শেয়ার বাজার

চাল-ডাল-আটা-ময়দা-মসলাসহ কিছু নিত্যপণ্যের দাম চড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩

চাল-ডাল-আটা-ময়দা-মসলাসহ কিছু নিত্যপণ্যের দাম চড়া

বাজারে বেশকিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে চিনির দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। এছাড়া  চাল, ডাল, আটা, ময়দা, মসলাসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম।

শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) রামপুরা মালিবাগ কারওয়ান বাজারসহ কয়েকটি বাজার ও মুদি দোকান ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। তবে বাজারে সবজির দাম কিছুটা কম দেখা গেছে। নিম্নমুখী আছে মুরগি ও ডিমের দাম।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খোলা বাজারে খোলা সাদা চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। আর প্যাকেজাত সাদা চিনি ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায়। এসব চিনির দাম কয়েক সপ্তাহ আগে ১৪০ টাকার মধ্যে ছিল।

রামপুরা এবি স্টোরের কালাম হোসেন বলেন, কোম্পানি তারপরও চিনি দিচ্ছে না। তারাই সংকট লাগিয়ে রেখে দাম বাড়াচ্ছে।

এদিকে, মুদি দোকানে চলতি মাসের শুরুতে মসুর ডালের দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছিল। মাঝে কয়েক দিন কমে আবার বেড়েছে এখন। বর্তমানে মোটা দানার ডালের কেজি ১১০ থেকে ১২০ এবং ছোট দানার ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খোলা আটা ৪৮ থেকে ৫০ টাকা আর খোলা ময়দা ৬৫ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহের তুলনায় ৫ টাকা বেশি।

অন্যদিকে, খুচরা বাজারে আলু এখনও ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।পাশাপাশি মানভেদে দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে কেজি ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায়, আমদানি রসুন ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। আমদানি করা আদা ২২০ বিক্রি হচ্ছে।

মসলা জাতীয় পণ্য বিক্রেতা ফারুক আহমেদ বলেন, আদা রসুনের দাম বেড়েছে। তবে পেঁয়াজ আগের দামে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারভেদে ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ডজন ১২০ থেকে ১৩৫ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৭০-১৯০ টাকা।

এছাড়া মানভেদে বিআর আটাশের চাল ৫৬ থেকে ৬০ টাকা, মানভেদে মিনিকেট চাল ৭০ থেকে ৭২ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

চালের দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে বুলু রাইস স্টোরের স্বত্তাধিকারী বুলু মিয়া বলেন, বিআর আটাশ চালের দাম কেজিতে চার টাকা বাড়ছে। নাজিরেও বাড়ছে চার টাকা আর মিনিকেটে বাড়ছে দুই টাকা। কয়েক বছর থেকে ধান কাটা-মারির মৌসুমে আর চালের দাম কমে না। এখন অব সিজনে দাম কমে। সিজন সময়ে আগে কমতো।

তবে বাজারের সবজির দাম কমে প্রায় অধিকাংশ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এ মাসে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যাংক ঋণ নিচ্ছে সরকার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

এ মাসে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যাংক ঋণ নিচ্ছে সরকার

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার। চলতি অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে বকেয়াসহ পরিশোধ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাড়তি অর্থ সংস্থানে অক্টোবরে ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ নিচ্ছে সরকার। চলতি অর্থবছরের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।অবশ্য এই ঋণের বড় অংশই পুরোনো ঋণ সমন্বয়সহ বিভিন্ন কাজে লাগানো হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, বাজেট ঘাটতি মেটাতে ঋণ নেওয়া ও পরিশোধ করা একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। এসব ঋণের বড় একটি অংশ আগের ঋণ পরিশোধে খরচ হয়। এছাড়া, দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে সরকারকে খরচ করতে হয়। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিদ্যুত্-জ্বালানির খরচও অনেক বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, বকেয়াসহ নতুন পে স্কেলের আলোকে বেতন দিতে যাচ্ছে সরকার। আবার বিদ্যুত্-জ্বালানিতে সরকারের ব্যয় অনেক বেড়েছে। এ সময়ে আশানুরূপ রাজস্ব আয় হচ্ছে না। বিদেশি ঋণ ছাড়ের তুলনায় পরিশোধ হচ্ছে বেশি। যে কারণে অক্টোবরে সরকারকে বাড়তি ঋণ নিতে হচ্ছে। সাধারণভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি রবিবার বিল এবং মঙ্গলবার বন্ডের নিলাম হয়ে থাকে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত তারল্যের মাধ্যমে এগুলো কিনে থাকে। বিভিন্ন মেয়াদি বন্ড ও বিলের মাধ্যমে সরকার ব্যাংকগুলো হতে ধার করে থাকে। গেল সপ্তাহে রবিবার বিভিন্ন ধরনের বিলের বিপরীতে ১০ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হয়। আর বন্ডের মাধ্যমে মঙ্গলবার নেওয়া হয় ৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকার ঋণ। আর আগামী মঙ্গলবার সরকারি ছুটির কারণে আগের দিন সোমবার নিলাম করে ৪ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে চলতি মাসে বিলের বিপরীতে আরো ৩৫ হাজার কোটি টাকা এবং বন্ডের বিপরীতে সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা নেবে সরকার। আগামী নভেম্বর মাসে সরকার বিল ও বন্ডের বিপরীতে ৫৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং ডিসেম্বর মাসে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে ৩৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এর আগে নিলামের বিপরীতে গত জুলাইয়ে ৫৬ হাজার কোটি, আগস্টে ৫০ হাজার কোটি এবং সেপ্টেম্বরের নিলামে ৪১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা নেয় সরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকার নিট ১২ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। সব মিলিয়ে স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯৮ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার চেয়ে ৩ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা বেশি পরিশোধ হয়। এ পরিমাণ কমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সরকারের ঋণ ৯০ হাজার ৩২৩ কোটি টাকায় নেমেছে। একই সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকে সরকারের ঋণ ১৬ হাজার ৬০১ কোটি টাকা বেড়ে আগস্ট শেষে হয়েছে ৬ লাখ ৮ হাজার ২৬ কোটি টাকা। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছর ব্যাংক থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। গত অর্থবছর ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সরকার নিয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা।


মূল্যস্ফীতির চাপে নিম্ন আয়ের মানুষ, সেপ্টেম্বরে বাড়ল জীবনযাত্রার ব্যয়

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

মূল্যস্ফীতির চাপে নিম্ন আয়ের মানুষ, সেপ্টেম্বরে বাড়ল জীবনযাত্রার ব্যয়

মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বমুখী গতিতে বিপাকে পড়েছে দেশের সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ। একদিকে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ও জীবনযাত্রার খরচ ক্রমাগত বাড়ছে, অন্যদিকে কমে যাচ্ছে শ্রমজীবী মানুষের আয়ের পথ। সেপ্টেম্বর মাসে দেশের সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে, যা ঠিক আগের মাস আগস্টেও ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। অর্থাৎ মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেছে শূন্য দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত সেপ্টেম্বর মাসের মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, মূল্যস্ফীতির এমন ঊর্ধ্বগতির বিপরীতে একই সময়ে আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে জাতীয় সাধারণ মজুরি সূচক। সেপ্টেম্বরে সার্বিক মজুরি সূচক কমে ৭ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের মাসেও ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। কৃষিশ্রমিক, শিল্প খাতের কর্মী কিংবা সেবা খাত-সবক্ষেত্রেই শ্রমিকের মজুরি কমে গেছে। ফলে একদিকে আয়ের সংকোচন এবং অন্যদিকে খরচের বোঝা বৃদ্ধি পেয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনধারণ সংকটে পড়েছে।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি করেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২২ শতাংশে, যা আগস্টে ছিল ৭ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে মাছ, মাংস, ভোজ্যতেল, ডাল, লবণ ও হরেক রকমের শাকসবজিসহ প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্য কিনতেই ভোক্তাদের বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।

অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ হয়েছে, যা আগস্টে ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে এই খাতে সামান্য স্বস্তি দেখা গেলেও আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় পরিস্থিতি এখন বেশ চড়া। গত বছরের সেপ্টেম্বরে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

অঞ্চলভেদে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, শহরের তুলনায় গ্রাম্য এলাকায় পণ্যের দাম ও জীবনযাত্রার খরচের চাপ বেশি। সেপ্টেম্বর মাসে গ্রামে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে। তার বিপরীতে শহরের ক্ষেত্রে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কম, অর্থাৎ ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ।

মজুরি কমে যাওয়ার বিষয়ে বিবিএসের বিস্তারিত তথ্যে দেখা গেছে, অর্থনীতির প্রধান প্রধান সব খাতেই আয় সংকুচিত হয়েছে। সেপ্টেম্বরে কৃষি খাতে মজুরি সূচক কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশে, আগস্টে যা ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। শিল্প খাতেও একই প্রবণতা দেখা গেছে; আগস্টে এই সূচক ৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ থাকলেও সেপ্টেম্বরে তা কমে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশে নেমে এসেছে। একই ধারাবাহিকতায় সেবা খাতে মজুরি কমে ৮ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ হয়েছে, যা আগের মাসে আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ।


স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হলেন জাহেদুল হক 

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৪

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হলেন জাহেদুল হক 

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৩৮৯তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হলেন শরিয়াহ্ ভিত্তিক স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি.-এর পরিচালক, চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো. জাহেদুল হক।

জাহেদুল হক চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানাধীন পশ্চিম শাকপুরা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট হাই স্কুল থেকে ১৯৮৫ সালে এসএসসি এবং চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে ১৯৮৭ সালে এইচএসসি পাশ করেন। ১৯৯২ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থইস্ট লুইসিয়ানা ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ সম্পন্ন করেন।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের প্রাক্তন পরিচালক, বাংলাদেশ গার্মেন্টস্ ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এর প্রাক্তন সদস্য, চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড কমার্স ও খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ফাইন্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ এর সহ সভাপতি জনাব মো. জাহেদুল হক সততা, যোগ্যতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে দ্রুত সফলতার শীর্ষে আরোহণ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি মেসার্স জাহেদ ব্রাদার্স এর প্রোপ্রাইটর এবং মেসার্স নূর অয়েল অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস্ ও মেসার্স আরাফাত লিমিটেডের পরিচালক।

মানবহিতৈষী, সকলের প্রিয় ব্যক্তিত্ব জাহেদুল হক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত। তিনি বোয়ালখালী হাজী মো. নুরুল হক ডিগ্রী কলেজ, শাকপুরা, চট্টগ্রাম- এর গভর্নিং বডির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য; চট্টগ্রাম রাইজিং স্টার ক্লাবের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান, আর্মি গল্ফ ক্লাব ঢাকা, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল এবং চট্টগ্রাম হার্ট ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য; চট্টগ্রাম বোট ক্লাব, চট্টগ্রাম ক্লাব লিমিটেড, চট্টগ্রাম কলেজিয়েট ক্লাব এবং চট্টগ্রাম সিনিয়রস্' ক্লাব লিমিটেডের স্থায়ী সদস্য। এছাড়াও তিনি আমেনিয়া ফোরকানিয়া নূরীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা এবং চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর।