শেয়ার বাজার

সৌদি আরবে হামলা: বাংলাদেশ থেকে রিয়াদের ৫ ফ্লাইট বাতিল

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবে হামলা: বাংলাদেশ থেকে রিয়াদের ৫ ফ্লাইট বাতিল

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের একের পর এক হামলার কারণে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট উড্ডয়ন বাতিল করা হয়েছে। 

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সংবাদমাধ্যমকে জানায়, হুথি হামলার কারণে শনিবার (১০ অক্টোবর) থেকে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত মোট ৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। 

এগুলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, সৌদিয়া এবং রিয়াদ এয়ারের ফ্লাইট।

শনিবার ঢাকা থেকে রিয়াদের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বিমানবন্দরের পরিস্থিতি দেখে মাঝপথে ওমানের মাস্কাট বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে ফ্লাইটটি ঢাকায় ফিরে আসে।

এদিকে শনিবার মধ্যরাতে রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের মিসাইল হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশি  ছাড়াও মিশর, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সুদান, সিরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছেন। হামলার পর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

গত এক সপ্তাহে রিয়াদ বিমানবন্দরে অন্তত এ নিয়ে চারবার হামলা হয়েছে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার এক পাইলটসহ তিন সৌদির নাগরিক নিহত হন।

হুথিরা ওই দিন বিমানবন্দরের অবকাঠামোর পাশাপাশি সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের একটি বিমানকেও টার্গেট করে হামলা চালায়। এতে ওই পাইলটের মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রায় দুই মাস ধরে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী এবং সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটছে। হুথিরা এক্ষেত্রে রিয়াদ বিমানবন্দরকে সবচেয়ে বড় টার্গেটে পরিণত করেছে। 

তারা এর আগে সতর্কতা দিয়েছিল, যদি কোনো বিমানসংস্থা সৌদির আকাশ দিয়ে বিমান চালায় তাহলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। এরপর, গতকাল (শনিবার) রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দরে এ বড় হামলার ঘটনা ঘটে।

সিইসির পদত্যাগের দাবিতে বেঙ্গালুরুতে বিক্ষোভ, দীপকের সাথে হাত মেলালেন ধ্রুব রাঠি-প্রকাশ রাজ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

সিইসির পদত্যাগের দাবিতে বেঙ্গালুরুতে বিক্ষোভ, দীপকের সাথে হাত মেলালেন ধ্রুব রাঠি-প্রকাশ রাজ

ভারতের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির তথা সিজেপির নেতৃত্বে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। 

 
আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি এবং তামিল অভিনেতা-অধিকারর্মী প্রকাশ রাজ। 

 
আয়োজকরা জানিয়েছেন, কর্ণাটকজুড়ে এসআইআরের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের নিয়ে ‘জনগণের ট্রাইব্যুনাল’ হিসেবে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। বিক্ষোভে নারী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছেন। নারীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ‘চপ্পল প্রতিবাদ’ কর্মসূচিও রাখা হয়েছে। 

 
বিক্ষোভে বক্তব্য দিতে গিয়ে দীপকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ‘গণতন্ত্র হত্যা ও ভোট চুরির’ অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার পদ থেকে পদত্যাগ না করা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলবে।

 
বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা পোস্টারে বিভিন্ন স্লোগান দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি স্লোগান হলো- ‘এরর ৪০৪-নাম খুঁজে পাওয়া যায়নি’, ‘সময় হয়ে গেছে ভাই, পদত্যাগ করুন স্যার’ এবং ‘আমাদের মুছে ফেলবেন না, আমাদের কথা শুনুন’। 

এছাড়া বিক্ষোভকারীরা ‘একনায়কতন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না’, ‘ভোট চুরি’ এবং ‘জ্ঞানেশ কুমার, গদি ছাড়ুন, চেয়ার ছেড়ে দিন’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।
 

পোস্টারে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ভগৎ সিং ও সুভাষচন্দ্র বসুর ছবিও দেখা যায়। পাশাপাশি ‘গ্র্যান্ড থেফট ডেমোক্রেসি’ লেখা পোস্টারও প্রদর্শন করছেন বিক্ষোভকারীরা।

 
ভোটার তালিকা থেকে পড়া অনেকেই এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। বেঙ্গালুরুভিত্তিক সফটওয়্যার প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান বলেন, ‘এটা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। আমাদের ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। গণতন্ত্র রক্ষায় আমাদের একসঙ্গে থাকতে হবে, কারণ আমি নিজেই আমার ভোট হারিয়েছি।’

 
তিনি অভিযোগ করেন, ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে তার নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে ফর্ম-৭ কে জমা দিয়েছেন, তা তিনি জানেন না বলেও জানান। 

 
তথ্যসূত্র: দ্য ট্রিবিউন


ইউক্রেইন রাশিয়া যুদ্ধ
রাশিয়ার তুমুল হামলায় ইউক্রেইনে নিহত ১১

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

রাশিয়ার তুমুল হামলায় ইউক্রেইনে নিহত ১১

ইউক্রেইনের রাজধানী কিইভ ও অন্য শহরগুলোতে রাশিয়ার তুমুল ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত ও আরও শতাধিক আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোররাতে এসব হামলা চালানো হয় বলে ইউক্রেইনের কর্তৃপক্ষগুলো জানিয়েছে।

চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এক যুদ্ধে ইউক্রেইনের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে রাশিয়া। আর চলতি বছর রাশিয়ার তেল স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেইন। উভয়পক্ষই বেসামরিকদের লক্ষ্যস্থল করার কথা অস্বীকার করেছে।

গত সপ্তাহে ক্রেমলিন সতর্ক করে বলেছিল, তারা কিইভের লক্ষ্যস্থলগুলোতে ‘পরিকল্পিত আঘাত’ হানবে। ইউক্রেইনের রাশিয়া অধিকৃত অঞ্চল লুহানস্কে এক ছাত্রাবাসে ড্রোন হামলায় ২১ জন নিহত হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় মস্কো এ হুমকি দেয়। ইউক্রেইন হামলার দায় অস্বীকার করে।

রয়টার্স জানিয়েছে হামলার পর কিইভের সুউচ্চ ভবনগুলোতে বিস্ফোরণ ও সেখানে থেকে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডুলি উঠতে দেখা যায়। এখানে রাতভর হামলায় চারজন নিহত ও শিশুসহ ৬৫ জন আহত হয় বলে জানিয়েছেন মেয়র ভিতালি ক্লিচকো।

ক্লিচকো জানান, সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ২৪তলা এক ভবনের একটি অংশ ধসে পড়েছে। লোকজন সম্ভবত ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে। আর ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাব্য ধ্বংসাবশেষের আঘাতে অন্যান্য ভবনের মধ্যে নয়তলা একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে আগুন ধরে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ভোররাতেই হাজার হাজার মানুষ কিইভের সাবওয়েতে এসে আশ্রয় নেওয়ার জন্য হাজির হয়। তখন ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষা পদ্ধতিগুলো রাশিয়ার হামলা প্রতিহতে ব্যস্ত ছিল আর সারা আকাশজুড়ে তার ঝলক দেখা যাচ্ছিল।

ভোর হওয়ার পরও কিইভের বিভিন্ন স্থানে আরও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছিল বলে রয়টার্সের এক প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক জানিয়েছেন।

দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় দিনিপ্রোর আঞ্চলিক গভর্নর ওলেকজান্দার হানজা টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, দিনিপ্রো শহর ও এর আশপাশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সাতজন নিহত ও আরও ৩৬ জন আহত হয়েছে।

ইউক্রেইনের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া রাতভর ৬৫৬টি ড্রোন ও ৭৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে, অধিকাংশই কিইভকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে বাহিনীটি জানিয়েছে, তারা ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬০২টি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে অথবা ধ্বংস করেছে।

বিমান বাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে আটটি জিরকন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। মস্কোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়ে নয়গুণ বেশি গতিতে চলতে পারে আর এগুলোর পাল্লা ১০০০ কিলোমিটার।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লক্ষ্যে সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত হানার সক্ষমতা সম্পন্ন দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনাগুলোতে তারা ‘ব্যাপক আঘাত’ হেনেছে।


বাংলাদেশের ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশের ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের
বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০টি দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট কিছু বিশেষায়িত ওষুধে শতভাগ শুল্কছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বাণিজ্য বিভাগের ব্যুরো অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড সিকিউরিটি (বিআইএস) সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য শুল্কের আওতাভুক্ত এসব দেশ ও অঞ্চলের তালিকা প্রকাশ করেছে।

এ সুবিধার আওতায় বেশ কিছু জটিল ও বিশেষায়িত চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ কোনো প্রকার শুল্ক ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করতে পারবে। এর মধ্যে রয়েছে বিরল রোগের ওষুধ, নিউক্লিয়ার মেডিসিন, রক্তের প্লাজমা (রক্তরস) থেকে উৎপাদিত চিকিৎসা উপাদান, বন্ধ্যত্বের ওষুধ, সেল ও জিন থেরাপি এবং অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেট।

এ ছাড়া রাসায়নিক, জৈবিক, তেজস্ক্রিয় ও পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় ব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী এবং প্রাণিচিকিৎসার কিছু পণ্যও এ সুবিধার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এসব পণ্যের কাঁচামাল ও সংশ্লিষ্ট উপাদানও প্রয়োজনে শুল্কছাড়ের সুযোগ পাবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই শূন্য শুল্ক সুবিধার ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত রাখা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিমালার আলোকে বলা হয়েছে, যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকর বা প্রস্তাবিত বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামো চুক্তি রয়েছে এবং যেসব পণ্য দেশটির জরুরি স্বাস্থ্যচাহিদা পূরণে অপরিহার্য, কেবল সে ক্ষেত্রেই এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশেষ তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি রয়েছে আর্জেন্টিনা, ভারত, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড ও লিশটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং ভিয়েতনাম।

তবে বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, নির্দিষ্ট তালিকার বাইরে থাকা পেটেন্টযুক্ত সাধারণ ওষুধের ওপর আগের মতো
১০০ শতাংশ শুল্কই বহাল থাকবে—যদি না সেগুলো অন্য কোনো বিশেষ সুবিধার যোগ্য হয়। অন্যদিকে সাধারণ জেনেরিক ওষুধের ক্ষেত্রে নিয়ম আলাদা রাখা হয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ জানিয়েছে, জেনেরিক ওষুধ ও এর উপাদানগুলো সেকশন ২৩২-এর আওতায় আরোপিত এই শুল্কের আওতাভুক্ত হবে না।