শেয়ার বাজার

বিএনপি
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে বিএনপির ৮ দিনের কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে বিএনপির ৮ দিনের কর্মসূচি

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আট দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশে কালো পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, দোয়া মাহফিল এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করা হবে।

আজ শুক্রবার (২৯ মে) রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, শনিবার (৩০ মে) ভোর ৬টায় নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।

এছাড়া সকাল ১১টায় শেরেবাংলা নগরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের সিনিয়র নেতারা।

রিজভী বলেন, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, চিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, দোয়া মাহফিল এবং সামাজিক কার্যক্রম।

তিনি আরও জানান, ঢাকা মহানগরের উত্তর ও দক্ষিণের বিভিন্ন এলাকায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করা হবে। এসব কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম প্রতীক। তাঁর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এসব কর্মসূচি পালন করা হবে।

জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার আশঙ্কা আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩

জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার আশঙ্কা আছে

বার্তাবেলা: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশগ্রহণ নাও করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের দপ্তর বিষয়ক উপ-কমিটির এই মতবিনিময় সভা হয়।

জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাবে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আশঙ্কা আছে, আমাদের দলের অনেকেরই আশঙ্কা আছে; দেশের জনগণের মধ্যেও এটা নিয়ে একটা শঙ্কা আছে। কিন্তু এটা চূড়ান্ত কথা হিসেবে এই মুহূর্তে আমরা বিবেচনায় আনতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেসিতে অনেক কিছু সম্ভব। গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বয়কট করা, ওয়াকআউট করা- এসব বিষয় গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সব জায়গাতেই আছে। কী হবে এটা তো এই মুহূর্তে বলতে পারছি না, হলেও হতে পারে। কিন্তু এ ব্যাপারে এই মুহূর্তে আমি কী করে বলবো তারা সরে যাবে। এই মুহূর্তে বলতে পারছি না।’


সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় কাউছার হোসেন রকি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় কাউছার হোসেন রকি

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা ও কারাভোগের কারণে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা কাউছার হোসেন রকি। বর্তমানে সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে তার নাম আলোচনায় রয়েছে।

ছাত্রদলের রাজনীতি দিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া কাউছার হোসেন রকি, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে তাকে কারাবরণও করতে হয়েছে।

রকির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে বিএনপি নেতা এম. ইলিয়াস আলীর মুক্তির দাবিতে গঠিত ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। ২০১৩-১৪ সালের লাগাতার হরতাল-অবরোধ ও তৎকালীন একতরফা নির্বাচনের বিরুদ্ধে বিএনপির আন্দোলনেও তিনি মাঠে ছিলেন।

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে ৮ নভেম্বর থেকে প্রায় তিন মাস কারাভোগ করেন কাউছার হোসেন রকি। একই বছর ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাবরণের প্রতিবাদে আয়োজিত আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং ওই সময় আহত হন তিনি।

এ ছাড়া ২০২৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন বর্জনের দাবিতে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নির্দেশনায় হরতাল, অবরোধ, লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন বলে জানান কাউছার হোসেন রকি। এ সময় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কারণে তিনি মামলার আসামি হন এবং পরবর্তীতে প্রায় এক মাস কারাভোগ করেন বলে দাবি করেন।

একই বছরের জুলাইয়ে দেশব্যাপী ছাত্র-জনতার আন্দোলন শুরু হলে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেই আন্দোলনেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন রকি। এ সময় তিনি আহত হন বলেও জানান। কাউছার হোসেন রকির দাবি, মামলা ও কারাভোগের পরও তিনি দলীয় কর্মসূচি ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন।
যেসব সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন

কাউছার হোসেন রকির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও রয়েছে।

২০১৪ সালে গঠিত সিলেট মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০২০ সালে জিয়া সাইবার ফোর্স সিলেট জেলা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তীতে ২০২১ সালে সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান রকি। ২০২২ সালে সিলেট মহানগর বিএনপির আওতাধীন ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একই বছর পুনরায় সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত হন তিনি।

দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের মতে, দীর্ঘদিনের রাজপথের সক্রিয়তা, মামলা-কারাভোগ এবং সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার কারণে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে কাউছার হোসেন রকির নাম আলোচনায় এসেছে। তবে চূড়ান্ত কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে কে দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের ওপর।


আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না

বার্তাবেলা ডেস্ক: সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না বলে দাবি করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মৌচাক মোড়ে ‘গণতন্ত্রের পক্ষে গণস্বাক্ষর’ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি।

মান্না বলেন, এই সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না। কারণ এরাই সিন্ডিকেট, আর সিন্ডিকেটই সরকার।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। দেশের জনগণকে এই সরকারের হাত থেকে মুক্ত করেই আমরা ফিরবো। ঢাকা মহানগরের সব থানা থেকে শুরু করে সারাদেশে আমরা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চালিয়ে যাবো। পাশাপাশি শেখ হাসিনা সরকারের অবৈধ ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করার কর্মসূচিও থাকবে।

তিনি জানান, ১৬ ফেব্রুয়ারি গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল হবে। ১৫-১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, ফার্মগেট, খামারবাড়ি এবং ২৩-২৪ তারিখে খিলগাঁওয়ে নাগরিক ঐক্যের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি হবে। ২০-২২ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসের কর্মসূচি থাকবে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, এর মানে বার্তা পরিষ্কার, আমরা তোমাকে মানছি না, রাজপথ ছাড়ছি না। তোমাকে যেতে হবে।

মান্নার সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারসহ নেতারা।

মান্না বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছরে লুটপাট করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে। ব্যাংক ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার নেই, টাকা নেই। সরকারের কাছেও টাকা নেই।