শেয়ার বাজার

ডুয়েটে ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি, নতুন ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

ডুয়েটে ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি, নতুন ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত

গাজীপুরে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-ডুয়েটের এ নতুন উপাচার্য যোগদানকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে।

সোমবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ‘ডুয়েট ব্লকেড’ কর্মসূচি। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সব কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

রোববার সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও বহিরাগতদের দফায় দফায় সংঘর্ষের পর থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর প্রতিবাদে থেকে পূর্বঘোষিত ‘ডুয়েট ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।

সোমবার সকাল থেকে তারা ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু করে। তবে বেলা ২টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

গাজীপুর সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেন, “সোমবার সকাল থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অবস্থান ধর্মঘট করছে, তবে পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নির্দিষ্ট অবস্থানে পুলিশও অবস্থান করছে।”

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য বদলের ধারাবাহিকতায় গত ১৪ মে বুয়েটসহ ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেয় সরকার। ডুয়েটের উপাচার্য হিসেবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবালকে দ্বায়িত্ব দিয়ে প্রজ্ঞাপন দেওয়া হয়।

তারপর থেকেই প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীদের একাংশ। তাদের দাবি, ডুয়েটের শিক্ষকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য দিতে হবে।

এর ধারাবাহিকতায় ১৭ মে সকালে ‘নতুন ভিসিকে লাল কার্ড’ কর্মসূচির ব্যানারে বিক্ষোভের ডাক দেন আন্দোলনরতরা। সেদিন সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন তারা। এ সময় ‘দাবি মোদের একটাই, ডুয়েট থেকে ভিসি চাই’ এবং ‘ডুয়েটের ভিসি, ডুয়েট থেকেই চাই’ স্লোগান দেন।

নবনিযুক্ত ভিসিকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকে ব্যানার টানিয়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন একদল শিক্ষার্থী। এরপরই বহিরাগতরা তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ১৭ মে দুপুরের দিকে নবনিযুক্ত ভিসির পক্ষে কিছু বহিরাগত লোক এসে ক্যাম্পাসে অবস্থান নিলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এ সময় দফায়-দফায় সংঘর্ষে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন; বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা শিমুলতলী সড়কে বাস চলাচল। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন এবং তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো-

১. শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবালের ডুয়েটের ভিসি হিসেবে নিয়োগ বাতিল।

২. ডুয়েটে কর্মরত শিক্ষকদের মধ্য থেকে ভিসি হিসেবে নিয়োগ।

৩. শিক্ষার্থী ও সহপাঠীদের ওপর সংঘটিত হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের স্থায়ী বহিষ্কার।

সোমবার আন্দোলন অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

এদিকে ডুয়েটে নতুন ভিসির বিরুদ্ধে একদল শিক্ষার্থী যে আন্দোলনে নেমেছে, তাতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের জড়িত থাকার অভিযোগ তোলে ছাত্রদল।

ক্ষমতাসীন বিএনপির ছাত্রসংগঠনটি বলেছে, 'সাধারণ শিক্ষার্থীর বেশ ধরে’ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ডুয়েট ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে।

ডুয়েটের নতুন ভিসি মোহাম্মদ ইকবাল এখনও তার অফিসে যাননি। তিনি শিক্ষকদের সঙ্গে ক্যাম্পাসের বাইরে বৈঠক করছেন বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে গাজীপুরেই অবস্থান করছেন। নতুন সহকর্মীদের সঙ্গে অনলাইনে বৈঠক ও যোগাযোগের মাধ্যমে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

গুজব ছড়ানোর আগেই ঠেকাতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গুজব ছড়ানোর আগেই ঠেকাতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে আগেই তা শনাক্ত করে প্রতিরোধ করতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। এজন্য সাইবার মনিটরিং টিমকে আরও সক্রিয় করার পাশাপাশি গুজব শনাক্ত, তথ্য যাচাই ও দ্রুত সঠিক তথ্য প্রচারের একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুরোনো ছবি-ভিডিও বা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা ঠেকাতে সার্বক্ষণিক নজরদারির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সাইবার টিম কর্তৃক করণীয়’ শীর্ষক অনলাইন সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের সভাপতিত্বে জুম অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সার্কেলের কর্মকর্তা, অফিসার ইনচার্জ, ডিআইও-১, ওসি ডিবি ও সাইবার মনিটরিং টিমের সদস্যরা অংশ নেন।

সভায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য ঘটনা হিসেবে নেওয়ার আগে সেটি সত্য কি না যাচাই এবং গুজবের উৎস শনাক্ত করার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। কোনো ছবি, ভিডিও বা পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর সেটি সত্য ধরে না নিয়ে এর উৎস, সময় ও প্রেক্ষাপট যাচাই করতে বলা হয়েছে। পুরোনো বা অন্য কোনো ঘটনার ছবি-ভিডিও নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার করা হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দুর্গাপূজা, পূজামণ্ডপ, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্টে। ধর্মীয় উসকানি বা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে—এমন কোনো কনটেন্ট নজরে এলে সেটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যাচাই করতে বলা হয়েছে।

সভায় পুলিশ সুপার গুজব শনাক্তকরণ, তথ্য যাচাই, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণ, প্রয়োজন হলে দ্রুত সঠিক তথ্য প্রচার—এই ধারাবাহিকতায় কাজ করার নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্টের লিংক, স্ক্রিনশট, সংশ্লিষ্ট আইডি বা পেজ, সময়সহ অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে, যাতে প্রয়োজনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

জেলা পুলিশ জানায়, শুধু গুজব শনাক্ত করে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; গুজবের বিপরীতে দ্রুত সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াও জরুরি। এ কারণে কোনো ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালে সংশ্লিষ্ট থানা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দ্রুত প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করে সংক্ষিপ্ত, নিরপেক্ষ ও সময়োপযোগী তথ্য প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এজন্য থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সংস্থার মধ্যে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরাধের উপাদান পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।


সভায় জনগণের প্রতিও যাচাই ছাড়া কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানোর চেয়ে আগেই শনাক্ত করে তা প্রতিরোধ করা এবং দ্রুত সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াই সাইবার মনিটরিং কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।


ডিজিটাল ভূমি জরিপ কিভাবে হবে? পুরনো জরিপ বাতিলের অর্থ কী?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

ডিজিটাল ভূমি জরিপ কিভাবে হবে? পুরনো জরিপ বাতিলের অর্থ কী?

বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ডিজিটাল জরিপ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী সংসদে মঙ্গলবার জানিয়েছেন, ডিজিটাল জরিপ কার্যকর হলে পুরনো জরিপ বাতিল হয়ে যাবে। এই ডিজিটাল জরিপ কিভাবে হবে? তাছাড়া পুরনো জরিপ বাতিল হয়ে যাবার অর্থ কী?

ভূমিমন্ত্রী দাবি করছেন, ডিজিটাল জরিপ কার্যকর হলে ভূমির মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা কমে আসবে। ফলে ভূমি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা ও হয়রানিও কমবে। ডিজিটাল পদ্ধতি বা ডিজিটাল যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ভূমির জরিপ পরিচালনাকে ডিজিটাল সার্ভে বলা হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, ডিজিটাল জরিপের মাধ্যমে খুব সহজেই জমি পরিমাপ করা যাবে এবং একই সাথে জমির মালিকানা ও মাপের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। এই অঞ্চলে প্রথম ভূমি জরিপ শুরু হয়েছিল ১৮৮৮ সালে কক্সবাজার জেলার রামু থেকে। ওই জরিপের নামকরণ করা হয় সিএস জরিপ। এই জরিপ শেষ হয় ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায়। এরপর ধাপে ধাপে আরএস, এসএ, পিএস এবং সবশেষ বিএস জরিপ সম্পন্ন হয়। পুরনো পদ্ধতির জরিপে ফিতা টেনে দিয়ে জমির মাপ নিয়ে ম্যাপ তৈরি করা হতো।বেশ কয়েকটি জরিপ পরিচালনার পরও ভূমির জটিলতা কাটেনি।

মঙ্গলবার সংসদে ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৩’ পাশের আলোচনায় অংশ নিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল সার্ভে পর্যায়ক্রমে হবে, এগুলো আসবে। আর ইতোমধ্যে যে সমস্ত জরিপ হয়েছে সব বাতিল। এটা আমি সংসদে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত করতে চাই।’ ফলে চলমান বিএস জরিপ যে অবস্থায় রয়েছে সেই অবস্থাতেই বাতিল হবে কী-না সে বিষয়টি মন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়নি। তবে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, যখন কোন জমির ডিজিটাল জরিপ সম্পন্ন হবে, তখন আগের জরিপ বাতিল হয়ে যাবে। ডিজিটাল জরিপ হওয়ার আগ পর্যন্ত যে জরিপ চলেছে সেটা বহাল থাকবে।

ইতোমধ্যে পটুয়াখালী ও বরগুনাতে ডিজিটাল জরিপের পাইলট প্রোগ্রাম চলছে। এছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও নারায়ণগঞ্জের সিটি কর্পোরেশন, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও ধামরাইয়ে এই ডিজিটাল জরিপের কাজ চলছে বলে অধিদফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়। কর্মকর্তারা বলছেন, এটি সফল হলে এই জরিপের ওপর ভিত্তি করে সারা দেশে ডিজিটাল জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সারা দেশে ডিজিটাল জরিপের সক্ষমতা অর্জনে গত বছর এক হাজার তিনশ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ বছর মেয়াদি ডিজিটাল সার্ভের উদ্যোগ নেয়া হয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে মূলত জমির মানচিত্র ও রেকর্ড সমন্বয় করা হবে। এতে ভূমি মালিক ওয়েবসাইটে গেলে ম্যাপ ও খতিয়ান দুটি একসাথে পেয়ে যাবেন। এজন্য ডিজিটাল ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার প্রস্তুত করা হচ্ছে। সকল ডাটা ক্লাউড বেইজ সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে। জরিপ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ড্রোন উড়িয়ে জমির পূর্ণ ছবি ধারণ করা হবে। স্যাটেলাইট ইমেজিং-এর মাধ্যমে জমির অবস্থান ও মাপ নিশ্চিত করা হবে।

স্যাটেলাইট ইমেজ কিনে সেটা মৌজা ম্যাপের সাথে সমন্বয় করে ডিজিটাল ল্যান্ড জোনিং ম্যাপ তৈরি করা হবে। এর ফলে কৃষিজমি, জলাভূমি, পাহাড় ও বনভূমি রক্ষাসহ জমির পরিকল্পিত ব্যবহার করাও সম্ভব হবে। এছাড়া ইটিএস এর মাধ্যমে জমির নির্ভুল পরিমাপ করতে বা প্লট ভাগ করা হবে। প্লট টু প্লট জরিপ সম্পন্ন হলে সরকারি ও বেসরকারি মালিকানার তথ্যটি সহজেই জানা যাবে।এ ধরণের জরিপে জমির পরিমাণ, জমির আইলের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, আকার ইত্যাদির পুঙ্খানুপুঙ্খ মাপ সম্পর্কে জানা যাবে এবং পরিমাপে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। জরিপ অধিদপ্তর বলছে, একবার ডিজিটাল জরিপ সম্পন্ন হলে প্রাকৃতিক কারণে বড় ধরনের ভূমির বিচ্যুতি ছাড়া মাঠে গিয়ে বার বার জরিপ করার প্রয়োজন হবে না। একই সঙ্গে অনলাইনে মৌজা ম্যাপ ও খতিয়ান একসাথে পাওয়া যাবে।

ভূমি জরিপ অধিদপ্তর আশা করছে এতে ভূমি ব্যবস্থাপনার আমূল পরিবর্তন হবে, আদালতের মামলা কমবে, সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে ভূমি জরিপ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়ে থাকে। সাধারণত কোন এলাকায় ডিজিটাল জরিপ শুরু করার আগে সেখানকার পত্র পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে না হলে মাইকিং করে এ বিষয়ে প্রচার প্রচারণা চালানো হয় এবং ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়। এর মাধ্যমে মূলত সেখানকার জমির মালিকদের জানানো হয়। তারা যে নিজ নিজ জমির সীমানা চিহ্নিত করেন এবং জমির মালিকানার কাগজপত্র যেমন - দলিল, নামজারি ও খাজনা পরিশোধ কাগজপত্র হালনাগাদ অবস্থায় কাছে রাখেন। এর মাধ্যমে ওই ব্যক্তির জমির তথ্য যাচাই বাছাই করা হবে। কোন সমস্যা না থাকলে মালিকানার তথ্য অনলাইনে এন্ট্রি করা হবে। পুরনো পদ্ধতির জরিপে দেখা যেতো একটি খতিয়ানের একাধিক মালিক রয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেই সুযোগ আর থাকছে না।


শুভ জন্মদিন জান্নাতুল ফেরদৌস আফিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ মে, ২০২৬

শুভ জন্মদিন জান্নাতুল ফেরদৌস আফিয়া

আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে ছোট্ট জান্নাতুল ফেরদৌস আফিয়ার ৭তম জন্মদিন। পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে দিনটি পরিণত হয় এক আনন্দময় মিলনমেলায়।

জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, দোয়া মাহফিল এবং শিশুদের নানা আয়োজন অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। এ সময় উপস্থিত অতিথিরা আফিয়ার সুন্দর ভবিষ্যৎ, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আফিয়া ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী, ভদ্র ও সৃজনশীল। তার হাসি ও প্রাণচাঞ্চল্যে সবসময় মুখর থাকে পরিবারের পরিবেশ।

এদিকে জন্মদিন উপলক্ষে “AAA News BD”-এর সম্মানিত পরিচালকপক্ষ জান্নাতুল ফেরদৌস আফিয়াকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা বলেন, “শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আফিয়ার জীবনের প্রতিটি দিন আনন্দ, সাফল্য ও আলোকময় হয়ে উঠুক।”