ওআইসিতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত এম জে এইচ জাভেদ ওআইসিতে সৌদি আরবের নবনিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত খালিদ বিন ইসমাইল বিন বাদাওয়ি বিন হুসাইন আল শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তারা বাগদাদে অনুষ্ঠাতব্য ৫২তম পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের (সিএফএম) বৈঠক নিয়ে আলোচনা করেন।
সৌদি আরবের বিভিন্ন বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর সাম্প্রতিক হুথি হামলার ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নাগরিকসহ বেশ কয়েকজন নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত জাভেদ ভ্রাতৃপ্রতিম সৌদি আরবের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন।
আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে হুথিদের হামলার মুখে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সৌদি দূত বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যা সংঘটনের দায় নির্ধারণের বিষয়ে প্রত্যাশিত ইতিবাচক রায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক নজির স্থাপন করবে।
উভয় পক্ষ ওআইসির বিভিন্ন ফোরামে বাণিজ্য ও অর্থায়ন, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়।
আর ক’দিন পরই বাংলাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ত্যাগের মহিমায় এই উৎসব পালন করতে এখন কুরবানির পশুর হাটে ভিড় করছেন মানুষ। সেখানে কয়েকটি জাতের গরুর দাম ১২-১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠছে। যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয়, একটি গরুর কত দাম সর্বোচ্চ কত হতে পারে?
ব্রাজিলের এক নিলামে একটি ‘নেলোর’ প্রজাতির গরু ৪৮ লাখ মার্কিন ডলারে (বর্তমানে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৯ কোটি টাকা) বিক্রি হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে দামি গরু হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও জায়গা করে নিয়েছে ‘ভিয়াতিনা ১৯’ নামের গরুটি।
২০২৩ সালের ব্রাজিলের সাও পাওলো শহরের আরন্দুতে ১ হাজার ১০১ কেজি ওজনের গরুটি নিলামে তোলা হয়েছিল। এর আংশিক মালিকানা ১৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি হওয়ার পর গরুটির মোট বাজারমূল্য রেকর্ড ৪৩ লাখ ৮০ হাজার ডলারে গিয়ে পৌঁছায়।
চোখ কপালে তুলে দেয়া দামের পেছনে রয়েছে নেলোর প্রজাতির গরুর জিনগত উপাদানের সম্ভাবনা। দামই বলে দিচ্ছে, এই জাতটির কত উন্নত গুণমানের। এর তুষার-সাদা রঙ, বিশাল আকৃতি এবং চমৎকার জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের জন্য এটি বিখ্যাত। শারীরিক দিক থেকে এই গরু অতি শক্তিশালী। গরুটির দুধেও আছে অনেক বেশি পুষ্টিগুণ।
নেলোর জাতের গরুর উৎপত্তি ভারতে। অন্ধ্র প্রদেশের নেলোর জেলার নাম থেকেই এই প্রজাতির নামকরণ করা হয়েছে। ১৮৬৮ সালে জাহাজে এক জোড়া নেলোর গরু ব্রাজিলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর এই গরুর সংখ্যার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছিল দেশটিতে। এখন ব্রাজিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবাদি পশুর জাত হয়ে উঠেছে নেলোর গরু।








