শেয়ার বাজার

টিকটক ভিডিও দেখে ১৯ বছর পর একে অপরকে খুঁজে পেলেন যমজ বোন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

টিকটক ভিডিও দেখে ১৯ বছর পর একে অপরকে খুঁজে পেলেন যমজ বোন

দুজন দেখতে হুবহু একই রকম। চোখ, কান, নাক, মুখের আদলে দুজনের মধ্যে পার্থক্য খুঁজে বের করা দুষ্কর। কারণ সম্পর্কে তারা যমজ বোন। অথচ ১৯ বছর ধরে একই শহরে থাকা সত্ত্বেও তারা কেউ কাউকে চিনতেন-ই না! হঠাৎ ভাইরাল হওয়া এক টিকটক ভিডিওর সূত্র ধরে পরিচয় হয় তাদের। সেখান থেকেই বেরিয়ে এলো পুরো সিনেমার মতো কিন্তু বাস্তব গল্প।

গল্পটার শুরু ২০০২ সালে, পূর্ব এশিয়ার দেশ জর্জিয়ায়। সে বছরের ২০ জুন আজা শোনি নামের এক নারী জর্জিয়ার কিরতিশখি গ্রামে দুটি জমজ কন্যা শিশুর জন্ম দেন। জন্মদানের পর বেশকিছু জটিলতায় কোমায় চলে যান শোনি। আর পরিবারে আরও তিনটি সন্তান থাকায় বাবা গোচ গাখারিয় জমজ বাচ্চা দুটি আলাদা দুটি পরিবারে বিক্রি করে দেন।

পরে ওই দুই শিশু অ্যামি খাভিশা ও আনো সারতানিয়া নামে বেড়ে ওঠে। বয়স যখন ১২ বছর তখন অ্যামি তার প্রিয় টিভি শো ‘জর্জিয়াস গট ট্যালেন্ট’ দেখছিলেন। সেখানে তিনি একটি মেয়েকে দেখেতে পান, যার সঙ্গে তার চেহারার হুবহু মিল রয়েছে। কিন্তু তিনি তখনও জানতেন না যে, নাচতে থাকা মেয়েটিই তার বোন। শেষমেষ ২০২১ সালে একটি টিকটক ভিডিওর সূত্র ধরে একে অপরকে খুঁজে পান দুই বোন।

২০২১ সালে অ্যামি তার চুলের রং নীল করেন ও টিকটকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেই ভিডিও আবার এক বন্ধু অ্যানোকে পাঠান ও জানতে চান যে অ্যানো চুলে নতুন রঙ করেছেন কি না। ভিডিওটি দেখে অ্যানো তার বন্ধুকে জানা, ভিডিওর মেয়েটি তিনি নন।

পরে চেহারায় হুবহু মিল থাকা মেয়েটির পরিচয় জানার জন্য অ্যানো ভিডিওটি ফেসবুকে আপলোড করেন। এরপর অ্যামি কৌতুহলী হয়ে অপর তরুণীর প্রোফাইলে গিয়ে জানতে পারেন, মেয়েটির নাম আনো সারতানিয়া। তিনি থাকেন ৩২০ কিলোমিটার দূরের শহর তিবিলিসিতে।

কিন্তু কোনোভাবেই কিছুতেই আনোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না অ্যামি। পরে একটি বিশ্বিবদ্যালয়ের হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে ভিডিওটি পোস্ট করে অ্যামি জানতে চান যে এই মেয়েটিকে কেউ চেনেন কি না। সেখানে একজন সাড়া দেন।

পরে তার মাধ্যমে যোগাযোগ হয় আনোর সঙ্গে। এভাবেই যমজ বোন পরস্পরকে খুঁজে পান। অ্যামি বলেন, তিবিলিসির রুস্তাভেলি মেট্রো স্টেশনে যখন আমাদের দেখা হলো, তখন মনে হচ্ছিল আমি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছি। যেন নিজেকেই দেখছি। একই মুখ, একই চোখ, একই নাক। এমনকি, কণ্ঠস্বর পর্যন্ত এক। আমি জড়িয়ে ধরা পছন্দ করি না। কিন্তু সেই মুহূর্তে নিজেকে আর সামলাতে পারিনি। আনোকে জড়িয়ে ধরি।

অ্যামি–আনো জানান, পরবর্তী সময়ে তারা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন যে তারা সত্যিই যমজ বোন। তবে তারা তাদের বাবাকে আর খুঁজে বের করার চেষ্টা করেননি। তাদের দাবি, যে বাবা তার সন্তানদের বিক্রি করে দিয়েছেন, সেই বাবার সঙ্গে দেখা করা উচিত না।

তবে তারা তাদের জন্মদাত্রী মা আজার সঙ্গে লাইপজিগের একটি হোটেলে দেখা করেন। তখন আজা তাদের বলেন, অ্যামি–আনোর জন্মের পর তিনি কোমায় চলে গিয়েছিলেন। পরে সুস্থ হয়ে সন্তানদের খুঁজলে হাসপাতালের কর্মীরা জানিয়েছিলেন, তার সন্তানরা জন্মের পরপরই মারা গেছে।

অ্যামি-আনোর এই ঘটনায় জর্জিয়ার একটি কলঙ্কিত দিকও বের হয়ে এসেছে। বিবিসি জানিয়েছে, জর্জিয়ায় ১৯৫০ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত বহু শিশু চুরি করে বিক্রি করে দেওয়ার পেছনে হাসপাতাল কর্মীরা ব্যাপকমাত্রায় জড়িত ছিলেন। এসব ক্ষেত্রে হতভাগা মা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের বলা হতো, তাদের সন্তান জন্মের পরেই মারা গেছে।

অ্যামি ও আনোর পালক মায়েরা জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে নিয়ে আসা হয়েছিল তাদের। দত্তক নেওয়া পরিবার দুটিও জানতো না যে, অ্যামি-অ্যানো জমজ বোন ছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত অন্তত ২২

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত অন্তত ২২

আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, হামলায় অন্তত ২২ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। নিহতরা ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ ও ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সদস্য বলে দাবি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অপারেশন গজব লিল-হক’-এর অংশ হিসেবে পরিকল্পিত ও নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক এই বিমান হামলা চালানো হয়। পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক ও তাদের সহযোগীদের নির্মূলের লক্ষ্যের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের দাবি, নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আফগানিস্তানের দুটি এলাকায় জঙ্গিদের ক্যাম্প ও গোপন আস্তানায় হামলা চালানো হয়। এসব স্থাপনা ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’, ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ ও তাদের সহযোগীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, নির্দিষ্ট লক্ষ্যগুলো নিখুঁতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলায় ২২ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। পাশাপাশি ওই ঘাঁটিগুলোতে মজুত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদও ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দেশটি সবসময় চেষ্টা করে এসেছে। তবে পাকিস্তানের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আফগানিস্তান এখনও সন্ত্রাসবাদের একটি কেন্দ্র হিসেবে রয়ে গেছে বলে পাকিস্তানের উদ্বেগ রয়েছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের হুমকি আফগানিস্তান থেকেই আসছে বলেও দাবি করেছে ইসলামাবাদ।

এই পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসীদের ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়। বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ নীতির আওতায় ‘গজব লিল-হক’ নামে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই অভিযান পূর্ণ গতিতে অব্যাহত থাকবে।

বিদেশি মদদ ও সহায়তায় পরিচালিত সন্ত্রাসবাদ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার কথাও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।


সূত্র: জিও নিউজ


ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলা, নিহত ৬

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলা, নিহত ৬

লোহিত সাগরের তীরবর্তী ইয়েমেনি বন্দরশহর মোখায় অভিযান পরিচালনা করেছে সৌদি আরবের বিমান বাহিনী। এতে ৬ জন নিহত এবং আরও ৮ জন আহত হয়েছেন।

ইয়েমেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাবা নিউজ এজেন্সি আজ মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “সোমবার রাতে মোখায় বোমা বর্ষণ করেছে সৌদি বিমান বাহিনী। এতে ৬ জন নিহত এবং ৮ জন আহত হয়েছেন। নিহত এবং আহতরা সবাই বেসামরিক। আহতদের মধ্যে ২ জন শিশু এবং একজন নারী আছেন।”

গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ইয়েমেনে বিমান অভিযান শুরু করেছে সৌদি আরব। ইরানের মদতপুষ্ট এই ইয়েমেনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেতারা জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে হুথি নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন এলাকা এবং গোষ্ঠীটির বিভিন্ন সামরিক ও লজিস্টিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে বিমান অভিযান অতিমাত্রায় বাড়িয়েছে সৌদি বিমান বাহিনী। হুথি হাইকমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর— ৭ দিনে প্রায় ৩০০টি অভিযান সৌদি বিমান বাহিনী পরিচালনা করেছে বলেও উল্লেখ করেছেন হুথি নেতারা।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর বুধাবর সৌদি আরবের বিমান বাহিনীর একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে হুথি বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিধ্বস্ত বিমানটির ভিডিও পোস্ট করেছে গোষ্ঠীটি। এছাড়া সৌদির জ্বালানি খাতের বিভিন্ন স্থাপনাতেও সম্প্রতি বেশ কয়েক দফা হামলা করেছে হুথি বাহিনী। এতে রিয়াদের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।

আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে ইয়েমেনে হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে সৌদি আরবের। ইতোমধ্যে কয়েক দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে সৌদি আরবের জ্বালানি খাতের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির পর গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে লোহিত সাগর ও এডেন সাগরকে সংযুক্তকারী বাব এল মান্দেব প্রণালি দখল করেছে হুথি যোদ্ধারা, যা সৌদির জন্য বড় দুঃসংবাদ। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বাব এল মান্দেব প্রণালি দিয়ে এত দিন নিজেদের অধিকাংশ জ্বালানি তেল রপ্তানি করে আসছিল সৌদি আরব।

সূত্র : এএফপি


গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৮ ফিলিস্তিনি নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৮ ফিলিস্তিনি নিহত


গাজা সিটিতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত এক ফিলিস্তিনির মরদেহ নিয়ে যাচ্ছে স্বজন ও প্রতিবেশীরা। রয়টার্স

ফিলিস্তিনি ছিটমহল গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছে বলে ভূখণ্ডটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চললেও ইসলায়েলি বাহিনীর একের পর এক হামলায় তা অত্যন্ত নড়বড়ে হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে ইরানের কয়েক সপ্তাহ ধরে চালানো বিমান হামলা থামানোর পর থেকে ইসরায়েল গাজায় হামলা বৃদ্ধি করেছে। ফিলিস্তিনি এই ভূখণ্ডের অর্ধেকের বেশি এখন ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে, বাকি অংশগুলোতে হামাস তাদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে তুলছে, লিখেছে রয়টার্স।

গাজার চিকিৎসা কর্মীরা জানিয়েছেন, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসে ইসরায়েলি হামলায় এক পুলিশ পোস্টের কাছে এক ফিলিস্তিনি ও আরেকজন এক তাঁবুতে নিহত হয়।

তাদের জন্য ‘হুমকি হয়ে ওঠা এক জঙ্গিকে’ তারা খান ইউনিসে হত্যা করেছে বলে দাবি ইসরায়েলি বাহিনীর।

পৃথকভাবে আরেক দল চিকিৎসা কর্মী জানিয়েছেন, মধ্যাঞ্চলীয় শহর দিয়ের আল-বালাহে এক কমিউনিটি কিচেনের কাছে ইসরায়েলি আকাশ হামলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়।

ইসরায়েল বলছে, তারা হামাসের এক কমান্ডারকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালিয়েছে যিনি ‘ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছিলেন’।

গাজার চিকিৎসা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরও তিন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এদের মধ্যে একজনকে খান ইউনিসে গুলি করে আর অপর দুইজনকে দিয়ের আল-বালাহে একটি বেকারির কাছে আকাশ হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়।

শনিবার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, তারা শত্রুবার গাজা সিটিতে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থলে আঘাত হেনে গাজায় হামাসের সশস্ত্র শাখার প্রধান ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদকে হত্যা করেছে।

হামাস হাদ্দাদের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করলেও প্রতিশোধ নেওয়ার কোনো হুমকি দেওয়া থেকে বিরত ছিল।

অক্টোবরে দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৮৭০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। একই সময় ফিলিস্তিনিদের পাল্টা হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে।