শেয়ার বাজার

অটোরিকশার পক্ষে কথা বলা নেতারই রয়েছে ৭০০ অটোরিকশা: ডিএনসিসি প্রশাসক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

অটোরিকশার পক্ষে কথা বলা নেতারই রয়েছে ৭০০ অটোরিকশা: ডিএনসিসি প্রশাসক

রাজধানীর সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো ব্যক্তি একটি রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেলেরই ৭০০ অটোরিকশা থাকার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় মেট্রোরেলের পিলারে জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের একজনও অটোরিকশা চলাচলের পক্ষে আন্দোলন করবে না। অথচ একটি বড় রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেল প্রকাশ্যে বলেন অটোরিকশা চলাচলের দাবি নাকি সরকারের মানা উচিত। বিষয়টি অত্যন্ত হাস্যকর। পরে খোঁজ নিয়ে আমরা জানতে পেরেছি, ওই নেতার নিজেরই ৭০০ অটোরিকশা রয়েছে।

ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে মিল্টন বলেন, ঢাকার প্রতিটি এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে। দোকানের সামনে কিংবা ফুটপাতে যাতে কেউ অবৈধভাবে বসতে না পারে, ব্যবসায়ীদের সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। বর্তমান সরকার জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। নগরবাসী যা চাইবে না, সিটি করপোরেশন কখনোই তা করবে না।

দখলমুক্ত ফুটপাতে সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়নের কাজ চলমান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেসব এলাকার ফুটপাত ভেঙে গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো সংস্কার করে পথচারীবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন করা হচ্ছে।

এ সময় অভিযোগ তুলে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ফুটপাতের হকারদের ডেকে নানা ধরনের উসকানিমূলক পরামর্শ দিচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনস্বার্থের বিরুদ্ধে কেউ যদি নতুন করে কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, তবে নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।

ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ দুপুরে পরশুরাম উপজেলার উপকণ্ঠে এবং খোয়াইঘাট মুহুরী ব্রিজ এলাকায় প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করেন। পরে তিনি উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী সেখানে বৃক্ষরোপণ করেন।

এর আগে গত ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা অনুমিত ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ করা হবে।

পরবর্তী পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণ এবং সিলোনিয়া নদীতেও বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ও ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন এবং সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে সড়কপথে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর সোয়া একটার দিকে তিনি ফেনীতে এসে পৌঁছান। ফেনীতে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন । এরপর তিনি ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিদর্শন করবেন। সেখানে তিনি ছাদ ভিত্তিক (রুফটপ) সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করবেন।

ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি ভবনগুলোতে মোট ৯৬২.৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাগলনাইয়ায় ৪১৫ কিলোওয়াট, পরশুরামে ২৯৮ কিলোওয়াট এবং ফুলগাজীতে ২৪৯ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। সেখানে তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করবেন।

ফুলগাজীতে মোট ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো জেলাজুড়ে ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাবেন। এছাড়া ফুলগাজীর ২৩৮ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও পুরোহিতকে সম্মানী প্রদান করা হবে। রাজধানী ঢাকায় ফেরার আগে ওই স্থানে আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নানা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুরে। ফুলগাজীসহ তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী-১ আসনের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের স্মৃতি জড়িত। ১৯৯১ সাল থেকে এ আসনে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।


প্রধানমন্ত্রীর আগমনে ফেনীর সকল প্রত্যাশা পূরণ হবে : পরিবেশমন্ত্রী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর আগমনে ফেনীর সকল প্রত্যাশা পূরণ হবে  : পরিবেশমন্ত্রী

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়কমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর ফেনী আগমনের মধ্য দিয়ে ফেনী বাসীর সকল সমস্য ও প্রত্যাশা পূরণ হবে। ফেনীর সাথে ওনার একটা আত্বার সম্পর্ক রয়েছে। আমরা আল্লাহর  কাছে শুকরিয়া আদায় করি একটা সরকার গঠিত হওয়ার ছয়-সাত  মাসের মাথায় ওনি ফেনী সফরে আসছেন, ফেনীর  সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটা সম্পর্ক আছে। অতএব আমারা আমাদের ফেনীর যে দাবি গুলা আছে সেগুলা দ্রুত বাস্তবায়নের  জন্য আমরা নির্বাচনের আগেও বলে আসছি। যেমন মুহুরি, কহুয়া ও মুছাপুর রেগুলেটর বাঁধ নির্মাণের কথা। মুহুরি–কহুয়া বাঁধ নির্মাণ কাজ আগামী  বৃহস্পতিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। মুছাপুর রেগুলেটর আজ একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। 

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়কমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু মঙ্গলবার (২৯সেপ্টেম্বর) পরশুরাম ও ফুলগাজী প্রধানমন্ত্রীর আগমনের উদ্ধোধনী স্থান ও জনসভাস্থল পরিদর্শণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেঝরন। মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু আরো বলেন, 'আমাদের দাবির মধ্যে রয়েছে ফেনীতে মেডিকেল কলেজ স্থাপন।


 এটা অলরেডি প্রধানমন্ত্রীর তার কার্যালয় থেকে মাঠ পর্যায়ে সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। মেডিকেল কলেজ দাবিও আশাকরি পুরন হয়ে যাবে কারণ ফেনীতে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াও দিয়েছিলেন। 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফেনী সফরের উদ্বোধনী সভাস্থল ও জনসভাস্থল পরিদর্শণ করেছেন  পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী। 

মঙ্গলবার (২৯সেপ্টেম্বর) বিকেলে আবদুল আউয়াল মিন্টু পরশুরামের আগামী বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনী  পরশুরামের মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 


এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি রেহানা আক্তার রানু, ফেনীর জেলা প্রশাসক মো, মাহবুবউল করিম, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অতনু বড়ুয়া, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এস এম সাফায়েত আক্তার নূর,ফেনী জেলা ও উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্ধরা।
 
ফেনীর সংরক্ষিত আসনের এমপি রেহানা আক্তার রানু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমাদের আত্বার সম্পর্ক রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের বার্তা নিয়ে ফেনী আসছেন তিনি ফেনীবাসীর সকল দাবি পূরণ করবেন।


ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টায় পরশুরাম এসে পৌছাবেন । এর পর বহু কাঙ্খিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের উদ্বোধন করেবেন এর পর ফুলগাজীতে জনসভাসহ একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। আজ রাতের মধ্যে সকল প্রস্তুতি শেষ হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, একনেকে অনুমোদিত ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকার ‘মুহুরি-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশন’ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  


জানা যায়, সফরের শুরুতে জেলার পরশুরামে ঘাটঘর এলাকায় মুহুরি নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, বাঁধের ভাঙন ও বন্যায় মানুষজন যে ক্ষতির মুখে পড়েন তা থেকে রক্ষা পাবেন। সামগ্রিকভাবে-এ বৃহত্তর অঞ্চলের মানুষ এটির সুফল পাবেন। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। 


এর আগে ১৬ জুন একনেকে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকার ‘মুহুরি-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ অনুমোদন দেওয়া হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ করা হবে। পরবর্তী পর্যায়ে মুহুরি ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণ এবং সিলোনিয়া নদীতেও বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। 


ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম ও পুরোহিতদের ভাতা প্রদান এবং ২৪৯ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেল স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন সরকার প্রধান। সফরে প্রধানমন্ত্রী তার নানার বাড়ি ফুলগাজীর শ্রীপুরের মজুমদার বাড়িতে আত্মীয়স্বজনদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া পারিবারিক কবরস্থান জিয়ারত করবেন। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা এবং রোগীদের জন্য বিনামূল্যে রাষ্ট্রীয় চিকিৎসার বিশেষ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে। সফরকালে তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সুধীসমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন। 


ফুলগাজী সরকারি হাই স্কুল মাঠে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হবে যথাসময়ে: দীনেশ ত্রিবেদী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হবে যথাসময়ে: দীনেশ ত্রিবেদী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর যথাসময়ে হবে এবং এ নিয়ে তাড়াহুড়োর কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
মঙ্গলবার ( ২৯ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে তাড়াহুড়োর কিছু নাই, যথাসময়ে সফর হবে। সফরসূচি ঠিক করতে এখনো ইতিবাচক আলোচনা চলছে।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, এই সফর নিয়ে দুই দেশই ইতিবাচক। যেহেতু সব কিছু ইতিবাচক; এই সফর নিয়ে তিনি আশাবাদী। 
 
তবে নভেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে যেতে পারেন বলে ভারতের গণমাধ্যমে যেসব খবর বেরিয়েছে সেগুলোকে সমর্থন করেননি দীনেশ ত্রিবেদী।