষণ করেছে সৌদি বিমান বাহিনী। এতে ৬ জন নিহত এবং ৮ জন আহত হয়েছেন। নিহত এবং আহতরা সবাই বেসামরিক। আহতদের মধ্যে ২ জন শিশু এবং একজন নারী আছেন।”

গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ইয়েমেনে বিমান অভিযান শুরু করেছে সৌদি আরব। ইরানের মদতপুষ্ট এই ইয়েমেনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেতারা জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে হুথি নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন এলাকা এবং গোষ্ঠীটির বিভিন্ন সামরিক ও লজিস্টিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে বিমান অভিযান অতিমাত্রায় বাড়িয়েছে সৌদি বিমান বাহিনী। হুথি হাইকমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর— ৭ দিনে প্রায় ৩০০টি অভিযান সৌদি বিমান বাহিনী পরিচালনা করেছে বলেও উল্লেখ করেছেন হুথি নেতারা।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর বুধাবর সৌদি আরবের বিমান বাহিনীর একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে হুথি বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিধ্বস্ত বিমানটির ভিডিও পোস্ট করেছে গোষ্ঠীটি। এছাড়া সৌদির জ্বালানি খাতের বিভিন্ন স্থাপনাতেও সম্প্রতি বেশ কয়েক দফা হামলা করেছে হুথি বাহিনী। এতে রিয়াদের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।

আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে ইয়েমেনে হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে সৌদি আরবের। ইতোমধ্যে কয়েক দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে সৌদি আরবের জ্বালানি খাতের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির পর গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে লোহিত সাগর ও এডেন সাগরকে সংযুক্তকারী বাব এল মান্দেব প্রণালি দখল করেছে হুথি যোদ্ধারা, যা সৌদির জন্য বড় দুঃসংবাদ। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বাব এল মান্দেব প্রণালি দিয়ে এত দিন নিজেদের অধিকাংশ জ্বালানি তেল রপ্তানি করে আসছিল সৌদি আরব।

সূত্র : এএফপি