শেয়ার বাজার

ইরানের প্রকাশিত সমঝোতার খসড়াকে ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’ দাবি হোয়াইট হাউসের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

ইরানের প্রকাশিত সমঝোতার খসড়াকে ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’ দাবি হোয়াইট হাউসের

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) খসড়া প্রতিবেদনকে ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে হোয়াইট হাউস। খবর, সিএনএনের। 

বুধবার (২৭ মে) হোয়াইট হাউসের র‍্যাপিড রেসপন্স অ্যাকাউন্ট থেকে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, ইরান নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমের এই প্রতিবেদন সত্য নয় এবং তারা যে এমওইউ প্রকাশ করেছে তা সম্পূর্ণ মনগড়া। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম যা প্রচার করছে তা বিশ্বাস করা উচিত নয়। সত্য গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দাবি করেছিল, খসড়া সমঝোতায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আশপাশ থেকে সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেবে এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে।

তবে মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের প্রচারিত নথির অনেক তথ্য বাস্তব আলোচনার সঙ্গে মেলে না। যদিও ওয়াশিংটন আগে ইঙ্গিত দিয়েছিল, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ শিথিল করার বিষয় বিবেচনা করতে পারে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনায় আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট।

তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুধুমাত্র এমন একটি চুক্তি করবেন যা আমেরিকান জনগণের জন্য ভালো হবে এবং যা নিশ্চিত করবে যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।

উল্লেখ্য, চলমান আলোচনা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

অবশেষে সক্রিয় মক্কা চুক্তি : সৌদিতে সেনা পাঠাচ্ছে পাকিস্তান, তুরস্ক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

অবশেষে সক্রিয় মক্কা চুক্তি : সৌদিতে সেনা পাঠাচ্ছে পাকিস্তান, তুরস্ক

ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র ইয়েমেনি গোষ্ঠী হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত তীব্র হওয়ার পর অবশেষে সক্রিয় হলো ত্রিপাক্ষিক মক্কা প্রতিরক্ষা জোট। গতকাল সোমবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জোটের কৌশলগত-রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির বৈঠকে জোট সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি, এ সিদ্ধান্তের আওতায় সৌদি আরবে দ্রুত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের ঘোষণাও দিয়েছে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের অপর দুই শরিক দেশ পাকিস্তান ও তুরস্ক।

হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতাসহ সৌদি আরবের সংঘাত এবং তার জেরে ইয়েমেন থেকে সৌদির সামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোর ওপর অব্যাহত হামলা ও নিরাপত্তা হুমকির জোট সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৩ দেশ।

সোমবারের বৈঠকের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “জোটের নির্বাহী কমিটি যৌথ প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে অবিলম্বে অগ্রসর হওয়ার এবং সৌদি আরবে দ্রুত মোতায়েনের জন্য সম্মত সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতা প্রদানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

‘সম্মত শর্তানুযায়ী সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হবে’

গত আগস্টে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের চুক্তিতে যেসব শর্তের উল্লেখ ছিল, সেগুলো মেনেই সামরিক বাহিনী মোতায়েন করছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের অনুমোদিত ব্যবস্থা এবং জাতীয় আইন অনুযায়ী এই মোতায়েন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করা, তিন দেশের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা এবং যেকোনো হুমকির মোকাবিলায় তাদের যৌথ সক্ষমতা বাড়ানো।”

যৌথ বিবৃতিতে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক মুসলিমদের দুই পবিত্র শহর মক্কা-মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রচেষ্টার পাশাপাশি সৌদি শহর এবং বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হুথি বিদ্রোহীদের অব্যাহত হামলার নিন্দা জানিয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর লড়াকু মনোভাবের প্রশংসাও করেছে তুরস্ক-পাকিস্তান।

রিয়াদের বৈঠকে ৩ দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ

সোমবারের উচ্চপর্যায়ের  বৈঠকে তিন দেশেরই জ্যেষ্ঠ প্রতিরক্ষা, কূটনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। তুরস্কের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলের এবং সেনাপ্রধান (চিফ অফ জেনারেল স্টাফ) জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারোগলু।

পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার, চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ। সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং সেনাপ্রধান (চিফ অফ জেনারেল স্টাফ) জেনারেল ফায়াদ বিন হামেদ আল-রুওয়াইলি।

পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নুমান মাহমুদ—যিনি মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মহাসচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন—তিনিও এই বৈঠকে অংশ নেন।

প্রথম মহাসচিব হিসেবে পাকিস্তানি জেনারেলের নিয়োগ

জোট কমিটি পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নুমান মাহমুদকে তিন বছরের মেয়াদে ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

জোটভুক্ত ৩ দেশ জানিয়েছে, প্রতিটি সদস্যের নিরাপত্তা তাদের সম্মিলিত নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা জোর দিয়ে বলে যে, যৌথ প্রতিরক্ষার জন্য ‘মক্কা চুক্তি’ বাস্তবায়ন সম্মিলিত প্রতিরক্ষার প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতিকেই তুলে ধরে এবং এটি প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে হুথি হুমকি

হুথিদের ধারাবাহিক আক্রমণের মুখে এই চুক্তিটি কার্যকর করা হলো; হুথিরা দাবি করেছে যে তাদের এসব আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু ছিল সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো।

এই পদক্ষেপটি সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক; এর মাধ্যমে দেশ তিনটি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আসা হুমকির মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

গত ৭ আগস্ট ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। এই চুক্তির আওতায়, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণকে তিন দেশের সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।

তারপর থেকে দেশগুলো চুক্তিটি কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আগস্ট মাসে ইস্তাম্বুলে জোটভুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানরা বৈঠক করেন এবং ২৫ সেপ্টেম্বর রিয়াদে সামরিক প্রধানরা আরও আলোচনা করেন।

সূত্র : এপি, ইন্ডিয়া টুডে


সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৭ মে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৭ মে

সৌদি আরবে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী ২৭ মে (বুধবার) দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। এর আগের দিন ২৬ মে পবিত্র হজ পালন করবেন মুসল্লিরা।

দেশটির কর্তৃপক্ষ রোববার (১৭ মে) চাঁদ দেখার তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর গালফ নিউজের।

সৌদি আরবের পাশাপাশি ওমান, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষও আগামী ২৭ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় দেশগুলোতে সোমবার (১৮ মে) থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে।

সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঈদ উদযাপনের পরদিন বাংলাদেশে ঈদ উদযাপিত হয়ে থাকে। সেই হিসেবে আগামী ১৮ মে বাংলাদেশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালেন জিনপিং, স্বাগত জানালেন ট্রাম্প

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালেন জিনপিং, স্বাগত জানালেন ট্রাম্প

নিজেদের প্রধান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে গত কাল ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার প্রেসিডেন্ট জিনপিং তার স্ত্রী ও চীনের ফার্স্টলেডি পেং লি ইউয়ানকে সঙ্গে নিয়ে  পৌঁছেছেন তিনি।

স্থানীয় সময় বিকেলের দিকে ওয়াশিংটনের অ্যান্ড্রুজ বিমানঘাঁটিতে চীনের প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্টলেডিকে বহনকারী উড়োজাহাজটি অবতরণ করার পর বিমানঘাঁটিতে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার স্ত্রী ও মার্কিন ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। মার্কিন শিশুরা  এ সময় শি জিনপিং ও পেং লি ইউয়ানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়। দুই পাশে লাল গালিচার পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাদের গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে সামরিক ব্যান্ড। সেই সঙ্গে ২১ বার তোপধ্বনি এবং যুদ্ধবিমান উড়িয়ে অভিবাদনও জানানো হয়।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট জিনপিং ও ফার্স্টলেডি পেং লি ইউয়ানকে স্বাগত জানাতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি সারা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করা একটি সফর।

প্রেসিডেন্ট জিনপিংকে একজন মহান নেতা উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে তার পদার্পণের মুহূর্তটিও মহান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যুতে ফলপ্রসূ মতবিনিময় এবং দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করেন।

জবাবে এক লিখিত বক্তব্যে চীনা জনগণের পক্ষ থেকে মার্কিন জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে শি জিনপিং বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই মহান দেশ এবং দুই দেশের জনগণই মহান। চীন-যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ যোগাযোগ রয়েছে এবং দুই দেশের স্বার্থ গভীরভাবে জড়িত। দুই দেশের অংশীদার হওয়া উচিত, প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। চীনা জাতির মহান পুরুদ্ধার এবং ‘আমেরিকাকে আবার মহান করা’—এই দুই লক্ষ্য পরস্পরের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়; বরং এগুলো পাশাপাশি এগিয়ে যেতে পারে, একে অপরকে এগিয়ে নিতে পারে এবং বিশ্বকে উপকৃত করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চলতি বছরের মে মাসে চীন সফর করার সময় আমরা চীন-যুক্তরাষ্ট্রের গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে একমত হয়েছিলাম, যা ভবিষ্যতে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয় এবং এমন একটি স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলা, যেখানে সহযোগিতা হবে প্রধান ভিত্তি, প্রতিযোগিতা থাকবে সংযত, মতপার্থক্য থাকবে নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং শান্তির সম্ভাবনা থাকবে সুস্পষ্ট। এভাবেই নতুন যুগে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দুই বৃহৎ দেশের সঠিকভাবে সহাবস্থানের পথ তৈরি করা সম্ভব।”

চীনের প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, বিশ্ব এগিয়ে চলছে, সময়ও পরিবর্তিত হচ্ছে। তবে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহাসিক যুক্তি বদলায়নি; দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্বপূর্ণ যোগাযোগের আন্তরিক আকাঙ্ক্ষা বদলায়নি; আর চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক প্রত্যাশাও বদলায়নি।