শেয়ার বাজার

পূর্ব ভূমধ্যসাগর এক বছরে অভিবাসন প্রত্যাশীদের মৃত্যু বেড়েছে দ্বিগুণ: জাতিসংঘ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৪

পূর্ব ভূমধ্যসাগর এক বছরে অভিবাসন প্রত্যাশীদের মৃত্যু বেড়েছে দ্বিগুণ: জাতিসংঘ

বার্তাবেলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন রুটে প্রাণ হারানো বা নিখোঁজ অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা গত এক বছরে দ্বিগুণ বেড়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ২০২৩ সালে অন্তত ৭১০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় রুটে মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব মানুষ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন।

ইউএনএইচসিআরের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২২ সালে এই অভিবাসন রুটে মারা যাওয়া বা নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ছিল ৩৪৩ জন। অর্থাৎ, গত বছর সেটি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।

পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন রুট পেরিয়ে ২০২৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশ করা অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা ছিল ৪১ হাজার ৫৮৪। তার আগের বছর, অর্থাৎ ২০২২ সালে এই সংখ্যাটি ছিল ১২ হাজার ৭৫৮ জন।

গত বছর স্থলপথে যাওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যাও বেড়েছে। ২০২২ সালে স্থলপথে প্রবেশ করা অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ২২ জন। ২০২৩ সালে সেটি বেড়ে হয়েছে ৭ হাজার ১৬০ জন।

পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় রুটে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সাইপ্রাস ও গ্রিস। মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে যাওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীরা এই রুটে ইউরোপে পৌঁছাতে চান। তবে, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে অনেকে গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে ইতালি পৌঁছানোরও চেষ্টা করেন৷

পশ্চিমবঙ্গে
পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেলো না কোনো মুসলিম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেলো না কোনো মুসলিম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম কোনো মুসলিম প্রতিনিধি ছাড়া সরকার গঠিত হয়েছে। সোমবার (২ জুন) ৩৫ জন নতুন মন্ত্রী শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ জনে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন বিজেপি বিধানসভা নির্বাচনে একজন মুসলিম প্রার্থীকেও মনোনয়ন দেয়নি। দলের কিছু শীর্ষ নেতা প্রকাশ্যেই বলেছিলেন, সংখ্যালঘু ভোট তাদের প্রয়োজন নেই। যদিও সংবিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বিধায়ক না হয়েও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন, যদি তিনি ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচিত হন।

সোমবারের এ ঘটনায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে সংখ্যালঘুবিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রীও হবেন একজন অ-সংখ্যালঘু। কারণ, ৪১ জন মন্ত্রীর সবাই হিন্দু। মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন বুধবার হওয়ার কথা। সোমবার ১৩ জন মন্ত্রিসভার সদস্য এবং ২২ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। এদের মধ্যে তিনজন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী। তাঁরা ৯ মে শপথ নেওয়া শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর সঙ্গে থাকা আরও পাঁচজন মন্ত্রিসভার সদস্যের সঙ্গে যুক্ত হলেন।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মুসলিম। তাই রাজ্যের সরকারে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব প্রায় সব সময়ই ছিল। ব্যতিক্রম ছিল হাতে গোনা কয়েকটি সময়ের একটি, স্বাধীনতার পর গঠিত প্রথম সরকার, যার নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন ‘প্রিমিয়ার’ প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ।

এরপর, ১৯৭২ সালে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের কংগ্রেস সরকার থেকে শুরু করে গত ৫৪ বছরের প্রতিটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারেই মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম মুখ ছিল।

কলকাতাভিত্তিক এক রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন, ‘স্বাধীনতা ও দেশভাগের অব্যবহিত পরে জনসংখ্যাগত পরিবর্তন এবং তীব্র সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের কারণে ১৯৫২ সালের প্রথম বিধানসভা নির্বাচনে কালীগঞ্জ থেকে এসএম ফজলুর রহমান জয়ী হওয়ার আগে পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোনো মুসলিম সদস্য ছিল না। বিধানচন্দ্র রায় ও প্রফুল্লচন্দ্র সেনের মন্ত্রিসভায় তিনি প্রাণিসম্পদ, মৎস্য এবং স্থানীয় স্বশাসন বিভাগের মতো দপ্তরের দায়িত্ব সামলেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘তবে এরপর ১৯৬০-এর দশকের অস্থির রাজনৈতিক সময়ে স্বল্পস্থায়ী সরকারগুলোর এক-দুটি ছোটখাটো ব্যতিক্রম ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের সব পূর্ণাঙ্গ সরকারেই মুসলিম প্রতিনিধিত্ব ছিল। অন্তত ১৯৭২ সাল থেকে আর কোনো ব্যতিক্রম দেখা যায়নি।’

ওই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ১৯৫২-৬৭ সালের কংগ্রেস সরকারে সৈয়দ কাজিম আলি মির্জা ও মোহাম্মদ রফিক, ১৯৬৭-৭১ সালের জোট আমলে মোহাম্মদ আমিন এবং ১৯৭২-৭৭ সালের সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় সরকারের এবিএ গনি খান চৌধুরী, জয়নাল আবেদিন ও আবদুস সাত্তারের উদাহরণ দেন।

বামফ্রন্টের ৩৪ বছরের শাসনামলে আবদুর রাজ্জাক মোল্লা, মোহাম্মদ আমিন, আনিসুর রহমান ও মোস্তফা বিন কাসেমের মতো মুসলিম মন্ত্রী ছিলেন। একইভাবে বিধানসভার দুই স্পিকার সৈয়দ আবদুল মনসুর হাবিবুল্লাহ ও হাশিম আবদুল হালিমও ছিলেন মুসলিম।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসনামলে ফিরহাদ হাকিম, জাভেদ আহমেদ খান, মো. গোলাম রব্বানি ও সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীসহ আরও অনেকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় নারী প্রতিনিধিত্ব এখনো সীমিত। ৪১ সদস্যের মন্ত্রিসভায় মাত্র ৭ জন নারী রয়েছেন, যা মোট সদস্যের প্রায় ১৭ শতাংশ। অগ্নিমিত্রা পল একমাত্র নারী মন্ত্রিসভার সদস্য। তাঁর সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন কলিতা মাজি, পূর্ণিমা চক্রবর্তী, মালতী রাভা রায়, মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র, সুমনা সরকার এবং গার্গী ঘোষ দাস।

মন্ত্রীদের তালিকায় স্থান না পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকাও কম বিস্ময়কর নয়। বিশিষ্ট অভিনেতা-রাজনীতিক রূপা গাঙ্গুলি ও রুদ্রনীল ঘোষকে স্পষ্টভাবেই উপেক্ষা করা হয়েছে। আরও তাৎপর্যপূর্ণ হলো, আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার চিকিৎসকের মায়েরও মন্ত্রিসভায় স্থান হয়নি, যদিও তিনি পানিহাটির বিধায়ক।

তাঁর নির্বাচনী জয়কে অনেকেই ওই হাসপাতালের ঘটনাকে ঘিরে জনরোষের প্রতীক হিসেবে দেখেছিলেন, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দিল্লির দলীয় নেতৃত্ব আবেগতাড়িত সিদ্ধান্তের পরিবর্তে অভিজ্ঞ দলীয় নেতাদেরই অগ্রাধিকার দিয়েছে।

বিজেপি কেন কোনো মুসলিম প্রার্থী দেয়নি, সে প্রসঙ্গে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী শুভময় মৈত্র বলেন, ‘মন্ত্রিসভা গঠন বিজেপির নির্বাচনী অবস্থানেরই প্রতিফলন। ভবিষ্যতে যে কোনো রাজনৈতিক দলের ভেতরে চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আসতে পারে। বিজেপির মধ্যেও উদারপন্থী শক্তি রয়েছে। তাই আগামী দিনে এই পরিস্থিতি বদলাতেও পারে।’


সৌদি ফ্যাশন এক্সপোতে বাংলাদেশের ১১ প্রতিষ্ঠান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সৌদি ফ্যাশন এক্সপোতে বাংলাদেশের ১১ প্রতিষ্ঠান

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ সৌদি আরবে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জেদ্দায় শুরু হয়েছে চতুর্থ ‘সৌদি ফ্যাশন অ্যান্ড টেক্স এক্সপো ২০২৬’। ২৪ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর জেদ্দা ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই মেলায় বাংলাদেশের স্বনামধন্য ১১টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের সক্ষমতা তুলে ধরা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশের এ অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো মেলায় অংশ নিচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্যোগ দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—জাকারিয়া নিটওয়্যার লিমিটেড, আলেয়া অ্যাপারেলস লিমিটেড, এম/এস এএইচকিউ অ্যাপারেলস, মডেস্ট অ্যাটায়ার বাই জাহান, ইটন ফ্যাশনস লিমিটেড, বুনাম গার্মেন্টস লিমিটেড, স্বপ্নীল হাউজ, বেল বটম লিমিটেড, মার্কার, আল-নূর গার্মেন্টস লিমিটেড এবং সওদা ফ্যাশন।

সৌদি বাজারে বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের রপ্তানি বহুমুখীকরণের উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দার উদ্যোগে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এক্সপোতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেন মিনিস্টার (কমার্শিয়াল) সৈয়দা নাহিদা হাবিবা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কনস্যুলার (কাউন্সিলর) এ এস এম সায়েম, কাউন্সিলর (শ্রম) খন্দকার সেরাজুস সালেকীন এবং তৃতীয় সচিব নুরুল আলম।

সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপটে দেশটির বাজারে আন্তর্জাতিক মানের পোশাক ও ফ্যাশন পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশের টেক্সটাইল, পোশাক ও ফ্যাশন শিল্পের উপস্থিতি সৌদি বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চার দিনব্যাপী এ মেলায় বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বাধুনিক গার্মেন্টস পণ্য, নিটওয়্যার, ফ্যাশনওয়্যার, টেক্সটাইল ও হস্তশিল্প প্রদর্শন করছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সুনাম ও দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের।


বাংলাদেশের ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশের ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের
বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০টি দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট কিছু বিশেষায়িত ওষুধে শতভাগ শুল্কছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বাণিজ্য বিভাগের ব্যুরো অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড সিকিউরিটি (বিআইএস) সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য শুল্কের আওতাভুক্ত এসব দেশ ও অঞ্চলের তালিকা প্রকাশ করেছে।

এ সুবিধার আওতায় বেশ কিছু জটিল ও বিশেষায়িত চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ কোনো প্রকার শুল্ক ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করতে পারবে। এর মধ্যে রয়েছে বিরল রোগের ওষুধ, নিউক্লিয়ার মেডিসিন, রক্তের প্লাজমা (রক্তরস) থেকে উৎপাদিত চিকিৎসা উপাদান, বন্ধ্যত্বের ওষুধ, সেল ও জিন থেরাপি এবং অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেট।

এ ছাড়া রাসায়নিক, জৈবিক, তেজস্ক্রিয় ও পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় ব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী এবং প্রাণিচিকিৎসার কিছু পণ্যও এ সুবিধার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এসব পণ্যের কাঁচামাল ও সংশ্লিষ্ট উপাদানও প্রয়োজনে শুল্কছাড়ের সুযোগ পাবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই শূন্য শুল্ক সুবিধার ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত রাখা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিমালার আলোকে বলা হয়েছে, যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকর বা প্রস্তাবিত বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামো চুক্তি রয়েছে এবং যেসব পণ্য দেশটির জরুরি স্বাস্থ্যচাহিদা পূরণে অপরিহার্য, কেবল সে ক্ষেত্রেই এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশেষ তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি রয়েছে আর্জেন্টিনা, ভারত, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড ও লিশটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং ভিয়েতনাম।

তবে বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, নির্দিষ্ট তালিকার বাইরে থাকা পেটেন্টযুক্ত সাধারণ ওষুধের ওপর আগের মতো
১০০ শতাংশ শুল্কই বহাল থাকবে—যদি না সেগুলো অন্য কোনো বিশেষ সুবিধার যোগ্য হয়। অন্যদিকে সাধারণ জেনেরিক ওষুধের ক্ষেত্রে নিয়ম আলাদা রাখা হয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ জানিয়েছে, জেনেরিক ওষুধ ও এর উপাদানগুলো সেকশন ২৩২-এর আওতায় আরোপিত এই শুল্কের আওতাভুক্ত হবে না।