শেয়ার বাজার

ইরানে সম্ভবত অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি: ট্রাম্প

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

ইরানে সম্ভবত অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি: ট্রাম্প

ইরানের নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হয়তো অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্বীকার করেছেন, তেহরানের সঙ্গে দরকষাকষি বা আলোচনা করার জন্য ঠিক কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে, ওয়াশিংটন তা চিহ্নিত করতে হিমশিম খাচ্ছে।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) ওহাইওর ইয়ংসটাউনে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন, আমরা নেতাদের ক্ষেত্রে হয়তো অতিরিক্ত দূরে চলে গেছি, কারণ আমরা এখন আর বুঝতে পারছি না কার সঙ্গে কথা বলব। তিনি আরও দাবি করেন, কেউই এখন ইরানের প্রেসিডেন্ট হতে চাইছেন না, যদিও ২০২৪ সালের জুলাই থেকে মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ট্রাম্প সততার সঙ্গে স্বীকার করে বলেন, কার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া উচিত তা বের করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে এবং তিনি মনে করেন, তারা সত্যি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছেন।

বক্তব্যে তিনি তার পুরনো দাবির পুনরাবৃত্তি করে বলেন, ইরান তাদের বিমানবাহিনী এবং ১৫৯টি জাহাজের সবগুলো হারিয়েছে, যেগুলো এখন সমুদ্রের তলদেশে সুন্দরভাবে বিশ্রাম নিচ্ছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজে একের পর এক হামলার পটভূমিতে ট্রাম্পের এই বিতর্কিত বক্তব্য সামনে এল। ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, গত ১ অক্টোবর থেকে বাণিজ্যিক জলযানগুলোতে অন্তত ১৯টি হামলার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

ট্রাম্পকে কেন সতর্ক করলেন সি?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ মে, ২০২৬

ট্রাম্পকে কেন  সতর্ক করলেন সি?

মধ্যপ্রাচ্যের একটি বিশৃঙ্খল যুদ্ধ। তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা। বিশ্বের দুই পরাশক্তির নেতারা যখন চলতি সপ্তাহে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে বৈঠকে বসেন, তখন সবাই ধারণা করেছিলেন, এই সংবেদনশীল বিষয়গুলো নিয়েই তাঁদের মধ্যে কথা হবে।

কিন্তু সেটা না করে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তাঁদের এ আলোচনায় প্রাচীন আরেকটি যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে আনেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্যে চীনের প্রেসিডেন্ট প্রাচীন গ্রিসের পেলোপনেশিয়ান যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেন। খ্রিষ্টপূর্ব ৪৩১ অব্দে এথেন্স ও স্পার্টার মধ্যে এই যুদ্ধ শুরু হয়ে কয়েক দশক ধরে চলেছিল।

আধিপত্য বিস্তারের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ইঙ্গিত করে সি জানতে চান, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র ‘থুসিডাইডিস ট্র্যাপ’ বা থুসিডাইডিসের ফাঁদ এড়িয়ে পরাশক্তিগুলোর মধ্যকার সম্পর্কের একটি নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে কি না?

থুসিডাইডিস ট্র্যাপ কী

ট্রাম্পের সাবেক প্রধান কৌশলবিদ স্টিভ ব্যাননসহ পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষকদের আলোচনায় প্রায়ই ‘থুসিডাইডিস ট্র্যাপ’ বা ‘থুসিডাইডিস ফাঁদ’ শব্দবন্ধটি ঘুরেফিরে আসে। এই তত্ত্বের মূল কথা হলো, যখন কোনো উদীয়মান শক্তি কোনো প্রতিষ্ঠিত শক্তিকে হটিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে, তখন প্রায়ই তার পরিণতি হয় যুদ্ধ।

প্রাচীন গ্রিক ইতিহাসবিদ থুসিডাইডিস তাঁর ‘হিস্ট্রি অব দ্য পেলোপনেশিয়ান ওয়ার’ বইয়ে লিখেছিলেন, ‘এথেন্সের উত্থান এবং এর ফলে স্পার্টার মনে জেঁকে বসা ভয়ই যুদ্ধকে অনিবার্য করে তুলেছিল।’

এথেন্স যেভাবে একসময় স্পার্টার সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছিল, এখানেও ইঙ্গিতটি একই রকম—চীনের উত্থান যুক্তরাষ্ট্রের মনে উদ্বেগ তৈরি করছে এবং দেশটির সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে।



সিজেপিকে মোকাবিলায় নয়াদিল্লিতে ২৫ হাজার পুলিশ, ৩ শতাধিক ক্যামেরা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৬

সিজেপিকে মোকাবিলায় নয়াদিল্লিতে ২৫ হাজার পুলিশ, ৩ শতাধিক ক্যামেরা

রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় শনিবার থেকেই সপ্তাহান্তের ছুটির (উইকএন্ড) আমেজ শুরু হয় ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে, তবে আজ শনিবারের (১০ অক্টোবর) চিত্র ভিন্ন। গতকাল শুক্রবার মধ্যরাত থেকে নয়াদিল্লিজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে ২৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ সদস্য, ৩ শতাধিক ক্যামেরা এবং ১২টি অস্থায়ী বন্দিশালা।

আন্দোলন ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে গতকাল রাত ১০টার দিকে দিল্লির যন্তর মন্তর ও তার চারপাশের ৪ কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আজ শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত যন্তরমন্তর ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ থাকবে।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আজ ১০ অক্টোবর নয়াদিল্লির যন্তরমন্তরে ‘মহাসমাবেশ ও বিক্ষোভ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। রাজধানী ও তার সংলগ্ন আশপাশের বিভিন্ন এলাকা এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে যেন লোকজন সিজেপির কর্মসূচিতে যোগ দিতে না পারে, সেজন্য আজ শনিবার নয়াদিল্লির ৪৫টি মেট্রোস্টেশনের সবগুলো বন্ধ করা হয়েছে, বাতিল করা হয়েছে ২৫০টি ট্রেন।

প্রশাসনিক নিয়মকানুন, অতীতের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, বিশাল জনসমাগমের জেরে নিরাপত্তা ও যান চলাচলের ওপর সম্ভাব্য ব্যাঘাত প্রভৃতি কারণ উল্লেখ করে দিল্লি পুলিশ আগেই যন্তর মন্তরে সিজেপির ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের অনুমতির আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে পরিস্থিতি দেখে মনে দৃশ্যত হচ্ছে না যে সিজেপি-র এই বিক্ষোভ কর্মসূচি সহসাই দমানো সম্ভব হবে।

রাজ্য পুলিশপ্রধানদের স্বরাষ্ট্র সচিবের নির্দেশ

ককরোচ জনতা পার্টির সম্ভাব্য বিক্ষোভ কর্মসূচিকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই ভারতের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসতি অঞ্চলের পুলিশ প্রধানদের চিঠি দিয়েছেন  কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব গোবিন্দ মোহন। সেই চিঠিতে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে তাদের সবাইকে সমন্বয় বজায় রাখা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

গত কাল ৯ অক্টোবর পাঠানো সেই চিঠিতে গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও সিজেপি-র সদস্য ও সমর্থকরা দিল্লিতে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর পুলিশ বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, সীমান্ত তদারককারী কর্তৃপক্ষ যেন দিল্লি পুলিশের সাথে সমন্বয় রক্ষা করে এবং তথ্য আদান-প্রদান অব্যাহত রাখে।

নয়াদিল্লির সীমান্ত এলাকাগুলোতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে; রাজধানীতে প্রবেশকারী যানবাহনগুলোর ওপর নজরদারি ও তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে শনিবার দিল্লির মদের দোকান, পানশালা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিক্ষোভ কর্মসূচিকে সামনে রেখে লোকজনকে সংগঠিত করার প্রচেষ্টার ওপরও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে কড়া নজর রাখছে পুলিশ। প্রস্তাবিত সমাবেশ সংক্রান্ত অনলাইন পোস্ট ও বার্তাগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং খবর অনুযায়ী, ২০০ জনেরও বেশি কন্টেন্ট ক্রিয়েটর পুলিশের নজরদারির আওতায় রয়েছেন।

যন্তর মন্তরের ১.৫ কিলোমিটারের সংবেদনশীল এলাকায় ৬,৫০০ নিরাপত্তা কর্মী

যন্তর মন্তর, জনপথ, নির্বাচন কমিশন এবং দিল্লি পুলিশ সদর দপ্তরকে ঘিরে প্রায় ১.৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকাটিকে অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই এলাকায় ৬,৫০০-এরও বেশি নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়া রাস্তাগুলোতে অন্তত সাত স্তরের ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। এছাড়া নিউ দিল্লি জেলাকে ২০টিরও বেশি জোনে বা অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় দিল্লি পুলিশকে সহায়তা করার জন্য কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিআরপিএফ) ১২০টিরও বেশি কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে পারে। কৌশলগত স্থানগুলোতে সিআরপিএফ কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রস্তুতি ও পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা যাচাই করতে একাধিক স্থানে মক ড্রিল বা মহড়া চালানো হয়েছে।

সংবেদনশীল স্থানগুলোতে লাউডস্পিকার বসিয়ে মানুষকে জানানো হচ্ছে যে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাদের অননুমোদিত জমায়েত, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি ও সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হচ্ছে লাউডস্পিকারে।

১২টি বন্দিশিবির স্থাপন

সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বিক্ষোভ চলাকালে যাদের আটক করা হবে, তাদের জন্য যন্তর মন্তরসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ১২টি আটক কেন্দ্র প্রস্তুত করে রেখেছে দিল্লি পুলিশ।

ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কর্মীদের সংযত আচরণ করতে এবং পেশাদারিত্বের সাথে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জানা গেছে, পুলিশ কর্মীদের উস্কানিতে সাড়া না দিতে এবং অতীতের সিজেপি বিক্ষোভের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে।

রাজধানীর নতুন দিল্লি ও মধ্য দিল্লির হোটেল, লজ এবং গেস্ট হাউসগুলোতেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আবাসন প্রদানকারীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে; পাশাপাশি এয়ারবিএনবি অপারেটর এবং বাড়ির মালিকদেরও একই ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

৩০০ ক্যামেরা, বডি ক্যামেরা এবং রেকর্ডিং টিম

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থান ও এলাকাগুলোতে অডিও ও ভিডিও ধারণের সুবিধাসহ ৩০০টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এবং তার ওপরের পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের জন্য বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এবং পুলিশের পদক্ষেপ তাৎক্ষণিকভাবে রেকর্ড করার জন্য প্রায় ১০০ জন ফটোগ্রাফার ও ভিডিওগ্রাফারকে নিয়োজিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এছাড়া দিল্লি পুলিশ কমিউনিটি সেন্টার, মসজিদ এবং আবাসিক কল্যাণ সমিতিগুলোর মাধ্যমে একটি সচেতনতামূলক প্রচারণাও শুরু করেছে, যার মাধ্যমে বাসিন্দাদের জানানো হচ্ছে যে এই বিক্ষোভের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি।

৪ কিলোমিটারের  মধ্যে মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত

৯ অক্টোবর রাত ১০টা থেকে ১০ অক্টোবর রাত ১০টা পর্যন্ত যন্তর মন্তরের জনপথ-কর্তব্য পথ সংযোগস্থলের ৪ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অনুমোদনের পর দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল এই নির্দেশ জারি করেছে। এই নির্দেশ সমস্ত ধরণের মোবাইল ইন্টারনেট প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং এয়ারটেল, জিও, ভিআই ও এমটিএনএল পরিষেবা স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে


ভারী বর্ষণ-বন্যায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে জরুরি অবস্থা জারি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারী বর্ষণ-বন্যায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে জরুরি অবস্থা জারি

টানা বর্ষণের ফলে মারাত্মক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের ৫০টি জেলায় জরুরি অবস্থা জারি করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এএফপির এক প্রতিবেদনে বরাতে গালফ নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

রাজধানীর গভর্নর জানান, বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত শহরে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার (১১.৮ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত হয়েছে। জরুরি দুর্যোগ ঘোষণার ফলে স্থানীয় সংস্থাগুলো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি ক্ষমতা পেয়েছে।

টানা বৃষ্টির কারণে সড়কগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং খালের পানি উপচে সংলগ্ন ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়েছে। উত্তর ব্যাংককের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, পানি কোমর সমান উঠে যাওয়ায় দোকান বন্ধ রাখতে হয়েছে এবং তার মতে এটি ২০১১ সালের ভয়াবহ বন্যার চেয়েও মারাত্মক রূপ নিয়েছে।

ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিথিপুন্ট জানান, শহরের পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সামনে আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘অনবরত বৃষ্টি হচ্ছে এবং আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সেচ দিয়ে পানি বের করার চেষ্টা করা হলেও খালের পানি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে।’

গভর্নর খালসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত তাদের যানবাহন উঁচু স্থানে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল শয্যাশায়ী রোগীদের সাময়িকভাবে হাসপাতালে স্থানান্তরিত হওয়ার পরামর্শ দেন।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে থাইল্যান্ডজুড়ে দেখা দেওয়া ভয়াবহ বন্যায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু

হয়েছিল এবং লাখ লাখ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

সূত্র: গালফ নিউজ