বিয়েতে সাউন্ড বক্সে গান বাজানো নিয়ে সংঘর্ষ, কলেজছাত্র নিহত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন গুলশান সোসাইটির সদস্যরা।
আজ শুক্রবার (২২ মে) সকালে রাজধানীর গুলশান দুই নম্বর গোলচত্বরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এমন হত্যাকাণ্ডের বিচার বিলম্বিত হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে। এজন্য যত দ্রুত সম্ভব এ ঘটনায় অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান তারা।
এ সময় বক্তারা অভিযোগ করেন, এ ধরনের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের পর প্রতিবারই আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। এর পেছনে বিচারের দীর্ঘসূত্রতাকে দায়ী করেন তারা। আর এজন্যই শিশু রামিসার ওপর বর্বর নির্যাতন ও হত্যাকারীর দ্রুত বিচার নিশ্চিত ও কার্যকরের দাবি জানান তারা।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটক হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেফতার করা হয়।
পাবনায় নির্বাচনী পূর্বশত্রুতা ও আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একটি মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে স্থানীয় বিএনপি সমর্থকদের বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২২ মে) রাতে জেলার সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমড়া ইউনিয়নের পাথাইল হাট এলাকায় এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। জামায়াত সমর্থকদের চালানো এই হামলায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই পাথাইল হাট এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। গত মার্চ মাসে বিএনপি সমর্থকদের দোকান ভাঙচুরের একটি মামলায় জামিনে মুক্ত হয়ে জামায়াত সমর্থকরা আবারও হুমকি দিলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সর্বশেষ গত শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে প্যান্ডেল সাজানো নিয়ে দুই পক্ষ দ্বন্দ্বের জড়িয়ে পড়ে। এর জেরে সন্ধ্যায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংগঠিত হয়ে জামায়াত সমর্থকরা বিএনপি কর্মীদের মারধর করে এবং বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা চালিয়ে মালামাল লুট করে নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা হযরত আলীর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় গ্রামের নারীদের শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেন তারা।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই বিএনপি সমর্থিত ভুক্তভোগীরা ২০ জনের নাম উল্লেখ করে সাঁথিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি হযরত মাস্টারসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের গ্রেপ্তার ও প্রশাসনিক সহযোগিতার দাবিতে পাথাইল এলাকার আঞ্চলিক মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
তবে হামলার ঘটনায় নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন পাথাইল গ্রামের বিএনপির সমর্থকেরা। হামলা ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বার্তাবেলা ডেস্ক: রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে পাকিস্তানি শাসকের বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে যারা জীবন উৎসর্গ করেছিল, যাদের আত্মত্যাগে বাঙালি পেয়েছিল ভাষার অধিকার। ফুল আর শ্রদ্ধায় তাদের স্মরণ করা হয়।
বুধবার ২১ শে ফেব্রুয়ারী,২০২৪"মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস" উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সমাধি স্থলে জেলা পুলিশ গোপালগঞ্জের পক্ষে সন্মানিত পুলিশ সুপার গোপালগঞ্জ, জনাব আল-বেলী আফিফা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক,গোপালগঞ্জ জনাব কাজী মাহবুবুল আলম।
এ ছাড়াও জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতাকর্মীবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ” ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ভাষার দাবীতে রাস্তায় নেমে আসে মানুষ। জারি করা হয় ১৪৪ ধারা, ভেঙে ফেলা হয় শোষকের শৃঙ্খল। রক্তে ভেসে যায় রাজপথ।
গুলিতে বিদীর্ণ হয় বুক। শহীদ হন রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা আরো অনেকে। ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে ইতিহাস গড়েন তারা। বাংলা পায় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একাত্তরে জন্ম নেয় স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।
মাতৃভাষার জন্যপ্রাণ উৎসর্গের এই দিনটিকে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৯ সালে। অমর একুশে এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশের চেতনার প্রতীক ‘শহীদ মিনার’ এখন এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ সব কটি মহাদেশের বহুভাষিক চেতনার স্মারক।
