শেয়ার বাজার

হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও ভারত মিলে নেবে, ‘আশা’ যুক্তরাষ্ট্রের

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও ভারত মিলে নেবে, ‘আশা’ যুক্তরাষ্ট্রের

মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত মিলে সিদ্ধান্ত নেবে বলে ‘আশা’ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওয়াশিংটন বলেছে, শেখ হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে তারা এখনো নির্দিষ্ট কোনো মতামত দেয়নি।

বুধবার নিউ ইয়র্কে ‘অন-ব্যাকগ্রাউন্ড’ ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ট্রাম্প প্রশাসনের এ অবস্থান তুলে ধরেন।

নিউ ইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে ‘একটি স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম দক্ষিণ এশিয়ার সমর্থনে মার্কিন নীতি’ শিরোনামে এ ব্রিফিং হয়। এতে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকরা ছিলেন।

২০২৪ সালের আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। আন্দোলন দমাতে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে গত নভেম্বরে শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ড দেয় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

ফাঁসির রায় মাথায় নিয়ে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দিয়েছেন শেখ হাসিনা। কিন্তু তার আগে তিনি নিজের নিরাপত্তা চেয়েছেন। নিজের অনুপস্থিতিতে চলা বিচার চ্যালেঞ্জ করার সুযোগও চেয়েছেন তিনি।

এমন প্রেক্ষাপটে বুধবারের ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনার বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।

জবাবে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি। আমরা বুঝতে পারছি যে, বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

“তাই আমরা আশা করছি, তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে। আর হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, তা আমরা এখনো নির্দিষ্ট করে জানাইনি।”

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, “বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে এটা বলতে চাই, বাংলাদেশের সঙ্গে, বিএনপির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই চমৎকার অবস্থায় রয়েছে।

“আমরা নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ করার যে কাজ চলছে, আমরা তার পাশে রয়েছি। বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কার্পণ্য নেই। তাই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কিছু বলাটা সমীচীন মনে করছি না।”

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ব্যাপারটি এক সাংবাদিক নির্দিষ্ট করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সেই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারকেই নিতে হবে।”

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশ সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করছে। তিন বৃহৎ শক্তির মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে না নিয়ে কীভাবে সবার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব? এটাকে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে নিচ্ছে?”

জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, “ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের একটি জটিল অংশে পড়েছে। আপনার পয়েন্ট হচ্ছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অনেক বড় প্রতিবেশী দেশের পাশে অবস্থিত। আমরা সবসময় উৎসাহ দিই, প্রতিটি দেশ যেন তাদের পরিমণ্ডলে অবস্থান করে।

“আমরা আপনাদের সার্বভৌমত্বকে সুসংহত রাখতে সহায়তা দিতে চাই; আপনাদের ব্যবস্থাকে নিরাপদ রাখতে সহযোগিতা দিতে চাই।”

তিনি বলেন, “আমরা বিকল্প কিছু তুলে ধরতে চাই। আমরা বলছি না যে, আপনাকে কাউকে বেছে নিতে হবে; আমরা বরং এসব দেশের জন্য বিকল্প হতে চাই।”

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চিঠি লিখেছিলেন। তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। নিউ ইয়র্কে দুই নেতার মধ্যে কোনো সাক্ষাতের সম্ভাবনা আছে কি না?

জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, “প্রেসিডেন্টের সময়সূচির ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না। তবে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে এ সপ্তাহে খুবই সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ছবি তোলাও সম্ভব হয়েছে। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সব পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ অথবা ছবি তোলার সুযোগ ছিল না।”

এ ব্রিফিংয়ের আগে নিউ ইয়র্কে ফরেন প্রেস সেন্টারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও সেন্ট্রাল এশিয়া সম্পর্কিত উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিথানী মরিসন দক্ষিণ এশিয়ায় বিরাজমান পরিস্থিতি এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির আলোকে বক্তব্য দেন। এরপর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ফটো সেশনে অংশগ্রহণ করেন।

হাদিকে নিয়ে পোস্টে রিপোর্ট: আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পেজ রিমুভ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

হাদিকে নিয়ে পোস্টে রিপোর্ট: আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পেজ রিমুভ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে নিয়ে দেওয়া পোস্টে রিপোর্ট করে তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ রিমুভ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ওসমান হাদি ভাই সংশ্লিষ্ট সব পোস্ট, ভিডিওতে স্ট্রাইক এবং সংঘবদ্ধ রিপোর্ট করে আমার অফিশিয়াল পেইজটি (৩০ লাখের বেশি ফলোয়ার) রিমুভ করে দেওয়া হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা আরও লেখেন, বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে লিংক দিয়ে সংঘবদ্ধ রিপোর্ট করা হয়েছে। হাদি ভাইকে নিয়ে দেওয়া তিনটি ভিডিওতেই স্ট্রাইক করা হয়েছে।


অর্ধশত নেতাকর্মীকে ওমরায় পাঠালেন এমপি বাবর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অর্ধশত নেতাকর্মীকে  ওমরায় পাঠালেন এমপি বাবর

নেত্রকোনা -৪ (মদন,মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরী) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরের মাধ্যমে এই প্রথম বারের মত,  মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরী তিনটি উপজেলা ও মদন -মোহনগঞ্জের দুইটি পৌর কমিটির, বিএনপির মূলদল, যুবদল, ছাত্রদলের সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক ও ভিআইপি সদস্য সহ মোট ৪৭  জনের একটি কাফেলা (দল) ২২ সেপ্টেম্বর/২৬ ইং , মঙ্গলবার রাতে ওমরাহ হজ্জ পালন করার জন্য  পবিত্র মক্কা শরীফ ও মদিনা শরীফে সৌদি এয়ার লাইন্সের একটি ফ্লাইটে রওয়ানা হয়েছেন।

এ বিষয়ে খালিয়াজুরী উপজেলায় বিএনপি সভাপতি ও গাজীপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রউফ স্বাধীন এবং খালিয়াজুরী উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান তালুকদার কেষ্টু বলেন " এই আসনের ৩ থানার মোট ১৫  টি ইউনিটের নেতাকর্মী সহ মোট ৪৭ ওমরা পালনের জন্য যাচ্ছি এর মধ্যে খালিয়াজুরী  উপজেলার আমরা ১১ জন আছি । তারা  হলেন- উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ স্বাধীন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান কেষ্ট, সহ-সভাপতি মাসুদ রানা, সহ-সভাপতি ইদ্রিস আলী মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়া উদ্দিন জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক তরিকুজ্জামান  তরু, সদস্য হালিম আজাদ আকবরী, যুবদলের আহ্বায়ক এনামুল হক ছুটন, সদস্য সচিব রাজিব হোসেন পলাশ, ছাত্রদলের সভাপতি মাজহারুল হক পলিন ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত হৃদয়।


এছাড়া রয়েছে কাফেলায় মদন উপজেলা থেকে ১৭ জন হলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরে আলম তালুকদার, পৌর সভাপতি কামরুজ্জামান চন্দন, সহ-সভাপতি আবু তাহের আজাদ, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ, পৌর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির, পৌর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলে এলাহি টুটন, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ সেকুল, উপদেষ্টা রমজান মাস্টার, সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান সম্রাট, যুবদলের সভাপতি গোলাম রাসেল রুবেল, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি এস এইচ টিপুল, ছাত্রদল সভাপতি শামীম হাসান, পৌর যুবদল সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক, পৌর যুবদল সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ বদরুজ্জামান মানিক ও সাবেক উলামা দল সভাপতি মুফতি আব্দুর রব।

মোহনগঞ্জ উপজেলার ১৮ জন হলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্ণায়েন, সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ভিপি, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী পুতুল, সাবেক পৌর মেয়র মাহাবুবুন্নবী শেখ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন তালুকদার, সাবেক পৌর আহ্বায়ক ফজলুল হক মাসুম, সাবেক উপজেলা সদস্য সচিব টিপু সুলতান, সাবেক জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান খান চৌধুরী, সিনিয়র নেতা মোহাম্মদ মহসিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জহিরুজ্জামান খান রনি, সদস্য সচিব ফয়সাল আহমেদ খোকন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জামিউল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাদী চৌধুরী অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক কিরন খাঁ ও সাবেক সদস্য সচিব জাকির আহমেদ বাবু।

 এছাড়া জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মদন উপজেলা সভাপতি মুফতি আনোয়ার হোসেনও কাফেলায় রয়েছেন। ওমরাহ হজ্জ পালন শেষে ৪ অক্টোবর /২৬ ইং তারিখ দেশে ফিরবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। 

উক্ত কাফেলার (দলের) সার্বিক দায়িত্ব পালন করিবেন, এমপি মহোদয়ের পিএস মির্জা মোঃ হায়দার আলী এবং তিনি জানান  এমপি মহোদয় চান এই আসনের নেতারা ধর্মীয় অনুশাসনে মেনে চলুক।তাই তার আসনের ৪৭ জন নেতাকর্মীকে ওমর  পালনের সুযোগ করে দিয়েছে।তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।


ধমক দেবেন না, উড়ে এসে জুড়ে বসিনি : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

ধমক দেবেন না, উড়ে এসে জুড়ে বসিনি : মির্জা ফখরুল

জুলাই সনদ ও গণভোটের বাস্তবায়ন নিয়ে বিরোধী দলগুলোর হুঁশিয়ারির কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা তো উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। আমাদের ধমক দিয়ে লাভ নেই।

১৭টি বছর আন্দোলন করেছি, জেলে গেছি।’

বুধবার (২০ মে) ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কিছু রাজনৈতিক দল মিলে ১১ দলীয় জোট করেছে। তারা বলছে, জুলাই সনদ অনুযায়ী আইন না করলে দেশে অঘটন ঘটাবে।

আমরা তো উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। আমাদের ধমক দিয়ে লাভ নেই।’

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘একটা দল আছে, যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করে। আমি পরিষ্কার করে বলছি, জামায়াতকে কখনোই দেশের জনগণ ক্ষমতায় আনবে না।

কারণ তারা ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে। আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রম বিনষ্ট করেছে। জামায়াতকে কোনোভাবেই এই দেশের মানুষ ক্ষমতায় আনতে পারে না।’

ফখরুল আরো বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেব দিন-রাত পরিশ্রম করছেন। দেশে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করছেন।