শেয়ার বাজার

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নিয়মে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নিয়মে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ভাড়াটে খুনি স্মিথকে ১৯৮৮ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তার মৃত্যুদণ্ড একবার কার্যকর করার চেষ্টা করা হলেও তখন সে বেঁচে গিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাবামা অঙ্গরাজ্য নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে দোষী সাব্যস্ত এক খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।

প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন ব্যবহার করে সর্বোচ্চ সাজা কার্যকর করার পদ্ধতি চালু হওয়ার চার দশক পর বৃহস্পতিবার নতুন আরেকটি পদ্ধতি ব্যবহার করল যুক্তরাষ্ট্র। এদিন আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত খুনি কেনেথ স্মিথের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। 

ভাড়াটে খুনি স্মিথকে ১৯৮৮ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু তার মৃত্যুদণ্ড একবার কার্যকর করার চেষ্টা করা হলেও সে বেঁচে যায়। বিরল ওই ঘটনাটি ঘটে ২০২২ সালের নভেম্বরে। ওই সময় তার দেহের শিরায় একটি সুই ঢোকানোর জন্য কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা করা হলেও তা প্রবেশ করানো যায়নি। এ ঘটনার পর অ্যালবামার কর্মকর্তারা প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন দিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বাতিল করেন।

আরও পড়ুন: গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের নির্দেশ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের

এরপর অঙ্গরাজ্যটি নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পদ্ধতি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। নতুন এই পদ্ধতিকে ‘মানুষের জানা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সবচেয়ে কম যন্ত্রণাদায়ক ও মানবিক উপায়’ বলে অভিহিত করেছিল তারা।  

কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগের এক মিনিটের মধ্যেই স্মিথ জ্ঞান হারাবে ও মারা যাবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এতে আরও কয়েক মিনিট লেগেছে বলে মনে হয়েছে।


মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য হয় শিরা নয় তো প্রাণাঘাতী ইঞ্জেকশনের খোঁজে হন্যে হয়ে থাকা কারাগারগুলোর জন্য শ্বাসরোধ একটি সহজ বিকল্প বলে দাবি করেছে অ্যালাবামা।

রয়টাসর্ জানিয়েছে, জাতিসংঘের নির্যাতন বিশেষজ্ঞ ও স্মিথের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এই পদ্ধতির বিরুদ্ধে ছিল। তাদের বক্তব্য ছিল, এই পদ্ধতি ঝুঁকিপূর্ণ, পরীক্ষামূলক এবং এটি যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু বা আঘাতের কারণ হতে পারে। 

বৃহস্পতিবার স্মিথ দ্বিতীয় কিন্তু শেষবারের মতো জল্লাদখানায় যান। জল্লাদরা তাকে একটি চাকা ওয়ালা স্ট্রেচারে আটকে রেখে তার মুখে কল-কারখানায় ব্যবহার করা হয় এমনটি একটি মানসম্মত মুখোশ বেঁধে দেন। এরপর ওই মুখোশে বিশুদ্ধ নাইট্রোজেন ভরা একটি ক্যান আটকে দেন। এই নাইট্রোজেনের প্রবাহ স্মিথকে অক্সিজেন নেওয়া থেকে বঞ্চিত করে।

আরও পড়ুন: গাজার ক্ষুধার্ত মায়েদের বুকে দুধ নেই, অনাহারে লাখ লাখ শিশু   

কারা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৩ মিনিটে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর শুরু হয়, এরপর রাত ৮টা ২৫ মিনিটে স্মিথকে মৃত ঘোষণা করা হয়।       

গণমাধ্যমের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে পাঁচজন সাংবাদিক এ মৃত্যুদণ্ড দেখার অনুমতি পেয়েছিলেন। তারা জানিয়েছেন, নাইট্রোজেন প্রয়োগ শুরু করার পরও স্মিথ বেশ কয়েক মিনিট সজাগ ছিলেন। এরপর তিনি তার মাথা ঝাঁকাতে থাকেন আর প্রায় দুই মিনিট ধরে মোচড়ামোচড়ি করেন, তারপর বেশ কয়েক মিনিট ধরে গভীরভাবে শ্বাস নিতে থাকেন, একপর্যায়ে শ্বাসপ্রশ্বাস ধীর হয়ে আসে যা পরে আর দৃষ্টিগোচর হয়নি। 

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যালাবামার সংশোধন কমিশনার জন হ্যাম বলেন, “মনে হয়েছে স্মিথ যতক্ষণ সম্ভব তার নিশ্বাস বন্ধ করে রেখেছিলেন।”

রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে আটক করল দিল্লি পুলিশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে আটক করল দিল্লি পুলিশ

ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন বিরোধী দলের নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের কাছে অবস্থান কর্মসূচি থেকে মঙ্গলবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পুলিশ রাহুল গান্ধীসহ অন্য নেতাদের আটক করে বাসে তুলে নেয়। কংগ্রেস সূত্র জানিয়েছে, তাদের উত্তর দিল্লির কিংসওয়ে ক্যাম্প থানায় নেওয়া হচ্ছিল।

এর আগে সকালে পার্লামেন্ট ভবন থেকে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ‘নির্বাচন সদন’-এর উদ্দেশে মিছিল বের করেন ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সকাল ১১টার দিকে শুরু হওয়া ওই মিছিলে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ লেখা ব্যানার ছিল। তারা জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের কাছে পৌঁছানোর পর রাহুল গান্ধী ও অন্য নেতারা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ‘অনিয়ম’ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ‘একতরফা’ সিদ্ধান্তের অভিযোগ তুলে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

রাহুল গান্ধী বলেন, নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় তাদের অবস্থানস্থল থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে হলেও সেখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তার দাবি, প্রায় ৩০০ জন সংসদ সদস্য জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করতে চান।

রাহুল বলেন, ‘জনগণের প্রতিনিধিরা যদি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে না পারেন, তাহলে গণতন্ত্রের অর্থ কী?’

মঙ্গলবার দুপুরেও রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে পুলিশ কিছু সময়ের জন্য একটি বাসে উঠিয়েছিল। পরে তারা বাস থেকে নেমে আসেন। সন্ধ্যায় আবার তাদের আটক করা হয়।

কংগ্রেস সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, দলের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অপর দুই নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কমিশনের কোনো কর্মকর্তা এক-দুই দিনের মধ্যে সাক্ষাতের আশ্বাস দিলে রাহুল অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করতে পারেন- এমন কথাও দলীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে তার শর্ত, ৩০০ জন সংসদ সদস্যকে একসঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দিতে হবে।

ইন্ডিয়া জোটের মিছিল


মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে ইন্ডিয়া জোটের বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্যরা অংশ নেন। তবে জোটের দুই গুরুত্বপূর্ণ দল ডিএমকে ও আম আদমি পার্টি (এএপি) মিছিলে অংশ নেয়নি বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কংগ্রেস জ্ঞানেশ কুমার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এর অংশ হিসেবে ১০ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সাইকেল ও মোটরসাইকেল মিছিল এবং জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর কর্মসূচিও রাখা হয়েছে।

২৫ অক্টোবর থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বুথ পর্যায়ে জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে বড় সমাবেশের কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে কংগ্রেস।

এ ছাড়া ২৫ ও ২৬ নভেম্বর দিল্লির আশপাশের ছয়টি এলাকা থেকে ‘চলো দিল্লি’ কর্মসূচির আওতায় আলাদা মিছিল বের করার পরিকল্পনা রয়েছে। মিছিলগুলো ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবসে দিল্লিতে এসে মিলিত হবে।

কংগ্রেসের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেও নির্বাচন কমিশন ও জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিষয়গুলো তোলা হবে। সিইসির বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব আনার কথাও জানিয়েছে দলটি।

এদিকে ভারতের সুপ্রিম কোর্টেও নির্বাচন কমিশন-সংক্রান্ত একটি মামলা চলছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জ্ঞানেশ কুমার ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ দিয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে আদালত রাজি হয়নি। সংবাদপত্রের প্রতিবেদন সব সময় শতভাগ নির্ভুল নাও হতে পারে- এমন পর্যবেক্ষণও আদালত দিয়েছেন। মামলাটির শুনানি অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি


সবচেয়ে দামি গরু ভিয়াতিনা, দাম ৫৯ কোটি টাকা!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

সবচেয়ে দামি গরু ভিয়াতিনা, দাম ৫৯ কোটি টাকা!

আর ক’দিন পরই বাংলাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ত্যাগের মহিমায় এই উৎসব পালন করতে এখন কুরবানির পশুর হাটে ভিড় করছেন মানুষ। সেখানে কয়েকটি জাতের গরুর দাম ১২-১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠছে। যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয়, একটি গরুর কত দাম সর্বোচ্চ কত হতে পারে?
 
ব্রাজিলের এক নিলামে একটি ‘নেলোর’ প্রজাতির গরু ৪৮ লাখ মার্কিন ডলারে (বর্তমানে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৯ কোটি টাকা) বিক্রি হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে দামি গরু হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও জায়গা করে নিয়েছে ‘ভিয়াতিনা ১৯’ নামের গরুটি।

২০২৩ সালের ব্রাজিলের সাও পাওলো শহরের আরন্দুতে ১ হাজার ১০১ কেজি ওজনের গরুটি নিলামে তোলা হয়েছিল। এর আংশিক মালিকানা ১৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি হওয়ার পর গরুটির মোট বাজারমূল্য রেকর্ড ৪৩ লাখ ৮০ হাজার ডলারে গিয়ে পৌঁছায়। 

চোখ কপালে তুলে দেয়া দামের পেছনে রয়েছে নেলোর প্রজাতির গরুর জিনগত উপাদানের সম্ভাবনা। দামই বলে দিচ্ছে, এই জাতটির কত উন্নত গুণমানের। এর তুষার-সাদা রঙ, বিশাল আকৃতি এবং চমৎকার জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের জন্য এটি বিখ্যাত। শারীরিক দিক থেকে এই গরু অতি শক্তিশালী। গরুটির দুধেও আছে অনেক বেশি পুষ্টিগুণ।

নেলোর জাতের গরুর উৎপত্তি ভারতে। অন্ধ্র প্রদেশের নেলোর জেলার নাম থেকেই এই প্রজাতির নামকরণ করা হয়েছে। ১৮৬৮ সালে জাহাজে এক জোড়া নেলোর গরু ব্রাজিলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর এই গরুর সংখ্যার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছিল দেশটিতে। এখন ব্রাজিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবাদি পশুর জাত হয়ে উঠেছে নেলোর গরু।


বাংলাদেশের সীমান্তের পাশে রাখাইনে জান্তার বিমান হামলায় ৫০ জন নিহত, জাতিসংঘের উদ্বেগ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলাদেশের সীমান্তের পাশে রাখাইনে জান্তার বিমান হামলায় ৫০ জন নিহত, জাতিসংঘের উদ্বেগ

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বাংলাদেশ সীমান্তের খুব কাছে রাখাইন রাজ্যে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে। সোমবার কায়ুকতো শহরে এই হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা আরও অনেক। স্থানীয়দের দাবি, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।

হামলার খবর জানার পর মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক বলেন, রাখাইনের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরার মতো পরিবেশ এখন সেখানে নেই। তিনি মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের পক্ষ থেকে হামলার তীব্র নিন্দা জানান। গুতেরেস বেসামরিক মানুষের জীবন রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে সহিংসতা এখনই বন্ধ করার কথাও বলেছেন তিনি।

রাখাইনভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি জানিয়েছে, হামলায় ৫০ জন মারা গেছেন এবং ৫৮ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় এক দাতব্যকর্মী ওয়েই হান ওং এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তার দেওয়া এক ছবিতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নারী ও শিশুদের মরদেহ বের করা হচ্ছে।

আরাকান আর্মির মুখপাত্র খাইং থুকা অভিযোগ করেছেন, জান্তার বিমানবাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে জনবহুল বাজার, স্কুল, আবাসিক এলাকা এবং সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোও বলছে, হামলাটি একটি বাজারে হয়েছে।

২০২১ সালে অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করার পর থেকে মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ চলছে। এই হামলা সেই সংঘাতেরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।