শেয়ার বাজার

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের বিপ্লবী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন পলাশ আকন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে ২০২৬

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের বিপ্লবী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন পলাশ আকন

দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সংগ্রাম ও রাজপথের ধারাবাহিক সক্রিয়তার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণে বিপ্লবী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন তরুণ নেতা মোঃ পলাশ আকন। কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরে গতকাল এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

পলাশ আকনের পিতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এবং মাতা হালিমা বেগম। তার স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার ১নং মাধবখালী এবং বর্তমানে ঢাকার খিলগাঁওয়ে বসবাস করছেন। জন্ম ৮ এপ্রিল ১৯৯৮।

শিক্ষাজীবনে তিনি এসএসসি (২০১২, বরিশাল বোর্ড) ও এইচএসসি (২০১৪, ঢাকা বোর্ড) সম্পন্ন করে বর্তমানে ঢাকা কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে অনার্সে অধ্যয়নরত।

রাজনৈতিক জীবনের শুরু ২০০৪ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও জনাব তারেক রহমানের সাথে হাত মিলিয়ে বিএনপির প্রতি টান অনুভব করি।তারপর মাধ্যমিকে যখন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে তখন থেকে তিনি সক্রিয় রাজনীতি শুরু করে। ২০১২ সাল থেকে গেন্ডারিয়া থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে মাঠ পর্যায়ে সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। প্রতিটি আন্দোলন, সংগ্রাম, মিছিল ও মিটিংয়ে তার সরব উপস্থিতি তাকে কর্মীদের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে তিনি একাধিকবার দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন। ২০১৮ সাল থেকে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলাসহ মোট ৭টি মামলা দায়ের করা হয় এবং এসময় তিনি ৩ বার কারাবরণ করেন। কারাগারের প্রতিকূল পরিস্থিতি ও মামলার চাপ সত্ত্বেও তিনি রাজপথ ছেড়ে যাননি—বরং আরও দৃঢ়ভাবে সংগঠনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে সহকর্মীরা জানান।

সহকর্মীদের মতে, পলাশ আকন শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, বরং একজন “মাঠের সৈনিক”—যিনি নির্দেশনার অপেক্ষা না করে নিজ উদ্যোগে কর্মসূচি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেন। কঠিন সময়ে কর্মীদের পাশে থাকা, ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করা এবং দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আপসহীন মনোভাব তার নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয়। অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শীতবস্ত্র বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা এবং বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থাও অর্জন করেছেন।

নবনিযুক্ত বিপ্লবী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পলাশ আকন বলেন, “দলের জন্য ত্যাগ ও সংগ্রামই আমার রাজনীতির মূল শক্তি। কারাগার, মামলা বা কোনো চাপ আমাকে থামাতে পারেনি, আগামীতেও পারবে না। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে জীবনভর কাজ করে যেতে চাই।”

তার এই পদপ্রাপ্তিকে সহকর্মীরা ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন হিসেবে দেখছেন এবং ভবিষ্যতে সংগঠনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। 



শনিবার বিএনপির কালো পতাকা মিছিল: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

শনিবার বিএনপির কালো পতাকা মিছিল: রিজভী

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ডামি নির্বাচনে অবৈধ সংসদ বাতিলের এক দফা দাবিতে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) কালো পতাকা মিছিল করবে বিএনপি। বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোও এ মিছিল করবে।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) বিএনপির প্রস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শনিবার দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কর্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল শুরু করবে বিএনপি। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য ও সিনিয়র নেতারা। এছাড়া দলটির অঙ্গ, সহযোগী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেবেন।

অন্যদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টায় বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে থেকে মিছিল শুরু করবে ১২ দলীয় জোট। বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব সামনে থেকে শুরু করবে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট।

বিকেল সাড়ে ৩টায় মতিঝিল নটরডেম কলেজ উল্টো দিকে গণফোরাম চত্বর থেকে শুরু করবে গণফোরাম ও পিপলস পার্টি। বেলা ১১টা বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে থেকে শুরু করবে এলডিপি। বিকেল সাড়ে ৩টায় বিজয় নগর দলীয় কার্য়ালয় সংবাদ সম্মলেন করবে এবি পার্টি।


মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ’লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ’লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষ হয়েছে। যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (৭ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

আসামিপক্ষে আজ যুক্তি উপস্থাপন করেন সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী আমির হোসেন। পরে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তিখণ্ডন করা হয়। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হলে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন আদালত।

মামলায় হানিফ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। চারজনই বর্তমানে পলাতক।

গত ৫ অক্টোবর আওয়ামী লীগের এই চার নেতার সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে প্রসিকিউশন। আসামিরা পলাতক থাকায় স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীর যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আজকের দিন ধার্য রাখেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

প্রসিকিউশন জানায়, হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলাটি আগেই শেষ হয়েছিল। কিন্তু নতুন করে কিছু অতিরিক্ত তথ্যপ্রমাণ দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ যুক্তিতর্ক সম্পন্ন করে।

প্রসিকিউটর তামিম বলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন হানিফ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলন দমনে সরকারের অংশ হিসেবে সিদ্ধান্তটি মেনে নিয়েছিলেন তিনি। একইসঙ্গে অধীনস্তদের মাধ্যমে আন্দোলন দমনে সবকিছু বাস্তবায়ন করেছিলেন। তিনি সিভিলিয়ান লিডার ছিলেন। এ কারণে অধীনদের নির্দেশ বা টেলিফোনে কথোপকথন করে এসব বাস্তবায়ন করেছেন। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন নাছিমদের একই অপরাধে সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। অতএব একই অবস্থানে থেকে মাহবুবউল আলম হানিফকেও ট্রাইব্যুনাল একই শাস্তি দেবেন বলে আমরা আশা করছি। কেননা একটি দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সব ধরনের সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করেছেন হানিফ। জুলাই গঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে উসকানি ও সহায়তার পাশাপাশি ওবায়দুল কাদেরের প্রত্যেক বৈঠকে উপস্থিত থেকে সমর্থন করেছেন তিনি। এছাড়া টেলিফোনে কথোপকথন করে কুষ্টিয়ার এসপি, জেলা-উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। টেলিফোনের সেসব কথোপকথন আমরা ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ১০ জুন এ মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তার জেরার মধ্য দিয়ে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। তবে প্রসিকিউশন থেকে অতিরিক্ত প্রমাণাদি দাখিল করায় পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।

গত বছরের ২ নভেম্বর চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। ৫ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরদিন ৬ অক্টোবর তা আমলে নেওয়া হয়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য, ষড়যন্ত্র এবং কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।


ধমক দেবেন না, উড়ে এসে জুড়ে বসিনি : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

ধমক দেবেন না, উড়ে এসে জুড়ে বসিনি : মির্জা ফখরুল

জুলাই সনদ ও গণভোটের বাস্তবায়ন নিয়ে বিরোধী দলগুলোর হুঁশিয়ারির কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা তো উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। আমাদের ধমক দিয়ে লাভ নেই।

১৭টি বছর আন্দোলন করেছি, জেলে গেছি।’

বুধবার (২০ মে) ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কিছু রাজনৈতিক দল মিলে ১১ দলীয় জোট করেছে। তারা বলছে, জুলাই সনদ অনুযায়ী আইন না করলে দেশে অঘটন ঘটাবে।

আমরা তো উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। আমাদের ধমক দিয়ে লাভ নেই।’

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘একটা দল আছে, যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করে। আমি পরিষ্কার করে বলছি, জামায়াতকে কখনোই দেশের জনগণ ক্ষমতায় আনবে না।

কারণ তারা ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে। আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রম বিনষ্ট করেছে। জামায়াতকে কোনোভাবেই এই দেশের মানুষ ক্ষমতায় আনতে পারে না।’

ফখরুল আরো বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেব দিন-রাত পরিশ্রম করছেন। দেশে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করছেন।