শেয়ার বাজার

ইরান যুদ্ধে অবরুদ্ধ সমুদ্র, মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে স্থলপথের বাণিজ্য

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরান যুদ্ধে অবরুদ্ধ সমুদ্র, মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে স্থলপথের বাণিজ্য

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রপথগুলো। এ পরিস্থিতিতে আবারও গুরুত্ব বাড়ছে স্থলপথের। সড়ক, রেল, পাইপলাইন এমনকি ফাইবার-অপটিক কেবলও নতুন করে আঞ্চলিক যোগাযোগের বিকল্প পথ হয়ে উঠছে।

দক্ষিণ ইরাকের তেলক্ষেত্র থেকে সিরিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর বানিয়াসে যেতে ও ফিরতে প্রায় ১০ দিন সময় লাগে। তাপমাত্রা কখনো ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। তবু প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৩০০ ট্রাকের বিশাল বহর এই পথে চলাচল করছে বলে জানিয়েছেন সিরিয়ার পরিবহনমন্ত্রী ইয়ারোব বদর।
হরমুজ প্রণালির বিকল্প খুঁজছে ইরাক

হরমুজ প্রণালি ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময় বন্ধ থাকায় ইরাকের তেল রপ্তানির বিকল্প পথের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। বর্তমানে স্থলপথে যাওয়া এসব ট্রাক ইরাকের যুদ্ধ-পূর্ব তেল রপ্তানির আনুমানিক পাঁচ শতাংশ বহন করছে।
পরিমাণটি খুব বেশি নয়। তবে এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যিক মানচিত্রে একটি বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জাহাজ চলাচলে হামলা এবং বিভিন্ন সময় বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় দেশগুলোকে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা খুঁজতে হচ্ছে।
সমুদ্রপথের আধিপত্যের পর আবার স্থলপথ

১৫০৭ সালে পর্তুগিজ এক জেনারেল হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের পর সমুদ্রপথ ধীরে ধীরে স্থলপথের জায়গা দখল করে নেয়। উটের কাফেলার জায়গা নেয় জাহাজ। পরে আসে আরও বড় বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী সুপারট্যাংকার।

কিন্তু যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও সমুদ্রপথে নিরাপত্তাঝুঁকি পুরোনো স্থলবাণিজ্যপথকে আবারও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলছে।
ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার সময় থেকেই দেশটির প্রতিবেশীদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক স্থলবাণিজ্যের বড় নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কিছু অংশও বিভিন্ন সময়ে চোরাচালান নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
সিরিয়া হয়ে নতুন বাণিজ্যপথ

২০২৪ সালে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার মধ্য দিয়ে নতুন পথ তৈরির সুযোগ বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোও আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনায় যুক্ত হয়েছে।

পাইপলাইন ও ফাইবার-অপটিক কেবল দিয়ে দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডরের সম্ভাবনাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এই করিডরের স্থলপথ দুবাই থেকে হাইফা পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৫০০ কিলোমিটার বিস্তৃত হওয়ার কথা।


জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তান

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সহায়তার উপায় খুঁজে বের করতে তিন দেশের চিফ অব স্টাফদের নিয়ে এক জরুরি বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান।

সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, নিউইয়র্কে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। তবে এই সামরিক বৈঠক কবে অনুষ্ঠিত হবে কিংবা কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

চলতি বছরের ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।

চুক্তিটি স্বাক্ষরের পর থেকেই তিন দেশ এর সঠিক বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে এই দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানদের উপস্থিতিতে 'কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটি'র প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সৌদি আরবে একটি সচিবালয় স্থাপন এবং সামরিক সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে তারা সম্মত হন।

নিউইয়র্কের বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মক্কা সহ সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত সাম্প্রতিক হামলাগুলোর তীব্র নিন্দা জানান এবং জাতিসংঘের সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সৌদি আরবের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন। ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবের দিকে নতুন করে ধারাবাহিক আক্রমণের খবরের পরপরই এই কূটনৈতিক পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হয়। বৃহস্পতিবার তায়েফ ও ইয়ানবুর দিকে ছুড়ে মারা ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার কথা জানিয়েছে সৌদি এয়ার ডিফেন্স।

সূত্র: আল-জাজিরা


ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করতে চান জেলেনস্কি, দাবি ট্রাম্পের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করতে চান জেলেনস্কি, দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার জানিয়েছেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার সঙ্গে তার দেশের যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি চুক্তির বিষয়ে আগ্রহী। সম্প্রতি প্যারিসে ট্রাম্প এবং জেলেনস্কির মধ্যে সাক্ষাৎ হয়েছে। সেখানেই জেলেনস্কি ট্রাম্পকে এ বিষয়ে জানিয়েছেন। খবর এএফপির।

এর আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ শনিবার এলিসি প্রাসাদে জেলেনস্কি এবং ট্রাম্পের সঙ্গে ত্রিমুখী আলোচনার আয়োজন করেছিলেন। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার প্রায় তিন বছর চলছে। অপরদিকে আগামী জানুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন ট্রাম্প।

নিজের ট্রুথ সোস্যাল প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লিখেছেন, এই পাগলামি বন্ধ করতে জেলেনস্কি এবং ইউক্রেন একটি চুক্তি করতে চায়।

ট্রাম্প বলেন, এখানে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি হওয়া উচিত এবং আলোচনা শুরু করা উচিত। অকারণে অনেক জীবন নষ্ট হচ্ছে, অনেক পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে এবং যদি এটা চলতে থাকে তবে এটা আরও বড় এবং আরও খারাপ কিছুতে পরিণত হতে পারে।

এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। তাছাড়া শীতের শুরুতে হামলা জোরালো করেছে মস্কো।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) ইউক্রেনের কেন্দ্রীয় শহর ক্রিভি রিহতেও হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। স্থানীয় গর্ভনর জানিয়েছেন, এ ঘটনায় অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন।

সেখানের জরুরি সার্ভিস জানিয়েছে, ১৬ জন আহতের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। তাছাড়া নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে বলেও জানানো হয়েছে।


নভেম্বরের ৩য় সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নভেম্বরের ৩য় সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা: টাইমস অব ইন্ডিয়া

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের নতুন সময়সূচি নির্ধারণে আলোচনা চলছে। আগামী নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে সফরটি আয়োজনের বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত আগ্রহী বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।এর আগে সফরের একটি উদ্যোগ বাতিল হওয়ার পর এবার নতুন করে সময়সূচি চূড়ান্ত করার চেষ্টা চলছে। সূত্রগুলো বলছে, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ অথবা নভেম্বরের শুরুতে ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম দায়িত্ব নেওয়ার পর এ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে পারে।

তবে সফরের পথে বড় অনিশ্চয়তা হয়ে আছে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি। বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত থাকায় শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের ভারত সফর বাস্তবায়িত হবে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা রয়েছে।

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারেক রহমান। এর জবাবে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোদিও। দুই নেতার এ যোগাযোগ সফরের তারিখ নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ছাড়া ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত ডোভালের সাম্প্রতিক ঢাকা সফর নিয়েও আলোচনা রয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকায় এসেছিলেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হলেও, সফরটি নিয়ে বাংলাদেশ বা ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।