শেয়ার বাজার

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম

হুথি হামলা সত্ত্বেও সৌদি তেলের আংশিক রপ্তানি পুনর্বহালের খবরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। রয়টার্স সংবাদ সংস্থার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারস এবং মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দাম ১০ সেপ্টেম্বরের পর সবচেয়ে কম রেকর্ড করা হয়। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ২ দশমিক ১৬ ডলার বা ২ দশমিক ০৮ শতাংশ কমে ১০১ দশমিক ৭১ ডলারে দাঁড়ায়।

একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দাম ব্যারেলে ২ দশমিক ১৫ ডলার বা ২ দশমিক ১৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৯৮ দশমিক ১৫ ডলারে নেমে আসে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার রয়টার্সকে জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ প্রশমনে চলতি সপ্তাহে একটি কূটনৈতিক পথ উন্মোচনের আশায় তেলের বাজার থেকে ঝুঁকিজনিত অতিরিক্ত মূল্যের একটি অংশ হ্রাস পাচ্ছে। তবে এই আশা বাস্তবায়িত হবে কি না তা সময়ের ওপর নির্ভর করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সূত্র: আল জাজিরা


ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন মোহাম্মদ আবু জাফর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন মোহাম্মদ আবু জাফর

ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ আবু জাফর। গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তিনি এ দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

ব্যাংকিং খাতে ৩৬ বছরের দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে মোহাম্মদ আবু জাফরের। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ব্যবসা উন্নয়ন, তৈরি পোশাক খাতে অর্থায়ন, অফশোর ব্যাংকিং, করপোরেট ব্যাংকিং, ট্রেজারি, ঋণ ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক বাণিজ্যে অর্থায়ন এবং শাখা ব্যাংকিংসহ ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ন্যাশনাল ব্যাংকে যোগদানের আগে তিনি দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ঢাকা ব্যাংক পিএলসিতে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এছাড়া ২০২১ সাল থেকে ঢাকা ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

মোহাম্মদ আবু জাফর ১৯৯০ সালে উত্তরা ব্যাংক পিএলসিতে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে ব্যাংকিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি ও ঢাকা ব্যাংক পিএলসিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

উত্তরা ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংকে তিনি ১৫ বছরেরও বেশি সময় অনুমোদিত ডিলার (এডি) শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি বৈদেশিক মুদ্রা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং শাখা ব্যাংকিং কার্যক্রমে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

মোহাম্মদ আবু জাফর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (আইবিবি) থেকে ডিপ্লোমেড অ্যাসোসিয়েট অব দ্য ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (ডিএআইবিবি) ডিগ্রি অর্জন করেন।

দীর্ঘ পেশাজীবনে তিনি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন ব্যাংকিং প্রশিক্ষণ, পেশাগত কর্মসূচি, সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করেছেন।


আমদানি কমেছে ২৫%, ২ হাজার টাকা ছাড়াল ১২ কেজির সিলিন্ডার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আমদানি কমেছে ২৫%, ২ হাজার টাকা ছাড়াল ১২ কেজির সিলিন্ডার

এক ধাক্কায় আমদানি প্রায় ২৫ শতাংশ কমে যাওয়ায় দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। সরবরাহ ঘাটতির সুযোগে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দরের চেয়ে সিলিন্ডারপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারে রান্নায় বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম দুই হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

বিইআরসি ও এলপিজি আমদানিকারক সূত্র জানায়, গত আগস্ট মাসে দেশে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছিল। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে তা নেমে এসেছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টনে। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে আমদানি কমেছে প্রায় ৪০ হাজার টন।

অথচ চলতি মাসের ২ সেপ্টেম্বর বিইআরসি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল। বাস্তবে বাজারে সিলিন্ডার পেতে ভোক্তাদের গুনতে হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার কারণে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির মতো প্রধান নৌপথে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এতে বিশ্বজুড়ে তীব্র জাহাজসংকট দেখা দিয়েছে এবং পরিবহন ভাড়াও বহুগুণ বেড়েছে। বাংলাদেশের এলপিজি আমদানির প্রধান উৎস মধ্যপ্রাচ্য। মূল নৌপথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় বিকল্প পথে পণ্য আনতে সময় ও ব্যয় দুটোই অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে।

মেঘনা ফ্রেশ এলপিজি লিমিটেডের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) আবু সাঈদ রেজা বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা কার্গো না পাওয়া। আগে একটি পথ বন্ধ থাকলে অন্যটি খোলা থাকত।
 
তিনি আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও অনেক বৈশ্বিক সরবরাহকারী ২০ শতাংশ সরবরাহ কাটছাঁট করেছে। আর বাড়তি প্রিমিয়াম দিয়েও খোলাবাজার থেকে কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না।

আমদানিকারকদের দাবি, বিশ্ববাজারে বাড়তি প্রিমিয়াম ও পরিবহন খরচের চাপ বিইআরসির মাসিক মূল্যসূত্রে পুরোপুরি সমন্বয় করা হচ্ছে না। এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সদস্যরা জানান, বিশ্ববাজারে কার্গো প্রিমিয়াম টনপ্রতি বিইআরসির নির্ধারিত ১৬০ ডলার থেকে বেড়ে ২৬০ থেকে ৪০০ ডলারে ঠেকেছে। নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে বাড়তি খরচ তোলা অসম্ভব হওয়ায় অনেকে লোকসান এড়াতে আমদানি সীমিত রেখেছেন।

ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তানজীম চৌধুরী বলেন, সেপ্টেম্বরে আমরা প্রায় ৩০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করেছি। বৈশ্বিক সংকটে উৎপাদকদের দিক থেকে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

দেশে বছরে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টন এলপিজির চাহিদা রয়েছে, যার ৮০ শতাংশই গৃহস্থালির রান্নায় ব্যবহৃত হয়। এ চাহিদার প্রায় ৯৯ শতাংশই জোগান দেয় বেসরকারি খাত।

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত জাহাজ যথাসময়ে না পৌঁছায় সেপ্টেম্বর মাসে বাজারে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সংকট কাটাতে দ্রুত আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক নৌপথের জটিলতা না কাটলে এবং প্রয়োজনীয় কার্গো নিশ্চিত করা না গেলে অক্টোবর মাসেও এই সংকট বজায় থাকার ঝুঁকি রয়েছে।