শেয়ার বাজার

আরও চার ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আরও চার ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন

নতুন করে আরও চারটি ডিজিটাল ব্যাংককে নীতিগত অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া নগদ ডিজিটাল ব্যাংক ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসিও নতুন শর্ত পূরণ করে কার্যক্রমে আসার সুযোগ পাবে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্ষদ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নতুন করে নীতিগত অনুমোদন পাওয়া চার ব্যাংক হলো বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক ও বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক। বিকাশের শেয়ারধারীরা বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা। ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটানের মূল উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক। নোভা ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন এবং বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান রবি আজিয়াটা লিমিটেড।

নতুন শর্ত অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডারদের ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন নিয়ে কার্যক্রম শুরু করতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এ ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধনের শর্ত ছিল ১২৫ কোটি টাকা। নতুন মূলধন পুরোপুরি পরিশোধিত হতে হবে।

এ ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানকে একবারে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হবে না। প্রথমে ছয় মাস পরীক্ষামূলকভাবে ব্যাংকিং সেবা চালাতে হবে। এ সময়ে কার্যক্রম সফল হলে পরে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হবে। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে সফল না হলে চূড়ান্ত লাইসেন্স নাও মিলতে পারে।

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে ২০২৪ সালের জুনে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসিকে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে ২০২৩ সালের আগস্টে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ সভায় নগদ ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসিকে প্রাথমিক সম্মতিপত্র (এলওআই) দেওয়া হয়েছিল। তবে সরকার পতনের পর বিদেশে কোম্পানি খুলে এসব ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় অর্থ পাচারের অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স স্থগিত করে বাংলাদেশ ব্যাংক। কড়ির নামে চূড়ান্ত লাইসেন্সও ইস্যু করা হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের মালিকানায় যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত পাঁচটি কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত ফিনক্লুশন ভেঞ্চারস পিটিই লিমিটেড এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ব্লু হেভেন ভেঞ্চারস, অসিরিস ক্যাপিটাল পার্টনারস, জেন ফিনটেক ও ট্রুপে টেকনোলজিস রয়েছে।

২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট বিনিয়োগকারী পাঁচ বিদেশি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরে চিঠি পাঠায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ও ঠিকানা, মালিকানা কাঠামো, ব্যবসায়িক কার্যক্রম, বর্তমান মালিকানা ও নাগরিকত্ব, গত তিন বছরের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ও নিট সম্পদসহ বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়। তবে এসব তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক পায়নি।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসির ক্ষেত্রেও একই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। ব্যাংকটির মূল উদ্যোক্তা প্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান টেকনোহেভেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ নেয়ামুল করিম। যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত চারটি কোম্পানির বিষয়ে তথ্য না পাওয়ায় এতদিন প্রতিষ্ঠানটি চূড়ান্ত লাইসেন্স পায়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা  বলেন, নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের নামে ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক লাইসেন্স দিয়েছে। কড়ির নামে ইস্যু করা এলওআইও বাতিল করা হয়নি। এখন দুটি প্রতিষ্ঠানই নতুন শর্তে রাজি হলে লাইসেন্স পেতে পারে। তবে বিতর্কিত বা পলাতক উদ্যোক্তারা থাকতে পারবেন না এবং নতুন পরিশোধিত মূলধনের শর্ত পূরণ করতে হবে।

দেশে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০২৩ সালে। ওই বছরের ২০ জুন আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে ৫২টি আবেদন জমা পড়ে। সেখান থেকে নগদ ও কড়িকে প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

বিশ্ববাজারে ১০১ ডলারে পৌঁছেছে জ্বালানি তেলের দাম

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

বিশ্ববাজারে ১০১ ডলারে পৌঁছেছে জ্বালানি তেলের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০১ ডলার অতিক্রম করেছে। 
বুধবার (৭ অক্টোবর) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ৯৩ সেন্ট বা ০.৯২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ১০১.৫১ ডলারে পৌঁছেছে।

একই সময়ে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ব্যারেলে ৮২ সেন্ট বা ০.৯২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯০.২৫ ডলারে বেচাকেনা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের তেল উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোর দিকে ধেয়ে আসা শক্তিশালী ঝড় এবং সৌদি আরবে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হামলার কারণে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিপরীতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্ববাজারে বাড়তি তেল সরবরাহের প্রচেষ্টা চললেও বাজারে তার প্রভাব কম দেখা যাচ্ছে।


জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব সবজির বাজারে

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব সবজির বাজারে

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহনের খরচ বৃদ্ধি ও বৃষ্টির কারণ দেখিয়ে রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে এখনও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। আসন্ন শীত মৌসুমে সবজির দাম কম থাকার কথা থাকলেও উল্টো বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্য। বাজারে বেশির ভাগ সবজিই বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকার ঘরে; আর শিম ও বেগুনের দাম ক্রেতাদের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা থেকে ১৮০ টাকায় এবং বেগুন প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া করলা ও ঢেঁড়সের প্রতি কেজি ৮০ টাকা। তবে সবজির মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে কেবল মুলা, যার প্রতি কেজি ৩০ টাকা।
আজকের বাজারে প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, বেগুন (গোল) প্রতি কেজি ১০০ টাকায়, শিম প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং কাকরোল প্রতি কেজি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এছাড়া অন্যান্য সবজির মধ্যে ঝিঙা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ধন্দুল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর মালিবাগ বাজারে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী কামরুজ্জামান সোহেল। তিনি বলেন, “বাজারের সব ধরনের সবজির দাম বেশি বেশি। ১০০ টাকা ৮০ টাকার ঘরে প্রায় সব ধরনের সবজি। এত টাকা দিয়ে সবজি কিনে খাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য আসলেই কঠিন। শীত মৌসুম আসতে চলেছে, এ সময় সবজির দাম কম হওয়ার কথা, উল্টো সবজির দাম বাড়তি। বিক্রেতাদের জিজ্ঞেস করলে তারা বলে পরিবহনের খরচ বাড়ার কারণে সবজির দাম বাড়তি যাচ্ছে। আগে যেখানে এক কেজি সবজি কিনতাম, এখন এক আইটেম সবজি কিনি আধা কেজি করে।”

সবজির দাম বিষয়ে রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা খাদিমুল ইসলাম বলেন, ‘বেগুন ১০০ টাকা কেজি, বাকি সবজিগুলো ৮০ টাকা ৬০ টাকার ঘরে বিক্রি হচ্ছে। সবজির দাম বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণ হচ্ছে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া। পরিবহন খরচ বৃদ্ধির বিষয়টি সবজির বাজারে প্রভাব ফেলেছে। এছাড়া সামনের শীতকালের মৌসুম আসছে, এ সময় নতুন করে সব সবজি বাজারে উঠবে। তার আগে এখন আগের সবজি শেষ হয়ে যাচ্ছে, তাই বাজারে তুলনামূলক সরবরাহ কম। সবকিছু মিলিয়ে সবজির দাম কিছুটা বাড়তি যাচ্ছে। তবে দুই-এক মাসের মধ্যে শীতকালীন মৌসুম শুরু হয়ে গেলে বাজারে প্রচুর পরিমাণে নতুন সবজি উঠবে, তখন আবার সবজির দাম কমে আসবে।’


রাষ্ট্রায়ত্ত ১০ ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৪

রাষ্ট্রায়ত্ত ১০ ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগ

সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেপলমেন্ট ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংক- এ রাষ্ট্রায়ত্ত ১০ ব্যাংকে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেপলমেন্ট ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকে চুক্তিভিত্তিক নতুন এমডি ও সিইও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এ চার প্রতিষ্ঠানে এমডি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিয়ে।

উপব্যবস্থাপনা (ডিএমডি) পরিচালক থেকে এমডি পদে পদোন্নতি ও পদায় দিয়ে সোমবার (২১ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জরি করা হয়েছে। আর বাকি ৬ ব্যাংকের এমডি নিয়োগের সুপারিশ করে পরিচালনা পর্ষদকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

সোনালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও পদে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এমডি মো. শওকত আলী খান। জনতা ব্যাংকের ব্যাংকের এমডি ও সিইও পদে নিয়োগ পেয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের এমডি মো. মজিবর রহমান।

অগ্রণী ব্যাংকের এমডি ও সিইও পদে নিয়োগ পেয়েছেন ব্যাংকটির সাবেক ডিএমডি মো. আনোয়ারুল ইসলাম। রূপালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও পদে নিয়োগ পেয়েছেন রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ডিএমডি মো. আ. রহিম।

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের এমডি ও সিইও হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জনতা ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি মো. জসীম উদ্দিন এবং বেসিক ব্যাংকের এমডি ও সিইও পদে নিয়োগ পেয়েছেন জনতা ব্যাংকের আরেক সাবেক ডিএমডি মো. কামরুজ্জামান।

এছাড়া সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি মীর মোফাজ্জল হোসেনকে আনসারি-ভিডিপি ব্যাংকের এমডি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ডিএমডি সালমা বানুকে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের এমডি, সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি সঞ্চিতা বিনতে আলীকে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এমডি এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ডিএমডি চানু গোপাল ঘোষকে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের এমডি হিসেবে পদোন্নতি ও পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক- সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকে শেখ হাসিনা সরকারের সময় তিন বছরের চুক্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত এমডি ও সিইওদের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে সরকার।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর এসব ব্যাংকের এমডিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করতে চেয়ারম্যানদের চিঠি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। তারপর থেকে এসব ব্যাংকের এমডি ও সিইও পদ শূন্য ছিলো।

যোগাযোগ করা হলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের রুটিন দায়িত্ব পালন করা অতিরিক্ত সচিব অমল কৃষ্ণ মণ্ডল জাগো নিউজকে বলেন, ৪টি ব্যাংকের ডিএমডি-কে পদোন্নতি দিয়ে এমডি পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আর বাকি ৬টি ব্যাংকের এমডি নিয়োগের জন্য সুপরিশ করে ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এখন পরিচালনা পর্ষদ তাদেরকে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দেবেন।