মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ সৌদি আরবে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জেদ্দায় শুরু হয়েছে চতুর্থ ‘সৌদি ফ্যাশন অ্যান্ড টেক্স এক্সপো ২০২৬’। ২৪ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর জেদ্দা ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই মেলায় বাংলাদেশের স্বনামধন্য ১১টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের সক্ষমতা তুলে ধরা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশের এ অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো মেলায় অংশ নিচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্যোগ দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।
মেলায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—জাকারিয়া নিটওয়্যার লিমিটেড, আলেয়া অ্যাপারেলস লিমিটেড, এম/এস এএইচকিউ অ্যাপারেলস, মডেস্ট অ্যাটায়ার বাই জাহান, ইটন ফ্যাশনস লিমিটেড, বুনাম গার্মেন্টস লিমিটেড, স্বপ্নীল হাউজ, বেল বটম লিমিটেড, মার্কার, আল-নূর গার্মেন্টস লিমিটেড এবং সওদা ফ্যাশন।
সৌদি বাজারে বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের রপ্তানি বহুমুখীকরণের উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দার উদ্যোগে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এক্সপোতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেন মিনিস্টার (কমার্শিয়াল) সৈয়দা নাহিদা হাবিবা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কনস্যুলার (কাউন্সিলর) এ এস এম সায়েম, কাউন্সিলর (শ্রম) খন্দকার সেরাজুস সালেকীন এবং তৃতীয় সচিব নুরুল আলম।
সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপটে দেশটির বাজারে আন্তর্জাতিক মানের পোশাক ও ফ্যাশন পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশের টেক্সটাইল, পোশাক ও ফ্যাশন শিল্পের উপস্থিতি সৌদি বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চার দিনব্যাপী এ মেলায় বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বাধুনিক গার্মেন্টস পণ্য, নিটওয়্যার, ফ্যাশনওয়্যার, টেক্সটাইল ও হস্তশিল্প প্রদর্শন করছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সুনাম ও দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম কোনো মুসলিম প্রতিনিধি ছাড়া সরকার গঠিত হয়েছে। সোমবার (২ জুন) ৩৫ জন নতুন মন্ত্রী শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ জনে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন বিজেপি বিধানসভা নির্বাচনে একজন মুসলিম প্রার্থীকেও মনোনয়ন দেয়নি। দলের কিছু শীর্ষ নেতা প্রকাশ্যেই বলেছিলেন, সংখ্যালঘু ভোট তাদের প্রয়োজন নেই। যদিও সংবিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বিধায়ক না হয়েও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন, যদি তিনি ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচিত হন।
সোমবারের এ ঘটনায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে সংখ্যালঘুবিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রীও হবেন একজন অ-সংখ্যালঘু। কারণ, ৪১ জন মন্ত্রীর সবাই হিন্দু। মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন বুধবার হওয়ার কথা। সোমবার ১৩ জন মন্ত্রিসভার সদস্য এবং ২২ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। এদের মধ্যে তিনজন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী। তাঁরা ৯ মে শপথ নেওয়া শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর সঙ্গে থাকা আরও পাঁচজন মন্ত্রিসভার সদস্যের সঙ্গে যুক্ত হলেন।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মুসলিম। তাই রাজ্যের সরকারে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব প্রায় সব সময়ই ছিল। ব্যতিক্রম ছিল হাতে গোনা কয়েকটি সময়ের একটি, স্বাধীনতার পর গঠিত প্রথম সরকার, যার নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন ‘প্রিমিয়ার’ প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ।








